যে কারণে লাইভ অনুষ্ঠানে কাঁদলেন ভিনিসিয়ুস

যে কারণে লাইভ অনুষ্ঠানে কাঁদলেন ভিনিসিয়ুস
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

চলতি বিশ্বকাপে ব্রাজিলের আক্রমণভাগের মূল কাণ্ডারি ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। জাপানের বিপক্ষে রাউন্ড অব বত্রিশের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে এক লাইভ টিভি অনুষ্ঠানে আবেগ ধরে রাখতে না পেরে কেঁদে ফেলেন। দেশের জনপ্রিয় গ্লোবো নেটওয়ার্কের ‘দোমিঙ্গাও’ অনুষ্ঠানে সঞ্চালক লুসিয়ানো হুকের দেওয়া একটি বিশেষ চমক দেখে অশ্রুসিক্ত হন এ রিয়াল মাদ্রিদ তারকা।
সেই চমকটি ছিল শৈশব ও কৈশোরে তার সবচেয়ে প্রিয় মানুষ দাদিমা নিলজার একটি ধারণকৃত ভিডিও বার্তা। বার্তাটি দেখে স্ক্রিনের সামনে নিজের চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি তিনি। বিশ্বকাপের আগে তাকে নিয়ে খুব বেশি আলোচনা না থাকলেও, গ্রুপপর্বের তিন ম্যাচে চার গোল ও একটি অ্যাসিস্ট করে ইতোমধ্যেই লাইমলাইটে চলে এসেছেন ভিনিসিয়ুস। সোমবার (২৯ জুন) বাঁচা-মরার লড়াইয়ে পুরো ব্রাজিলের নজর এখন এ ফরোয়ার্ডের দিকে। ঠিক এমন এক সময়ে দাদির আবেগঘন বার্তা তাকে নস্টালজিক করে তোলে। ভিডিও বার্তায় দাদি নিলজা জানান, ভিনিসিয়ুস ছোটবেলায় ভীষণ লাজুক ছিলেন এবং ফুটবলই ছিল তার ধ্যানজ্ঞান। এমনকি এক ছোট ঘরে বড় হওয়া ভিনি ১৬ বছর বয়স পর্যন্ত তার দাদির পাশেই ঘুমাতেন এবং মাঝেমধ্যে জড়িয়ে ধরে নিশ্চিত হতেন যে দাদি পাশে আছেন কি না। শেষে ‘আওয়ার লেডি অফ আপারেসিডা’ দেবীর কৃপা প্রার্থনা করে নাতিকে নিজের গভীর ভালোবাসার কথা জানান তিনি।
লাইভ অনুষ্ঠানে দাদির এমন নিঃস্বার্থ ভালোবাসার কথা শুনে কান্নাভেজা কণ্ঠে ভিনিসিয়ুস নিজের জীবনের কঠিন দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করেন। তিনি বলেন, তার দাদিমা তার জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একজন মানুষ। পরিবারের ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এ ব্রাজিলিয়ান তারকা যোগ করেন, তিনি যখনই সময় পান দাদি ও পরিবারের সাথে কাটানোর চেষ্টা করেন। কারণ তিনি জানেন জীবন ক্ষণস্থায়ী, তাই স্বপ্ন পূরণের জন্য নিজেদের সবকিছু উজাড় করে দেওয়া প্রিয়জনদের সাথে প্রতিটি মুহূর্ত তিনি মনের মণিকোঠায় আগলে রাখতে চান।

চলতি বিশ্বকাপে ব্রাজিলের আক্রমণভাগের মূল কাণ্ডারি ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। জাপানের বিপক্ষে রাউন্ড অব বত্রিশের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে এক লাইভ টিভি অনুষ্ঠানে আবেগ ধরে রাখতে না পেরে কেঁদে ফেলেন। দেশের জনপ্রিয় গ্লোবো নেটওয়ার্কের ‘দোমিঙ্গাও’ অনুষ্ঠানে সঞ্চালক লুসিয়ানো হুকের দেওয়া একটি বিশেষ চমক দেখে অশ্রুসিক্ত হন এ রিয়াল মাদ্রিদ তারকা।
সেই চমকটি ছিল শৈশব ও কৈশোরে তার সবচেয়ে প্রিয় মানুষ দাদিমা নিলজার একটি ধারণকৃত ভিডিও বার্তা। বার্তাটি দেখে স্ক্রিনের সামনে নিজের চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি তিনি। বিশ্বকাপের আগে তাকে নিয়ে খুব বেশি আলোচনা না থাকলেও, গ্রুপপর্বের তিন ম্যাচে চার গোল ও একটি অ্যাসিস্ট করে ইতোমধ্যেই লাইমলাইটে চলে এসেছেন ভিনিসিয়ুস। সোমবার (২৯ জুন) বাঁচা-মরার লড়াইয়ে পুরো ব্রাজিলের নজর এখন এ ফরোয়ার্ডের দিকে। ঠিক এমন এক সময়ে দাদির আবেগঘন বার্তা তাকে নস্টালজিক করে তোলে। ভিডিও বার্তায় দাদি নিলজা জানান, ভিনিসিয়ুস ছোটবেলায় ভীষণ লাজুক ছিলেন এবং ফুটবলই ছিল তার ধ্যানজ্ঞান। এমনকি এক ছোট ঘরে বড় হওয়া ভিনি ১৬ বছর বয়স পর্যন্ত তার দাদির পাশেই ঘুমাতেন এবং মাঝেমধ্যে জড়িয়ে ধরে নিশ্চিত হতেন যে দাদি পাশে আছেন কি না। শেষে ‘আওয়ার লেডি অফ আপারেসিডা’ দেবীর কৃপা প্রার্থনা করে নাতিকে নিজের গভীর ভালোবাসার কথা জানান তিনি।
লাইভ অনুষ্ঠানে দাদির এমন নিঃস্বার্থ ভালোবাসার কথা শুনে কান্নাভেজা কণ্ঠে ভিনিসিয়ুস নিজের জীবনের কঠিন দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করেন। তিনি বলেন, তার দাদিমা তার জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একজন মানুষ। পরিবারের ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এ ব্রাজিলিয়ান তারকা যোগ করেন, তিনি যখনই সময় পান দাদি ও পরিবারের সাথে কাটানোর চেষ্টা করেন। কারণ তিনি জানেন জীবন ক্ষণস্থায়ী, তাই স্বপ্ন পূরণের জন্য নিজেদের সবকিছু উজাড় করে দেওয়া প্রিয়জনদের সাথে প্রতিটি মুহূর্ত তিনি মনের মণিকোঠায় আগলে রাখতে চান।

যে কারণে লাইভ অনুষ্ঠানে কাঁদলেন ভিনিসিয়ুস
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

চলতি বিশ্বকাপে ব্রাজিলের আক্রমণভাগের মূল কাণ্ডারি ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। জাপানের বিপক্ষে রাউন্ড অব বত্রিশের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে এক লাইভ টিভি অনুষ্ঠানে আবেগ ধরে রাখতে না পেরে কেঁদে ফেলেন। দেশের জনপ্রিয় গ্লোবো নেটওয়ার্কের ‘দোমিঙ্গাও’ অনুষ্ঠানে সঞ্চালক লুসিয়ানো হুকের দেওয়া একটি বিশেষ চমক দেখে অশ্রুসিক্ত হন এ রিয়াল মাদ্রিদ তারকা।
সেই চমকটি ছিল শৈশব ও কৈশোরে তার সবচেয়ে প্রিয় মানুষ দাদিমা নিলজার একটি ধারণকৃত ভিডিও বার্তা। বার্তাটি দেখে স্ক্রিনের সামনে নিজের চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি তিনি। বিশ্বকাপের আগে তাকে নিয়ে খুব বেশি আলোচনা না থাকলেও, গ্রুপপর্বের তিন ম্যাচে চার গোল ও একটি অ্যাসিস্ট করে ইতোমধ্যেই লাইমলাইটে চলে এসেছেন ভিনিসিয়ুস। সোমবার (২৯ জুন) বাঁচা-মরার লড়াইয়ে পুরো ব্রাজিলের নজর এখন এ ফরোয়ার্ডের দিকে। ঠিক এমন এক সময়ে দাদির আবেগঘন বার্তা তাকে নস্টালজিক করে তোলে। ভিডিও বার্তায় দাদি নিলজা জানান, ভিনিসিয়ুস ছোটবেলায় ভীষণ লাজুক ছিলেন এবং ফুটবলই ছিল তার ধ্যানজ্ঞান। এমনকি এক ছোট ঘরে বড় হওয়া ভিনি ১৬ বছর বয়স পর্যন্ত তার দাদির পাশেই ঘুমাতেন এবং মাঝেমধ্যে জড়িয়ে ধরে নিশ্চিত হতেন যে দাদি পাশে আছেন কি না। শেষে ‘আওয়ার লেডি অফ আপারেসিডা’ দেবীর কৃপা প্রার্থনা করে নাতিকে নিজের গভীর ভালোবাসার কথা জানান তিনি।
লাইভ অনুষ্ঠানে দাদির এমন নিঃস্বার্থ ভালোবাসার কথা শুনে কান্নাভেজা কণ্ঠে ভিনিসিয়ুস নিজের জীবনের কঠিন দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করেন। তিনি বলেন, তার দাদিমা তার জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একজন মানুষ। পরিবারের ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এ ব্রাজিলিয়ান তারকা যোগ করেন, তিনি যখনই সময় পান দাদি ও পরিবারের সাথে কাটানোর চেষ্টা করেন। কারণ তিনি জানেন জীবন ক্ষণস্থায়ী, তাই স্বপ্ন পূরণের জন্য নিজেদের সবকিছু উজাড় করে দেওয়া প্রিয়জনদের সাথে প্রতিটি মুহূর্ত তিনি মনের মণিকোঠায় আগলে রাখতে চান।

টাইব্রেকার মাথায় রেখে জাপানের বিপক্ষে নামবে ব্রাজিল


