মেসিরা নিয়ে এসেছেন ৫০০ কেজি মাংস, হলান্ডরা ৩০০ কেজি স্যামন

মেসিরা নিয়ে এসেছেন ৫০০ কেজি মাংস, হলান্ডরা ৩০০ কেজি স্যামন
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপে নিজেদের পছন্দের খাবারের প্রস্তুতি সেরে নিয়েছে আর্জেন্টিনা ও নরওয়ে ফুটবল দল। খেলোয়াড়দের চিরচেনা স্বাদ ও শারীরিক ফিটনেস ধরে রাখতে দূর পরবাসেও ঘরের খাবার উড়িয়ে আনছে দলগুলো।
আর্জেন্টাইনদের সংস্কৃতি ও খাদ্যাভ্যাসের প্রধান অংশ জুড়ে রয়েছে গরুর মাংস। বিশেষ করে স্থানীয় পদ্ধতিতে আগুনে সেঁকা বারবিকিউ বা ‘আসাদো’ তাদের প্রধান খাবার। এটি তারা সাধারণত ভুট্টা ও বিভিন্ন দেশীয় শস্যের রুটি দিয়ে খেয়ে থাকে। মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি রসনাবিলাসে কোনো কমতি না রাখতে এবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কানসাসে অবস্থিত আর্জেন্টিনার বেসক্যাম্পে ইতোমধ্যেই পৌঁছে গেছে বিভিন্ন কাটের ৫০০ কেজি গরুর মাংস। কড়া মার্কিন ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অথরিটির (এফডিএ) সব নিয়ম মেনেই এই খাবার পাঠানো হয়েছে। এর আগে কাতার বিশ্বকাপেও আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ে দল মিলে প্রায় ৯০০ কেজি মাংস নিয়ে গিয়েছিল।
খাবারের তালিকায় পিছিয়ে নেই নরওয়ে ফুটবল দলও। নিজেদের খেলোয়াড়দের পুষ্টি ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে আমেরিকা মহাদেশে তারা নিয়ে এসেছে ৩০০ কেজি স্যামন মাছ, ১১৬ কেজি স্থানীয় পনির এবং ৬০০টি তাজা কমলা। মাঠের রণকৌশলের পাশাপাশি ফুটবলারদের মন ও শরীর চাঙ্গা রাখতে দলগুলোর এমন ঘরোয়া আয়োজন বেশ নজর কেড়েছে।

বিশ্বকাপে নিজেদের পছন্দের খাবারের প্রস্তুতি সেরে নিয়েছে আর্জেন্টিনা ও নরওয়ে ফুটবল দল। খেলোয়াড়দের চিরচেনা স্বাদ ও শারীরিক ফিটনেস ধরে রাখতে দূর পরবাসেও ঘরের খাবার উড়িয়ে আনছে দলগুলো।
আর্জেন্টাইনদের সংস্কৃতি ও খাদ্যাভ্যাসের প্রধান অংশ জুড়ে রয়েছে গরুর মাংস। বিশেষ করে স্থানীয় পদ্ধতিতে আগুনে সেঁকা বারবিকিউ বা ‘আসাদো’ তাদের প্রধান খাবার। এটি তারা সাধারণত ভুট্টা ও বিভিন্ন দেশীয় শস্যের রুটি দিয়ে খেয়ে থাকে। মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি রসনাবিলাসে কোনো কমতি না রাখতে এবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কানসাসে অবস্থিত আর্জেন্টিনার বেসক্যাম্পে ইতোমধ্যেই পৌঁছে গেছে বিভিন্ন কাটের ৫০০ কেজি গরুর মাংস। কড়া মার্কিন ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অথরিটির (এফডিএ) সব নিয়ম মেনেই এই খাবার পাঠানো হয়েছে। এর আগে কাতার বিশ্বকাপেও আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ে দল মিলে প্রায় ৯০০ কেজি মাংস নিয়ে গিয়েছিল।
খাবারের তালিকায় পিছিয়ে নেই নরওয়ে ফুটবল দলও। নিজেদের খেলোয়াড়দের পুষ্টি ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে আমেরিকা মহাদেশে তারা নিয়ে এসেছে ৩০০ কেজি স্যামন মাছ, ১১৬ কেজি স্থানীয় পনির এবং ৬০০টি তাজা কমলা। মাঠের রণকৌশলের পাশাপাশি ফুটবলারদের মন ও শরীর চাঙ্গা রাখতে দলগুলোর এমন ঘরোয়া আয়োজন বেশ নজর কেড়েছে।

মেসিরা নিয়ে এসেছেন ৫০০ কেজি মাংস, হলান্ডরা ৩০০ কেজি স্যামন
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপে নিজেদের পছন্দের খাবারের প্রস্তুতি সেরে নিয়েছে আর্জেন্টিনা ও নরওয়ে ফুটবল দল। খেলোয়াড়দের চিরচেনা স্বাদ ও শারীরিক ফিটনেস ধরে রাখতে দূর পরবাসেও ঘরের খাবার উড়িয়ে আনছে দলগুলো।
আর্জেন্টাইনদের সংস্কৃতি ও খাদ্যাভ্যাসের প্রধান অংশ জুড়ে রয়েছে গরুর মাংস। বিশেষ করে স্থানীয় পদ্ধতিতে আগুনে সেঁকা বারবিকিউ বা ‘আসাদো’ তাদের প্রধান খাবার। এটি তারা সাধারণত ভুট্টা ও বিভিন্ন দেশীয় শস্যের রুটি দিয়ে খেয়ে থাকে। মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি রসনাবিলাসে কোনো কমতি না রাখতে এবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কানসাসে অবস্থিত আর্জেন্টিনার বেসক্যাম্পে ইতোমধ্যেই পৌঁছে গেছে বিভিন্ন কাটের ৫০০ কেজি গরুর মাংস। কড়া মার্কিন ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অথরিটির (এফডিএ) সব নিয়ম মেনেই এই খাবার পাঠানো হয়েছে। এর আগে কাতার বিশ্বকাপেও আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ে দল মিলে প্রায় ৯০০ কেজি মাংস নিয়ে গিয়েছিল।
খাবারের তালিকায় পিছিয়ে নেই নরওয়ে ফুটবল দলও। নিজেদের খেলোয়াড়দের পুষ্টি ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে আমেরিকা মহাদেশে তারা নিয়ে এসেছে ৩০০ কেজি স্যামন মাছ, ১১৬ কেজি স্থানীয় পনির এবং ৬০০টি তাজা কমলা। মাঠের রণকৌশলের পাশাপাশি ফুটবলারদের মন ও শরীর চাঙ্গা রাখতে দলগুলোর এমন ঘরোয়া আয়োজন বেশ নজর কেড়েছে।

এবারের বিশ্বকাপে দ্রুততম গোলের রেকর্ড প্যারাগুয়ের

