হ্যাটট্রিকের পরও যে কারণে কেঁদেছিলেন মেসি

হ্যাটট্রিকের পরও যে কারণে কেঁদেছিলেন মেসি
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের নিজেদের প্রথম ম্যাচেই জাদুকরী পারফরম্যান্সে বিশ্বকে মন্ত্রমুগ্ধ করেছেন লিওনেল মেসি। কিন্তু ম্যাচ শেষে মাঠের চেনা হাসির বদলে আর্জেন্টাইন অধিনায়কের চোখে দেখা গেছে অশ্রুধারা। মাঠের অবিশ্বাস্য সাফল্যের আনন্দ ছাপিয়ে এক বুক কান্না নিয়ে ম্যাচ শেষে এ মহাতারকা শোনালেন তার জীবনের এক কঠিন ও আবেগঘন লড়াইয়ের গল্প।
ম্যাচজুড়ে পায়ের জাদুতে দর্শকদের উল্লাসে মাতালেও প্রথম গোলের পর থেকেই নিজেকে ধরে রাখতে পারছিলেন না মেসি। ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে আবেগ ধরে রাখতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। পরবর্তীতে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে আর্জেন্টিনা অধিনায়ক বলেন, এই কান্নার পেছনে ফুটবলীয় কোনো কারণ নেই। বরং গত কয়েক দিন ধরে তিনি মাঠের বাইরে এক চরম মানসিক ও ব্যক্তিগত সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন, যা তাকে ভেতরে ভেতরে ভেঙে ফেলছে। এ কঠিন সময়ে সতীর্থ, দল এবং পুরো আর্জেন্টিনার প্রতিনিধিদল তাকে মানসিকভাবে শক্তি জুগিয়েছে বলে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেসির এই কান্নার পেছনের মূল কারণ তার বাবা হোর্হে মেসির আশঙ্কাজনক শারীরিক অবস্থা নিয়ে গভীর উদ্বেগ। আর্জেন্টিনার একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে মেসি জানান, তার বাবা গত বছরের বেশ কয়েক মাস ধরেই নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। চলতি সপ্তাহে তার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় মানসিকভাবে চরম বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন তিনি। নিজের অসহায়ত্ব প্রকাশ করে ফুটবল মহাতারকা বলেন, মাঠের তারকাখ্যাতি যাই হোক না কেন, দিনশেষে তিনিও সবার মতোই একজন সাধারণ মানুষ এবং বাবার এ অবস্থা তাকে প্রতিনিয়ত পোড়াচ্ছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে নিজ বাসভবনে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে ৬৮ বছর বয়সী হোর্হে মেসিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার হৃদরোগ ও স্নায়ুবিষয়ক বিভিন্ন জটিল পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হলেও, পরিবারের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট রোগ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। উল্লেখ্য, লিওনেল মেসির বর্ণিল ফুটবল ক্যারিয়ারের একদম শুরু থেকেই তার বাবা ছিলেন প্রধান ছায়াসঙ্গী। কেবল অভিভাবক হিসেবেই নয়, মেসির শৈশবের কোচ, আজীবনের পরামর্শদাতা এবং পরবর্তীতে তার ফুটবল ক্যারিয়ারের সফল এজেন্ট ও ব্যবসায়িক ব্যবস্থাপক হিসেবেও হোর্হে মেসি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন।

২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের নিজেদের প্রথম ম্যাচেই জাদুকরী পারফরম্যান্সে বিশ্বকে মন্ত্রমুগ্ধ করেছেন লিওনেল মেসি। কিন্তু ম্যাচ শেষে মাঠের চেনা হাসির বদলে আর্জেন্টাইন অধিনায়কের চোখে দেখা গেছে অশ্রুধারা। মাঠের অবিশ্বাস্য সাফল্যের আনন্দ ছাপিয়ে এক বুক কান্না নিয়ে ম্যাচ শেষে এ মহাতারকা শোনালেন তার জীবনের এক কঠিন ও আবেগঘন লড়াইয়ের গল্প।
ম্যাচজুড়ে পায়ের জাদুতে দর্শকদের উল্লাসে মাতালেও প্রথম গোলের পর থেকেই নিজেকে ধরে রাখতে পারছিলেন না মেসি। ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে আবেগ ধরে রাখতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। পরবর্তীতে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে আর্জেন্টিনা অধিনায়ক বলেন, এই কান্নার পেছনে ফুটবলীয় কোনো কারণ নেই। বরং গত কয়েক দিন ধরে তিনি মাঠের বাইরে এক চরম মানসিক ও ব্যক্তিগত সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন, যা তাকে ভেতরে ভেতরে ভেঙে ফেলছে। এ কঠিন সময়ে সতীর্থ, দল এবং পুরো আর্জেন্টিনার প্রতিনিধিদল তাকে মানসিকভাবে শক্তি জুগিয়েছে বলে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেসির এই কান্নার পেছনের মূল কারণ তার বাবা হোর্হে মেসির আশঙ্কাজনক শারীরিক অবস্থা নিয়ে গভীর উদ্বেগ। আর্জেন্টিনার একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে মেসি জানান, তার বাবা গত বছরের বেশ কয়েক মাস ধরেই নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। চলতি সপ্তাহে তার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় মানসিকভাবে চরম বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন তিনি। নিজের অসহায়ত্ব প্রকাশ করে ফুটবল মহাতারকা বলেন, মাঠের তারকাখ্যাতি যাই হোক না কেন, দিনশেষে তিনিও সবার মতোই একজন সাধারণ মানুষ এবং বাবার এ অবস্থা তাকে প্রতিনিয়ত পোড়াচ্ছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে নিজ বাসভবনে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে ৬৮ বছর বয়সী হোর্হে মেসিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার হৃদরোগ ও স্নায়ুবিষয়ক বিভিন্ন জটিল পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হলেও, পরিবারের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট রোগ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। উল্লেখ্য, লিওনেল মেসির বর্ণিল ফুটবল ক্যারিয়ারের একদম শুরু থেকেই তার বাবা ছিলেন প্রধান ছায়াসঙ্গী। কেবল অভিভাবক হিসেবেই নয়, মেসির শৈশবের কোচ, আজীবনের পরামর্শদাতা এবং পরবর্তীতে তার ফুটবল ক্যারিয়ারের সফল এজেন্ট ও ব্যবসায়িক ব্যবস্থাপক হিসেবেও হোর্হে মেসি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন।

হ্যাটট্রিকের পরও যে কারণে কেঁদেছিলেন মেসি
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের নিজেদের প্রথম ম্যাচেই জাদুকরী পারফরম্যান্সে বিশ্বকে মন্ত্রমুগ্ধ করেছেন লিওনেল মেসি। কিন্তু ম্যাচ শেষে মাঠের চেনা হাসির বদলে আর্জেন্টাইন অধিনায়কের চোখে দেখা গেছে অশ্রুধারা। মাঠের অবিশ্বাস্য সাফল্যের আনন্দ ছাপিয়ে এক বুক কান্না নিয়ে ম্যাচ শেষে এ মহাতারকা শোনালেন তার জীবনের এক কঠিন ও আবেগঘন লড়াইয়ের গল্প।
ম্যাচজুড়ে পায়ের জাদুতে দর্শকদের উল্লাসে মাতালেও প্রথম গোলের পর থেকেই নিজেকে ধরে রাখতে পারছিলেন না মেসি। ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে আবেগ ধরে রাখতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। পরবর্তীতে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে আর্জেন্টিনা অধিনায়ক বলেন, এই কান্নার পেছনে ফুটবলীয় কোনো কারণ নেই। বরং গত কয়েক দিন ধরে তিনি মাঠের বাইরে এক চরম মানসিক ও ব্যক্তিগত সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন, যা তাকে ভেতরে ভেতরে ভেঙে ফেলছে। এ কঠিন সময়ে সতীর্থ, দল এবং পুরো আর্জেন্টিনার প্রতিনিধিদল তাকে মানসিকভাবে শক্তি জুগিয়েছে বলে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেসির এই কান্নার পেছনের মূল কারণ তার বাবা হোর্হে মেসির আশঙ্কাজনক শারীরিক অবস্থা নিয়ে গভীর উদ্বেগ। আর্জেন্টিনার একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে মেসি জানান, তার বাবা গত বছরের বেশ কয়েক মাস ধরেই নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। চলতি সপ্তাহে তার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় মানসিকভাবে চরম বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন তিনি। নিজের অসহায়ত্ব প্রকাশ করে ফুটবল মহাতারকা বলেন, মাঠের তারকাখ্যাতি যাই হোক না কেন, দিনশেষে তিনিও সবার মতোই একজন সাধারণ মানুষ এবং বাবার এ অবস্থা তাকে প্রতিনিয়ত পোড়াচ্ছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে নিজ বাসভবনে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে ৬৮ বছর বয়সী হোর্হে মেসিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার হৃদরোগ ও স্নায়ুবিষয়ক বিভিন্ন জটিল পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হলেও, পরিবারের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট রোগ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। উল্লেখ্য, লিওনেল মেসির বর্ণিল ফুটবল ক্যারিয়ারের একদম শুরু থেকেই তার বাবা ছিলেন প্রধান ছায়াসঙ্গী। কেবল অভিভাবক হিসেবেই নয়, মেসির শৈশবের কোচ, আজীবনের পরামর্শদাতা এবং পরবর্তীতে তার ফুটবল ক্যারিয়ারের সফল এজেন্ট ও ব্যবসায়িক ব্যবস্থাপক হিসেবেও হোর্হে মেসি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন।

হ্যাটট্রিক ও রেকর্ডে বিশ্বকাপ শুরু মেসির


