নির্মাণকাজ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরসহ জকসুর তিন দফা দাবি

নির্মাণকাজ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরসহ জকসুর তিন দফা দাবি
জবি প্রতিনিধি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের দ্বিতীয় ধাপের নির্মাণকাজ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর, নির্মাণাধীন দু’টি ছাত্র হলের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করা এবং শিক্ষার্থীদের বিশেষ বৃত্তির বাকি অর্থ দ্রুত ছাড় সংশ্লিষ্ট তিন দফা দাবি উত্থাপন করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)।
রবিবার (৫ জুলাই) বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের রফিক ভবনের নিচে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম এসব দাবির কথা বলেন।
জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম বলেন, শুরু থেকেই দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের দ্বিতীয় ধাপের নির্মাণকাজ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের দাবিতে জকসু শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সঙ্গে একাধিক দফা আলোচনা এবং জনমত গঠনে কাজ করে আসছে। কিন্তু প্রকল্পের ডিপিপি ইউজিসিতে পাঠানো এবং সংশোধনের পর পুনরায় জমা দেওয়া হলেও, কাজ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের বিষয়ে এখনো দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যায়নি।
তিনি বলেন, ‘এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ১৭ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। আজ আমরা উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। তিনি আমাদের জানিয়েছেন, সেনাবাহিনীর কাছে কাজ হস্তান্তরের বিষয়ে তিনি আন্তরিক এবং ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছেন।’
আগামী এক মাসের মধ্যে দ্বিতীয় ধাপের নির্মাণকাজ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের দাবি জানিয়ে রিয়াজুল ইসলাম বলেন, ‘এক মাসের মধ্যে এ বিষয়ে কার্যকর অগ্রগতি না হলে ১৭ হাজার শিক্ষার্থীকে সঙ্গে নিয়ে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।’
নির্মাণাধীন দুটি ছাত্র হলের বিষয়ে তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সেনাবাহিনীর সঙ্গে বৈঠক করে চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে হল দুটির নির্মাণকাজ শেষ করার আশ্বাস দিয়েছে। জকসু এ আশ্বাসকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে প্রশাসনের কার্যকর তদারকির আহ্বান জানিয়েছে।
বিশেষ বৃত্তির বিষয়ে জকসুর দাবি, আন্দোলনের পর এখন পর্যন্ত মাত্র ১০ কোটি টাকা ছাড় করা হয়েছে। প্রতিশ্রুত ৫৬ কোটি টাকার মধ্যে বাকি ৪৬ কোটি টাকা দ্রুত শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে দিতে হবে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন চলতি বাজেটে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের আশ্বাস দিলেও নির্দিষ্ট পরিমাণ উল্লেখ করেনি বলে দাবি করেন জকসু নেতারা।
জকসু ভিপি বলেন, দাবি বাস্তবায়নে প্রয়োজন হলে প্রশাসনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে। তবে কোনো ধরনের গড়িমসি বা অনিয়ম দেখা গেলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনের কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।
এছাড়াও সংবাদ সম্মেলনে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মরণে মাসব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচিও ঘোষণা করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে জুলাই শহিদ ইকরামুল হক সাজিদের কবর জিয়ারত ও পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ, তার নামে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের উদ্যোগ, জুলাইভিত্তিক গ্রাফিতি অঙ্কন, জুলাইয়ে হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে কর্মসূচি, ‘৩৬ জুলাই’ র্যালি, আবৃত্তি, ক্যালিগ্রাফি ও আন্তঃবিভাগ বিতর্ক প্রতিযোগিতা, ভিডিও প্রতিযোগিতা, সেমিনার এবং জুলাই স্মরণে বিভিন্ন সৃজনশীল আয়োজন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের দ্বিতীয় ধাপের নির্মাণকাজ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর, নির্মাণাধীন দু’টি ছাত্র হলের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করা এবং শিক্ষার্থীদের বিশেষ বৃত্তির বাকি অর্থ দ্রুত ছাড় সংশ্লিষ্ট তিন দফা দাবি উত্থাপন করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)।
রবিবার (৫ জুলাই) বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের রফিক ভবনের নিচে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম এসব দাবির কথা বলেন।
জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম বলেন, শুরু থেকেই দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের দ্বিতীয় ধাপের নির্মাণকাজ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের দাবিতে জকসু শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সঙ্গে একাধিক দফা আলোচনা এবং জনমত গঠনে কাজ করে আসছে। কিন্তু প্রকল্পের ডিপিপি ইউজিসিতে পাঠানো এবং সংশোধনের পর পুনরায় জমা দেওয়া হলেও, কাজ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের বিষয়ে এখনো দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যায়নি।
তিনি বলেন, ‘এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ১৭ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। আজ আমরা উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। তিনি আমাদের জানিয়েছেন, সেনাবাহিনীর কাছে কাজ হস্তান্তরের বিষয়ে তিনি আন্তরিক এবং ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছেন।’
আগামী এক মাসের মধ্যে দ্বিতীয় ধাপের নির্মাণকাজ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের দাবি জানিয়ে রিয়াজুল ইসলাম বলেন, ‘এক মাসের মধ্যে এ বিষয়ে কার্যকর অগ্রগতি না হলে ১৭ হাজার শিক্ষার্থীকে সঙ্গে নিয়ে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।’
নির্মাণাধীন দুটি ছাত্র হলের বিষয়ে তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সেনাবাহিনীর সঙ্গে বৈঠক করে চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে হল দুটির নির্মাণকাজ শেষ করার আশ্বাস দিয়েছে। জকসু এ আশ্বাসকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে প্রশাসনের কার্যকর তদারকির আহ্বান জানিয়েছে।
বিশেষ বৃত্তির বিষয়ে জকসুর দাবি, আন্দোলনের পর এখন পর্যন্ত মাত্র ১০ কোটি টাকা ছাড় করা হয়েছে। প্রতিশ্রুত ৫৬ কোটি টাকার মধ্যে বাকি ৪৬ কোটি টাকা দ্রুত শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে দিতে হবে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন চলতি বাজেটে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের আশ্বাস দিলেও নির্দিষ্ট পরিমাণ উল্লেখ করেনি বলে দাবি করেন জকসু নেতারা।
জকসু ভিপি বলেন, দাবি বাস্তবায়নে প্রয়োজন হলে প্রশাসনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে। তবে কোনো ধরনের গড়িমসি বা অনিয়ম দেখা গেলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনের কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।
এছাড়াও সংবাদ সম্মেলনে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মরণে মাসব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচিও ঘোষণা করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে জুলাই শহিদ ইকরামুল হক সাজিদের কবর জিয়ারত ও পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ, তার নামে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের উদ্যোগ, জুলাইভিত্তিক গ্রাফিতি অঙ্কন, জুলাইয়ে হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে কর্মসূচি, ‘৩৬ জুলাই’ র্যালি, আবৃত্তি, ক্যালিগ্রাফি ও আন্তঃবিভাগ বিতর্ক প্রতিযোগিতা, ভিডিও প্রতিযোগিতা, সেমিনার এবং জুলাই স্মরণে বিভিন্ন সৃজনশীল আয়োজন।

নির্মাণকাজ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরসহ জকসুর তিন দফা দাবি
জবি প্রতিনিধি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের দ্বিতীয় ধাপের নির্মাণকাজ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর, নির্মাণাধীন দু’টি ছাত্র হলের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করা এবং শিক্ষার্থীদের বিশেষ বৃত্তির বাকি অর্থ দ্রুত ছাড় সংশ্লিষ্ট তিন দফা দাবি উত্থাপন করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)।
রবিবার (৫ জুলাই) বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের রফিক ভবনের নিচে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম এসব দাবির কথা বলেন।
জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম বলেন, শুরু থেকেই দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের দ্বিতীয় ধাপের নির্মাণকাজ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের দাবিতে জকসু শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সঙ্গে একাধিক দফা আলোচনা এবং জনমত গঠনে কাজ করে আসছে। কিন্তু প্রকল্পের ডিপিপি ইউজিসিতে পাঠানো এবং সংশোধনের পর পুনরায় জমা দেওয়া হলেও, কাজ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের বিষয়ে এখনো দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যায়নি।
তিনি বলেন, ‘এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ১৭ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। আজ আমরা উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। তিনি আমাদের জানিয়েছেন, সেনাবাহিনীর কাছে কাজ হস্তান্তরের বিষয়ে তিনি আন্তরিক এবং ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছেন।’
আগামী এক মাসের মধ্যে দ্বিতীয় ধাপের নির্মাণকাজ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের দাবি জানিয়ে রিয়াজুল ইসলাম বলেন, ‘এক মাসের মধ্যে এ বিষয়ে কার্যকর অগ্রগতি না হলে ১৭ হাজার শিক্ষার্থীকে সঙ্গে নিয়ে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।’
নির্মাণাধীন দুটি ছাত্র হলের বিষয়ে তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সেনাবাহিনীর সঙ্গে বৈঠক করে চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে হল দুটির নির্মাণকাজ শেষ করার আশ্বাস দিয়েছে। জকসু এ আশ্বাসকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে প্রশাসনের কার্যকর তদারকির আহ্বান জানিয়েছে।
বিশেষ বৃত্তির বিষয়ে জকসুর দাবি, আন্দোলনের পর এখন পর্যন্ত মাত্র ১০ কোটি টাকা ছাড় করা হয়েছে। প্রতিশ্রুত ৫৬ কোটি টাকার মধ্যে বাকি ৪৬ কোটি টাকা দ্রুত শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে দিতে হবে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন চলতি বাজেটে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের আশ্বাস দিলেও নির্দিষ্ট পরিমাণ উল্লেখ করেনি বলে দাবি করেন জকসু নেতারা।
জকসু ভিপি বলেন, দাবি বাস্তবায়নে প্রয়োজন হলে প্রশাসনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে। তবে কোনো ধরনের গড়িমসি বা অনিয়ম দেখা গেলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনের কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।
এছাড়াও সংবাদ সম্মেলনে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মরণে মাসব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচিও ঘোষণা করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে জুলাই শহিদ ইকরামুল হক সাজিদের কবর জিয়ারত ও পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ, তার নামে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের উদ্যোগ, জুলাইভিত্তিক গ্রাফিতি অঙ্কন, জুলাইয়ে হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে কর্মসূচি, ‘৩৬ জুলাই’ র্যালি, আবৃত্তি, ক্যালিগ্রাফি ও আন্তঃবিভাগ বিতর্ক প্রতিযোগিতা, ভিডিও প্রতিযোগিতা, সেমিনার এবং জুলাই স্মরণে বিভিন্ন সৃজনশীল আয়োজন।




