মুতা বিয়ে কী জায়েজ?
মুতা বিয়ে কী জায়েজ?
‘নিকাহে মুতআ’, যা ‘মুতা বিয়ে’ নামে প্রসিদ্ধ। আরবি শব্দের প্রথমটি ‘নিকাহ’ মানে বিবাহ, আর ‘মুতআ’ শব্দের অর্থ হলো, উপভোগ, সম্ভোগ। যৌথভাবে শব্দযুগলের অর্থ হয়, ‘উপভোগের বিবাহ’।


আয়েশা সিদ্দিকা (রা.)’র পরিচয়ের সঙ্গে ‘সিদ্দিকা’, ‘উম্মুল মুমিনিন’ সহ নানা মর্যাদাপূর্ণ উপাধি জড়িয়ে আছে। এর মধ্যে একটি বিশেষ উপাধি হলো ‘উম্মে আবদুল্লাহ’ বা আব্দুল্লাহর মা।

সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব শুধু নিজের সুখ ও ভোগের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এই মর্যাদার মূল দাবি হলো সমগ্র সৃষ্টিজগতের প্রতি দয়া, ইনসাফ ও অভিভাবকত্ব নিশ্চিত করা।

ইসলামে নখ কাটা পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ একটি আমল। তবে নখ কাটার জন্য ইসলাম নির্দিষ্ট কোনো দিন নির্ধারণ করে দেয়নি। মানুষের যখন ইচ্ছা তখনই নখ কাটা শুরু করতে পারে।

সকাল ও সন্ধ্যার আমলগুলো নিয়মিত করার অভ্যাস গড়ে তুললে দিনের শুরু হয় আল্লাহর স্মরণে। নিচে হাদিসে বর্ণিত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সকাল-সন্ধ্যার আমল তুলে ধরা হলো:
‘নিকাহে মুতআ’, যা ‘মুতা বিয়ে’ নামে প্রসিদ্ধ। আরবি শব্দের প্রথমটি ‘নিকাহ’ মানে বিবাহ, আর ‘মুতআ’ শব্দের অর্থ হলো, উপভোগ, সম্ভোগ। যৌথভাবে শব্দযুগলের অর্থ হয়, ‘উপভোগের বিবাহ’।

জীবনের অপ্রত্যাশিত কোনো ক্ষতি বা ব্যর্থতায় আমরা প্রায়ই ভেঙে পড়ি। অনুশোচনা ও মানসিক হতাশায় বর্তমানকে বিষাক্ত করে তুলি। অথচ জীবনের পথচলায় মনের প্রশান্তি আর ঈমানকে সুদৃঢ় রাখতে ভাগ্যের প্রতি পূর্ণ আস্থা বা তাকদিরের বিশ্বাসই আসল সমাধান।

রাসুল (সা.) এর দৌহিত্র, হজরত ফাতিমা (রা.)’র নয়নের মণি, সাইয়্যিদিনা হুসাইন ইবনে আলী (রা.) হিজরির পঞ্চম বছরে জন্মগ্রহণ করেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজ হাতে তার মুখে মধু দেন। এরপর তার বরকতময় জিহ্বা দিয়ে তার মুখ স্পর্শ করেন, তার জন্য দোয়া করেন এবং তার নাম রাখেন ‘হুসাইন’।

রাসুলুল্লাহ (সা.) এর শানে দরুদ পাঠ করা গুরুত্বপূর্ণ আমল। এটি দুনিয়া-আখেরাতে সাফল্য লাভের স্বর্ণসিঁড়ি। স্বয়ং আল্লাহতায়ালা ও তার সম্মানিত ফেরেশতারা নবীর প্রতি দরুদ পাঠান।

আল্লাহর অসংখ্য নিয়ামতের মধ্যে অন্যতম হলো– তিনি মুসলিম উম্মাহকে তার প্রিয় হাবিব হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর ওপর দরুদ পাঠের মহান আমল দান করেছেন।

পবিত্র কোরআনে ৮২ বার ইসলামের দ্বিতীয় স্তম্ভ সালাত বা নামাজের কথা এসেছে। ইরশাদ হয়েছে, ‘যখন তোমরা সালাত (নামাজ) পূর্ণ করবে তখন দাঁড়ানো, বসা ও শোয়া অবস্থায় আল্লাহকে স্মরণ করবে।

পবিত্র রমজান মাস শেষে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মুসলমানদের ওপর সদকাতুল ফিতর আদায় করা ওয়াজিব। ইসলামী শরিয়তে এটি এমন একটি ইবাদত, যা রোজার ত্রুটি-বিচ্যুতি থেকে পবিত্রতা লাভ এবং দরিদ্র মানুষের সহায়তার উদ্দেশ্যে নির্ধারিত হয়েছে।
