কমলাপুর স্টেডিয়ামে দোকানের বরাদ্দ বাতিলের নির্দেশ ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর

কমলাপুর স্টেডিয়ামে দোকানের বরাদ্দ বাতিলের নির্দেশ ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর
নিজস্ব প্রতিবেদক

কমলাপুর শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে অটোরিকশার দোকানের বরাদ্দ বাতিলের নির্দেশ দিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে কমলাপুর স্টেডিয়ামের প্রশাসককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
রবিবার (৯ আগস্ট) কমলাপুরে স্টেডিয়াম পরিদর্শন করে অব্যবস্থাপনা দেখে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এই নির্দেশ দেন। তিনি জানান, একটি প্রতিনিধিদল স্টেডিয়ামে যাবে এবং দোকান ছেড়ে দেওয়ার জন্য একটি সময় বেঁধে দেবে।
স্টেডিয়ামের পরিবেশ নিয়ে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করে আমিনুল হক বলেন, ‘স্টেডিয়ামে এসে আমি হতাশ হয়েছি। একটা ক্রীড়া স্থাপনার পরিবেশ কখনো এমন হতে পারে না। ব্যবস্থাপনায় পর্যাপ্ত জনবল না থাকার কারণে এই অবস্থা হয়েছে।’
খেলোয়াড় ও সংবাদকর্মীদের সুযোগ-সুবিধার বেহাল দশা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘খেলোয়াড়দের জন্য স্টেডিয়াম। ড্রেসিং রুমের পরিবেশ যাচ্ছেতাই। ওয়াশরুমও তাই। প্রেসবক্সের অবস্থাও যাচ্ছেতাই। সিঁড়ির নিচে অনেক ময়লা পড়ে আছে, যেটা মানা যায় না। এই স্টেডিয়ামে দোকান ভাড়া দেওয়া হয় বা বরাদ্দ দেওয়া হয়, কিন্তু সেখানে ক্রীড়াবিষয়ক কিছু নেই। এখানে অটোরিকশার ব্যবসা চলছে।’
বিদ্যুৎ অপচয়ের বিষয়টি উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এই অটোরিকশার কারণে বিদ্যুতের অনেক ব্যয় হচ্ছে। সরকার যেখানে বিদ্যুতের ব্যাপারে খুবই সজাগ, কীভাবে সঠিক ব্যবহার করা যায়, সেটা ভাবছে, কিন্তু এখানে এসে দেখছি প্রচুর পরিমাণ বিদ্যুতের ব্যয় হচ্ছে। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি কমলাপুর স্টেডিয়াম এলাকায় যতগুলো দোকান আছে, সেগুলোর চুক্তি বাতিল করবো। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা, স্টেডিয়ামের পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে।’
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কমলাপুরের ড্রেসিং রুম, ওয়াশরুম, ক্যাম্প, প্রেসবক্স ও আবর্জনা সব পরিষ্কার করে নতুনভাবে কাজ করবো। খেলোয়াড়দের জন্য ফ্যান বা এসি দেওয়া হবে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এটা করতে চাই।’
এর আগে গত ১ মার্চ কমলাপুরের স্টেডিয়ামটি পরিদর্শনে গিয়ে নানা সংস্কারের কথা বলেন আমিনুল হক। কিন্তু গত কয়েক মাসে তেমন কোনো কাজ হয়নি। বিষয়টি নজরে আসায় এবার স্টেডিয়ামের প্রশাসককে বরখাস্ত করা হলো।

কমলাপুর শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে অটোরিকশার দোকানের বরাদ্দ বাতিলের নির্দেশ দিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে কমলাপুর স্টেডিয়ামের প্রশাসককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
রবিবার (৯ আগস্ট) কমলাপুরে স্টেডিয়াম পরিদর্শন করে অব্যবস্থাপনা দেখে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এই নির্দেশ দেন। তিনি জানান, একটি প্রতিনিধিদল স্টেডিয়ামে যাবে এবং দোকান ছেড়ে দেওয়ার জন্য একটি সময় বেঁধে দেবে।
স্টেডিয়ামের পরিবেশ নিয়ে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করে আমিনুল হক বলেন, ‘স্টেডিয়ামে এসে আমি হতাশ হয়েছি। একটা ক্রীড়া স্থাপনার পরিবেশ কখনো এমন হতে পারে না। ব্যবস্থাপনায় পর্যাপ্ত জনবল না থাকার কারণে এই অবস্থা হয়েছে।’
খেলোয়াড় ও সংবাদকর্মীদের সুযোগ-সুবিধার বেহাল দশা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘খেলোয়াড়দের জন্য স্টেডিয়াম। ড্রেসিং রুমের পরিবেশ যাচ্ছেতাই। ওয়াশরুমও তাই। প্রেসবক্সের অবস্থাও যাচ্ছেতাই। সিঁড়ির নিচে অনেক ময়লা পড়ে আছে, যেটা মানা যায় না। এই স্টেডিয়ামে দোকান ভাড়া দেওয়া হয় বা বরাদ্দ দেওয়া হয়, কিন্তু সেখানে ক্রীড়াবিষয়ক কিছু নেই। এখানে অটোরিকশার ব্যবসা চলছে।’
বিদ্যুৎ অপচয়ের বিষয়টি উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এই অটোরিকশার কারণে বিদ্যুতের অনেক ব্যয় হচ্ছে। সরকার যেখানে বিদ্যুতের ব্যাপারে খুবই সজাগ, কীভাবে সঠিক ব্যবহার করা যায়, সেটা ভাবছে, কিন্তু এখানে এসে দেখছি প্রচুর পরিমাণ বিদ্যুতের ব্যয় হচ্ছে। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি কমলাপুর স্টেডিয়াম এলাকায় যতগুলো দোকান আছে, সেগুলোর চুক্তি বাতিল করবো। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা, স্টেডিয়ামের পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে।’
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কমলাপুরের ড্রেসিং রুম, ওয়াশরুম, ক্যাম্প, প্রেসবক্স ও আবর্জনা সব পরিষ্কার করে নতুনভাবে কাজ করবো। খেলোয়াড়দের জন্য ফ্যান বা এসি দেওয়া হবে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এটা করতে চাই।’
এর আগে গত ১ মার্চ কমলাপুরের স্টেডিয়ামটি পরিদর্শনে গিয়ে নানা সংস্কারের কথা বলেন আমিনুল হক। কিন্তু গত কয়েক মাসে তেমন কোনো কাজ হয়নি। বিষয়টি নজরে আসায় এবার স্টেডিয়ামের প্রশাসককে বরখাস্ত করা হলো।

কমলাপুর স্টেডিয়ামে দোকানের বরাদ্দ বাতিলের নির্দেশ ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর
নিজস্ব প্রতিবেদক

কমলাপুর শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে অটোরিকশার দোকানের বরাদ্দ বাতিলের নির্দেশ দিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে কমলাপুর স্টেডিয়ামের প্রশাসককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
রবিবার (৯ আগস্ট) কমলাপুরে স্টেডিয়াম পরিদর্শন করে অব্যবস্থাপনা দেখে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এই নির্দেশ দেন। তিনি জানান, একটি প্রতিনিধিদল স্টেডিয়ামে যাবে এবং দোকান ছেড়ে দেওয়ার জন্য একটি সময় বেঁধে দেবে।
স্টেডিয়ামের পরিবেশ নিয়ে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করে আমিনুল হক বলেন, ‘স্টেডিয়ামে এসে আমি হতাশ হয়েছি। একটা ক্রীড়া স্থাপনার পরিবেশ কখনো এমন হতে পারে না। ব্যবস্থাপনায় পর্যাপ্ত জনবল না থাকার কারণে এই অবস্থা হয়েছে।’
খেলোয়াড় ও সংবাদকর্মীদের সুযোগ-সুবিধার বেহাল দশা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘খেলোয়াড়দের জন্য স্টেডিয়াম। ড্রেসিং রুমের পরিবেশ যাচ্ছেতাই। ওয়াশরুমও তাই। প্রেসবক্সের অবস্থাও যাচ্ছেতাই। সিঁড়ির নিচে অনেক ময়লা পড়ে আছে, যেটা মানা যায় না। এই স্টেডিয়ামে দোকান ভাড়া দেওয়া হয় বা বরাদ্দ দেওয়া হয়, কিন্তু সেখানে ক্রীড়াবিষয়ক কিছু নেই। এখানে অটোরিকশার ব্যবসা চলছে।’
বিদ্যুৎ অপচয়ের বিষয়টি উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এই অটোরিকশার কারণে বিদ্যুতের অনেক ব্যয় হচ্ছে। সরকার যেখানে বিদ্যুতের ব্যাপারে খুবই সজাগ, কীভাবে সঠিক ব্যবহার করা যায়, সেটা ভাবছে, কিন্তু এখানে এসে দেখছি প্রচুর পরিমাণ বিদ্যুতের ব্যয় হচ্ছে। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি কমলাপুর স্টেডিয়াম এলাকায় যতগুলো দোকান আছে, সেগুলোর চুক্তি বাতিল করবো। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা, স্টেডিয়ামের পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে।’
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কমলাপুরের ড্রেসিং রুম, ওয়াশরুম, ক্যাম্প, প্রেসবক্স ও আবর্জনা সব পরিষ্কার করে নতুনভাবে কাজ করবো। খেলোয়াড়দের জন্য ফ্যান বা এসি দেওয়া হবে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এটা করতে চাই।’
এর আগে গত ১ মার্চ কমলাপুরের স্টেডিয়ামটি পরিদর্শনে গিয়ে নানা সংস্কারের কথা বলেন আমিনুল হক। কিন্তু গত কয়েক মাসে তেমন কোনো কাজ হয়নি। বিষয়টি নজরে আসায় এবার স্টেডিয়ামের প্রশাসককে বরখাস্ত করা হলো।

রদ্রির দাম কমাবে না ম্যানসিটি







