সার সংকট নজরদারিতে কৃষি মন্ত্রণালয়ের নতুন সিদ্ধান্ত

সার সংকট নজরদারিতে কৃষি মন্ত্রণালয়ের নতুন সিদ্ধান্ত
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের সার সরবরাহ, মজুদ ও বিতরণ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণে ‘সার ব্যবস্থাপনা কন্ট্রোল রুম’ চালু করেছে কৃষি মন্ত্রণালয়। মাঠপর্যায়ে সার নিয়ে সংকট, অনিয়ম, কৃত্রিম সংকট তৈরি বা অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন-১ শাখার উপসচিব মো. মাকছুদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এসব তথ্য জানানো হয়।
অফিস আদেশে বলা হয়েছে, পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত কৃষি মন্ত্রণালয়ের ৫২৮ নম্বর কক্ষে কন্ট্রোল রুমের কার্যক্রম চলবে। এর জন্য ২৭টি দল গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি দলে একজন কর্মকর্তা, একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও একজন অফিস সহায়ক থাকবেন।
১১ সেপ্টেম্বর থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন দুই শিফটে কন্ট্রোল রুমের কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রথম শিফট সকাল ৮টা থেকে বেলা ৩টা এবং দ্বিতীয় শিফট বেলা ৩টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত। কন্ট্রোল রুমের সার্বিক তদারকির দায়িত্বে থাকবেন অতিরিক্ত সচিব (সার ব্যবস্থাপনা ও উপকরণ)।
কন্ট্রোল রুম দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে সার সরবরাহ, মজুদ, পরিবহন ও বিতরণসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করবে। কোথাও সার পরিবহনে অনিয়ম, অবৈধ মজুদ, কালোবাজারি, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি কিংবা নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির তথ্য পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।
কোনো জেলা বা উপজেলায় সার সংকটের আশঙ্কা দেখা দিলে সেটিকে অগ্রাধিকার দিয়ে চিহ্নিত করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের সুপারিশ করবে কন্ট্রোল রুম। মাঠপর্যায়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে সার পরিস্থিতির সর্বশেষ তথ্য সংগ্রহ করে তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও জানানো হবে।
এ ছাড়া কৃষক, সার ডিলার, পরিবহনকারীসহ সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে পাওয়া অভিযোগ গ্রহণ করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জরুরি পরিস্থিতিতে জেলা প্রশাসন, কৃষি বিভাগ, সার ডিলার ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
প্রতিদিনের সার পরিস্থিতি, পাওয়া অভিযোগ, অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নেওয়া ব্যবস্থা এবং গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো রেজিস্টারে সংরক্ষণ করতে হবে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে দৈনিক ও সাপ্তাহিক প্রতিবেদন তৈরি করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করতে বলা হয়েছে।
সার সরবরাহে বিঘ্ন, পরিবহন সমস্যা, গুদামজাতকরণে জটিলতা কিংবা ডিলার পর্যায়ে অনিয়মের তথ্য পেলেও দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত সারসংক্রান্ত অভিযোগ ও তথ্য যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট মাঠ কর্মকর্তাদের জানানো হবে।
অফিস আদেশ অনুযায়ী, ফোন, মোবাইল, ই-মেইল ও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে পাওয়া অভিযোগ ও তথ্য যথাযথভাবে গ্রহণ ও নথিভুক্ত করতে হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী সেসব বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। শিফট পরিবর্তনের সময় আগের দলের কাছ থেকে পরবর্তী দলের কাছে দায়িত্ব সঠিকভাবে বুঝিয়ে দেওয়ার বিষয়টিও নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
পাশাপাশি পত্রিকা, টেলিভিশন, অনলাইন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত সারসংক্রান্ত খবর নিয়মিত সংগ্রহ করে তা যাচাই করতে বলা হয়েছে। প্রয়োজন হলে জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রুত প্রকৃত পরিস্থিতি জানার নির্দেশ রয়েছে।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের আদেশে সার ব্যবস্থাপনা কন্ট্রোল রুমের যোগাযোগের জন্য ০৫০৩৫১ ফোন নম্বর দেওয়া হয়েছে।

দেশের সার সরবরাহ, মজুদ ও বিতরণ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণে ‘সার ব্যবস্থাপনা কন্ট্রোল রুম’ চালু করেছে কৃষি মন্ত্রণালয়। মাঠপর্যায়ে সার নিয়ে সংকট, অনিয়ম, কৃত্রিম সংকট তৈরি বা অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন-১ শাখার উপসচিব মো. মাকছুদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এসব তথ্য জানানো হয়।
অফিস আদেশে বলা হয়েছে, পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত কৃষি মন্ত্রণালয়ের ৫২৮ নম্বর কক্ষে কন্ট্রোল রুমের কার্যক্রম চলবে। এর জন্য ২৭টি দল গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি দলে একজন কর্মকর্তা, একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও একজন অফিস সহায়ক থাকবেন।
১১ সেপ্টেম্বর থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন দুই শিফটে কন্ট্রোল রুমের কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রথম শিফট সকাল ৮টা থেকে বেলা ৩টা এবং দ্বিতীয় শিফট বেলা ৩টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত। কন্ট্রোল রুমের সার্বিক তদারকির দায়িত্বে থাকবেন অতিরিক্ত সচিব (সার ব্যবস্থাপনা ও উপকরণ)।
কন্ট্রোল রুম দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে সার সরবরাহ, মজুদ, পরিবহন ও বিতরণসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করবে। কোথাও সার পরিবহনে অনিয়ম, অবৈধ মজুদ, কালোবাজারি, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি কিংবা নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির তথ্য পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।
কোনো জেলা বা উপজেলায় সার সংকটের আশঙ্কা দেখা দিলে সেটিকে অগ্রাধিকার দিয়ে চিহ্নিত করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের সুপারিশ করবে কন্ট্রোল রুম। মাঠপর্যায়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে সার পরিস্থিতির সর্বশেষ তথ্য সংগ্রহ করে তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও জানানো হবে।
এ ছাড়া কৃষক, সার ডিলার, পরিবহনকারীসহ সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে পাওয়া অভিযোগ গ্রহণ করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জরুরি পরিস্থিতিতে জেলা প্রশাসন, কৃষি বিভাগ, সার ডিলার ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
প্রতিদিনের সার পরিস্থিতি, পাওয়া অভিযোগ, অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নেওয়া ব্যবস্থা এবং গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো রেজিস্টারে সংরক্ষণ করতে হবে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে দৈনিক ও সাপ্তাহিক প্রতিবেদন তৈরি করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করতে বলা হয়েছে।
সার সরবরাহে বিঘ্ন, পরিবহন সমস্যা, গুদামজাতকরণে জটিলতা কিংবা ডিলার পর্যায়ে অনিয়মের তথ্য পেলেও দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত সারসংক্রান্ত অভিযোগ ও তথ্য যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট মাঠ কর্মকর্তাদের জানানো হবে।
অফিস আদেশ অনুযায়ী, ফোন, মোবাইল, ই-মেইল ও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে পাওয়া অভিযোগ ও তথ্য যথাযথভাবে গ্রহণ ও নথিভুক্ত করতে হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী সেসব বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। শিফট পরিবর্তনের সময় আগের দলের কাছ থেকে পরবর্তী দলের কাছে দায়িত্ব সঠিকভাবে বুঝিয়ে দেওয়ার বিষয়টিও নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
পাশাপাশি পত্রিকা, টেলিভিশন, অনলাইন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত সারসংক্রান্ত খবর নিয়মিত সংগ্রহ করে তা যাচাই করতে বলা হয়েছে। প্রয়োজন হলে জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রুত প্রকৃত পরিস্থিতি জানার নির্দেশ রয়েছে।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের আদেশে সার ব্যবস্থাপনা কন্ট্রোল রুমের যোগাযোগের জন্য ০৫০৩৫১ ফোন নম্বর দেওয়া হয়েছে।

সার সংকট নজরদারিতে কৃষি মন্ত্রণালয়ের নতুন সিদ্ধান্ত
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের সার সরবরাহ, মজুদ ও বিতরণ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণে ‘সার ব্যবস্থাপনা কন্ট্রোল রুম’ চালু করেছে কৃষি মন্ত্রণালয়। মাঠপর্যায়ে সার নিয়ে সংকট, অনিয়ম, কৃত্রিম সংকট তৈরি বা অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন-১ শাখার উপসচিব মো. মাকছুদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এসব তথ্য জানানো হয়।
অফিস আদেশে বলা হয়েছে, পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত কৃষি মন্ত্রণালয়ের ৫২৮ নম্বর কক্ষে কন্ট্রোল রুমের কার্যক্রম চলবে। এর জন্য ২৭টি দল গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি দলে একজন কর্মকর্তা, একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও একজন অফিস সহায়ক থাকবেন।
১১ সেপ্টেম্বর থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন দুই শিফটে কন্ট্রোল রুমের কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রথম শিফট সকাল ৮টা থেকে বেলা ৩টা এবং দ্বিতীয় শিফট বেলা ৩টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত। কন্ট্রোল রুমের সার্বিক তদারকির দায়িত্বে থাকবেন অতিরিক্ত সচিব (সার ব্যবস্থাপনা ও উপকরণ)।
কন্ট্রোল রুম দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে সার সরবরাহ, মজুদ, পরিবহন ও বিতরণসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করবে। কোথাও সার পরিবহনে অনিয়ম, অবৈধ মজুদ, কালোবাজারি, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি কিংবা নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির তথ্য পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।
কোনো জেলা বা উপজেলায় সার সংকটের আশঙ্কা দেখা দিলে সেটিকে অগ্রাধিকার দিয়ে চিহ্নিত করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের সুপারিশ করবে কন্ট্রোল রুম। মাঠপর্যায়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে সার পরিস্থিতির সর্বশেষ তথ্য সংগ্রহ করে তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও জানানো হবে।
এ ছাড়া কৃষক, সার ডিলার, পরিবহনকারীসহ সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে পাওয়া অভিযোগ গ্রহণ করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জরুরি পরিস্থিতিতে জেলা প্রশাসন, কৃষি বিভাগ, সার ডিলার ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
প্রতিদিনের সার পরিস্থিতি, পাওয়া অভিযোগ, অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নেওয়া ব্যবস্থা এবং গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো রেজিস্টারে সংরক্ষণ করতে হবে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে দৈনিক ও সাপ্তাহিক প্রতিবেদন তৈরি করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করতে বলা হয়েছে।
সার সরবরাহে বিঘ্ন, পরিবহন সমস্যা, গুদামজাতকরণে জটিলতা কিংবা ডিলার পর্যায়ে অনিয়মের তথ্য পেলেও দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত সারসংক্রান্ত অভিযোগ ও তথ্য যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট মাঠ কর্মকর্তাদের জানানো হবে।
অফিস আদেশ অনুযায়ী, ফোন, মোবাইল, ই-মেইল ও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে পাওয়া অভিযোগ ও তথ্য যথাযথভাবে গ্রহণ ও নথিভুক্ত করতে হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী সেসব বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। শিফট পরিবর্তনের সময় আগের দলের কাছ থেকে পরবর্তী দলের কাছে দায়িত্ব সঠিকভাবে বুঝিয়ে দেওয়ার বিষয়টিও নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
পাশাপাশি পত্রিকা, টেলিভিশন, অনলাইন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত সারসংক্রান্ত খবর নিয়মিত সংগ্রহ করে তা যাচাই করতে বলা হয়েছে। প্রয়োজন হলে জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রুত প্রকৃত পরিস্থিতি জানার নির্দেশ রয়েছে।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের আদেশে সার ব্যবস্থাপনা কন্ট্রোল রুমের যোগাযোগের জন্য ০৫০৩৫১ ফোন নম্বর দেওয়া হয়েছে।








