একটি মহল সম্পত্তি হস্তান্তর আইন নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টির চেষ্টা করছে: আইনমন্ত্রী

একটি মহল সম্পত্তি হস্তান্তর আইন নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টির চেষ্টা করছে: আইনমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, আমরা বৃদ্ধ বাবা-মাকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে সংশোধনী এনেছি। কিন্তু এটা নিয়ে একটি মহল বিতর্ক সৃষ্টির চেষ্টা করছে। অনেকেই বলছেন এটা হেবা আইনের লঙ্ঘন। আমরা জানি হেবা আইন স্পর্শ করার ক্ষমতা কারও নাই।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পিটিআই হলরুমে চাকরি মেলা সেমিনারের সমাপনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
আইনমন্ত্রী বলেন, আমরা শুধু ১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের সংশোধন এনেছি। সেই সংশোধনে পরিস্কারভাবে বলা আছে হেবা আইন কিংবা অন্য কোনও আইনে এই সংশোধনী বাধাগ্রস্ত হবে না। এই অংশটুকু তারা পড়ছে না। এটা নিয়ে একটা রাজনীতি করার চেষ্টা করছেন তারা।
তিনি বলেন, মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি আজ স্পটেই যে ১ হাজার ১১৫ জনকে চাকরি দিলো এটা অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের। এটা সরকারের অঙ্গীকার পূরণের অন্যতম একটি মাইলফলক হিসাবে থাকবে। কয়েকদিনের মধ্যে আরও তিন হাজার জনকে চাকরি দিবে। বর্তমানে মাইক্রো ক্রেডিট সেক্টরে প্রায় আড়াই লক্ষ মানুষ চাকরি করে। আমরা আশা করি আগামী এক বছরের মধ্যে এটি সাড়ে তিন লাখে দাঁড়াবে।
‘ক্যারিয়ার হোক ক্ষুদ্রঋণ সেক্টরে, অবদান হোক দেশের উন্নয়ন’ এ প্রতিপাদ্য নিয়ে এ চাকরি মেলার আয়োজন করে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি।
মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির এক্সিকিউটিভ ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মেরিনা আক্তারসহ চাকরি মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা।

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, আমরা বৃদ্ধ বাবা-মাকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে সংশোধনী এনেছি। কিন্তু এটা নিয়ে একটি মহল বিতর্ক সৃষ্টির চেষ্টা করছে। অনেকেই বলছেন এটা হেবা আইনের লঙ্ঘন। আমরা জানি হেবা আইন স্পর্শ করার ক্ষমতা কারও নাই।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পিটিআই হলরুমে চাকরি মেলা সেমিনারের সমাপনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
আইনমন্ত্রী বলেন, আমরা শুধু ১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের সংশোধন এনেছি। সেই সংশোধনে পরিস্কারভাবে বলা আছে হেবা আইন কিংবা অন্য কোনও আইনে এই সংশোধনী বাধাগ্রস্ত হবে না। এই অংশটুকু তারা পড়ছে না। এটা নিয়ে একটা রাজনীতি করার চেষ্টা করছেন তারা।
তিনি বলেন, মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি আজ স্পটেই যে ১ হাজার ১১৫ জনকে চাকরি দিলো এটা অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের। এটা সরকারের অঙ্গীকার পূরণের অন্যতম একটি মাইলফলক হিসাবে থাকবে। কয়েকদিনের মধ্যে আরও তিন হাজার জনকে চাকরি দিবে। বর্তমানে মাইক্রো ক্রেডিট সেক্টরে প্রায় আড়াই লক্ষ মানুষ চাকরি করে। আমরা আশা করি আগামী এক বছরের মধ্যে এটি সাড়ে তিন লাখে দাঁড়াবে।
‘ক্যারিয়ার হোক ক্ষুদ্রঋণ সেক্টরে, অবদান হোক দেশের উন্নয়ন’ এ প্রতিপাদ্য নিয়ে এ চাকরি মেলার আয়োজন করে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি।
মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির এক্সিকিউটিভ ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মেরিনা আক্তারসহ চাকরি মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা।

একটি মহল সম্পত্তি হস্তান্তর আইন নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টির চেষ্টা করছে: আইনমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, আমরা বৃদ্ধ বাবা-মাকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে সংশোধনী এনেছি। কিন্তু এটা নিয়ে একটি মহল বিতর্ক সৃষ্টির চেষ্টা করছে। অনেকেই বলছেন এটা হেবা আইনের লঙ্ঘন। আমরা জানি হেবা আইন স্পর্শ করার ক্ষমতা কারও নাই।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পিটিআই হলরুমে চাকরি মেলা সেমিনারের সমাপনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
আইনমন্ত্রী বলেন, আমরা শুধু ১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের সংশোধন এনেছি। সেই সংশোধনে পরিস্কারভাবে বলা আছে হেবা আইন কিংবা অন্য কোনও আইনে এই সংশোধনী বাধাগ্রস্ত হবে না। এই অংশটুকু তারা পড়ছে না। এটা নিয়ে একটা রাজনীতি করার চেষ্টা করছেন তারা।
তিনি বলেন, মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি আজ স্পটেই যে ১ হাজার ১১৫ জনকে চাকরি দিলো এটা অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের। এটা সরকারের অঙ্গীকার পূরণের অন্যতম একটি মাইলফলক হিসাবে থাকবে। কয়েকদিনের মধ্যে আরও তিন হাজার জনকে চাকরি দিবে। বর্তমানে মাইক্রো ক্রেডিট সেক্টরে প্রায় আড়াই লক্ষ মানুষ চাকরি করে। আমরা আশা করি আগামী এক বছরের মধ্যে এটি সাড়ে তিন লাখে দাঁড়াবে।
‘ক্যারিয়ার হোক ক্ষুদ্রঋণ সেক্টরে, অবদান হোক দেশের উন্নয়ন’ এ প্রতিপাদ্য নিয়ে এ চাকরি মেলার আয়োজন করে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি।
মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির এক্সিকিউটিভ ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মেরিনা আক্তারসহ চাকরি মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা।

৫ আগস্ট দেশের মানুষ দেখিয়ে দিয়েছে পরিবর্তন সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী







