সেই মনুমেন্তালেই মেসির চক্রপূরণ

সেই মনুমেন্তালেই মেসির চক্রপূরণ
তানভীর এলাহী

আর কয়েক ঘণ্টা পর বুয়েন্স আইরেসের মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে আকাশি-সাদা জার্সিতে শেষবারের মতো দেখা যাবে লিওনেল মেসিকে। এই মনুমেন্তালেই জাতীয় দলের জার্সিতে দেশের মাটিতে প্রথমবার মাঠে নেমেছিলেন মেসি, দিনটা ছিল ২০০৫ সালে ৯ অক্টোবর। বিশ্বকাপ বাছাইয়ের সেই ম্যাচে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ছিল পেরু। মেসি সেদিনই প্রথমবার দেশের হয়ে ৯০ মিনিট মাঠে ছিলেন। করেছিলেন একটি অ্যাসিস্ট। এর আগে মেসি জাতীয় দলে দুটি ম্যাচ খেললেও তা ছিল দেশের বাইরে।
স্থানীয় সময় ৬ অক্টোবর, ২০২৬ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচটিও মনুমেন্তালে খেলতে যাচ্ছেন মেসি, এবারও পুরো ৯০ মিনিট মাঠে থাকবেন বলে আভাস মিলেছে। মাঝের এই প্রায় ২১ বছরে মেসির জাতীয় দলে জার্সিটা ১৯ থেকে ১০ হয়েছে। মেসি খেলে ফেলেছেন ২০৭ ম্যাচ। জিতেছেন, একটি বিশ্বকাপ, দুটি কোপা আমেরিকা এবং ফিনালিস্সিমা। এই পথ পাড়ি দেওয়ার সময় বহু রেকর্ড নতুন করে লিখেছেন। আর্জেন্টিনার হয়ে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা, সর্বোচ্চ গোলদাতাও তিনি। মেসি এখন পর্যন্ত জাতীয় দলের হয়ে করেছেন ১২৫ গোল, যা তাকে বানিয়েছে আন্তর্জাতিক ফুটবলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা। জাতীয় দলের হয়ে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্ট তার (৬৮টি)। আর্জেন্টিনার জার্সিতে মেসির গোলসংখ্যা (১৯) সবচেয়ে বেশি এ মাঠেই।
মনুমেন্তালে মেসি এর আগে সর্বশেষ খেলেন গত বছরের সেপ্টেম্বরে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে ভেনেজুয়েলা ম্যাচে। আর্জেন্টিনার ৩-০ গোলের জয়ে তার দুটি তার। আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় এই স্টেডিয়ামে জাতীয় দলের হয়ে মেসি কখনো হারেননি। ২৮ ম্যাচে ২২ জয়, ৬ ড্র। ১০ গোল। ম্যাচপ্রতি গড়ে গোল ০.৬৭।
মজার বিষয় মনুমেন্তালে করা মেসির প্রথম গোলটাও ছিল অক্টোবরেই! ২০০৮ সালের ১১ অক্টোবর। ২০১০ বিশ্বকাপ বাছাইয়ে সেই ম্যাচে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ছিল উরুগুয়ে। আর্জেন্টিনার হয়ে ম্যাচের ৫ মিনিটে হেডে গোল করেছিলেন মেসি।
আরেকটি বিশেষ দিনের কথা উল্লেখ্য না করলেই নয়। ২০২১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর। কোভিড মহামারি পেরিয়ে সেদিনই আর্জেন্টাইনরা প্রথম এই স্টেডিয়ামে ফেরার সুযোগ পান। ব্রাজিলে কোপা আমেরিকা জয়ের পর ঘরের মাঠে সেটা ছিল আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচ। মাত্র ৩০ শতাংশ দর্শক প্রবেশের অনুমতি থাকলেও সেদিন বলিভিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ৩-০ গোলের জয়ে সব গোলই ছিল মেসির, অর্থাৎ হ্যাটট্রিক। সেই ম্যাচেই দক্ষিণ আমেরিকান জাতীয় দলের হয়ে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে পেলের রেকর্ড ভেঙে দেন মেসি। ৭৯ গোলে ছাড়িয়ে যান ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তিকে।
২০২২ বিশ্বকাপ জয়ীদের বরণ করে নিতে ২০২৩ সালের ২৩ মার্চ বর্ণিল সাজে সেজেছিল মনুমেন্তাল স্টেডিয়াম। পানামার বিপক্ষে ২-০ গোলের জয়ে ফ্রি-কিক থেকে একটি গোল করেন মেসি। আর্জেন্টিনার জার্সিতে তা ছিল মেসির ৯৯তম এবং ক্যারিয়ারের ৮০০তম ম্যাচ।
২০২৫ সালের ৪ সেপ্টেম্বর মনুমেন্তালে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ভেনেজুয়েলার মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনা। দেশের মাটিতে সেটি ছিল মেসির শেষ অফিশিয়াল ম্যাচ। জোড়া গোল করে আর্জেন্টিনাকে ৩-০ তে জেতান মেসি।
মেসিকে মনুমেন্তাল স্টেডিয়াম দুহাত ভরে দিয়েছে। শেষবার এই স্টেডিয়ামে নিজের পায়ের জাদুতে কী উপহার দেবেন মেসি সেই অপেক্ষায় ফুটবলবিশ্ব।

আর কয়েক ঘণ্টা পর বুয়েন্স আইরেসের মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে আকাশি-সাদা জার্সিতে শেষবারের মতো দেখা যাবে লিওনেল মেসিকে। এই মনুমেন্তালেই জাতীয় দলের জার্সিতে দেশের মাটিতে প্রথমবার মাঠে নেমেছিলেন মেসি, দিনটা ছিল ২০০৫ সালে ৯ অক্টোবর। বিশ্বকাপ বাছাইয়ের সেই ম্যাচে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ছিল পেরু। মেসি সেদিনই প্রথমবার দেশের হয়ে ৯০ মিনিট মাঠে ছিলেন। করেছিলেন একটি অ্যাসিস্ট। এর আগে মেসি জাতীয় দলে দুটি ম্যাচ খেললেও তা ছিল দেশের বাইরে।
স্থানীয় সময় ৬ অক্টোবর, ২০২৬ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচটিও মনুমেন্তালে খেলতে যাচ্ছেন মেসি, এবারও পুরো ৯০ মিনিট মাঠে থাকবেন বলে আভাস মিলেছে। মাঝের এই প্রায় ২১ বছরে মেসির জাতীয় দলে জার্সিটা ১৯ থেকে ১০ হয়েছে। মেসি খেলে ফেলেছেন ২০৭ ম্যাচ। জিতেছেন, একটি বিশ্বকাপ, দুটি কোপা আমেরিকা এবং ফিনালিস্সিমা। এই পথ পাড়ি দেওয়ার সময় বহু রেকর্ড নতুন করে লিখেছেন। আর্জেন্টিনার হয়ে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা, সর্বোচ্চ গোলদাতাও তিনি। মেসি এখন পর্যন্ত জাতীয় দলের হয়ে করেছেন ১২৫ গোল, যা তাকে বানিয়েছে আন্তর্জাতিক ফুটবলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা। জাতীয় দলের হয়ে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্ট তার (৬৮টি)। আর্জেন্টিনার জার্সিতে মেসির গোলসংখ্যা (১৯) সবচেয়ে বেশি এ মাঠেই।
মনুমেন্তালে মেসি এর আগে সর্বশেষ খেলেন গত বছরের সেপ্টেম্বরে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে ভেনেজুয়েলা ম্যাচে। আর্জেন্টিনার ৩-০ গোলের জয়ে তার দুটি তার। আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় এই স্টেডিয়ামে জাতীয় দলের হয়ে মেসি কখনো হারেননি। ২৮ ম্যাচে ২২ জয়, ৬ ড্র। ১০ গোল। ম্যাচপ্রতি গড়ে গোল ০.৬৭।
মজার বিষয় মনুমেন্তালে করা মেসির প্রথম গোলটাও ছিল অক্টোবরেই! ২০০৮ সালের ১১ অক্টোবর। ২০১০ বিশ্বকাপ বাছাইয়ে সেই ম্যাচে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ছিল উরুগুয়ে। আর্জেন্টিনার হয়ে ম্যাচের ৫ মিনিটে হেডে গোল করেছিলেন মেসি।
আরেকটি বিশেষ দিনের কথা উল্লেখ্য না করলেই নয়। ২০২১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর। কোভিড মহামারি পেরিয়ে সেদিনই আর্জেন্টাইনরা প্রথম এই স্টেডিয়ামে ফেরার সুযোগ পান। ব্রাজিলে কোপা আমেরিকা জয়ের পর ঘরের মাঠে সেটা ছিল আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচ। মাত্র ৩০ শতাংশ দর্শক প্রবেশের অনুমতি থাকলেও সেদিন বলিভিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ৩-০ গোলের জয়ে সব গোলই ছিল মেসির, অর্থাৎ হ্যাটট্রিক। সেই ম্যাচেই দক্ষিণ আমেরিকান জাতীয় দলের হয়ে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে পেলের রেকর্ড ভেঙে দেন মেসি। ৭৯ গোলে ছাড়িয়ে যান ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তিকে।
২০২২ বিশ্বকাপ জয়ীদের বরণ করে নিতে ২০২৩ সালের ২৩ মার্চ বর্ণিল সাজে সেজেছিল মনুমেন্তাল স্টেডিয়াম। পানামার বিপক্ষে ২-০ গোলের জয়ে ফ্রি-কিক থেকে একটি গোল করেন মেসি। আর্জেন্টিনার জার্সিতে তা ছিল মেসির ৯৯তম এবং ক্যারিয়ারের ৮০০তম ম্যাচ।
২০২৫ সালের ৪ সেপ্টেম্বর মনুমেন্তালে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ভেনেজুয়েলার মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনা। দেশের মাটিতে সেটি ছিল মেসির শেষ অফিশিয়াল ম্যাচ। জোড়া গোল করে আর্জেন্টিনাকে ৩-০ তে জেতান মেসি।
মেসিকে মনুমেন্তাল স্টেডিয়াম দুহাত ভরে দিয়েছে। শেষবার এই স্টেডিয়ামে নিজের পায়ের জাদুতে কী উপহার দেবেন মেসি সেই অপেক্ষায় ফুটবলবিশ্ব।

সেই মনুমেন্তালেই মেসির চক্রপূরণ
তানভীর এলাহী

আর কয়েক ঘণ্টা পর বুয়েন্স আইরেসের মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে আকাশি-সাদা জার্সিতে শেষবারের মতো দেখা যাবে লিওনেল মেসিকে। এই মনুমেন্তালেই জাতীয় দলের জার্সিতে দেশের মাটিতে প্রথমবার মাঠে নেমেছিলেন মেসি, দিনটা ছিল ২০০৫ সালে ৯ অক্টোবর। বিশ্বকাপ বাছাইয়ের সেই ম্যাচে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ছিল পেরু। মেসি সেদিনই প্রথমবার দেশের হয়ে ৯০ মিনিট মাঠে ছিলেন। করেছিলেন একটি অ্যাসিস্ট। এর আগে মেসি জাতীয় দলে দুটি ম্যাচ খেললেও তা ছিল দেশের বাইরে।
স্থানীয় সময় ৬ অক্টোবর, ২০২৬ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচটিও মনুমেন্তালে খেলতে যাচ্ছেন মেসি, এবারও পুরো ৯০ মিনিট মাঠে থাকবেন বলে আভাস মিলেছে। মাঝের এই প্রায় ২১ বছরে মেসির জাতীয় দলে জার্সিটা ১৯ থেকে ১০ হয়েছে। মেসি খেলে ফেলেছেন ২০৭ ম্যাচ। জিতেছেন, একটি বিশ্বকাপ, দুটি কোপা আমেরিকা এবং ফিনালিস্সিমা। এই পথ পাড়ি দেওয়ার সময় বহু রেকর্ড নতুন করে লিখেছেন। আর্জেন্টিনার হয়ে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা, সর্বোচ্চ গোলদাতাও তিনি। মেসি এখন পর্যন্ত জাতীয় দলের হয়ে করেছেন ১২৫ গোল, যা তাকে বানিয়েছে আন্তর্জাতিক ফুটবলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা। জাতীয় দলের হয়ে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্ট তার (৬৮টি)। আর্জেন্টিনার জার্সিতে মেসির গোলসংখ্যা (১৯) সবচেয়ে বেশি এ মাঠেই।
মনুমেন্তালে মেসি এর আগে সর্বশেষ খেলেন গত বছরের সেপ্টেম্বরে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে ভেনেজুয়েলা ম্যাচে। আর্জেন্টিনার ৩-০ গোলের জয়ে তার দুটি তার। আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় এই স্টেডিয়ামে জাতীয় দলের হয়ে মেসি কখনো হারেননি। ২৮ ম্যাচে ২২ জয়, ৬ ড্র। ১০ গোল। ম্যাচপ্রতি গড়ে গোল ০.৬৭।
মজার বিষয় মনুমেন্তালে করা মেসির প্রথম গোলটাও ছিল অক্টোবরেই! ২০০৮ সালের ১১ অক্টোবর। ২০১০ বিশ্বকাপ বাছাইয়ে সেই ম্যাচে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ছিল উরুগুয়ে। আর্জেন্টিনার হয়ে ম্যাচের ৫ মিনিটে হেডে গোল করেছিলেন মেসি।
আরেকটি বিশেষ দিনের কথা উল্লেখ্য না করলেই নয়। ২০২১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর। কোভিড মহামারি পেরিয়ে সেদিনই আর্জেন্টাইনরা প্রথম এই স্টেডিয়ামে ফেরার সুযোগ পান। ব্রাজিলে কোপা আমেরিকা জয়ের পর ঘরের মাঠে সেটা ছিল আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচ। মাত্র ৩০ শতাংশ দর্শক প্রবেশের অনুমতি থাকলেও সেদিন বলিভিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ৩-০ গোলের জয়ে সব গোলই ছিল মেসির, অর্থাৎ হ্যাটট্রিক। সেই ম্যাচেই দক্ষিণ আমেরিকান জাতীয় দলের হয়ে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে পেলের রেকর্ড ভেঙে দেন মেসি। ৭৯ গোলে ছাড়িয়ে যান ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তিকে।
২০২২ বিশ্বকাপ জয়ীদের বরণ করে নিতে ২০২৩ সালের ২৩ মার্চ বর্ণিল সাজে সেজেছিল মনুমেন্তাল স্টেডিয়াম। পানামার বিপক্ষে ২-০ গোলের জয়ে ফ্রি-কিক থেকে একটি গোল করেন মেসি। আর্জেন্টিনার জার্সিতে তা ছিল মেসির ৯৯তম এবং ক্যারিয়ারের ৮০০তম ম্যাচ।
২০২৫ সালের ৪ সেপ্টেম্বর মনুমেন্তালে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ভেনেজুয়েলার মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনা। দেশের মাটিতে সেটি ছিল মেসির শেষ অফিশিয়াল ম্যাচ। জোড়া গোল করে আর্জেন্টিনাকে ৩-০ তে জেতান মেসি।
মেসিকে মনুমেন্তাল স্টেডিয়াম দুহাত ভরে দিয়েছে। শেষবার এই স্টেডিয়ামে নিজের পায়ের জাদুতে কী উপহার দেবেন মেসি সেই অপেক্ষায় ফুটবলবিশ্ব।

মেসিকে রাজকীয় বিদায়, পেলে-ম্যারাডোনার শেষটা কেমন ছিল
যেভাবে দেখবেন মেসির বিদায়ী ম্যাচ







