কুবিতে জুলাই শহীদ আব্দুল কাইয়্যুমকে মরণোত্তর সম্মাননা

কুবিতে জুলাই শহীদ আব্দুল কাইয়্যুমকে মরণোত্তর সম্মাননা
কুবি সংবাদদাতা

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ পালন করা হয়েছে। দিবসটি ঘিরে র্যালি, আলোচনা সভা, মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান এবং দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে একটি র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি ক্যাম্পাস গেট, গোলচত্বর ও শহীদ মিনার প্রদক্ষিণ শেষে প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে শেষ হয়। পরে ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের কনফারেন্স কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আব্দুল কাইয়্যুমকে মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান করা হয় এবং তার মায়ের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।
শহীদ আব্দুল কাইয়্যুম কথা স্মরণ করে অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে তার মা বলেন, ‘আমার ছেলের কথা আমি বলতে চাই। আমার ছেলে কখনো শেষ হবে না। আমি মনে করি, আমার ছেলের মতো আর দ্বিতীয় কেউ হতে পারবে না। আমার ছেলের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সবাই এত বড় একটা আয়োজন করেছে– এটার জন্য আমি খুশি। আপনারা জানেনই আমার অবস্থা, স্যাররা গিয়েছিলো আমার বাড়িতে, তারা দেখে আসছে।’
শহীদ আব্দুল কাইয়্যুম এবং তার পরিবারকে নিয়ে কুবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, ‘আমরা আব্দুল কাইয়্যুমের পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞ তারা আমাদের ডাকে সারা দিয়েছেন, আমাদের অনুষ্ঠানে এসেছেন। আব্দুল কাইয়্যুম কোন ফ্যাকাল্টিতে পড়তো, কোন বিভাগে ক্লাস করতো, পরীক্ষা দিতো এগুলো তার পরিবারকে দেখানোর জন্যই এই ফ্যাকাল্টিতে আয়োজন করেছি। শহীদ আব্দুল কাইয়ুম ৪ তারিখে যেদিন গুলিবিদ্ধ হয় সেদিন স্বৈরাচার দেশে ছিলো, আর ৬ তারিখ যেদিন সে মারা যায়– সেদিন দেশ স্বৈরাচার মুক্ত হয়েছিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘সরকার শহীদ পরিবারকে যে ফ্ল্যাট বরাদ্দ দিচ্ছে। আমাদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে, যেন শহীদ আব্দুল কাইয়্যুমের পরিবারও সেই সুবিধাটুকু পায়। সেটা পাওয়ার জন্য আমাদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে যতটুকু করা লাগে আমরা সবটুকুই করবো।’
আলোচনা সভা শেষে বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আমজাদ হোসেন সরকারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন ও প্রক্টর অধ্যাপক ড. আব্দুল হাকিম প্রমুখ।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ পালন করা হয়েছে। দিবসটি ঘিরে র্যালি, আলোচনা সভা, মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান এবং দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে একটি র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি ক্যাম্পাস গেট, গোলচত্বর ও শহীদ মিনার প্রদক্ষিণ শেষে প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে শেষ হয়। পরে ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের কনফারেন্স কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আব্দুল কাইয়্যুমকে মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান করা হয় এবং তার মায়ের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।
শহীদ আব্দুল কাইয়্যুম কথা স্মরণ করে অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে তার মা বলেন, ‘আমার ছেলের কথা আমি বলতে চাই। আমার ছেলে কখনো শেষ হবে না। আমি মনে করি, আমার ছেলের মতো আর দ্বিতীয় কেউ হতে পারবে না। আমার ছেলের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সবাই এত বড় একটা আয়োজন করেছে– এটার জন্য আমি খুশি। আপনারা জানেনই আমার অবস্থা, স্যাররা গিয়েছিলো আমার বাড়িতে, তারা দেখে আসছে।’
শহীদ আব্দুল কাইয়্যুম এবং তার পরিবারকে নিয়ে কুবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, ‘আমরা আব্দুল কাইয়্যুমের পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞ তারা আমাদের ডাকে সারা দিয়েছেন, আমাদের অনুষ্ঠানে এসেছেন। আব্দুল কাইয়্যুম কোন ফ্যাকাল্টিতে পড়তো, কোন বিভাগে ক্লাস করতো, পরীক্ষা দিতো এগুলো তার পরিবারকে দেখানোর জন্যই এই ফ্যাকাল্টিতে আয়োজন করেছি। শহীদ আব্দুল কাইয়ুম ৪ তারিখে যেদিন গুলিবিদ্ধ হয় সেদিন স্বৈরাচার দেশে ছিলো, আর ৬ তারিখ যেদিন সে মারা যায়– সেদিন দেশ স্বৈরাচার মুক্ত হয়েছিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘সরকার শহীদ পরিবারকে যে ফ্ল্যাট বরাদ্দ দিচ্ছে। আমাদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে, যেন শহীদ আব্দুল কাইয়্যুমের পরিবারও সেই সুবিধাটুকু পায়। সেটা পাওয়ার জন্য আমাদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে যতটুকু করা লাগে আমরা সবটুকুই করবো।’
আলোচনা সভা শেষে বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আমজাদ হোসেন সরকারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন ও প্রক্টর অধ্যাপক ড. আব্দুল হাকিম প্রমুখ।

কুবিতে জুলাই শহীদ আব্দুল কাইয়্যুমকে মরণোত্তর সম্মাননা
কুবি সংবাদদাতা

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ পালন করা হয়েছে। দিবসটি ঘিরে র্যালি, আলোচনা সভা, মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান এবং দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে একটি র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি ক্যাম্পাস গেট, গোলচত্বর ও শহীদ মিনার প্রদক্ষিণ শেষে প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে শেষ হয়। পরে ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের কনফারেন্স কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আব্দুল কাইয়্যুমকে মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান করা হয় এবং তার মায়ের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।
শহীদ আব্দুল কাইয়্যুম কথা স্মরণ করে অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে তার মা বলেন, ‘আমার ছেলের কথা আমি বলতে চাই। আমার ছেলে কখনো শেষ হবে না। আমি মনে করি, আমার ছেলের মতো আর দ্বিতীয় কেউ হতে পারবে না। আমার ছেলের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সবাই এত বড় একটা আয়োজন করেছে– এটার জন্য আমি খুশি। আপনারা জানেনই আমার অবস্থা, স্যাররা গিয়েছিলো আমার বাড়িতে, তারা দেখে আসছে।’
শহীদ আব্দুল কাইয়্যুম এবং তার পরিবারকে নিয়ে কুবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, ‘আমরা আব্দুল কাইয়্যুমের পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞ তারা আমাদের ডাকে সারা দিয়েছেন, আমাদের অনুষ্ঠানে এসেছেন। আব্দুল কাইয়্যুম কোন ফ্যাকাল্টিতে পড়তো, কোন বিভাগে ক্লাস করতো, পরীক্ষা দিতো এগুলো তার পরিবারকে দেখানোর জন্যই এই ফ্যাকাল্টিতে আয়োজন করেছি। শহীদ আব্দুল কাইয়ুম ৪ তারিখে যেদিন গুলিবিদ্ধ হয় সেদিন স্বৈরাচার দেশে ছিলো, আর ৬ তারিখ যেদিন সে মারা যায়– সেদিন দেশ স্বৈরাচার মুক্ত হয়েছিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘সরকার শহীদ পরিবারকে যে ফ্ল্যাট বরাদ্দ দিচ্ছে। আমাদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে, যেন শহীদ আব্দুল কাইয়্যুমের পরিবারও সেই সুবিধাটুকু পায়। সেটা পাওয়ার জন্য আমাদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে যতটুকু করা লাগে আমরা সবটুকুই করবো।’
আলোচনা সভা শেষে বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আমজাদ হোসেন সরকারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন ও প্রক্টর অধ্যাপক ড. আব্দুল হাকিম প্রমুখ।

কুবি শিক্ষকদের ৫ গবেষণাপত্র প্রত্যাহার নিয়ে যা বলছেন সংশ্লিষ্টরা







