শিরোনাম

ম্যানেজিং কমিটিতে নিয়োগ ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রতিবাদে বেরোবিতে বিক্ষোভ

বেরোবি সংবাদদাতা
বেরোবি সংবাদদাতা
ম্যানেজিং কমিটিতে নিয়োগ ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রতিবাদে বেরোবিতে বিক্ষোভ
শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা ম্যানেজিং কমিটির হাতে হস্তান্তরের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) কাছ থেকে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা ম্যানেজিং কমিটির হাতে হস্তান্তরের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীরা।

সোমবার (১০ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।

বিক্ষোভ মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রধান ফটকের সামনে এসে অবস্থান নেয়। এ সময় আন্দোলনকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। তাদের স্লোগানের মধ্যে ছিল, ‘মেধা নয় কমিটি, মেধা মেধা’, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘মেধা নিয়ে কারসাজি চলবে না, চলবে না’, ‘যোগ্যতার মূল্য চাই, স্বচ্ছভাবে নিয়োগ চাই’, ‘কোটা গেছে যেই পথে, দুর্নীতি যাবে সেই পথে’, ‘এনটিআরসিএ বহাল রাখতে হবে’, ‘শিক্ষক নিয়োগে স্বজনপ্রীতি চলবে না’ এবং ‘কমিটি পদ্ধতি মানি না, মানব না’।

এ সময় সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী তারেক হাসান বলেন, অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে দেখা গেছে, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) পরীক্ষায় ১০০ নম্বরের মধ্যে মাত্র ৪০ নম্বর পেয়েও সনদ অর্জনের সুযোগ ছিল। কিন্তু সনদপ্রাপ্ত প্রার্থীরা যখন স্থানীয় ব্যবস্থাপনা বা পরিচালনা কমিটির কাছে যেতেন, তখন নিয়োগকে কেন্দ্র করে অনিয়ম ও অর্থ লেনদেনের বিশাল সুযোগ তৈরি হতো। এতে যোগ্য ও মেধাবী প্রার্থীরা বঞ্চিত হতেন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাণিজ্যের পথ সুগম হতো। বিগত সময়ে যে বাণিজ্য হয়ে এসেছে, আমরা তা দেখেছি। আমরা তা আর ফিরে আসতে দেব না।

বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী শামসুর রহমান সুমন বলেন, কমিটির কাছে নিয়োগের সুপারিশের ক্ষমতা ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এনটিআরসিএ যে সুপারিশ করত, সেটি কমিটির হাতে দেওয়ার ফলে শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হবে। আমরা চাই, শিক্ষা মন্ত্রণালয় যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা অনতিবিলম্বে প্রত্যাহার করবে এবং ২০১৫ সালের যে ব্যবস্থা ছিল, সেটি বাস্তবায়ন করবে। এটি করা না হলে জুলাই অভ্যুত্থানে যেমন কোটা পদ্ধতিকে প্রতিহত করা হয়েছিল, একইভাবে এই পদ্ধতিকেও প্রতিহত করা হবে।’

/এমআর/