কোরবানির চামড়া ব্যবস্থাপনায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কন্ট্রোল রুম চালু
কোরবানির চামড়া ব্যবস্থাপনায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কন্ট্রোল রুম চালু
পবিত্র ঈদুল আযহায় কোরবানির পশুর চামড়া সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণে কন্ট্রোল রুম চালু করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।


২০১৭ সালে রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকা থেকে ট্যানারি শিল্পকারখানাগুলো সাভারের হেমায়েতপুরে সরিয়ে নেওয়া হয়। হাজারীবাগ থেকে ট্যানারি স্থানান্তরের অন্যতম যুক্তি ছিল বুড়িগঙ্গা নদীকে দূষণ থেকে বাঁচাতে হবে। এখন প্রায় ১০ বছর পরে বুড়িগঙ্গাও শেষ, ধলেশ্বরীও শেষ হওয়ার পথে।

দেশে কোরবানির চামড়ার দাম অভ্যন্তরীণ চাহিদার চেয়ে আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতির ওপর বেশি নির্ভরশীল বলে মন্তব্য করেছেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন।

কোরবানিকৃত পশুর চামড়া বিক্রি না হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ, মৌসুমি ব্যবসায়ী এবং দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো। জেলার বিভিন্ন স্থানে চামড়া মাটিতে পুঁতে ফেলার খবর পাওয়া গেছে।

সরকার চলতি বছর কোরবানির পশুর চামড়ার দাম বাড়ালেও মাঠপর্যায়ে তার কোনো প্রতিফলন দেখা যায়নি। পবিত্র ঈদুল আজহার দিনে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অনেক কম দামে চামড়া বিক্রি হচ্ছে।
পবিত্র ঈদুল আযহায় কোরবানির পশুর চামড়া সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণে কন্ট্রোল রুম চালু করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

চামড়া দেশের রপ্তানি খাতের অন্যতম সম্ভাবনাময় খাত, যা এখনো আছে। কিন্তু হাজারীবাগ থেকে যেভাবে ট্যানারি শিল্পকে সাভারে স্থানান্তর করা হয়েছে, সেটি ছিল অপরিকল্পিত ও অবহেলাপূর্ণ। ফলে এই শিল্প তার কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেনি বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মোক্তাদির।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা যদি পরিকল্পনাগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে পারি, তাহলে ইনশাআল্লাহ এ বছর একটি চামড়াও নষ্ট হবে না এবং দেশের এই মূল্যবান সম্পদ সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে।’

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়ার নতুন দাম ঘোষণা করেছে সরকার। বুধবার (১৩ মে) সচিবালয়ে আয়োজিত কোরবানি ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত এক সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
