কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণরুম-গেস্টরুম সংস্কৃতি বন্ধের দাবি

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণরুম-গেস্টরুম সংস্কৃতি বন্ধের দাবি
কুবি সংবাদদাতা

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) আবাসিক হলগুলোতে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত আবাসন ব্যবস্থা এবং গণরুম-গেস্টরুম সংস্কৃতি বন্ধসহ পাঁচ দফা দাবিতে উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে শাখা ছাত্রশিবির।
রবিবার (২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সংগঠনটির সভাপতি মোজাম্মেল হোসাইন আবির ও সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলামের স্বাক্ষরিত স্মারকলিপিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এম. শরীফুল করিমের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
স্মারকলিপিতে পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলো হলো–
১. মেধা, দূরত্ব, আর্থিক অসচ্ছলতা ও অন্যান্য যৌক্তিক মানদণ্ডের ভিত্তিতে লিখিত ও স্বচ্ছ নীতিমালা প্রণয়ন করে আবাসিক হলে আসন বরাদ্দ নিশ্চিত করা;
২. হলকে সর্বাত্মক রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রেখে শিক্ষার্থী ওঠানোর একচ্ছত্র কর্তৃত্ব হল প্রশাসনের হাতে রাখা;
৩. গণরুম ও গেস্টরুম সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ;
৪. নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য র্যাগিংমুক্ত, ভয়ভীতিহীন ও নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করতে কার্যকর মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করা এবং
৫. উত্থাপিত অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ।
কুবি শাখা ছাত্রশিবির সভাপতি মোজাম্মেল হোসাইন আবির বলেন, ‘প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য করে সম্প্রতি বিজয়-২৪ হলে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী উঠিয়েছে ছাত্রদলের নেতারা। এ ঘটনার প্রতিবাদে আমরা পাঁচ দফা দাবিসংবলিত স্মারকলিপি জমা দিয়েছি। পাশাপাশি ২০১৭-১৮ ও ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের যেসব শিক্ষার্থী মাস্টার্স সম্পন্ন করার পরও হলে অবস্থান করছেন, তাদের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিও জানিয়েছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা মনে করি, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী ক্যাম্পাসে গেস্টরুম সংস্কৃতি, দলীয় লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি এবং রাজনৈতিক পরিচয়ে হলে ওঠার প্রবণতার অবসান হওয়া উচিত। বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোকে কোনো রাজনৈতিক দলের প্রভাবমুক্ত রেখে শিক্ষার্থীদের আবাসন, পড়াশোনা ও সুস্থ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।’
এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এম. শরীফুল করিম বলেন, ‘আমি তাদের স্মারকলিপি গ্রহণ করেছি। আমাদের নীতিমালায় এ বিষয়ে কী আছে, তা পর্যালোচনা করা হবে। এরপর ছাত্র পরামর্শক ও সংশ্লিষ্ট হলের প্রভোস্টদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয়-২৪ হলে হল প্রশাসনকে অবহিত না করে ছাত্রদলের দুই নেতার মাধ্যমে কয়েকজন নবীন শিক্ষার্থীকে সিট বরাদ্দ দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) আবাসিক হলগুলোতে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত আবাসন ব্যবস্থা এবং গণরুম-গেস্টরুম সংস্কৃতি বন্ধসহ পাঁচ দফা দাবিতে উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে শাখা ছাত্রশিবির।
রবিবার (২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সংগঠনটির সভাপতি মোজাম্মেল হোসাইন আবির ও সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলামের স্বাক্ষরিত স্মারকলিপিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এম. শরীফুল করিমের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
স্মারকলিপিতে পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলো হলো–
১. মেধা, দূরত্ব, আর্থিক অসচ্ছলতা ও অন্যান্য যৌক্তিক মানদণ্ডের ভিত্তিতে লিখিত ও স্বচ্ছ নীতিমালা প্রণয়ন করে আবাসিক হলে আসন বরাদ্দ নিশ্চিত করা;
২. হলকে সর্বাত্মক রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রেখে শিক্ষার্থী ওঠানোর একচ্ছত্র কর্তৃত্ব হল প্রশাসনের হাতে রাখা;
৩. গণরুম ও গেস্টরুম সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ;
৪. নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য র্যাগিংমুক্ত, ভয়ভীতিহীন ও নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করতে কার্যকর মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করা এবং
৫. উত্থাপিত অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ।
কুবি শাখা ছাত্রশিবির সভাপতি মোজাম্মেল হোসাইন আবির বলেন, ‘প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য করে সম্প্রতি বিজয়-২৪ হলে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী উঠিয়েছে ছাত্রদলের নেতারা। এ ঘটনার প্রতিবাদে আমরা পাঁচ দফা দাবিসংবলিত স্মারকলিপি জমা দিয়েছি। পাশাপাশি ২০১৭-১৮ ও ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের যেসব শিক্ষার্থী মাস্টার্স সম্পন্ন করার পরও হলে অবস্থান করছেন, তাদের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিও জানিয়েছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা মনে করি, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী ক্যাম্পাসে গেস্টরুম সংস্কৃতি, দলীয় লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি এবং রাজনৈতিক পরিচয়ে হলে ওঠার প্রবণতার অবসান হওয়া উচিত। বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোকে কোনো রাজনৈতিক দলের প্রভাবমুক্ত রেখে শিক্ষার্থীদের আবাসন, পড়াশোনা ও সুস্থ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।’
এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এম. শরীফুল করিম বলেন, ‘আমি তাদের স্মারকলিপি গ্রহণ করেছি। আমাদের নীতিমালায় এ বিষয়ে কী আছে, তা পর্যালোচনা করা হবে। এরপর ছাত্র পরামর্শক ও সংশ্লিষ্ট হলের প্রভোস্টদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয়-২৪ হলে হল প্রশাসনকে অবহিত না করে ছাত্রদলের দুই নেতার মাধ্যমে কয়েকজন নবীন শিক্ষার্থীকে সিট বরাদ্দ দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণরুম-গেস্টরুম সংস্কৃতি বন্ধের দাবি
কুবি সংবাদদাতা

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) আবাসিক হলগুলোতে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত আবাসন ব্যবস্থা এবং গণরুম-গেস্টরুম সংস্কৃতি বন্ধসহ পাঁচ দফা দাবিতে উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে শাখা ছাত্রশিবির।
রবিবার (২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সংগঠনটির সভাপতি মোজাম্মেল হোসাইন আবির ও সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলামের স্বাক্ষরিত স্মারকলিপিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এম. শরীফুল করিমের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
স্মারকলিপিতে পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলো হলো–
১. মেধা, দূরত্ব, আর্থিক অসচ্ছলতা ও অন্যান্য যৌক্তিক মানদণ্ডের ভিত্তিতে লিখিত ও স্বচ্ছ নীতিমালা প্রণয়ন করে আবাসিক হলে আসন বরাদ্দ নিশ্চিত করা;
২. হলকে সর্বাত্মক রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রেখে শিক্ষার্থী ওঠানোর একচ্ছত্র কর্তৃত্ব হল প্রশাসনের হাতে রাখা;
৩. গণরুম ও গেস্টরুম সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ;
৪. নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য র্যাগিংমুক্ত, ভয়ভীতিহীন ও নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করতে কার্যকর মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করা এবং
৫. উত্থাপিত অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ।
কুবি শাখা ছাত্রশিবির সভাপতি মোজাম্মেল হোসাইন আবির বলেন, ‘প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য করে সম্প্রতি বিজয়-২৪ হলে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী উঠিয়েছে ছাত্রদলের নেতারা। এ ঘটনার প্রতিবাদে আমরা পাঁচ দফা দাবিসংবলিত স্মারকলিপি জমা দিয়েছি। পাশাপাশি ২০১৭-১৮ ও ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের যেসব শিক্ষার্থী মাস্টার্স সম্পন্ন করার পরও হলে অবস্থান করছেন, তাদের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিও জানিয়েছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা মনে করি, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী ক্যাম্পাসে গেস্টরুম সংস্কৃতি, দলীয় লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি এবং রাজনৈতিক পরিচয়ে হলে ওঠার প্রবণতার অবসান হওয়া উচিত। বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোকে কোনো রাজনৈতিক দলের প্রভাবমুক্ত রেখে শিক্ষার্থীদের আবাসন, পড়াশোনা ও সুস্থ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।’
এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এম. শরীফুল করিম বলেন, ‘আমি তাদের স্মারকলিপি গ্রহণ করেছি। আমাদের নীতিমালায় এ বিষয়ে কী আছে, তা পর্যালোচনা করা হবে। এরপর ছাত্র পরামর্শক ও সংশ্লিষ্ট হলের প্রভোস্টদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয়-২৪ হলে হল প্রশাসনকে অবহিত না করে ছাত্রদলের দুই নেতার মাধ্যমে কয়েকজন নবীন শিক্ষার্থীকে সিট বরাদ্দ দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

কুবি শিক্ষক সমিতির নতুন আহ্বায়ক ড. শামীমা নাসরিন







