জাবিতে উপপরিচালকের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি নারী খেলোয়াড়দের

জাবিতে উপপরিচালকের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি নারী খেলোয়াড়দের
জাবি প্রতিনিধি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শারীরিক শিক্ষা অফিসের উপপরিচালক সাবিহা কবীরের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণ, দায়িত্বে অবহেলা ও ব্যক্তিগত আক্রোশ দেখানোর অভিযোগ তুলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির নারী খেলোয়াড়রা। অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের কাছে লিখিত আবেদনও জমা দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২০ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মাহফুজুর রহমানের কাছে এ অভিযোগপত্র জমা দেন বিভিন্ন ক্রীড়া দলের নারী খেলোয়াড়রা।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের ভিত্তিতে দল নির্বাচন ও খেলোয়াড়দের মাঠে সুযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে বৈষম্যমূলক আচরণ করা হচ্ছে। এছাড়া আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল ও ভলিবল দলের অনুশীলনের সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অনুপস্থিতি, নির্দিষ্ট হলের খেলোয়াড়দের প্রতি দ্বিচারিতা এবং অপেশাদার আচরণের অভিযোগও তোলা হয়েছে।
খেলোয়াড়দের দাবি, একজন প্রশিক্ষকের মূল দায়িত্ব হচ্ছে খেলোয়াড়দের অনুপ্রাণিত করা, তাদের দক্ষতা বাড়ানো এবং সুস্থ ও ইতিবাচক পরিবেশ নিশ্চিত করা। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক শিক্ষা বিভাগের উপ-পরিচালক সাবিহা কবীরের আচরণে খেলোয়াড়দের মধ্যে হতাশা, ক্ষোভ ও মানসিক চাপ তৈরি হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ক্রীড়াক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কৌশলগত জ্ঞান ও দক্ষতার ঘাটতির কারণেও খেলোয়াড়রা কাঙ্ক্ষিত সহায়তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলেও মনে করছেন তারা।
কয়েকজন খেলোয়াড় বলেন, একটি স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া অঙ্গনে কোনো ধরনের স্বেচ্ছাচারিতা, বৈষম্য কিংবা ব্যক্তিগত আক্রোশের স্থান থাকতে পারে না। তাই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
এসব বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত সাবিহা কবীরকে মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান বলেন, অভিযোগটি আমরা গ্রহণ করেছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শারীরিক শিক্ষা অফিসের উপপরিচালক সাবিহা কবীরের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণ, দায়িত্বে অবহেলা ও ব্যক্তিগত আক্রোশ দেখানোর অভিযোগ তুলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির নারী খেলোয়াড়রা। অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের কাছে লিখিত আবেদনও জমা দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২০ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মাহফুজুর রহমানের কাছে এ অভিযোগপত্র জমা দেন বিভিন্ন ক্রীড়া দলের নারী খেলোয়াড়রা।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের ভিত্তিতে দল নির্বাচন ও খেলোয়াড়দের মাঠে সুযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে বৈষম্যমূলক আচরণ করা হচ্ছে। এছাড়া আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল ও ভলিবল দলের অনুশীলনের সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অনুপস্থিতি, নির্দিষ্ট হলের খেলোয়াড়দের প্রতি দ্বিচারিতা এবং অপেশাদার আচরণের অভিযোগও তোলা হয়েছে।
খেলোয়াড়দের দাবি, একজন প্রশিক্ষকের মূল দায়িত্ব হচ্ছে খেলোয়াড়দের অনুপ্রাণিত করা, তাদের দক্ষতা বাড়ানো এবং সুস্থ ও ইতিবাচক পরিবেশ নিশ্চিত করা। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক শিক্ষা বিভাগের উপ-পরিচালক সাবিহা কবীরের আচরণে খেলোয়াড়দের মধ্যে হতাশা, ক্ষোভ ও মানসিক চাপ তৈরি হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ক্রীড়াক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কৌশলগত জ্ঞান ও দক্ষতার ঘাটতির কারণেও খেলোয়াড়রা কাঙ্ক্ষিত সহায়তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলেও মনে করছেন তারা।
কয়েকজন খেলোয়াড় বলেন, একটি স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া অঙ্গনে কোনো ধরনের স্বেচ্ছাচারিতা, বৈষম্য কিংবা ব্যক্তিগত আক্রোশের স্থান থাকতে পারে না। তাই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
এসব বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত সাবিহা কবীরকে মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান বলেন, অভিযোগটি আমরা গ্রহণ করেছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জাবিতে উপপরিচালকের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি নারী খেলোয়াড়দের
জাবি প্রতিনিধি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শারীরিক শিক্ষা অফিসের উপপরিচালক সাবিহা কবীরের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণ, দায়িত্বে অবহেলা ও ব্যক্তিগত আক্রোশ দেখানোর অভিযোগ তুলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির নারী খেলোয়াড়রা। অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের কাছে লিখিত আবেদনও জমা দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২০ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মাহফুজুর রহমানের কাছে এ অভিযোগপত্র জমা দেন বিভিন্ন ক্রীড়া দলের নারী খেলোয়াড়রা।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের ভিত্তিতে দল নির্বাচন ও খেলোয়াড়দের মাঠে সুযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে বৈষম্যমূলক আচরণ করা হচ্ছে। এছাড়া আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল ও ভলিবল দলের অনুশীলনের সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অনুপস্থিতি, নির্দিষ্ট হলের খেলোয়াড়দের প্রতি দ্বিচারিতা এবং অপেশাদার আচরণের অভিযোগও তোলা হয়েছে।
খেলোয়াড়দের দাবি, একজন প্রশিক্ষকের মূল দায়িত্ব হচ্ছে খেলোয়াড়দের অনুপ্রাণিত করা, তাদের দক্ষতা বাড়ানো এবং সুস্থ ও ইতিবাচক পরিবেশ নিশ্চিত করা। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক শিক্ষা বিভাগের উপ-পরিচালক সাবিহা কবীরের আচরণে খেলোয়াড়দের মধ্যে হতাশা, ক্ষোভ ও মানসিক চাপ তৈরি হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ক্রীড়াক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কৌশলগত জ্ঞান ও দক্ষতার ঘাটতির কারণেও খেলোয়াড়রা কাঙ্ক্ষিত সহায়তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলেও মনে করছেন তারা।
কয়েকজন খেলোয়াড় বলেন, একটি স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া অঙ্গনে কোনো ধরনের স্বেচ্ছাচারিতা, বৈষম্য কিংবা ব্যক্তিগত আক্রোশের স্থান থাকতে পারে না। তাই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
এসব বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত সাবিহা কবীরকে মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান বলেন, অভিযোগটি আমরা গ্রহণ করেছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জাবিতে নারী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় ৭ সদস্যের তদন্ত কমিটি


