জ্বালানিসহ নানা সংকটে বন্ধ ৩৭ বিদ্যুৎকেন্দ্র, বাড়ছে লোডশেডিং

জ্বালানিসহ নানা সংকটে বন্ধ ৩৭ বিদ্যুৎকেন্দ্র, বাড়ছে লোডশেডিং
সিজেডএন ডেস্ক

জ্বালানি সংকট, চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়া ও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বর্তমানে দেশের ৩৭টি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ রয়েছে। এসব কেন্দ্রের মোট উৎপাদন সক্ষমতা ৭ হাজার ২৬৯ মেগাওয়াট। কেন্দ্রগুলো বন্ধ থাকায় জাতীয় গ্রিডে ব্যাপক বিদ্যুৎ ঘাটতি তৈরি হয়েছে। ফলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বাড়ছে লোডশেডিং।
এদিকে, পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার তেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র দিয়ে উৎপাদন বৃদ্ধির চেষ্টা করছে বলে জানা গেছে। তবে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকার ও অন্তর্বর্তী সরকার সময়মতো মেয়াদোত্তীর্ণ বিদ্যুৎকেন্দ্র চালুর ব্যবস্থা ও যান্ত্রিক ত্রুটির কাজগুলো সম্পন্ন না করায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।
বিদ্যুৎ বিভাগ ও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের (পিজিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, বন্ধ থাকা ৩৭টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে ২৩টি সরকারি ও ১৪টি বেসরকারি। বর্তমানে দেশে মোট ১৩৩টি বিদ্যুৎকেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি কেন্দ্র চালু থাকলেও গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি সংকটের কারণে পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন করতে পারছে না।
বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার বিকালে দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৬ হাজার ৩৪৫ মেগাওয়াট। বিপরীতে উৎপাদন হয়েছে ১২ হাজার ৭৮৮ মেগাওয়াট। ফলে ঘাটতি দাঁড়ায় ৩ হাজার ৫৫৭ মেগাওয়াটে।
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম জানান, গ্যাসের বরাদ্দ কমে যাওয়ায় অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালানো যাচ্ছে না। সংকট মোকাবিলায় তেলভিত্তিক কেন্দ্রগুলো চালুর চেষ্টা চলছে। তবে তেল আমদানি করতে ১৫ থেকে ২০ দিন সময় লাগে। পাশাপাশি বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনও (বিপিসি) সংকটে রয়েছে। আশা করা হচ্ছে বন্ধ অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র ২০ তারিখের পর চালু হবে। যে কেন্দ্রগুলোর মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে তা নবায়নের বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। যেগুলো চালু আছে সেগুলোর ওপরই গুরুত্ব দেওয়া হবে।
অন্যদিকে, চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়া কেন্দ্রগুলোর বেশির ভাগই তেলভিত্তিক। এসব কেন্দ্র চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও জ্বালানি সংকট এবং বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর বকেয়া বিলের কারণে অনেক কেন্দ্র বন্ধ রয়েছে। কিছু কেন্দ্র পুনরায় চালুর জন্য বকেয়া পরিশোধের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলেও বিদ্যুৎ উৎপাদনে সংকট দেখা দিয়েছে। সিলেটে ১৫টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মোট সক্ষমতা প্রায় ২ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট হলেও গ্যাস ও যান্ত্রিক সমস্যায় সেগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় চলছে না। শাহজিবাজারের ১০০ মেগাওয়াটের গ্যাস টারবাইন কেন্দ্রটি প্রায় ছয় বছর ধরে বন্ধ।
খুলনায় পাঁচটি কেন্দ্রের মোট সক্ষমতা ১ হাজার ৫৭৫ মেগাওয়াট। গ্যাস সরবরাহ না থাকায় রূপসা ৮০০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্রটি চালু করা যায়নি। অন্যদিকে, জ্বালানি সংকটে কয়েকটি কেন্দ্রও কম সক্ষমতায় চলছে।
ময়মনসিংহে ছয়টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মোট সক্ষমতা ৫৯৮ মেগাওয়াট। এর মধ্যে গ্যাস সংকটে আরপিসিএল ২১০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল কেন্দ্রটি প্রায় দুই মাস ধরে বন্ধ। ফলে সেখানে প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে।
চট্টগ্রাম অঞ্চলেও একই ধরনের সংকট রয়েছে। সেখানে ২৯টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মোট সক্ষমতা ৫ হাজার মেগাওয়াটের বেশি। এর মধ্যে চারটি কেন্দ্র পুরোপুরি বন্ধ এবং আরও আটটির বেশি কেন্দ্র জ্বালানি সংকটে কম উৎপাদন করছে। বর্তমানে ওই অঞ্চলে উৎপাদন হচ্ছে প্রায় ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ২০০ মেগাওয়াট।
শুধু তাই নয়ি, এর মধ্যে ভারতের ঝাড়খণ্ডের গোড্ডায় আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিটের একটি কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে গেছে। ৮০০ মেগাওয়াটের ওই ইউনিটটি বৃহস্পতিবার মধ্যরাতের দিকে বন্ধ হয়। এটি মেরামতে অন্তত ৪৮ ঘণ্টা এবং পুনরায় পুরোপুরি চালু হতে আরও কয়েক দিন সময় লাগতে পারে। এতে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সরবরাহে আরও চাপ তৈরি হয়েছে।

জ্বালানি সংকট, চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়া ও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বর্তমানে দেশের ৩৭টি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ রয়েছে। এসব কেন্দ্রের মোট উৎপাদন সক্ষমতা ৭ হাজার ২৬৯ মেগাওয়াট। কেন্দ্রগুলো বন্ধ থাকায় জাতীয় গ্রিডে ব্যাপক বিদ্যুৎ ঘাটতি তৈরি হয়েছে। ফলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বাড়ছে লোডশেডিং।
এদিকে, পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার তেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র দিয়ে উৎপাদন বৃদ্ধির চেষ্টা করছে বলে জানা গেছে। তবে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকার ও অন্তর্বর্তী সরকার সময়মতো মেয়াদোত্তীর্ণ বিদ্যুৎকেন্দ্র চালুর ব্যবস্থা ও যান্ত্রিক ত্রুটির কাজগুলো সম্পন্ন না করায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।
বিদ্যুৎ বিভাগ ও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের (পিজিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, বন্ধ থাকা ৩৭টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে ২৩টি সরকারি ও ১৪টি বেসরকারি। বর্তমানে দেশে মোট ১৩৩টি বিদ্যুৎকেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি কেন্দ্র চালু থাকলেও গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি সংকটের কারণে পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন করতে পারছে না।
বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার বিকালে দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৬ হাজার ৩৪৫ মেগাওয়াট। বিপরীতে উৎপাদন হয়েছে ১২ হাজার ৭৮৮ মেগাওয়াট। ফলে ঘাটতি দাঁড়ায় ৩ হাজার ৫৫৭ মেগাওয়াটে।
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম জানান, গ্যাসের বরাদ্দ কমে যাওয়ায় অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালানো যাচ্ছে না। সংকট মোকাবিলায় তেলভিত্তিক কেন্দ্রগুলো চালুর চেষ্টা চলছে। তবে তেল আমদানি করতে ১৫ থেকে ২০ দিন সময় লাগে। পাশাপাশি বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনও (বিপিসি) সংকটে রয়েছে। আশা করা হচ্ছে বন্ধ অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র ২০ তারিখের পর চালু হবে। যে কেন্দ্রগুলোর মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে তা নবায়নের বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। যেগুলো চালু আছে সেগুলোর ওপরই গুরুত্ব দেওয়া হবে।
অন্যদিকে, চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়া কেন্দ্রগুলোর বেশির ভাগই তেলভিত্তিক। এসব কেন্দ্র চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও জ্বালানি সংকট এবং বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর বকেয়া বিলের কারণে অনেক কেন্দ্র বন্ধ রয়েছে। কিছু কেন্দ্র পুনরায় চালুর জন্য বকেয়া পরিশোধের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলেও বিদ্যুৎ উৎপাদনে সংকট দেখা দিয়েছে। সিলেটে ১৫টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মোট সক্ষমতা প্রায় ২ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট হলেও গ্যাস ও যান্ত্রিক সমস্যায় সেগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় চলছে না। শাহজিবাজারের ১০০ মেগাওয়াটের গ্যাস টারবাইন কেন্দ্রটি প্রায় ছয় বছর ধরে বন্ধ।
খুলনায় পাঁচটি কেন্দ্রের মোট সক্ষমতা ১ হাজার ৫৭৫ মেগাওয়াট। গ্যাস সরবরাহ না থাকায় রূপসা ৮০০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্রটি চালু করা যায়নি। অন্যদিকে, জ্বালানি সংকটে কয়েকটি কেন্দ্রও কম সক্ষমতায় চলছে।
ময়মনসিংহে ছয়টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মোট সক্ষমতা ৫৯৮ মেগাওয়াট। এর মধ্যে গ্যাস সংকটে আরপিসিএল ২১০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল কেন্দ্রটি প্রায় দুই মাস ধরে বন্ধ। ফলে সেখানে প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে।
চট্টগ্রাম অঞ্চলেও একই ধরনের সংকট রয়েছে। সেখানে ২৯টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মোট সক্ষমতা ৫ হাজার মেগাওয়াটের বেশি। এর মধ্যে চারটি কেন্দ্র পুরোপুরি বন্ধ এবং আরও আটটির বেশি কেন্দ্র জ্বালানি সংকটে কম উৎপাদন করছে। বর্তমানে ওই অঞ্চলে উৎপাদন হচ্ছে প্রায় ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ২০০ মেগাওয়াট।
শুধু তাই নয়ি, এর মধ্যে ভারতের ঝাড়খণ্ডের গোড্ডায় আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিটের একটি কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে গেছে। ৮০০ মেগাওয়াটের ওই ইউনিটটি বৃহস্পতিবার মধ্যরাতের দিকে বন্ধ হয়। এটি মেরামতে অন্তত ৪৮ ঘণ্টা এবং পুনরায় পুরোপুরি চালু হতে আরও কয়েক দিন সময় লাগতে পারে। এতে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সরবরাহে আরও চাপ তৈরি হয়েছে।

জ্বালানিসহ নানা সংকটে বন্ধ ৩৭ বিদ্যুৎকেন্দ্র, বাড়ছে লোডশেডিং
সিজেডএন ডেস্ক

জ্বালানি সংকট, চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়া ও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বর্তমানে দেশের ৩৭টি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ রয়েছে। এসব কেন্দ্রের মোট উৎপাদন সক্ষমতা ৭ হাজার ২৬৯ মেগাওয়াট। কেন্দ্রগুলো বন্ধ থাকায় জাতীয় গ্রিডে ব্যাপক বিদ্যুৎ ঘাটতি তৈরি হয়েছে। ফলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বাড়ছে লোডশেডিং।
এদিকে, পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার তেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র দিয়ে উৎপাদন বৃদ্ধির চেষ্টা করছে বলে জানা গেছে। তবে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকার ও অন্তর্বর্তী সরকার সময়মতো মেয়াদোত্তীর্ণ বিদ্যুৎকেন্দ্র চালুর ব্যবস্থা ও যান্ত্রিক ত্রুটির কাজগুলো সম্পন্ন না করায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।
বিদ্যুৎ বিভাগ ও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের (পিজিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, বন্ধ থাকা ৩৭টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে ২৩টি সরকারি ও ১৪টি বেসরকারি। বর্তমানে দেশে মোট ১৩৩টি বিদ্যুৎকেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি কেন্দ্র চালু থাকলেও গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি সংকটের কারণে পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন করতে পারছে না।
বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার বিকালে দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৬ হাজার ৩৪৫ মেগাওয়াট। বিপরীতে উৎপাদন হয়েছে ১২ হাজার ৭৮৮ মেগাওয়াট। ফলে ঘাটতি দাঁড়ায় ৩ হাজার ৫৫৭ মেগাওয়াটে।
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম জানান, গ্যাসের বরাদ্দ কমে যাওয়ায় অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালানো যাচ্ছে না। সংকট মোকাবিলায় তেলভিত্তিক কেন্দ্রগুলো চালুর চেষ্টা চলছে। তবে তেল আমদানি করতে ১৫ থেকে ২০ দিন সময় লাগে। পাশাপাশি বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনও (বিপিসি) সংকটে রয়েছে। আশা করা হচ্ছে বন্ধ অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র ২০ তারিখের পর চালু হবে। যে কেন্দ্রগুলোর মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে তা নবায়নের বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। যেগুলো চালু আছে সেগুলোর ওপরই গুরুত্ব দেওয়া হবে।
অন্যদিকে, চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়া কেন্দ্রগুলোর বেশির ভাগই তেলভিত্তিক। এসব কেন্দ্র চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও জ্বালানি সংকট এবং বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর বকেয়া বিলের কারণে অনেক কেন্দ্র বন্ধ রয়েছে। কিছু কেন্দ্র পুনরায় চালুর জন্য বকেয়া পরিশোধের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলেও বিদ্যুৎ উৎপাদনে সংকট দেখা দিয়েছে। সিলেটে ১৫টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মোট সক্ষমতা প্রায় ২ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট হলেও গ্যাস ও যান্ত্রিক সমস্যায় সেগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় চলছে না। শাহজিবাজারের ১০০ মেগাওয়াটের গ্যাস টারবাইন কেন্দ্রটি প্রায় ছয় বছর ধরে বন্ধ।
খুলনায় পাঁচটি কেন্দ্রের মোট সক্ষমতা ১ হাজার ৫৭৫ মেগাওয়াট। গ্যাস সরবরাহ না থাকায় রূপসা ৮০০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্রটি চালু করা যায়নি। অন্যদিকে, জ্বালানি সংকটে কয়েকটি কেন্দ্রও কম সক্ষমতায় চলছে।
ময়মনসিংহে ছয়টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মোট সক্ষমতা ৫৯৮ মেগাওয়াট। এর মধ্যে গ্যাস সংকটে আরপিসিএল ২১০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল কেন্দ্রটি প্রায় দুই মাস ধরে বন্ধ। ফলে সেখানে প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে।
চট্টগ্রাম অঞ্চলেও একই ধরনের সংকট রয়েছে। সেখানে ২৯টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মোট সক্ষমতা ৫ হাজার মেগাওয়াটের বেশি। এর মধ্যে চারটি কেন্দ্র পুরোপুরি বন্ধ এবং আরও আটটির বেশি কেন্দ্র জ্বালানি সংকটে কম উৎপাদন করছে। বর্তমানে ওই অঞ্চলে উৎপাদন হচ্ছে প্রায় ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ২০০ মেগাওয়াট।
শুধু তাই নয়ি, এর মধ্যে ভারতের ঝাড়খণ্ডের গোড্ডায় আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিটের একটি কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে গেছে। ৮০০ মেগাওয়াটের ওই ইউনিটটি বৃহস্পতিবার মধ্যরাতের দিকে বন্ধ হয়। এটি মেরামতে অন্তত ৪৮ ঘণ্টা এবং পুনরায় পুরোপুরি চালু হতে আরও কয়েক দিন সময় লাগতে পারে। এতে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সরবরাহে আরও চাপ তৈরি হয়েছে।

আদানির বিদ্যুৎ সরবরাহ কমে অর্ধেক, মধ্যরাতে বাড়ছে লোডশেডিং







