প্রশ্নফাঁসের গুজব ছড়ানোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী

প্রশ্নফাঁসের গুজব ছড়ানোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

চলমান এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র নিয়ে যারা গুজব ছড়াচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন।
রোববার (২৬ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, একটি অসাধু চক্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্ত মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে বিভ্রান্তি, আতঙ্ক ও নৈতিক অবক্ষয় সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। চক্রটি অবৈধ অর্থ এবং সরকারের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যে চলমান পরীক্ষা কার্যক্রমকে ব্যাহত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্ত ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিষয়ে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সাধারণ জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানাই।
তিনি বলেন, জুন মাসে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে জানুয়ারি মাস লেগে যায় । এ পদ্ধতির কারণে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জীবন থেকে অনেক সময় চলে যাচ্ছে। ইউজিসিকে অনুরোধ করবো কখন শিক্ষার্থীদের ভর্তি করাবেন আর কখন তারা পাস করে বের হবে- এ বিষয়ে সমন্বয় করবেন।
এহসানুল হক মিলন বলেন, উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশ গিয়ে মেধাসম্পদ হারিয়ে যাচ্ছে নাকি সঠিকভাবে ফিরেও আসছে সেই বিষয়ে সঠিক পরিসংখ্যান করতে হবে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কোনদিকে যাচ্ছে তা এখনো বুঝে উঠতে পারছি না। সেগুলো কি বাণিজ্যিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে নাকি শিক্ষার উন্নয়ন ঘটাতে পারছে এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
তিনি বলেন,পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বেকারত্বের কারখানা দূর করতে পিছিয়ে আছে। সবার ভাবনাগুলোকে সমন্বয়ের মাধ্যমে শিক্ষার উন্নয়ন ঘটাতে হবে। আমি যেন নিরাশ না হই সেজন্য সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে।

চলমান এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র নিয়ে যারা গুজব ছড়াচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন।
রোববার (২৬ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, একটি অসাধু চক্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্ত মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে বিভ্রান্তি, আতঙ্ক ও নৈতিক অবক্ষয় সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। চক্রটি অবৈধ অর্থ এবং সরকারের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যে চলমান পরীক্ষা কার্যক্রমকে ব্যাহত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্ত ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিষয়ে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সাধারণ জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানাই।
তিনি বলেন, জুন মাসে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে জানুয়ারি মাস লেগে যায় । এ পদ্ধতির কারণে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জীবন থেকে অনেক সময় চলে যাচ্ছে। ইউজিসিকে অনুরোধ করবো কখন শিক্ষার্থীদের ভর্তি করাবেন আর কখন তারা পাস করে বের হবে- এ বিষয়ে সমন্বয় করবেন।
এহসানুল হক মিলন বলেন, উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশ গিয়ে মেধাসম্পদ হারিয়ে যাচ্ছে নাকি সঠিকভাবে ফিরেও আসছে সেই বিষয়ে সঠিক পরিসংখ্যান করতে হবে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কোনদিকে যাচ্ছে তা এখনো বুঝে উঠতে পারছি না। সেগুলো কি বাণিজ্যিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে নাকি শিক্ষার উন্নয়ন ঘটাতে পারছে এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
তিনি বলেন,পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বেকারত্বের কারখানা দূর করতে পিছিয়ে আছে। সবার ভাবনাগুলোকে সমন্বয়ের মাধ্যমে শিক্ষার উন্নয়ন ঘটাতে হবে। আমি যেন নিরাশ না হই সেজন্য সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে।

প্রশ্নফাঁসের গুজব ছড়ানোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

চলমান এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র নিয়ে যারা গুজব ছড়াচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন।
রোববার (২৬ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, একটি অসাধু চক্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্ত মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে বিভ্রান্তি, আতঙ্ক ও নৈতিক অবক্ষয় সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। চক্রটি অবৈধ অর্থ এবং সরকারের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যে চলমান পরীক্ষা কার্যক্রমকে ব্যাহত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্ত ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিষয়ে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সাধারণ জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানাই।
তিনি বলেন, জুন মাসে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে জানুয়ারি মাস লেগে যায় । এ পদ্ধতির কারণে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জীবন থেকে অনেক সময় চলে যাচ্ছে। ইউজিসিকে অনুরোধ করবো কখন শিক্ষার্থীদের ভর্তি করাবেন আর কখন তারা পাস করে বের হবে- এ বিষয়ে সমন্বয় করবেন।
এহসানুল হক মিলন বলেন, উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশ গিয়ে মেধাসম্পদ হারিয়ে যাচ্ছে নাকি সঠিকভাবে ফিরেও আসছে সেই বিষয়ে সঠিক পরিসংখ্যান করতে হবে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কোনদিকে যাচ্ছে তা এখনো বুঝে উঠতে পারছি না। সেগুলো কি বাণিজ্যিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে নাকি শিক্ষার উন্নয়ন ঘটাতে পারছে এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
তিনি বলেন,পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বেকারত্বের কারখানা দূর করতে পিছিয়ে আছে। সবার ভাবনাগুলোকে সমন্বয়ের মাধ্যমে শিক্ষার উন্নয়ন ঘটাতে হবে। আমি যেন নিরাশ না হই সেজন্য সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে।

এসএসসির প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়টি গুজব: শিক্ষা মন্ত্রণালয়


