দীর্ঘ ছুটিতে ঘরমুখো তিতুমীরের শিক্ষার্থীরা

দীর্ঘ ছুটিতে ঘরমুখো তিতুমীরের শিক্ষার্থীরা
তিতুমীর কলেজ সংবাদদাতা

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দীর্ঘ ছুটি শুরু হওয়ায় রাজধানীর সরকারি তিতুমীর কলেজ এখন অনেকটাই প্রাণহীন হয়ে পড়েছে। ক্লাস, আড্ডা আর শিক্ষার্থীদের কোলাহলে মুখর থাকা ক্যাম্পাসে এখন বিরাজ করছে সুনসান নীরবতা।
দীর্ঘদিন ক্লাস পরীক্ষা শেষে টানা ঈদের ছুটি উপভোগ করতে অনেকেই ইতোমধ্যে নিজ নিজ বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়েছেন, আবার কেউ কেউ শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
ফলে ক্যাম্পাসের যে সকল স্থান শিক্ষার্থীদের পদচরণে মুখরিত থাকে—বেলায়েত চত্বর, শাকিল চত্বর, মামুন চত্বর, খেলার মাঠ ও হলপাড়াতে দেখা মিলছে না প্রতিদিনের সেই পরিচিত ব্যস্ততা। শিক্ষার্থী না থাকায় ছেলেদের একমাত্র শহীদ মামুন হলের ক্যান্টিনটিও বন্ধ করা হয়েছে।
হলগেট থেকে বাড়ির উদেশ্যে যাত্রা করা ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী তাসনিম লাবণ্য বলেন, ‘ক্লাস, পরীক্ষা আর ব্যস্ততার ভিড়ে অনেকদিন পর আবার ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফিরবো। এই চাপমুখর দিনগুলোর শেষে আবার মায়ের কোলে শান্তি খুঁজে পাওয়ার অপেক্ষায় আছি। বাড়ি মানেই এক টুকরো স্বস্তি, এক মুঠো ভালোবাসা।’
ইসলামিক স্টাডিজ ডিপার্টমেন্টের শিক্ষার্থী মুহিবুল্লাহ সিফাত বলেন, '‘আব্বু-আম্মুর সাথে ঈদ করতে যাওয়ার এই মুহূর্তগুলো ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। পড়ালেখার প্রয়োজনে পরিবার ছেড়ে দূরে থাকতে হয়, তাই প্রতিটা দিন আম্মুর হাতের রান্নার কথা খুব মনে পড়ত। ঢাকায় থাকা অবস্থায় শেষ কবে সকালে খেয়েছি মনে নেই। অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান হচ্ছে, এবার কুরবানির ঈদটা বাবা-মায়ের সাথেই করব। সত্যি বলতে, সবার সাথে চেনা উঠোনে বসে গল্প করা আর বাবা-মায়ের সাথে ঈদ কাটানোর মজাই একদম আলাদা।’
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী নাফিস হাসান সকি বলেন, ‘ক্লাস, পরীক্ষা আর অ্যাসাইনমেন্টের নিরন্তর ব্যস্ততার পর ঈদুল আযহার এই ছুটি যেন ক্লান্ত মনে একটুখানি শান্তির পরশ হয়ে ধরা দিয়েছে। দীর্ঘদিন পর পরিবারে ফিরে আপনজনদের সান্নিধ্যে কাটানো সময় হৃদয়ে এক গভীর স্বস্তি ও উষ্ণ অনুভূতির জন্ম দিচ্ছে। ঈদের আগমনী আবহ, ঘরের ছোট ছোট ব্যস্ততা আর প্রিয় মুখগুলোর হাসি মিলিয়ে চারপাশ যেন অন্যরকম এক প্রশান্ত সৌন্দর্যে ভরে উঠেছে। পবিত্র ঈদুল আযহার ত্যাগ, সহমর্মিতা ও আত্মশুদ্ধির বার্তা এই আনন্দের মাঝেও জীবনের সত্যিকারের মূল্যবোধ আরও গভীরভাবে অনুভব করাচ্ছে। ব্যস্ত শিক্ষাজীবনের কোলাহল থেকে দূরে এই সময়টুকু যেন মনকে নতুন করে গুছিয়ে নেওয়া ও নিজেকে আরও দৃঢ়ভাবে প্রস্তুত করার এক নীরব সুযোগ হয়ে এসেছে। এই ছুটি তাই শুধু আনন্দের নয়, বরং নতুন উদ্যম, আত্মিক প্রশান্তি আর আবারও প্রিয় ক্যাম্পাসের চেনা ব্যস্ততায় ফিরে যাওয়ার এক সুন্দর প্রতীক্ষা।’
উল্লেখ, পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে আগামী ২৪ মে থেকে ৪ জুন পর্যন্ত ১২ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে সরকারি তিতুমীর কলেজ। এ সময়ে নিয়মিত ক্লাস বন্ধ থাকলেও প্রশাসনিক কার্যক্রম, চলমান পরীক্ষা ও ভর্তি কার্যক্রম চালু থাকবে বলে কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দীর্ঘ ছুটি শুরু হওয়ায় রাজধানীর সরকারি তিতুমীর কলেজ এখন অনেকটাই প্রাণহীন হয়ে পড়েছে। ক্লাস, আড্ডা আর শিক্ষার্থীদের কোলাহলে মুখর থাকা ক্যাম্পাসে এখন বিরাজ করছে সুনসান নীরবতা।
দীর্ঘদিন ক্লাস পরীক্ষা শেষে টানা ঈদের ছুটি উপভোগ করতে অনেকেই ইতোমধ্যে নিজ নিজ বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়েছেন, আবার কেউ কেউ শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
ফলে ক্যাম্পাসের যে সকল স্থান শিক্ষার্থীদের পদচরণে মুখরিত থাকে—বেলায়েত চত্বর, শাকিল চত্বর, মামুন চত্বর, খেলার মাঠ ও হলপাড়াতে দেখা মিলছে না প্রতিদিনের সেই পরিচিত ব্যস্ততা। শিক্ষার্থী না থাকায় ছেলেদের একমাত্র শহীদ মামুন হলের ক্যান্টিনটিও বন্ধ করা হয়েছে।
হলগেট থেকে বাড়ির উদেশ্যে যাত্রা করা ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী তাসনিম লাবণ্য বলেন, ‘ক্লাস, পরীক্ষা আর ব্যস্ততার ভিড়ে অনেকদিন পর আবার ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফিরবো। এই চাপমুখর দিনগুলোর শেষে আবার মায়ের কোলে শান্তি খুঁজে পাওয়ার অপেক্ষায় আছি। বাড়ি মানেই এক টুকরো স্বস্তি, এক মুঠো ভালোবাসা।’
ইসলামিক স্টাডিজ ডিপার্টমেন্টের শিক্ষার্থী মুহিবুল্লাহ সিফাত বলেন, '‘আব্বু-আম্মুর সাথে ঈদ করতে যাওয়ার এই মুহূর্তগুলো ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। পড়ালেখার প্রয়োজনে পরিবার ছেড়ে দূরে থাকতে হয়, তাই প্রতিটা দিন আম্মুর হাতের রান্নার কথা খুব মনে পড়ত। ঢাকায় থাকা অবস্থায় শেষ কবে সকালে খেয়েছি মনে নেই। অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান হচ্ছে, এবার কুরবানির ঈদটা বাবা-মায়ের সাথেই করব। সত্যি বলতে, সবার সাথে চেনা উঠোনে বসে গল্প করা আর বাবা-মায়ের সাথে ঈদ কাটানোর মজাই একদম আলাদা।’
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী নাফিস হাসান সকি বলেন, ‘ক্লাস, পরীক্ষা আর অ্যাসাইনমেন্টের নিরন্তর ব্যস্ততার পর ঈদুল আযহার এই ছুটি যেন ক্লান্ত মনে একটুখানি শান্তির পরশ হয়ে ধরা দিয়েছে। দীর্ঘদিন পর পরিবারে ফিরে আপনজনদের সান্নিধ্যে কাটানো সময় হৃদয়ে এক গভীর স্বস্তি ও উষ্ণ অনুভূতির জন্ম দিচ্ছে। ঈদের আগমনী আবহ, ঘরের ছোট ছোট ব্যস্ততা আর প্রিয় মুখগুলোর হাসি মিলিয়ে চারপাশ যেন অন্যরকম এক প্রশান্ত সৌন্দর্যে ভরে উঠেছে। পবিত্র ঈদুল আযহার ত্যাগ, সহমর্মিতা ও আত্মশুদ্ধির বার্তা এই আনন্দের মাঝেও জীবনের সত্যিকারের মূল্যবোধ আরও গভীরভাবে অনুভব করাচ্ছে। ব্যস্ত শিক্ষাজীবনের কোলাহল থেকে দূরে এই সময়টুকু যেন মনকে নতুন করে গুছিয়ে নেওয়া ও নিজেকে আরও দৃঢ়ভাবে প্রস্তুত করার এক নীরব সুযোগ হয়ে এসেছে। এই ছুটি তাই শুধু আনন্দের নয়, বরং নতুন উদ্যম, আত্মিক প্রশান্তি আর আবারও প্রিয় ক্যাম্পাসের চেনা ব্যস্ততায় ফিরে যাওয়ার এক সুন্দর প্রতীক্ষা।’
উল্লেখ, পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে আগামী ২৪ মে থেকে ৪ জুন পর্যন্ত ১২ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে সরকারি তিতুমীর কলেজ। এ সময়ে নিয়মিত ক্লাস বন্ধ থাকলেও প্রশাসনিক কার্যক্রম, চলমান পরীক্ষা ও ভর্তি কার্যক্রম চালু থাকবে বলে কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

দীর্ঘ ছুটিতে ঘরমুখো তিতুমীরের শিক্ষার্থীরা
তিতুমীর কলেজ সংবাদদাতা

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দীর্ঘ ছুটি শুরু হওয়ায় রাজধানীর সরকারি তিতুমীর কলেজ এখন অনেকটাই প্রাণহীন হয়ে পড়েছে। ক্লাস, আড্ডা আর শিক্ষার্থীদের কোলাহলে মুখর থাকা ক্যাম্পাসে এখন বিরাজ করছে সুনসান নীরবতা।
দীর্ঘদিন ক্লাস পরীক্ষা শেষে টানা ঈদের ছুটি উপভোগ করতে অনেকেই ইতোমধ্যে নিজ নিজ বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়েছেন, আবার কেউ কেউ শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
ফলে ক্যাম্পাসের যে সকল স্থান শিক্ষার্থীদের পদচরণে মুখরিত থাকে—বেলায়েত চত্বর, শাকিল চত্বর, মামুন চত্বর, খেলার মাঠ ও হলপাড়াতে দেখা মিলছে না প্রতিদিনের সেই পরিচিত ব্যস্ততা। শিক্ষার্থী না থাকায় ছেলেদের একমাত্র শহীদ মামুন হলের ক্যান্টিনটিও বন্ধ করা হয়েছে।
হলগেট থেকে বাড়ির উদেশ্যে যাত্রা করা ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী তাসনিম লাবণ্য বলেন, ‘ক্লাস, পরীক্ষা আর ব্যস্ততার ভিড়ে অনেকদিন পর আবার ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফিরবো। এই চাপমুখর দিনগুলোর শেষে আবার মায়ের কোলে শান্তি খুঁজে পাওয়ার অপেক্ষায় আছি। বাড়ি মানেই এক টুকরো স্বস্তি, এক মুঠো ভালোবাসা।’
ইসলামিক স্টাডিজ ডিপার্টমেন্টের শিক্ষার্থী মুহিবুল্লাহ সিফাত বলেন, '‘আব্বু-আম্মুর সাথে ঈদ করতে যাওয়ার এই মুহূর্তগুলো ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। পড়ালেখার প্রয়োজনে পরিবার ছেড়ে দূরে থাকতে হয়, তাই প্রতিটা দিন আম্মুর হাতের রান্নার কথা খুব মনে পড়ত। ঢাকায় থাকা অবস্থায় শেষ কবে সকালে খেয়েছি মনে নেই। অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান হচ্ছে, এবার কুরবানির ঈদটা বাবা-মায়ের সাথেই করব। সত্যি বলতে, সবার সাথে চেনা উঠোনে বসে গল্প করা আর বাবা-মায়ের সাথে ঈদ কাটানোর মজাই একদম আলাদা।’
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী নাফিস হাসান সকি বলেন, ‘ক্লাস, পরীক্ষা আর অ্যাসাইনমেন্টের নিরন্তর ব্যস্ততার পর ঈদুল আযহার এই ছুটি যেন ক্লান্ত মনে একটুখানি শান্তির পরশ হয়ে ধরা দিয়েছে। দীর্ঘদিন পর পরিবারে ফিরে আপনজনদের সান্নিধ্যে কাটানো সময় হৃদয়ে এক গভীর স্বস্তি ও উষ্ণ অনুভূতির জন্ম দিচ্ছে। ঈদের আগমনী আবহ, ঘরের ছোট ছোট ব্যস্ততা আর প্রিয় মুখগুলোর হাসি মিলিয়ে চারপাশ যেন অন্যরকম এক প্রশান্ত সৌন্দর্যে ভরে উঠেছে। পবিত্র ঈদুল আযহার ত্যাগ, সহমর্মিতা ও আত্মশুদ্ধির বার্তা এই আনন্দের মাঝেও জীবনের সত্যিকারের মূল্যবোধ আরও গভীরভাবে অনুভব করাচ্ছে। ব্যস্ত শিক্ষাজীবনের কোলাহল থেকে দূরে এই সময়টুকু যেন মনকে নতুন করে গুছিয়ে নেওয়া ও নিজেকে আরও দৃঢ়ভাবে প্রস্তুত করার এক নীরব সুযোগ হয়ে এসেছে। এই ছুটি তাই শুধু আনন্দের নয়, বরং নতুন উদ্যম, আত্মিক প্রশান্তি আর আবারও প্রিয় ক্যাম্পাসের চেনা ব্যস্ততায় ফিরে যাওয়ার এক সুন্দর প্রতীক্ষা।’
উল্লেখ, পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে আগামী ২৪ মে থেকে ৪ জুন পর্যন্ত ১২ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে সরকারি তিতুমীর কলেজ। এ সময়ে নিয়মিত ক্লাস বন্ধ থাকলেও প্রশাসনিক কার্যক্রম, চলমান পরীক্ষা ও ভর্তি কার্যক্রম চালু থাকবে বলে কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।




