শিক্ষার মানোন্নয়নে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়-ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির সমঝোতা

শিক্ষার মানোন্নয়নে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়-ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির সমঝোতা
ঢাকা কলেজ সংবাদদাতা

উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও একাডেমিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে একসঙ্গে কাজ করবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি। ঢাকার বাড্ডায় ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির মূল ক্যাম্পাসে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।
উচ্চশিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন, যৌথ গবেষণা এবং একাডেমিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির মধ্যে সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
সোমবার (১০ আগস্ট) রাজধানীর বাড্ডায় ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির মূল ক্যাম্পাসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ এবং ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, 'উচ্চশিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়নের ওপর নির্ভর করে না। এর জন্য মানসম্মত গবেষণা, নতুন জ্ঞান সৃষ্টি এবং পারস্পরিক সহযোগিতা প্রয়োজন। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগ বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর জন্য মানসম্মত ও সময়োপযোগী শিক্ষা নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে।'
তিনি বলেন, 'যৌথ গবেষণা, একাডেমিক আদান-প্রদান এবং উদ্ভাবনী উদ্যোগের মাধ্যমে এমন একটি শিক্ষা পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে, যা শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা এবং নতুন বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহায়ক হবে। পারস্পরিক এই সহযোগিতা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সামগ্রিক মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।'
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার বলেন, 'ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি দেশে ও আন্তর্জাতিক পরিসরে অর্থবহ অংশীদারত্বে বিশ্বাস করে। উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব শুধু জ্ঞান সৃষ্টি বা শ্রেণিকক্ষের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; সেই জ্ঞান মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়ে সমাজ ও জনগোষ্ঠীকে ক্ষমতায়ন করাও এর দায়িত্ব।'
তিনি বলেন, 'জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে এ সমঝোতা স্মারক বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ উভয় প্রতিষ্ঠানই মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ ও এর প্রভাব আরও বিস্তৃত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দেশব্যাপী বিস্তৃতি এবং ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনী সক্ষমতাকে একত্রিত করে জ্ঞানকে প্রাতিষ্ঠানিক গণ্ডির বাইরে নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি সারা দেশে অর্থবহ পরিবর্তনে ভূমিকা রাখার লক্ষ্য রয়েছে।'
সমঝোতা স্মারকের আওতায় দুই বিশ্ববিদ্যালয় যৌথ গবেষণা পরিচালনা, শিক্ষা ও প্রযুক্তিগত অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের একাডেমিক উৎকর্ষ সাধনে একযোগে কাজ করবে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. নাজমুল হোসাইন, ইন্টারন্যাশনাল ডেস্কের পরিচালক রাজ বিন কাসেম, কমিউনিকেশনস এক্সপার্ট গৌতম বড়ুয়া, মাল্টি-ল্যাঙ্গুয়েজ লার্নিং ইনস্টিটিউটের কোঅর্ডিনেটর মো. সাইফুল ইসলাম শাহীন এবং ফ্যাকাল্টি অব বিজনেস স্টাডিজের চেয়ারম্যান শেখ মুজাহিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির পক্ষে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর আরশাদ মাহমুদ চৌধুরী, ট্রেজারার আরিফুল ইসলাম, রেজিস্ট্রার ড. ডেভিড ডাউল্যান্ড, জেমস পি. গ্রান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথ এবং সেন্ট্রাল রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন অফিসের পরিচালক অধ্যাপক ড. মালয় কান্তি মৃধা, লার্নিং অ্যান্ড টিচিং ইনোভেশন সেন্টারের (LTIC) পরিচালক অধ্যাপক মো. গোলাম সামদানি ফকির এবং ইনস্টিটিউট অব এডুকেশনাল ডেভেলপমেন্টের নির্বাহী পরিচালক ড. এরুম মারিয়ামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও একাডেমিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে একসঙ্গে কাজ করবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি। ঢাকার বাড্ডায় ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির মূল ক্যাম্পাসে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।
উচ্চশিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন, যৌথ গবেষণা এবং একাডেমিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির মধ্যে সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
সোমবার (১০ আগস্ট) রাজধানীর বাড্ডায় ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির মূল ক্যাম্পাসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ এবং ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, 'উচ্চশিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়নের ওপর নির্ভর করে না। এর জন্য মানসম্মত গবেষণা, নতুন জ্ঞান সৃষ্টি এবং পারস্পরিক সহযোগিতা প্রয়োজন। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগ বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর জন্য মানসম্মত ও সময়োপযোগী শিক্ষা নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে।'
তিনি বলেন, 'যৌথ গবেষণা, একাডেমিক আদান-প্রদান এবং উদ্ভাবনী উদ্যোগের মাধ্যমে এমন একটি শিক্ষা পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে, যা শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা এবং নতুন বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহায়ক হবে। পারস্পরিক এই সহযোগিতা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সামগ্রিক মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।'
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার বলেন, 'ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি দেশে ও আন্তর্জাতিক পরিসরে অর্থবহ অংশীদারত্বে বিশ্বাস করে। উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব শুধু জ্ঞান সৃষ্টি বা শ্রেণিকক্ষের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; সেই জ্ঞান মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়ে সমাজ ও জনগোষ্ঠীকে ক্ষমতায়ন করাও এর দায়িত্ব।'
তিনি বলেন, 'জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে এ সমঝোতা স্মারক বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ উভয় প্রতিষ্ঠানই মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ ও এর প্রভাব আরও বিস্তৃত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দেশব্যাপী বিস্তৃতি এবং ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনী সক্ষমতাকে একত্রিত করে জ্ঞানকে প্রাতিষ্ঠানিক গণ্ডির বাইরে নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি সারা দেশে অর্থবহ পরিবর্তনে ভূমিকা রাখার লক্ষ্য রয়েছে।'
সমঝোতা স্মারকের আওতায় দুই বিশ্ববিদ্যালয় যৌথ গবেষণা পরিচালনা, শিক্ষা ও প্রযুক্তিগত অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের একাডেমিক উৎকর্ষ সাধনে একযোগে কাজ করবে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. নাজমুল হোসাইন, ইন্টারন্যাশনাল ডেস্কের পরিচালক রাজ বিন কাসেম, কমিউনিকেশনস এক্সপার্ট গৌতম বড়ুয়া, মাল্টি-ল্যাঙ্গুয়েজ লার্নিং ইনস্টিটিউটের কোঅর্ডিনেটর মো. সাইফুল ইসলাম শাহীন এবং ফ্যাকাল্টি অব বিজনেস স্টাডিজের চেয়ারম্যান শেখ মুজাহিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির পক্ষে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর আরশাদ মাহমুদ চৌধুরী, ট্রেজারার আরিফুল ইসলাম, রেজিস্ট্রার ড. ডেভিড ডাউল্যান্ড, জেমস পি. গ্রান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথ এবং সেন্ট্রাল রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন অফিসের পরিচালক অধ্যাপক ড. মালয় কান্তি মৃধা, লার্নিং অ্যান্ড টিচিং ইনোভেশন সেন্টারের (LTIC) পরিচালক অধ্যাপক মো. গোলাম সামদানি ফকির এবং ইনস্টিটিউট অব এডুকেশনাল ডেভেলপমেন্টের নির্বাহী পরিচালক ড. এরুম মারিয়ামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

শিক্ষার মানোন্নয়নে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়-ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির সমঝোতা
ঢাকা কলেজ সংবাদদাতা

উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও একাডেমিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে একসঙ্গে কাজ করবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি। ঢাকার বাড্ডায় ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির মূল ক্যাম্পাসে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।
উচ্চশিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন, যৌথ গবেষণা এবং একাডেমিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির মধ্যে সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
সোমবার (১০ আগস্ট) রাজধানীর বাড্ডায় ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির মূল ক্যাম্পাসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ এবং ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, 'উচ্চশিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়নের ওপর নির্ভর করে না। এর জন্য মানসম্মত গবেষণা, নতুন জ্ঞান সৃষ্টি এবং পারস্পরিক সহযোগিতা প্রয়োজন। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগ বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর জন্য মানসম্মত ও সময়োপযোগী শিক্ষা নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে।'
তিনি বলেন, 'যৌথ গবেষণা, একাডেমিক আদান-প্রদান এবং উদ্ভাবনী উদ্যোগের মাধ্যমে এমন একটি শিক্ষা পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে, যা শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা এবং নতুন বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহায়ক হবে। পারস্পরিক এই সহযোগিতা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সামগ্রিক মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।'
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার বলেন, 'ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি দেশে ও আন্তর্জাতিক পরিসরে অর্থবহ অংশীদারত্বে বিশ্বাস করে। উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব শুধু জ্ঞান সৃষ্টি বা শ্রেণিকক্ষের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; সেই জ্ঞান মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়ে সমাজ ও জনগোষ্ঠীকে ক্ষমতায়ন করাও এর দায়িত্ব।'
তিনি বলেন, 'জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে এ সমঝোতা স্মারক বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ উভয় প্রতিষ্ঠানই মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ ও এর প্রভাব আরও বিস্তৃত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দেশব্যাপী বিস্তৃতি এবং ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনী সক্ষমতাকে একত্রিত করে জ্ঞানকে প্রাতিষ্ঠানিক গণ্ডির বাইরে নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি সারা দেশে অর্থবহ পরিবর্তনে ভূমিকা রাখার লক্ষ্য রয়েছে।'
সমঝোতা স্মারকের আওতায় দুই বিশ্ববিদ্যালয় যৌথ গবেষণা পরিচালনা, শিক্ষা ও প্রযুক্তিগত অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের একাডেমিক উৎকর্ষ সাধনে একযোগে কাজ করবে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. নাজমুল হোসাইন, ইন্টারন্যাশনাল ডেস্কের পরিচালক রাজ বিন কাসেম, কমিউনিকেশনস এক্সপার্ট গৌতম বড়ুয়া, মাল্টি-ল্যাঙ্গুয়েজ লার্নিং ইনস্টিটিউটের কোঅর্ডিনেটর মো. সাইফুল ইসলাম শাহীন এবং ফ্যাকাল্টি অব বিজনেস স্টাডিজের চেয়ারম্যান শেখ মুজাহিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির পক্ষে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর আরশাদ মাহমুদ চৌধুরী, ট্রেজারার আরিফুল ইসলাম, রেজিস্ট্রার ড. ডেভিড ডাউল্যান্ড, জেমস পি. গ্রান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথ এবং সেন্ট্রাল রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন অফিসের পরিচালক অধ্যাপক ড. মালয় কান্তি মৃধা, লার্নিং অ্যান্ড টিচিং ইনোভেশন সেন্টারের (LTIC) পরিচালক অধ্যাপক মো. গোলাম সামদানি ফকির এবং ইনস্টিটিউট অব এডুকেশনাল ডেভেলপমেন্টের নির্বাহী পরিচালক ড. এরুম মারিয়ামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।








