চবিতে ৮ ফুট লম্বা কিং কোবরা উদ্ধার
চবি সংবাদদাতা

চবিতে ৮ ফুট লম্বা কিং কোবরা উদ্ধার
চবি সংবাদদাতা
প্রকাশ : ১১ এপ্রিল ২০২৬, ১০: ০৩

উদ্ধারকৃত কিং কোবরা হাতে থ্রিএসএ দলের সদস্যরা। ছবি: সংগৃহীত
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাস থেকে প্রায় আট ফুট লম্বা একটি পৃথিবীর অন্যতম বিষধর কিং কোবরা (রাজগোখরা) সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (১১ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ইব্রাহীম আল হায়দার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে, গতকাল শুক্রবার রাত ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের পেছনের স্টাফ কলোনির একটি বাসা থেকে সাপটি উদ্ধার করা হয়।
জানা গেছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টাফ কলোনিতে এক কর্মচারীর বাসার শৌচাগারের স্লাবের নিচে সাপটিকে দেখতে পাওয়া যায়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যায় স্নেক অ্যান্ড স্নেকবাইট অ্যাওয়ারনেস (থ্রিএসএ) নামক একটি সংগঠনের উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা। এসময় শৌচাগারের স্লাব ভেঙে সাপটিকে উদ্ধার করা হয়।
থ্রিএসএ সাপ উদ্ধার দলের উপদেষ্টা ড. ইব্রাহীম আল হায়দার জানান, খবর পাওয়ার ১০ মিনিটের মধ্যেই আমরা ঘটনাস্থলে যায়। সাপটি শৌচাগারের স্লাবের নিচে আশ্রয় নিয়েছিল। পরে স্লাব ভেঙে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে সেটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও বলেন, উদ্ধারকৃত সাপটি পৃথিবীর সবচেয়ে বিষধর প্রজাতির একটি। বর্তমানে সাপটিকে থ্রিএসএ দলের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়েছে। প্রয়োজন হলে এটি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের বিষ গবেষণা কেন্দ্রে পাঠানো হতে পারে। তা না হলে, ক্যাম্পাসের গহীন বনে অবমুক্ত করা হবে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, চবি ক্যাম্পাস এলাকায় অনেক আগে থেকেই কিং কোবরার উপস্থিতি রয়েছে। এই প্রতাজির সাপ লাজুক স্বভাবের হওয়ায় সাধারণত মানুষের কোলাহল এড়িয়ে চলে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে পাহাড়ে আগুন লাগানো এবং অতিরিক্ত আগাছানাশক ব্যবহারের ফলে তাদের স্বাভাবিক আবাসস্থল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে অনেক সময় এসব সাপ পাহাড়ি এলাকা থেকে নিচে নেমে আসছে।
এদিকে, সাপ উদ্ধারের এই ঘটনায় কলোনিবাসীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাস থেকে প্রায় আট ফুট লম্বা একটি পৃথিবীর অন্যতম বিষধর কিং কোবরা (রাজগোখরা) সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (১১ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ইব্রাহীম আল হায়দার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে, গতকাল শুক্রবার রাত ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের পেছনের স্টাফ কলোনির একটি বাসা থেকে সাপটি উদ্ধার করা হয়।
জানা গেছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টাফ কলোনিতে এক কর্মচারীর বাসার শৌচাগারের স্লাবের নিচে সাপটিকে দেখতে পাওয়া যায়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যায় স্নেক অ্যান্ড স্নেকবাইট অ্যাওয়ারনেস (থ্রিএসএ) নামক একটি সংগঠনের উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা। এসময় শৌচাগারের স্লাব ভেঙে সাপটিকে উদ্ধার করা হয়।
থ্রিএসএ সাপ উদ্ধার দলের উপদেষ্টা ড. ইব্রাহীম আল হায়দার জানান, খবর পাওয়ার ১০ মিনিটের মধ্যেই আমরা ঘটনাস্থলে যায়। সাপটি শৌচাগারের স্লাবের নিচে আশ্রয় নিয়েছিল। পরে স্লাব ভেঙে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে সেটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও বলেন, উদ্ধারকৃত সাপটি পৃথিবীর সবচেয়ে বিষধর প্রজাতির একটি। বর্তমানে সাপটিকে থ্রিএসএ দলের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়েছে। প্রয়োজন হলে এটি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের বিষ গবেষণা কেন্দ্রে পাঠানো হতে পারে। তা না হলে, ক্যাম্পাসের গহীন বনে অবমুক্ত করা হবে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, চবি ক্যাম্পাস এলাকায় অনেক আগে থেকেই কিং কোবরার উপস্থিতি রয়েছে। এই প্রতাজির সাপ লাজুক স্বভাবের হওয়ায় সাধারণত মানুষের কোলাহল এড়িয়ে চলে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে পাহাড়ে আগুন লাগানো এবং অতিরিক্ত আগাছানাশক ব্যবহারের ফলে তাদের স্বাভাবিক আবাসস্থল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে অনেক সময় এসব সাপ পাহাড়ি এলাকা থেকে নিচে নেমে আসছে।
এদিকে, সাপ উদ্ধারের এই ঘটনায় কলোনিবাসীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

চবিতে ৮ ফুট লম্বা কিং কোবরা উদ্ধার
চবি সংবাদদাতা
প্রকাশ : ১১ এপ্রিল ২০২৬, ১০: ০৩

উদ্ধারকৃত কিং কোবরা হাতে থ্রিএসএ দলের সদস্যরা। ছবি: সংগৃহীত
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাস থেকে প্রায় আট ফুট লম্বা একটি পৃথিবীর অন্যতম বিষধর কিং কোবরা (রাজগোখরা) সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (১১ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ইব্রাহীম আল হায়দার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে, গতকাল শুক্রবার রাত ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের পেছনের স্টাফ কলোনির একটি বাসা থেকে সাপটি উদ্ধার করা হয়।
জানা গেছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টাফ কলোনিতে এক কর্মচারীর বাসার শৌচাগারের স্লাবের নিচে সাপটিকে দেখতে পাওয়া যায়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যায় স্নেক অ্যান্ড স্নেকবাইট অ্যাওয়ারনেস (থ্রিএসএ) নামক একটি সংগঠনের উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা। এসময় শৌচাগারের স্লাব ভেঙে সাপটিকে উদ্ধার করা হয়।
থ্রিএসএ সাপ উদ্ধার দলের উপদেষ্টা ড. ইব্রাহীম আল হায়দার জানান, খবর পাওয়ার ১০ মিনিটের মধ্যেই আমরা ঘটনাস্থলে যায়। সাপটি শৌচাগারের স্লাবের নিচে আশ্রয় নিয়েছিল। পরে স্লাব ভেঙে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে সেটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও বলেন, উদ্ধারকৃত সাপটি পৃথিবীর সবচেয়ে বিষধর প্রজাতির একটি। বর্তমানে সাপটিকে থ্রিএসএ দলের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়েছে। প্রয়োজন হলে এটি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের বিষ গবেষণা কেন্দ্রে পাঠানো হতে পারে। তা না হলে, ক্যাম্পাসের গহীন বনে অবমুক্ত করা হবে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, চবি ক্যাম্পাস এলাকায় অনেক আগে থেকেই কিং কোবরার উপস্থিতি রয়েছে। এই প্রতাজির সাপ লাজুক স্বভাবের হওয়ায় সাধারণত মানুষের কোলাহল এড়িয়ে চলে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে পাহাড়ে আগুন লাগানো এবং অতিরিক্ত আগাছানাশক ব্যবহারের ফলে তাদের স্বাভাবিক আবাসস্থল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে অনেক সময় এসব সাপ পাহাড়ি এলাকা থেকে নিচে নেমে আসছে।
এদিকে, সাপ উদ্ধারের এই ঘটনায় কলোনিবাসীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
/এফআর/

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি নারীকে হত্যা নিয়ে ট্রাম্পের মন্তব্য


