গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতি নিষিদ্ধ, অমান্য করলে শাস্তির ঘোষণা

গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতি নিষিদ্ধ, অমান্য করলে শাস্তির ঘোষণা
গবি সংবাদদাতা

সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের (গবি) নাম ও লগো ব্যবহার করে দলীয় ছাত্র সংগঠনের কমিটি গঠন নিষিদ্ধসহ ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। নির্দেশনা বহির্ভূত কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলেও হুঁশিয়ারি ঘোষণা দিয়েছে গবি কর্তৃপক্ষ।
সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান ও উপ-রেজিস্ট্রার এ কে এম সাইফুল্লাহ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ও লোগো ব্যবহার করে কোনো ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে সব শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সব প্রকার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হলো। নির্দেশনা বহির্ভূত কর্মকাণ্ড পরিলক্ষিত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গণ বিশ্ববিদ্যালয় একটি দলীয় রাজনীতিমুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ভর্তির সময় শিক্ষার্থীদের দলীয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে অঙ্গীকারনামা গ্রহণ করা হয়। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গঠনতন্ত্র, প্রসপেক্টাসেও রাজনীতি নিষিদ্ধের বিষয়ে বর্ণনা রয়েছে। ইতিপূর্বেও একাধিক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার বিষয়ে জানানো হয়।
একাধিকবার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ছাত্র সংগঠন ‘গণ বিশ্ববিদ্যালয় কমিটি’ নামে দলীয় ছাত্র সংগঠনের কমিটি গঠন করেছে, যা প্রশাসনের দৃষ্টিগোচর হয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
এর আগেও, ২০২৫ সালের ১৯ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত সব শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সব প্রকার দলীয় রাজনীতি থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করা হয়।
তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে ২০২৫ সালের ১২ জুন প্রথমবারের মতো রাজনৈতিক সংগঠনের কমিটি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। পরবর্তীতে চলতি বছরের ১৫ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয় শাখার কমিটি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন। তবে এর বাইরে আওয়ামী লীগ শাসনামলে কিংবা কখনই ছাত্রলীগ, শিবির কিংবা অন্যান্য সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকেও প্রকাশ্য কোনো কমিটির দেখা মেলেনি। যদিও বিভিন্ন সময়ে কিছু সংগঠন ‘ভিন্ন নামে’ সীমিত আকারে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়েছে।
উল্লেখ্য, গণ বিশ্ববিদ্যালয় একটি দলীয় রাজনীতিমুক্ত ও অলাভজনক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জনের জন্য রয়েছে বিভিন্ন ক্লাব ও সংগঠন। এছাড়া প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একমাত্র গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ।

সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের (গবি) নাম ও লগো ব্যবহার করে দলীয় ছাত্র সংগঠনের কমিটি গঠন নিষিদ্ধসহ ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। নির্দেশনা বহির্ভূত কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলেও হুঁশিয়ারি ঘোষণা দিয়েছে গবি কর্তৃপক্ষ।
সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান ও উপ-রেজিস্ট্রার এ কে এম সাইফুল্লাহ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ও লোগো ব্যবহার করে কোনো ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে সব শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সব প্রকার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হলো। নির্দেশনা বহির্ভূত কর্মকাণ্ড পরিলক্ষিত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গণ বিশ্ববিদ্যালয় একটি দলীয় রাজনীতিমুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ভর্তির সময় শিক্ষার্থীদের দলীয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে অঙ্গীকারনামা গ্রহণ করা হয়। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গঠনতন্ত্র, প্রসপেক্টাসেও রাজনীতি নিষিদ্ধের বিষয়ে বর্ণনা রয়েছে। ইতিপূর্বেও একাধিক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার বিষয়ে জানানো হয়।
একাধিকবার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ছাত্র সংগঠন ‘গণ বিশ্ববিদ্যালয় কমিটি’ নামে দলীয় ছাত্র সংগঠনের কমিটি গঠন করেছে, যা প্রশাসনের দৃষ্টিগোচর হয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
এর আগেও, ২০২৫ সালের ১৯ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত সব শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সব প্রকার দলীয় রাজনীতি থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করা হয়।
তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে ২০২৫ সালের ১২ জুন প্রথমবারের মতো রাজনৈতিক সংগঠনের কমিটি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। পরবর্তীতে চলতি বছরের ১৫ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয় শাখার কমিটি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন। তবে এর বাইরে আওয়ামী লীগ শাসনামলে কিংবা কখনই ছাত্রলীগ, শিবির কিংবা অন্যান্য সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকেও প্রকাশ্য কোনো কমিটির দেখা মেলেনি। যদিও বিভিন্ন সময়ে কিছু সংগঠন ‘ভিন্ন নামে’ সীমিত আকারে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়েছে।
উল্লেখ্য, গণ বিশ্ববিদ্যালয় একটি দলীয় রাজনীতিমুক্ত ও অলাভজনক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জনের জন্য রয়েছে বিভিন্ন ক্লাব ও সংগঠন। এছাড়া প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একমাত্র গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ।

গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতি নিষিদ্ধ, অমান্য করলে শাস্তির ঘোষণা
গবি সংবাদদাতা

সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের (গবি) নাম ও লগো ব্যবহার করে দলীয় ছাত্র সংগঠনের কমিটি গঠন নিষিদ্ধসহ ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। নির্দেশনা বহির্ভূত কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলেও হুঁশিয়ারি ঘোষণা দিয়েছে গবি কর্তৃপক্ষ।
সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান ও উপ-রেজিস্ট্রার এ কে এম সাইফুল্লাহ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ও লোগো ব্যবহার করে কোনো ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে সব শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সব প্রকার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হলো। নির্দেশনা বহির্ভূত কর্মকাণ্ড পরিলক্ষিত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গণ বিশ্ববিদ্যালয় একটি দলীয় রাজনীতিমুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ভর্তির সময় শিক্ষার্থীদের দলীয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে অঙ্গীকারনামা গ্রহণ করা হয়। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গঠনতন্ত্র, প্রসপেক্টাসেও রাজনীতি নিষিদ্ধের বিষয়ে বর্ণনা রয়েছে। ইতিপূর্বেও একাধিক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার বিষয়ে জানানো হয়।
একাধিকবার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ছাত্র সংগঠন ‘গণ বিশ্ববিদ্যালয় কমিটি’ নামে দলীয় ছাত্র সংগঠনের কমিটি গঠন করেছে, যা প্রশাসনের দৃষ্টিগোচর হয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
এর আগেও, ২০২৫ সালের ১৯ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত সব শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সব প্রকার দলীয় রাজনীতি থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করা হয়।
তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে ২০২৫ সালের ১২ জুন প্রথমবারের মতো রাজনৈতিক সংগঠনের কমিটি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। পরবর্তীতে চলতি বছরের ১৫ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয় শাখার কমিটি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন। তবে এর বাইরে আওয়ামী লীগ শাসনামলে কিংবা কখনই ছাত্রলীগ, শিবির কিংবা অন্যান্য সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকেও প্রকাশ্য কোনো কমিটির দেখা মেলেনি। যদিও বিভিন্ন সময়ে কিছু সংগঠন ‘ভিন্ন নামে’ সীমিত আকারে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়েছে।
উল্লেখ্য, গণ বিশ্ববিদ্যালয় একটি দলীয় রাজনীতিমুক্ত ও অলাভজনক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জনের জন্য রয়েছে বিভিন্ন ক্লাব ও সংগঠন। এছাড়া প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একমাত্র গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ।

‘অরাজনৈতিক’ গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে এবার ছাত্র ফেডারেশনের কমিটি







