অন্ধত্ব মানেই কি অন্ধকার

অন্ধত্ব মানেই কি অন্ধকার
সিটিজেন ডেস্ক

দৃষ্টিশক্তিসম্পন্ন মানুষের কাছে অন্ধত্ব মানেই চোখের সামনে কালো রঙের পর্দা। কিন্তু আধুনিক বিজ্ঞান ও চিকিৎসা গবেষণা বলছে, দৃষ্টিহীনদের জগত কেবল অন্ধকার বা কালো রং সীমাবদ্ধ নয়। দেখার প্রক্রিয়াটি মূলত চোখের চেয়ে মস্তিষ্কের ওপর বেশি নির্ভরশীল হওয়ায়, একজন মানুষের অন্ধত্বের ধরন ও সময়ের ওপর ভিত্তি করে তার দেখার অনুভূতি ভিন্ন হয়।
বিজ্ঞানীদের মতে, যারা জন্ম থেকেই অন্ধ, তারা কালো রং-ও দেখেন না। কারণ, কালো একটি রং এবং এটি অনুভব করার জন্য আগে কোনো রং দেখার অভিজ্ঞতা থাকতে হয়। জন্মগত অন্ধদের অভিজ্ঞতাকে বিজ্ঞানীরা বর্ণনা করেছেন সম্পূর্ণ শূন্যতা হিসেবে। এটি অনেকটা হাতের কনুই বা পিঠ দিয়ে দেখার চেষ্টা করার মতো। যেখানে কোনো দৃশ্য বা রঙের অস্তিত্বই নেই।
যারা পরবর্তী জীবনে দৃষ্টি হারিয়েছেন, তাদের অভিজ্ঞতা একেবারেই আলাদা। অনেকের ক্ষেত্রে চোখের সংকেত না পেয়ে মস্তিষ্ক নিজেই স্মৃতি থেকে ছবি বা আলোর ঝলকানি তৈরি করতে শুরু করে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে একে চার্লস বোনেট সিনড্রোম বলা হয়। এর ফলে আক্রান্ত ব্যক্তি চোখের সামনে অদ্ভুত সব জ্যামিতিক আকৃতি বা আলোর ঝিলিক দেখতে পান।
অন্ধত্বের মাত্রা সবার ক্ষেত্রে সমান নয়। অনেক দৃষ্টিহীন মানুষ একদম স্পষ্ট দেখতে না পেলেও লাইট পারসেপশনের মাধ্যমে আলোর উপস্থিতি বুঝতে পারেন। কেউবা বড় কোনো বস্তুর অবয়ব বা মানুষের নড়াচড়া অনুভব করতে পারেন। ২০/৪০০ দৃষ্টিশক্তির সম্পন্ন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, তারা চোখের সামনে সবসময় নিয়ন রঙের বিন্দুর মতো কিছু একটা নড়াচড়া করতে দেখেন।
সুইজারল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অব লোজান এবং অস্ট্রিয়ার ইউনিভার্সিটি অব ভিয়েনার এক যৌথ গবেষণায় উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। ‘দৃষ্টিহীনদের রং’ শীর্ষক এই গবেষণায় দেখা গেছে, জন্মগত অন্ধ ব্যক্তিরা কোনোদিন রং না দেখলেও রঙের বৈশিষ্ট্য ও গুণাগুণ সম্পর্কে দৃষ্টিশক্তিসম্পন্ন মানুষের মতোই নিখুঁত ধারণা রাখেন।
যুক্তরাষ্ট্রের স্লিপ ফাউন্ডেশনের গবেষণায় দেখা গেছে, অন্ধ ব্যক্তিদের স্বপ্নের ধরন নির্ভর করে তাদের আগের অভিজ্ঞতার ওপর। যারা জন্মগত অন্ধ তাদের স্বপ্নে কোনো ছবি থাকে না। শব্দ, ঘ্রাণ, স্পর্শ এবং অনুভূতির সংমিশ্রণে তাদের স্বপ্নের জগত তৈরি হয়। যারা পরবর্তী জীবনে অন্ধ তারা স্বপ্নে রঙিন ছবি দেখতে পান। তবে দৃষ্টি হারানোর সময় যত বাড়ে, ছবির স্বচ্ছতা ততটাই আবছা হতে থাকে।
গবেষণায় আরও দেখা গেছে, দৃষ্টিহীন ব্যক্তিরা সাধারণ মানুষের তুলনায় বেশি দুঃস্বপ্ন দেখেন। যা মূলত তাদের প্রাত্যহিক জীবনের নিরাপত্তাহীনতা ও সংগ্রামের প্রতিফলন।
সূত্র: স্লিপ ফাউন্ডেশন, সায়েন্স ডাইরেক্ট ডটকম

দৃষ্টিশক্তিসম্পন্ন মানুষের কাছে অন্ধত্ব মানেই চোখের সামনে কালো রঙের পর্দা। কিন্তু আধুনিক বিজ্ঞান ও চিকিৎসা গবেষণা বলছে, দৃষ্টিহীনদের জগত কেবল অন্ধকার বা কালো রং সীমাবদ্ধ নয়। দেখার প্রক্রিয়াটি মূলত চোখের চেয়ে মস্তিষ্কের ওপর বেশি নির্ভরশীল হওয়ায়, একজন মানুষের অন্ধত্বের ধরন ও সময়ের ওপর ভিত্তি করে তার দেখার অনুভূতি ভিন্ন হয়।
বিজ্ঞানীদের মতে, যারা জন্ম থেকেই অন্ধ, তারা কালো রং-ও দেখেন না। কারণ, কালো একটি রং এবং এটি অনুভব করার জন্য আগে কোনো রং দেখার অভিজ্ঞতা থাকতে হয়। জন্মগত অন্ধদের অভিজ্ঞতাকে বিজ্ঞানীরা বর্ণনা করেছেন সম্পূর্ণ শূন্যতা হিসেবে। এটি অনেকটা হাতের কনুই বা পিঠ দিয়ে দেখার চেষ্টা করার মতো। যেখানে কোনো দৃশ্য বা রঙের অস্তিত্বই নেই।
যারা পরবর্তী জীবনে দৃষ্টি হারিয়েছেন, তাদের অভিজ্ঞতা একেবারেই আলাদা। অনেকের ক্ষেত্রে চোখের সংকেত না পেয়ে মস্তিষ্ক নিজেই স্মৃতি থেকে ছবি বা আলোর ঝলকানি তৈরি করতে শুরু করে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে একে চার্লস বোনেট সিনড্রোম বলা হয়। এর ফলে আক্রান্ত ব্যক্তি চোখের সামনে অদ্ভুত সব জ্যামিতিক আকৃতি বা আলোর ঝিলিক দেখতে পান।
অন্ধত্বের মাত্রা সবার ক্ষেত্রে সমান নয়। অনেক দৃষ্টিহীন মানুষ একদম স্পষ্ট দেখতে না পেলেও লাইট পারসেপশনের মাধ্যমে আলোর উপস্থিতি বুঝতে পারেন। কেউবা বড় কোনো বস্তুর অবয়ব বা মানুষের নড়াচড়া অনুভব করতে পারেন। ২০/৪০০ দৃষ্টিশক্তির সম্পন্ন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, তারা চোখের সামনে সবসময় নিয়ন রঙের বিন্দুর মতো কিছু একটা নড়াচড়া করতে দেখেন।
সুইজারল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অব লোজান এবং অস্ট্রিয়ার ইউনিভার্সিটি অব ভিয়েনার এক যৌথ গবেষণায় উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। ‘দৃষ্টিহীনদের রং’ শীর্ষক এই গবেষণায় দেখা গেছে, জন্মগত অন্ধ ব্যক্তিরা কোনোদিন রং না দেখলেও রঙের বৈশিষ্ট্য ও গুণাগুণ সম্পর্কে দৃষ্টিশক্তিসম্পন্ন মানুষের মতোই নিখুঁত ধারণা রাখেন।
যুক্তরাষ্ট্রের স্লিপ ফাউন্ডেশনের গবেষণায় দেখা গেছে, অন্ধ ব্যক্তিদের স্বপ্নের ধরন নির্ভর করে তাদের আগের অভিজ্ঞতার ওপর। যারা জন্মগত অন্ধ তাদের স্বপ্নে কোনো ছবি থাকে না। শব্দ, ঘ্রাণ, স্পর্শ এবং অনুভূতির সংমিশ্রণে তাদের স্বপ্নের জগত তৈরি হয়। যারা পরবর্তী জীবনে অন্ধ তারা স্বপ্নে রঙিন ছবি দেখতে পান। তবে দৃষ্টি হারানোর সময় যত বাড়ে, ছবির স্বচ্ছতা ততটাই আবছা হতে থাকে।
গবেষণায় আরও দেখা গেছে, দৃষ্টিহীন ব্যক্তিরা সাধারণ মানুষের তুলনায় বেশি দুঃস্বপ্ন দেখেন। যা মূলত তাদের প্রাত্যহিক জীবনের নিরাপত্তাহীনতা ও সংগ্রামের প্রতিফলন।
সূত্র: স্লিপ ফাউন্ডেশন, সায়েন্স ডাইরেক্ট ডটকম

অন্ধত্ব মানেই কি অন্ধকার
সিটিজেন ডেস্ক

দৃষ্টিশক্তিসম্পন্ন মানুষের কাছে অন্ধত্ব মানেই চোখের সামনে কালো রঙের পর্দা। কিন্তু আধুনিক বিজ্ঞান ও চিকিৎসা গবেষণা বলছে, দৃষ্টিহীনদের জগত কেবল অন্ধকার বা কালো রং সীমাবদ্ধ নয়। দেখার প্রক্রিয়াটি মূলত চোখের চেয়ে মস্তিষ্কের ওপর বেশি নির্ভরশীল হওয়ায়, একজন মানুষের অন্ধত্বের ধরন ও সময়ের ওপর ভিত্তি করে তার দেখার অনুভূতি ভিন্ন হয়।
বিজ্ঞানীদের মতে, যারা জন্ম থেকেই অন্ধ, তারা কালো রং-ও দেখেন না। কারণ, কালো একটি রং এবং এটি অনুভব করার জন্য আগে কোনো রং দেখার অভিজ্ঞতা থাকতে হয়। জন্মগত অন্ধদের অভিজ্ঞতাকে বিজ্ঞানীরা বর্ণনা করেছেন সম্পূর্ণ শূন্যতা হিসেবে। এটি অনেকটা হাতের কনুই বা পিঠ দিয়ে দেখার চেষ্টা করার মতো। যেখানে কোনো দৃশ্য বা রঙের অস্তিত্বই নেই।
যারা পরবর্তী জীবনে দৃষ্টি হারিয়েছেন, তাদের অভিজ্ঞতা একেবারেই আলাদা। অনেকের ক্ষেত্রে চোখের সংকেত না পেয়ে মস্তিষ্ক নিজেই স্মৃতি থেকে ছবি বা আলোর ঝলকানি তৈরি করতে শুরু করে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে একে চার্লস বোনেট সিনড্রোম বলা হয়। এর ফলে আক্রান্ত ব্যক্তি চোখের সামনে অদ্ভুত সব জ্যামিতিক আকৃতি বা আলোর ঝিলিক দেখতে পান।
অন্ধত্বের মাত্রা সবার ক্ষেত্রে সমান নয়। অনেক দৃষ্টিহীন মানুষ একদম স্পষ্ট দেখতে না পেলেও লাইট পারসেপশনের মাধ্যমে আলোর উপস্থিতি বুঝতে পারেন। কেউবা বড় কোনো বস্তুর অবয়ব বা মানুষের নড়াচড়া অনুভব করতে পারেন। ২০/৪০০ দৃষ্টিশক্তির সম্পন্ন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, তারা চোখের সামনে সবসময় নিয়ন রঙের বিন্দুর মতো কিছু একটা নড়াচড়া করতে দেখেন।
সুইজারল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অব লোজান এবং অস্ট্রিয়ার ইউনিভার্সিটি অব ভিয়েনার এক যৌথ গবেষণায় উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। ‘দৃষ্টিহীনদের রং’ শীর্ষক এই গবেষণায় দেখা গেছে, জন্মগত অন্ধ ব্যক্তিরা কোনোদিন রং না দেখলেও রঙের বৈশিষ্ট্য ও গুণাগুণ সম্পর্কে দৃষ্টিশক্তিসম্পন্ন মানুষের মতোই নিখুঁত ধারণা রাখেন।
যুক্তরাষ্ট্রের স্লিপ ফাউন্ডেশনের গবেষণায় দেখা গেছে, অন্ধ ব্যক্তিদের স্বপ্নের ধরন নির্ভর করে তাদের আগের অভিজ্ঞতার ওপর। যারা জন্মগত অন্ধ তাদের স্বপ্নে কোনো ছবি থাকে না। শব্দ, ঘ্রাণ, স্পর্শ এবং অনুভূতির সংমিশ্রণে তাদের স্বপ্নের জগত তৈরি হয়। যারা পরবর্তী জীবনে অন্ধ তারা স্বপ্নে রঙিন ছবি দেখতে পান। তবে দৃষ্টি হারানোর সময় যত বাড়ে, ছবির স্বচ্ছতা ততটাই আবছা হতে থাকে।
গবেষণায় আরও দেখা গেছে, দৃষ্টিহীন ব্যক্তিরা সাধারণ মানুষের তুলনায় বেশি দুঃস্বপ্ন দেখেন। যা মূলত তাদের প্রাত্যহিক জীবনের নিরাপত্তাহীনতা ও সংগ্রামের প্রতিফলন।
সূত্র: স্লিপ ফাউন্ডেশন, সায়েন্স ডাইরেক্ট ডটকম




