পাসওয়ার্ডের বিকল্প হিসেবে জনপ্রিয় হচ্ছে পাসকি

পাসওয়ার্ডের বিকল্প হিসেবে জনপ্রিয় হচ্ছে পাসকি
সিটিজেন ডেস্ক

ফিঙ্গারপ্রিন্ট, মুখ শনাক্তকরণ বা ডিভাইসের পিন ব্যবহার করে এখন সহজেই বিভিন্ন অনলাইন সেবায় প্রবেশ করা যাচ্ছে। প্রযুক্তি বিশ্বে দ্রুত বাড়ছে ‘পাসকি’ ব্যবহারের প্রবণতা, যা প্রচলিত পাসওয়ার্ডের তুলনায় সহজ, দ্রুত এবং নিরাপদ বলে মনে করা হচ্ছে।
এত দিন অনলাইন অ্যাকাউন্ট ব্যবহারে পাসওয়ার্ড ছিল অপরিহার্য। কিন্তু একাধিক পাসওয়ার্ড মনে রাখা, ভুলে গেলে পুনরুদ্ধারের ঝামেলা, আর দুর্বল পাসওয়ার্ডের কারণে নিরাপত্তা ঝুঁকি– সব মিলিয়ে ব্যবহারকারীদের জন্য এটি ছিল বিরক্তিকর ও ঝুঁকিপূর্ণ। এই সমস্যার বিকল্প হিসেবেই সামনে এসেছে পাসকি।
সহজভাবে বলতে গেলে, পাসকি এমন একটি লগইন পদ্ধতি, যেখানে আলাদা করে পাসওয়ার্ড লিখতে হয় না। এর বদলে ব্যবহারকারী নিজের ডিভাইসের নিরাপদ উপায়– যেমন ফিঙ্গারপ্রিন্ট, মুখ শনাক্তকরণ বা পিন ব্যবহার করে অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করেন।
পাসকির পেছনে রয়েছে বিশেষ সংকেতভিত্তিক প্রযুক্তি। এতে প্রচলিত পাসওয়ার্ডের পরিবর্তে ব্যবহার করা হয় এক ধরনের ডিজিটাল শনাক্তকরণ পদ্ধতি, যা সহজে চুরি, নকল বা অন্য কোথাও ব্যবহার করা যায় না। এ কারণে অনলাইন প্রতারণা বা ভুয়া লগইনের ঝুঁকি কমাতে পাসকিকে তুলনামূলকভাবে বেশি কার্যকর মনে করা হচ্ছে।
ব্যবহারিক দিক থেকেও পাসকির সুবিধা রয়েছে। এতে দ্রুত লগইন করা যায়, পাসওয়ার্ড মনে রাখার প্রয়োজন হয় না, এবং একাধিক ডিভাইসেও এটি ব্যবহার করা সম্ভব। ফলে ব্যবহারকারীর ঝামেলা কমে এবং নিরাপত্তা বাড়ে।
তবে এখনো সব ওয়েবসাইট ও অ্যাপে পাসকি চালু হয়নি। অনেক ক্ষেত্রেই পাসওয়ার্ড বা বিকল্প পুনরুদ্ধার পদ্ধতি রাখা হচ্ছে। ফলে পাসওয়ার্ডের ব্যবহার পুরোপুরি শেষ না হলেও, প্রযুক্তির এই পরিবর্তন ইঙ্গিত দিচ্ছে ভবিষ্যতের অনলাইন লগইন হবে আরও সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ।

ফিঙ্গারপ্রিন্ট, মুখ শনাক্তকরণ বা ডিভাইসের পিন ব্যবহার করে এখন সহজেই বিভিন্ন অনলাইন সেবায় প্রবেশ করা যাচ্ছে। প্রযুক্তি বিশ্বে দ্রুত বাড়ছে ‘পাসকি’ ব্যবহারের প্রবণতা, যা প্রচলিত পাসওয়ার্ডের তুলনায় সহজ, দ্রুত এবং নিরাপদ বলে মনে করা হচ্ছে।
এত দিন অনলাইন অ্যাকাউন্ট ব্যবহারে পাসওয়ার্ড ছিল অপরিহার্য। কিন্তু একাধিক পাসওয়ার্ড মনে রাখা, ভুলে গেলে পুনরুদ্ধারের ঝামেলা, আর দুর্বল পাসওয়ার্ডের কারণে নিরাপত্তা ঝুঁকি– সব মিলিয়ে ব্যবহারকারীদের জন্য এটি ছিল বিরক্তিকর ও ঝুঁকিপূর্ণ। এই সমস্যার বিকল্প হিসেবেই সামনে এসেছে পাসকি।
সহজভাবে বলতে গেলে, পাসকি এমন একটি লগইন পদ্ধতি, যেখানে আলাদা করে পাসওয়ার্ড লিখতে হয় না। এর বদলে ব্যবহারকারী নিজের ডিভাইসের নিরাপদ উপায়– যেমন ফিঙ্গারপ্রিন্ট, মুখ শনাক্তকরণ বা পিন ব্যবহার করে অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করেন।
পাসকির পেছনে রয়েছে বিশেষ সংকেতভিত্তিক প্রযুক্তি। এতে প্রচলিত পাসওয়ার্ডের পরিবর্তে ব্যবহার করা হয় এক ধরনের ডিজিটাল শনাক্তকরণ পদ্ধতি, যা সহজে চুরি, নকল বা অন্য কোথাও ব্যবহার করা যায় না। এ কারণে অনলাইন প্রতারণা বা ভুয়া লগইনের ঝুঁকি কমাতে পাসকিকে তুলনামূলকভাবে বেশি কার্যকর মনে করা হচ্ছে।
ব্যবহারিক দিক থেকেও পাসকির সুবিধা রয়েছে। এতে দ্রুত লগইন করা যায়, পাসওয়ার্ড মনে রাখার প্রয়োজন হয় না, এবং একাধিক ডিভাইসেও এটি ব্যবহার করা সম্ভব। ফলে ব্যবহারকারীর ঝামেলা কমে এবং নিরাপত্তা বাড়ে।
তবে এখনো সব ওয়েবসাইট ও অ্যাপে পাসকি চালু হয়নি। অনেক ক্ষেত্রেই পাসওয়ার্ড বা বিকল্প পুনরুদ্ধার পদ্ধতি রাখা হচ্ছে। ফলে পাসওয়ার্ডের ব্যবহার পুরোপুরি শেষ না হলেও, প্রযুক্তির এই পরিবর্তন ইঙ্গিত দিচ্ছে ভবিষ্যতের অনলাইন লগইন হবে আরও সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ।

পাসওয়ার্ডের বিকল্প হিসেবে জনপ্রিয় হচ্ছে পাসকি
সিটিজেন ডেস্ক

ফিঙ্গারপ্রিন্ট, মুখ শনাক্তকরণ বা ডিভাইসের পিন ব্যবহার করে এখন সহজেই বিভিন্ন অনলাইন সেবায় প্রবেশ করা যাচ্ছে। প্রযুক্তি বিশ্বে দ্রুত বাড়ছে ‘পাসকি’ ব্যবহারের প্রবণতা, যা প্রচলিত পাসওয়ার্ডের তুলনায় সহজ, দ্রুত এবং নিরাপদ বলে মনে করা হচ্ছে।
এত দিন অনলাইন অ্যাকাউন্ট ব্যবহারে পাসওয়ার্ড ছিল অপরিহার্য। কিন্তু একাধিক পাসওয়ার্ড মনে রাখা, ভুলে গেলে পুনরুদ্ধারের ঝামেলা, আর দুর্বল পাসওয়ার্ডের কারণে নিরাপত্তা ঝুঁকি– সব মিলিয়ে ব্যবহারকারীদের জন্য এটি ছিল বিরক্তিকর ও ঝুঁকিপূর্ণ। এই সমস্যার বিকল্প হিসেবেই সামনে এসেছে পাসকি।
সহজভাবে বলতে গেলে, পাসকি এমন একটি লগইন পদ্ধতি, যেখানে আলাদা করে পাসওয়ার্ড লিখতে হয় না। এর বদলে ব্যবহারকারী নিজের ডিভাইসের নিরাপদ উপায়– যেমন ফিঙ্গারপ্রিন্ট, মুখ শনাক্তকরণ বা পিন ব্যবহার করে অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করেন।
পাসকির পেছনে রয়েছে বিশেষ সংকেতভিত্তিক প্রযুক্তি। এতে প্রচলিত পাসওয়ার্ডের পরিবর্তে ব্যবহার করা হয় এক ধরনের ডিজিটাল শনাক্তকরণ পদ্ধতি, যা সহজে চুরি, নকল বা অন্য কোথাও ব্যবহার করা যায় না। এ কারণে অনলাইন প্রতারণা বা ভুয়া লগইনের ঝুঁকি কমাতে পাসকিকে তুলনামূলকভাবে বেশি কার্যকর মনে করা হচ্ছে।
ব্যবহারিক দিক থেকেও পাসকির সুবিধা রয়েছে। এতে দ্রুত লগইন করা যায়, পাসওয়ার্ড মনে রাখার প্রয়োজন হয় না, এবং একাধিক ডিভাইসেও এটি ব্যবহার করা সম্ভব। ফলে ব্যবহারকারীর ঝামেলা কমে এবং নিরাপত্তা বাড়ে।
তবে এখনো সব ওয়েবসাইট ও অ্যাপে পাসকি চালু হয়নি। অনেক ক্ষেত্রেই পাসওয়ার্ড বা বিকল্প পুনরুদ্ধার পদ্ধতি রাখা হচ্ছে। ফলে পাসওয়ার্ডের ব্যবহার পুরোপুরি শেষ না হলেও, প্রযুক্তির এই পরিবর্তন ইঙ্গিত দিচ্ছে ভবিষ্যতের অনলাইন লগইন হবে আরও সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ।




