আদালতকক্ষে বসে বিরিয়ানি খেলেন রিজেন্টের সাহেদ

আদালতকক্ষে বসে বিরিয়ানি খেলেন রিজেন্টের সাহেদ
নিজস্ব প্রতিবেদক

দুদকের করা একটি মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে আজ বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু সাক্ষী আদালতে আসেননি। এ কারণে আর সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি।
ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬–এর বিচারক মো. জাকারিয়া হোসেন সাক্ষ্যগ্রহণের নতুন দিন ধার্য করেন আগামী ৪ অক্টোবর।
সাক্ষ্যগ্রহণ না হলেও আদালতকক্ষে বসে মো. সাহেদ তার আইনজীবীর সঙ্গে বসে বিরিয়ানি খেয়েছেন। এ সময় বিচারক এজলাসে ছিলেন না। বুধবার দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে এই ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে আদালতের পেশকার মো. জাহিদুল গণমাধ্যমকে বলেন, সাহেদের আইনজীবী বিচারকের কাছ থেকে মৌখিকভাবে অনুমতি নিয়েছেন। খাওয়া শেষ হলে ১২টা ৪৫ মিনিটে সাহেদকে আদালতকক্ষ থেকে বের করে হাজতখানায় নেওয়া হয়।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১–এর উপপরিচালক ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী করোনার নমুনা পরীক্ষার নামে জালিয়াতি, প্রতারণাসহ বিভিন্ন অভিযোগে রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদসহ মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক ডিজি মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ ও মো. সাহেদসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে লাইসেন্স নবায়ন না করা রিজেন্ট হাসপাতালকে ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতালে রূপান্তর, সমঝোতা স্মারক সই ও সরকারি প্রতিষ্ঠান নিপসমের ল্যাবে ৩ হাজার ৯৩৯ জন কোভিড রোগীর নমুনা বিনা মূল্যে পরীক্ষা করার ব্যবস্থা করেছেন। ওই হাসপাতালে নমুনা পরীক্ষার জন্য রোগীপ্রতি ৩ হাজার ৫০০ টাকা করে মোট ১ কোটি ৩৭ লাখ ৮৬ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে রিজেন্ট হাসপাতালের মিরপুর ও উত্তরা শাখার চিকিৎসক, নার্স, ওয়ার্ড বয় ও অন্য কর্মকর্তাদের মাসিক খাবার খরচ হিসেবে ১ কোটি ৯৬ লাখ ২০ হাজার টাকার চাহিদা তুলে ধরাসহ এর খসড়া স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়। ২০২২ সালের ১২ জুন আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার কাজ শুরু হয়। বিচার চলাকালে আদালত ১৩ জনের মধ্যে ১২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। সর্বশেষ চলতি বছর ৫ জানুয়ারি ১২ নম্বর সাক্ষী সাক্ষ্য দেন।
বুধবার মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য ছিল। তবে মামলার সাক্ষী আদালতে হাজির হননি। ফলে দুদকের প্রসিকিউটর মো. নূরে আলম সময় চেয়ে আবেদন করেন। এই মামলায় কারাগার থেকে আসামি সাহেদকে আদালতে হাজির করা হয়। জামিনে থাকা অপর পাঁচ আসামি আদালতে হাজিরা দেন। অন্য চার আসামি হলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক আমিনুল হাসান, উপপরিচালক (হাসপাতাল-১) ইউনুস আলী, সহকারী পরিচালক (হাসপাতাল-১) শফিউর রহমান ও গবেষণা কর্মকর্তা দিদারুল ইসলাম।

দুদকের করা একটি মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে আজ বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু সাক্ষী আদালতে আসেননি। এ কারণে আর সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি।
ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬–এর বিচারক মো. জাকারিয়া হোসেন সাক্ষ্যগ্রহণের নতুন দিন ধার্য করেন আগামী ৪ অক্টোবর।
সাক্ষ্যগ্রহণ না হলেও আদালতকক্ষে বসে মো. সাহেদ তার আইনজীবীর সঙ্গে বসে বিরিয়ানি খেয়েছেন। এ সময় বিচারক এজলাসে ছিলেন না। বুধবার দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে এই ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে আদালতের পেশকার মো. জাহিদুল গণমাধ্যমকে বলেন, সাহেদের আইনজীবী বিচারকের কাছ থেকে মৌখিকভাবে অনুমতি নিয়েছেন। খাওয়া শেষ হলে ১২টা ৪৫ মিনিটে সাহেদকে আদালতকক্ষ থেকে বের করে হাজতখানায় নেওয়া হয়।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১–এর উপপরিচালক ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী করোনার নমুনা পরীক্ষার নামে জালিয়াতি, প্রতারণাসহ বিভিন্ন অভিযোগে রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদসহ মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক ডিজি মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ ও মো. সাহেদসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে লাইসেন্স নবায়ন না করা রিজেন্ট হাসপাতালকে ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতালে রূপান্তর, সমঝোতা স্মারক সই ও সরকারি প্রতিষ্ঠান নিপসমের ল্যাবে ৩ হাজার ৯৩৯ জন কোভিড রোগীর নমুনা বিনা মূল্যে পরীক্ষা করার ব্যবস্থা করেছেন। ওই হাসপাতালে নমুনা পরীক্ষার জন্য রোগীপ্রতি ৩ হাজার ৫০০ টাকা করে মোট ১ কোটি ৩৭ লাখ ৮৬ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে রিজেন্ট হাসপাতালের মিরপুর ও উত্তরা শাখার চিকিৎসক, নার্স, ওয়ার্ড বয় ও অন্য কর্মকর্তাদের মাসিক খাবার খরচ হিসেবে ১ কোটি ৯৬ লাখ ২০ হাজার টাকার চাহিদা তুলে ধরাসহ এর খসড়া স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়। ২০২২ সালের ১২ জুন আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার কাজ শুরু হয়। বিচার চলাকালে আদালত ১৩ জনের মধ্যে ১২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। সর্বশেষ চলতি বছর ৫ জানুয়ারি ১২ নম্বর সাক্ষী সাক্ষ্য দেন।
বুধবার মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য ছিল। তবে মামলার সাক্ষী আদালতে হাজির হননি। ফলে দুদকের প্রসিকিউটর মো. নূরে আলম সময় চেয়ে আবেদন করেন। এই মামলায় কারাগার থেকে আসামি সাহেদকে আদালতে হাজির করা হয়। জামিনে থাকা অপর পাঁচ আসামি আদালতে হাজিরা দেন। অন্য চার আসামি হলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক আমিনুল হাসান, উপপরিচালক (হাসপাতাল-১) ইউনুস আলী, সহকারী পরিচালক (হাসপাতাল-১) শফিউর রহমান ও গবেষণা কর্মকর্তা দিদারুল ইসলাম।

আদালতকক্ষে বসে বিরিয়ানি খেলেন রিজেন্টের সাহেদ
নিজস্ব প্রতিবেদক

দুদকের করা একটি মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে আজ বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু সাক্ষী আদালতে আসেননি। এ কারণে আর সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি।
ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬–এর বিচারক মো. জাকারিয়া হোসেন সাক্ষ্যগ্রহণের নতুন দিন ধার্য করেন আগামী ৪ অক্টোবর।
সাক্ষ্যগ্রহণ না হলেও আদালতকক্ষে বসে মো. সাহেদ তার আইনজীবীর সঙ্গে বসে বিরিয়ানি খেয়েছেন। এ সময় বিচারক এজলাসে ছিলেন না। বুধবার দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে এই ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে আদালতের পেশকার মো. জাহিদুল গণমাধ্যমকে বলেন, সাহেদের আইনজীবী বিচারকের কাছ থেকে মৌখিকভাবে অনুমতি নিয়েছেন। খাওয়া শেষ হলে ১২টা ৪৫ মিনিটে সাহেদকে আদালতকক্ষ থেকে বের করে হাজতখানায় নেওয়া হয়।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১–এর উপপরিচালক ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী করোনার নমুনা পরীক্ষার নামে জালিয়াতি, প্রতারণাসহ বিভিন্ন অভিযোগে রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদসহ মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক ডিজি মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ ও মো. সাহেদসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে লাইসেন্স নবায়ন না করা রিজেন্ট হাসপাতালকে ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতালে রূপান্তর, সমঝোতা স্মারক সই ও সরকারি প্রতিষ্ঠান নিপসমের ল্যাবে ৩ হাজার ৯৩৯ জন কোভিড রোগীর নমুনা বিনা মূল্যে পরীক্ষা করার ব্যবস্থা করেছেন। ওই হাসপাতালে নমুনা পরীক্ষার জন্য রোগীপ্রতি ৩ হাজার ৫০০ টাকা করে মোট ১ কোটি ৩৭ লাখ ৮৬ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে রিজেন্ট হাসপাতালের মিরপুর ও উত্তরা শাখার চিকিৎসক, নার্স, ওয়ার্ড বয় ও অন্য কর্মকর্তাদের মাসিক খাবার খরচ হিসেবে ১ কোটি ৯৬ লাখ ২০ হাজার টাকার চাহিদা তুলে ধরাসহ এর খসড়া স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়। ২০২২ সালের ১২ জুন আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার কাজ শুরু হয়। বিচার চলাকালে আদালত ১৩ জনের মধ্যে ১২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। সর্বশেষ চলতি বছর ৫ জানুয়ারি ১২ নম্বর সাক্ষী সাক্ষ্য দেন।
বুধবার মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য ছিল। তবে মামলার সাক্ষী আদালতে হাজির হননি। ফলে দুদকের প্রসিকিউটর মো. নূরে আলম সময় চেয়ে আবেদন করেন। এই মামলায় কারাগার থেকে আসামি সাহেদকে আদালতে হাজির করা হয়। জামিনে থাকা অপর পাঁচ আসামি আদালতে হাজিরা দেন। অন্য চার আসামি হলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক আমিনুল হাসান, উপপরিচালক (হাসপাতাল-১) ইউনুস আলী, সহকারী পরিচালক (হাসপাতাল-১) শফিউর রহমান ও গবেষণা কর্মকর্তা দিদারুল ইসলাম।









