শিরোনাম

যে আমল করলে দূর হয় দুশ্চিন্তা

সিজেডএন  ডেস্ক
সিজেডএন ডেস্ক
যে আমল করলে দূর হয় দুশ্চিন্তা
দুরুদ পাঠ

আল্লাহর অসংখ্য নিয়ামতের মধ্যে অন্যতম হলো– তিনি মুসলিম উম্মাহকে তার প্রিয় হাবিব হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর ওপর দরুদ পাঠের মহান আমল দান করেছেন। এ আমল রাসুল (সা.) এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মাধ্যম।

কোরআনে বলা হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ নবীর প্রতি অনুগ্রহ বর্ষণ করেন এবং ফেরেশতাগণ অনুগ্রহ প্রার্থনা করেন। হে মুমিনগণ! তোমরাও তার প্রতি দরুদ ও সালাম পাঠ করো।’ (সুরা আহজাব: ৫৬)

দরুদ পাঠের মাধ্যমে বান্দা আল্লাহর রহমত লাভ করে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি আমার ওপর একবার দরুদ পড়বে, আল্লাহ তার ওপর ১০টি রহমত বর্ষণ করেন, তার ১০টি গুনাহ মাফ করে দেন এবং তাকে ১০ মর্যাদা উন্নীত করেন।’ (সুনানে নাসায়ি: ১২৯৭)

দরুদ পাঠ মানুষের গুনাহ মোচন এবং দুশ্চিন্তা দূর করার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। উবাই ইবনে কাব (রা.) একবার রাসুল (সা.) কে জিজ্ঞেস করলেন, তিনি তার ইবাদতের কতটুকু অংশ দরুদের জন্য নির্ধারণ করবেন। একপর্যায়ে যখন তিনি বললেন, ‘আমার পুরো ইবাদতের সময় আপনার ওপর দরুদ পাঠে ব্যয় করি?’ তখন নবীজি (সা.) বললেন, ‘তাহলে তোমার সব চিন্তা ও গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।’ (জামে তিরমিজি: ২৪৫৭)

কিয়ামতের দিন রাসুল (সা.) এর নৈকট্য লাভের অন্যতম মাধ্যম হলো– বেশি বেশি দরুদ পাঠ করা। নবীজি (সা.) বলেন, ‘কিয়ামতের দিন আমার সবচেয়ে নিকটবর্তী হবে সেই ব্যক্তি, যে আমার ওপর সবচেয়ে বেশি দরুদ পাঠ করেছে।’ (জামে তিরমিজি: ৪৮৪)

দরুদ পাঠ দোয়া কবুল হওয়ারও একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। সাহাবায়ে কেরাম (রা.) ও পরবর্তী মনীষীরা দোয়ার শুরু ও শেষে দরুদ পড়াকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিতেন।

/এসআর/