এআইয়ের আড়ালে হ্যাকিং: কতটা নিরাপদ আপনি?

এআইয়ের আড়ালে হ্যাকিং: কতটা নিরাপদ আপনি?
সিটিজেন ডেস্ক

২০২৬ সালে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে সাইবার অপরাধের ধরনও হয়ে উঠছে আরও জটিল ও ভয়ংকর। গুগলের জেমিনাই থেকে শুরু করে ডিপফেইক প্রযুক্তির অপব্যবহার এখন অনলাইন জগতে নতুন ঝুঁকি তৈরি করছে। এতে ব্যক্তি থেকে শুরু করে বড় প্রতিষ্ঠান পর্যন্ত আর্থিক ও নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ছে।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এআইচালিত বিভিন্ন টুল একত্রে ব্যবহার করে হ্যাকাররা এমন প্রতারণার ফাঁদ তৈরি করছে, যা শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ছে।
ডিপফেইক ও এআইয়ের সমন্বয়ে নতুন কৌশল
সাইবার অপরাধীরা এখন এআই ব্যবহার করে তথ্য সংগ্রহ, পরিকল্পনা এবং আক্রমণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এরপর ডিপফেইক প্রযুক্তির মাধ্যমে ভিডিও বা ভয়েস নকল করে প্রতারণা চালানো হচ্ছে। এক ঘটনায় উত্তর কোরিয়া-সম্পৃক্ত হ্যাকাররা একজন প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীর কৃত্রিম ভিডিও তৈরি করে একজন কর্মীকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙে ফেলতে প্ররোচিত করে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের আক্রমণ এআইনির্ভর সাইবার অপরাধের নতুন ঢেউয়ের অংশ, যা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।
সোশাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে এআইয়ের প্রভাব
ফিশিং বা প্রতারণামূলক বার্তার মাধ্যমে তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার কৌশল নতুন নয়। তবে এখন জেনারেটিভ এআই ব্যবহার করে হ্যাকাররা আরও নিখুঁতভাবে পরিচিত মানুষের ছদ্মবেশ ধারণ করছে। ইমেইল, ভয়েস কল কিংবা ভিডিও কলে বাস্তবসম্মত নকল তৈরি করে তারা ভুক্তভোগীদের বিভ্রান্ত করছে।
আইটি প্রতিষ্ঠান এসপ্রিয়ারের প্রযুক্তি কর্মকর্তা ব্রায়ান সিবলি বলেন, এআইচালিত সোশাল ইঞ্জিনিয়ারিং এখন অত্যন্ত কার্যকর হয়ে উঠেছে এবং তা প্রতিরোধে আচরণগত অসঙ্গতি শনাক্ত করাই বড় চ্যালেঞ্জ।
অন্যদিকে গ্রুপ-আইবির তথ্যে দেখা যায়, সাইবার অপরাধীরা এখন সহজলভ্য ‘ফিশিং কিট’ ব্যবহার করে বড় পরিসরে প্রতারণা চালাতে পারছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী দিমিত্রি ভলকভের মতে, এআই অপরাধীদের কাজের পরিধি অভূতপূর্বভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে।
‘পিগ বুচারিং’ স্ক্যাম
এআইনির্ভর প্রতারণার মধ্যে ‘পিগ বুচারিং’ নামের এক ধরনের কৌশলও বাড়ছে। এতে অপরাধীরা দীর্ঘ সময় ধরে ভুক্তভোগীর সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করে বিশ্বাস অর্জন করে, পরে ভুয়া বিনিয়োগের প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেয়।
মেসেজিং অ্যাপ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কিংবা ডেটিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে এ ধরনের যোগাযোগ শুরু হয়। পরে এআই টুল দিয়ে কথোপকথন চালিয়ে সম্পর্ক গভীর করা হয়। ডিপফেইক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিশ্বাস আরও দৃঢ় করা হয়।
অটোনোমাস ম্যালওয়্যার
সাইবার অপরাধে নতুন উদ্বেগ হিসেবে দেখা দিয়েছে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজেকে পরিবর্তন করতে সক্ষম ম্যালওয়্যার। এ ধরনের সফটওয়্যার এআই মডেল ব্যবহার করে আক্রমণের সময় নিজের কোড পরিবর্তন করতে পারে, ফলে প্রচলিত অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যারের পক্ষে তা শনাক্ত করা কঠিন হয়ে যায়।
গবেষকেরা বলছেন, ‘প্রম্পটফ্লাক্স’ এর মতো প্রযুক্তি ভবিষ্যতে আরও উন্নত হয়ে উঠলে সাইবার নিরাপত্তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে।
‘ফিফথ ওয়েভ’ এর আশঙ্কা
বিশেষজ্ঞরা এআইনির্ভর সাইবার অপরাধকে নতুন এক পর্যায় বা ‘ফিফথ ওয়েভ’ হিসেবে দেখছেন। সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ভেক্ট্রা এআই–এর তথ্যে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে এআইচালিত প্রতারণা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে এবং এ প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে।
ইন্টারপোলের সাবেক কর্মকর্তা ক্রেগ জোন্সের মতে, এআই সাইবার অপরাধকে শিল্প পর্যায়ে নিয়ে গেছে। এতে আক্রমণের গতি, পরিধি ও কৌশল এতটাই উন্নত হয়েছে যে, তা শনাক্ত ও প্রতিরোধ করা আগের চেয়ে অনেক কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সব মিলিয়ে, এআই প্রযুক্তির উন্নয়ন যেমন নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে, তেমনি এর অপব্যবহার সাইবার জগতে নতুন ধরনের ঝুঁকিও তৈরি করছে যার জন্য প্রয়োজন আরও উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও সচেতনতা।

২০২৬ সালে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে সাইবার অপরাধের ধরনও হয়ে উঠছে আরও জটিল ও ভয়ংকর। গুগলের জেমিনাই থেকে শুরু করে ডিপফেইক প্রযুক্তির অপব্যবহার এখন অনলাইন জগতে নতুন ঝুঁকি তৈরি করছে। এতে ব্যক্তি থেকে শুরু করে বড় প্রতিষ্ঠান পর্যন্ত আর্থিক ও নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ছে।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এআইচালিত বিভিন্ন টুল একত্রে ব্যবহার করে হ্যাকাররা এমন প্রতারণার ফাঁদ তৈরি করছে, যা শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ছে।
ডিপফেইক ও এআইয়ের সমন্বয়ে নতুন কৌশল
সাইবার অপরাধীরা এখন এআই ব্যবহার করে তথ্য সংগ্রহ, পরিকল্পনা এবং আক্রমণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এরপর ডিপফেইক প্রযুক্তির মাধ্যমে ভিডিও বা ভয়েস নকল করে প্রতারণা চালানো হচ্ছে। এক ঘটনায় উত্তর কোরিয়া-সম্পৃক্ত হ্যাকাররা একজন প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীর কৃত্রিম ভিডিও তৈরি করে একজন কর্মীকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙে ফেলতে প্ররোচিত করে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের আক্রমণ এআইনির্ভর সাইবার অপরাধের নতুন ঢেউয়ের অংশ, যা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।
সোশাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে এআইয়ের প্রভাব
ফিশিং বা প্রতারণামূলক বার্তার মাধ্যমে তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার কৌশল নতুন নয়। তবে এখন জেনারেটিভ এআই ব্যবহার করে হ্যাকাররা আরও নিখুঁতভাবে পরিচিত মানুষের ছদ্মবেশ ধারণ করছে। ইমেইল, ভয়েস কল কিংবা ভিডিও কলে বাস্তবসম্মত নকল তৈরি করে তারা ভুক্তভোগীদের বিভ্রান্ত করছে।
আইটি প্রতিষ্ঠান এসপ্রিয়ারের প্রযুক্তি কর্মকর্তা ব্রায়ান সিবলি বলেন, এআইচালিত সোশাল ইঞ্জিনিয়ারিং এখন অত্যন্ত কার্যকর হয়ে উঠেছে এবং তা প্রতিরোধে আচরণগত অসঙ্গতি শনাক্ত করাই বড় চ্যালেঞ্জ।
অন্যদিকে গ্রুপ-আইবির তথ্যে দেখা যায়, সাইবার অপরাধীরা এখন সহজলভ্য ‘ফিশিং কিট’ ব্যবহার করে বড় পরিসরে প্রতারণা চালাতে পারছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী দিমিত্রি ভলকভের মতে, এআই অপরাধীদের কাজের পরিধি অভূতপূর্বভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে।
‘পিগ বুচারিং’ স্ক্যাম
এআইনির্ভর প্রতারণার মধ্যে ‘পিগ বুচারিং’ নামের এক ধরনের কৌশলও বাড়ছে। এতে অপরাধীরা দীর্ঘ সময় ধরে ভুক্তভোগীর সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করে বিশ্বাস অর্জন করে, পরে ভুয়া বিনিয়োগের প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেয়।
মেসেজিং অ্যাপ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কিংবা ডেটিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে এ ধরনের যোগাযোগ শুরু হয়। পরে এআই টুল দিয়ে কথোপকথন চালিয়ে সম্পর্ক গভীর করা হয়। ডিপফেইক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিশ্বাস আরও দৃঢ় করা হয়।
অটোনোমাস ম্যালওয়্যার
সাইবার অপরাধে নতুন উদ্বেগ হিসেবে দেখা দিয়েছে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজেকে পরিবর্তন করতে সক্ষম ম্যালওয়্যার। এ ধরনের সফটওয়্যার এআই মডেল ব্যবহার করে আক্রমণের সময় নিজের কোড পরিবর্তন করতে পারে, ফলে প্রচলিত অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যারের পক্ষে তা শনাক্ত করা কঠিন হয়ে যায়।
গবেষকেরা বলছেন, ‘প্রম্পটফ্লাক্স’ এর মতো প্রযুক্তি ভবিষ্যতে আরও উন্নত হয়ে উঠলে সাইবার নিরাপত্তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে।
‘ফিফথ ওয়েভ’ এর আশঙ্কা
বিশেষজ্ঞরা এআইনির্ভর সাইবার অপরাধকে নতুন এক পর্যায় বা ‘ফিফথ ওয়েভ’ হিসেবে দেখছেন। সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ভেক্ট্রা এআই–এর তথ্যে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে এআইচালিত প্রতারণা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে এবং এ প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে।
ইন্টারপোলের সাবেক কর্মকর্তা ক্রেগ জোন্সের মতে, এআই সাইবার অপরাধকে শিল্প পর্যায়ে নিয়ে গেছে। এতে আক্রমণের গতি, পরিধি ও কৌশল এতটাই উন্নত হয়েছে যে, তা শনাক্ত ও প্রতিরোধ করা আগের চেয়ে অনেক কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সব মিলিয়ে, এআই প্রযুক্তির উন্নয়ন যেমন নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে, তেমনি এর অপব্যবহার সাইবার জগতে নতুন ধরনের ঝুঁকিও তৈরি করছে যার জন্য প্রয়োজন আরও উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও সচেতনতা।

এআইয়ের আড়ালে হ্যাকিং: কতটা নিরাপদ আপনি?
সিটিজেন ডেস্ক

২০২৬ সালে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে সাইবার অপরাধের ধরনও হয়ে উঠছে আরও জটিল ও ভয়ংকর। গুগলের জেমিনাই থেকে শুরু করে ডিপফেইক প্রযুক্তির অপব্যবহার এখন অনলাইন জগতে নতুন ঝুঁকি তৈরি করছে। এতে ব্যক্তি থেকে শুরু করে বড় প্রতিষ্ঠান পর্যন্ত আর্থিক ও নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ছে।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এআইচালিত বিভিন্ন টুল একত্রে ব্যবহার করে হ্যাকাররা এমন প্রতারণার ফাঁদ তৈরি করছে, যা শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ছে।
ডিপফেইক ও এআইয়ের সমন্বয়ে নতুন কৌশল
সাইবার অপরাধীরা এখন এআই ব্যবহার করে তথ্য সংগ্রহ, পরিকল্পনা এবং আক্রমণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এরপর ডিপফেইক প্রযুক্তির মাধ্যমে ভিডিও বা ভয়েস নকল করে প্রতারণা চালানো হচ্ছে। এক ঘটনায় উত্তর কোরিয়া-সম্পৃক্ত হ্যাকাররা একজন প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীর কৃত্রিম ভিডিও তৈরি করে একজন কর্মীকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙে ফেলতে প্ররোচিত করে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের আক্রমণ এআইনির্ভর সাইবার অপরাধের নতুন ঢেউয়ের অংশ, যা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।
সোশাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে এআইয়ের প্রভাব
ফিশিং বা প্রতারণামূলক বার্তার মাধ্যমে তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার কৌশল নতুন নয়। তবে এখন জেনারেটিভ এআই ব্যবহার করে হ্যাকাররা আরও নিখুঁতভাবে পরিচিত মানুষের ছদ্মবেশ ধারণ করছে। ইমেইল, ভয়েস কল কিংবা ভিডিও কলে বাস্তবসম্মত নকল তৈরি করে তারা ভুক্তভোগীদের বিভ্রান্ত করছে।
আইটি প্রতিষ্ঠান এসপ্রিয়ারের প্রযুক্তি কর্মকর্তা ব্রায়ান সিবলি বলেন, এআইচালিত সোশাল ইঞ্জিনিয়ারিং এখন অত্যন্ত কার্যকর হয়ে উঠেছে এবং তা প্রতিরোধে আচরণগত অসঙ্গতি শনাক্ত করাই বড় চ্যালেঞ্জ।
অন্যদিকে গ্রুপ-আইবির তথ্যে দেখা যায়, সাইবার অপরাধীরা এখন সহজলভ্য ‘ফিশিং কিট’ ব্যবহার করে বড় পরিসরে প্রতারণা চালাতে পারছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী দিমিত্রি ভলকভের মতে, এআই অপরাধীদের কাজের পরিধি অভূতপূর্বভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে।
‘পিগ বুচারিং’ স্ক্যাম
এআইনির্ভর প্রতারণার মধ্যে ‘পিগ বুচারিং’ নামের এক ধরনের কৌশলও বাড়ছে। এতে অপরাধীরা দীর্ঘ সময় ধরে ভুক্তভোগীর সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করে বিশ্বাস অর্জন করে, পরে ভুয়া বিনিয়োগের প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেয়।
মেসেজিং অ্যাপ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কিংবা ডেটিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে এ ধরনের যোগাযোগ শুরু হয়। পরে এআই টুল দিয়ে কথোপকথন চালিয়ে সম্পর্ক গভীর করা হয়। ডিপফেইক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিশ্বাস আরও দৃঢ় করা হয়।
অটোনোমাস ম্যালওয়্যার
সাইবার অপরাধে নতুন উদ্বেগ হিসেবে দেখা দিয়েছে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজেকে পরিবর্তন করতে সক্ষম ম্যালওয়্যার। এ ধরনের সফটওয়্যার এআই মডেল ব্যবহার করে আক্রমণের সময় নিজের কোড পরিবর্তন করতে পারে, ফলে প্রচলিত অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যারের পক্ষে তা শনাক্ত করা কঠিন হয়ে যায়।
গবেষকেরা বলছেন, ‘প্রম্পটফ্লাক্স’ এর মতো প্রযুক্তি ভবিষ্যতে আরও উন্নত হয়ে উঠলে সাইবার নিরাপত্তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে।
‘ফিফথ ওয়েভ’ এর আশঙ্কা
বিশেষজ্ঞরা এআইনির্ভর সাইবার অপরাধকে নতুন এক পর্যায় বা ‘ফিফথ ওয়েভ’ হিসেবে দেখছেন। সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ভেক্ট্রা এআই–এর তথ্যে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে এআইচালিত প্রতারণা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে এবং এ প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে।
ইন্টারপোলের সাবেক কর্মকর্তা ক্রেগ জোন্সের মতে, এআই সাইবার অপরাধকে শিল্প পর্যায়ে নিয়ে গেছে। এতে আক্রমণের গতি, পরিধি ও কৌশল এতটাই উন্নত হয়েছে যে, তা শনাক্ত ও প্রতিরোধ করা আগের চেয়ে অনেক কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সব মিলিয়ে, এআই প্রযুক্তির উন্নয়ন যেমন নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে, তেমনি এর অপব্যবহার সাইবার জগতে নতুন ধরনের ঝুঁকিও তৈরি করছে যার জন্য প্রয়োজন আরও উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও সচেতনতা।




