মেসিকে রাজকীয় বিদায়, পেলে-ম্যারাডোনার শেষটা কেমন ছিল

মেসিকে রাজকীয় বিদায়, পেলে-ম্যারাডোনার শেষটা কেমন ছিল
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

কাতারে বিশ্বকাপ জয়ের পর অনেকেই লিওনেল মেসিকে সর্বকালের সেরা ফুটবলার মানেন। তো কেউ বলেন পেলে-ম্যারাডোনার পরে মেসি। বর্তমান প্রজন্মের ফুটবল মহাতারকা মেসি তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচটি খেলতে যাচ্ছেন বাংলাদেশ সময় বুধবার ভোরে।
মেসির বিদায়ী ম্যাচ অবিস্মরণীয় করে তুলতে আয়োজনে কমতি রাখছে না আর্জেন্টিনা ফুটবল ফেডারেশন। ঐতিহাসিক মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচের মধ্য দিয়ে নতুন প্রজন্মের হাতে মশাল তুলে দেবেন এলএমটেন।
মেসিকে নিয়ে এতো আয়োজন, এতো আলোচনা। অনেক ফুটবল ভক্তের মনেই প্রশ্ন পেলে-ম্যারাডোনা যখন বিদায় নিয়েছেন তখন কী হয়েছিল।
ম্যারাডোনা পেলের বিদায়টা কেমন ছিল দেখে নেওয়া যাক-
ডিয়েগো ম্যারাডোনা (আর্জেন্টিনা)
ম্যারাডোনা আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচটি ছিল নাইজেরিয়ার বিপক্ষে। ১৯৯৪ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে। ম্যাচটি শেষে ম্যারাডোনার র্যান্ডম ডোপ টেস্ট করা হয়। পরীক্ষা তার রক্তে নিষিদ্ধ উদ্দীপক ‘এফেড্রিন’ পাওয়া যায়। তাতে ফিফা ম্যারাডোনাকে বিশ্বকাপ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বহিষ্কার করে এবং ১৫ মাসের জন্য সব ধরনের ফুটবল থেকে নিষিদ্ধ করে। এই নিষেধাজ্ঞার ফলে কোনো আনুষ্ঠানিক বিদায় ছাড়াই আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের হয়ে তার ১৭ বছরেরর ক্যারিয়ারের সমাপ্তি ঘটে।

তবে ২০০১ সালে, এক প্রদর্শনী ম্যাচে আর্জেন্টিনার জার্সিতে মাঠে ফিরেছিলেন ম্যারাডোনা। তখন তার বয়স ৪১ বছর, আর ঠিক আগের বছরই তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তা সত্ত্বেও সাবেক ক্লাব বোকা জুনিয়র্সের বিখ্যাত বোম্বোনেরা স্টেডিয়ামে তার উপস্থিতি উপচে পড়া ৫০ হাজার দর্শকের চোখে জল এনে দিয়েছিল। স্টেডিয়ামের চারপাশের রাস্তায় ভিড় জমিয়ে ভক্তরা তার নামে স্লোগান দিয়ে মুখরিত করে তুলেছিল। ‘রেস্ট অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ একাদশের মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনা। সেই বিশেষ ম্যাচে দুটি গোল করার পাশাপাশি ম্যাচের শেষ মুহূর্তে নিজের জার্সি খুলে বোকা জুনিয়র্সের রঙ প্রকাশ করে স্টেডিয়ামে উন্মাদনা ছড়িয়ে দিয়েছিলেন।
পেলে (ব্রাজিল)
ফুটবলের রাজা পেলের বিদায়বেলাটিও ঐতিহাসিক ঘটনা। ১৯৭১ সালের জুলাই মাসে মারাকানা স্টেডিয়ামে যুগোস্লাভিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে শেষবারের মতো ব্রাজিলের হলুদ জার্সি গায়ে চাপিয়েছিলেন তিনি। ১ লাখ দর্শকের উপস্থিতিতে কানায় কানায় পূর্ণ সেই ঐতিহাসিক স্টেডিয়ামে ফুটবলের সম্রাটকে বিদায় জানায় পুরো ব্রাজিল, যা বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে বিরল এক দৃশ্য হিসেবে স্মরণ করা হয়।

পেলে ক্লাব ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচটি খেলেন ১৯৭৭ সালে। প্রদর্শনী ম্যাচে ব্রাজিলের সান্তোস এফসি এবং নিউ ইয়র্ক কসমস মুখোমুখি হয়েছিল। দুটি ক্লাবেই পেলে খেলেছিলেন। তাই এই ম্যাচে দুই অর্ধে দুই দলের হয়ে খেলেন পেলে। ম্যাচটি চলাকালে বৃষ্টি হয়েছিল। ব্রাজিলের একটি পত্রিকা শিরো

কাতারে বিশ্বকাপ জয়ের পর অনেকেই লিওনেল মেসিকে সর্বকালের সেরা ফুটবলার মানেন। তো কেউ বলেন পেলে-ম্যারাডোনার পরে মেসি। বর্তমান প্রজন্মের ফুটবল মহাতারকা মেসি তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচটি খেলতে যাচ্ছেন বাংলাদেশ সময় বুধবার ভোরে।
মেসির বিদায়ী ম্যাচ অবিস্মরণীয় করে তুলতে আয়োজনে কমতি রাখছে না আর্জেন্টিনা ফুটবল ফেডারেশন। ঐতিহাসিক মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচের মধ্য দিয়ে নতুন প্রজন্মের হাতে মশাল তুলে দেবেন এলএমটেন।
মেসিকে নিয়ে এতো আয়োজন, এতো আলোচনা। অনেক ফুটবল ভক্তের মনেই প্রশ্ন পেলে-ম্যারাডোনা যখন বিদায় নিয়েছেন তখন কী হয়েছিল।
ম্যারাডোনা পেলের বিদায়টা কেমন ছিল দেখে নেওয়া যাক-
ডিয়েগো ম্যারাডোনা (আর্জেন্টিনা)
ম্যারাডোনা আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচটি ছিল নাইজেরিয়ার বিপক্ষে। ১৯৯৪ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে। ম্যাচটি শেষে ম্যারাডোনার র্যান্ডম ডোপ টেস্ট করা হয়। পরীক্ষা তার রক্তে নিষিদ্ধ উদ্দীপক ‘এফেড্রিন’ পাওয়া যায়। তাতে ফিফা ম্যারাডোনাকে বিশ্বকাপ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বহিষ্কার করে এবং ১৫ মাসের জন্য সব ধরনের ফুটবল থেকে নিষিদ্ধ করে। এই নিষেধাজ্ঞার ফলে কোনো আনুষ্ঠানিক বিদায় ছাড়াই আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের হয়ে তার ১৭ বছরেরর ক্যারিয়ারের সমাপ্তি ঘটে।

তবে ২০০১ সালে, এক প্রদর্শনী ম্যাচে আর্জেন্টিনার জার্সিতে মাঠে ফিরেছিলেন ম্যারাডোনা। তখন তার বয়স ৪১ বছর, আর ঠিক আগের বছরই তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তা সত্ত্বেও সাবেক ক্লাব বোকা জুনিয়র্সের বিখ্যাত বোম্বোনেরা স্টেডিয়ামে তার উপস্থিতি উপচে পড়া ৫০ হাজার দর্শকের চোখে জল এনে দিয়েছিল। স্টেডিয়ামের চারপাশের রাস্তায় ভিড় জমিয়ে ভক্তরা তার নামে স্লোগান দিয়ে মুখরিত করে তুলেছিল। ‘রেস্ট অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ একাদশের মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনা। সেই বিশেষ ম্যাচে দুটি গোল করার পাশাপাশি ম্যাচের শেষ মুহূর্তে নিজের জার্সি খুলে বোকা জুনিয়র্সের রঙ প্রকাশ করে স্টেডিয়ামে উন্মাদনা ছড়িয়ে দিয়েছিলেন।
পেলে (ব্রাজিল)
ফুটবলের রাজা পেলের বিদায়বেলাটিও ঐতিহাসিক ঘটনা। ১৯৭১ সালের জুলাই মাসে মারাকানা স্টেডিয়ামে যুগোস্লাভিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে শেষবারের মতো ব্রাজিলের হলুদ জার্সি গায়ে চাপিয়েছিলেন তিনি। ১ লাখ দর্শকের উপস্থিতিতে কানায় কানায় পূর্ণ সেই ঐতিহাসিক স্টেডিয়ামে ফুটবলের সম্রাটকে বিদায় জানায় পুরো ব্রাজিল, যা বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে বিরল এক দৃশ্য হিসেবে স্মরণ করা হয়।

পেলে ক্লাব ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচটি খেলেন ১৯৭৭ সালে। প্রদর্শনী ম্যাচে ব্রাজিলের সান্তোস এফসি এবং নিউ ইয়র্ক কসমস মুখোমুখি হয়েছিল। দুটি ক্লাবেই পেলে খেলেছিলেন। তাই এই ম্যাচে দুই অর্ধে দুই দলের হয়ে খেলেন পেলে। ম্যাচটি চলাকালে বৃষ্টি হয়েছিল। ব্রাজিলের একটি পত্রিকা শিরো

মেসিকে রাজকীয় বিদায়, পেলে-ম্যারাডোনার শেষটা কেমন ছিল
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

কাতারে বিশ্বকাপ জয়ের পর অনেকেই লিওনেল মেসিকে সর্বকালের সেরা ফুটবলার মানেন। তো কেউ বলেন পেলে-ম্যারাডোনার পরে মেসি। বর্তমান প্রজন্মের ফুটবল মহাতারকা মেসি তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচটি খেলতে যাচ্ছেন বাংলাদেশ সময় বুধবার ভোরে।
মেসির বিদায়ী ম্যাচ অবিস্মরণীয় করে তুলতে আয়োজনে কমতি রাখছে না আর্জেন্টিনা ফুটবল ফেডারেশন। ঐতিহাসিক মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচের মধ্য দিয়ে নতুন প্রজন্মের হাতে মশাল তুলে দেবেন এলএমটেন।
মেসিকে নিয়ে এতো আয়োজন, এতো আলোচনা। অনেক ফুটবল ভক্তের মনেই প্রশ্ন পেলে-ম্যারাডোনা যখন বিদায় নিয়েছেন তখন কী হয়েছিল।
ম্যারাডোনা পেলের বিদায়টা কেমন ছিল দেখে নেওয়া যাক-
ডিয়েগো ম্যারাডোনা (আর্জেন্টিনা)
ম্যারাডোনা আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচটি ছিল নাইজেরিয়ার বিপক্ষে। ১৯৯৪ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে। ম্যাচটি শেষে ম্যারাডোনার র্যান্ডম ডোপ টেস্ট করা হয়। পরীক্ষা তার রক্তে নিষিদ্ধ উদ্দীপক ‘এফেড্রিন’ পাওয়া যায়। তাতে ফিফা ম্যারাডোনাকে বিশ্বকাপ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বহিষ্কার করে এবং ১৫ মাসের জন্য সব ধরনের ফুটবল থেকে নিষিদ্ধ করে। এই নিষেধাজ্ঞার ফলে কোনো আনুষ্ঠানিক বিদায় ছাড়াই আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের হয়ে তার ১৭ বছরেরর ক্যারিয়ারের সমাপ্তি ঘটে।

তবে ২০০১ সালে, এক প্রদর্শনী ম্যাচে আর্জেন্টিনার জার্সিতে মাঠে ফিরেছিলেন ম্যারাডোনা। তখন তার বয়স ৪১ বছর, আর ঠিক আগের বছরই তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তা সত্ত্বেও সাবেক ক্লাব বোকা জুনিয়র্সের বিখ্যাত বোম্বোনেরা স্টেডিয়ামে তার উপস্থিতি উপচে পড়া ৫০ হাজার দর্শকের চোখে জল এনে দিয়েছিল। স্টেডিয়ামের চারপাশের রাস্তায় ভিড় জমিয়ে ভক্তরা তার নামে স্লোগান দিয়ে মুখরিত করে তুলেছিল। ‘রেস্ট অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ একাদশের মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনা। সেই বিশেষ ম্যাচে দুটি গোল করার পাশাপাশি ম্যাচের শেষ মুহূর্তে নিজের জার্সি খুলে বোকা জুনিয়র্সের রঙ প্রকাশ করে স্টেডিয়ামে উন্মাদনা ছড়িয়ে দিয়েছিলেন।
পেলে (ব্রাজিল)
ফুটবলের রাজা পেলের বিদায়বেলাটিও ঐতিহাসিক ঘটনা। ১৯৭১ সালের জুলাই মাসে মারাকানা স্টেডিয়ামে যুগোস্লাভিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে শেষবারের মতো ব্রাজিলের হলুদ জার্সি গায়ে চাপিয়েছিলেন তিনি। ১ লাখ দর্শকের উপস্থিতিতে কানায় কানায় পূর্ণ সেই ঐতিহাসিক স্টেডিয়ামে ফুটবলের সম্রাটকে বিদায় জানায় পুরো ব্রাজিল, যা বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে বিরল এক দৃশ্য হিসেবে স্মরণ করা হয়।

পেলে ক্লাব ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচটি খেলেন ১৯৭৭ সালে। প্রদর্শনী ম্যাচে ব্রাজিলের সান্তোস এফসি এবং নিউ ইয়র্ক কসমস মুখোমুখি হয়েছিল। দুটি ক্লাবেই পেলে খেলেছিলেন। তাই এই ম্যাচে দুই অর্ধে দুই দলের হয়ে খেলেন পেলে। ম্যাচটি চলাকালে বৃষ্টি হয়েছিল। ব্রাজিলের একটি পত্রিকা শিরো









