বিসিবি নির্বাচনে অসঙ্গতি পেয়েছে তদন্ত কমিটি

বিসিবি নির্বাচনে অসঙ্গতি পেয়েছে তদন্ত কমিটি
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

বিসিবি নির্বাচনের অনিয়ম নিয়ে শেষ হয়েছে তদন্ত। রবিবার (৫ এপ্রিল) সকালে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে প্রায় ১৮০০ পৃষ্টার প্রতিবেদন জমা দিয়েছে তদন্ত কমিটি।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের একান্ত সচিব মো: কবির খাঁনের কাছে প্রতিবেদন জমা দেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে থাকা কমিটি। কমিটির পক্ষ থেকে বিসিবি নির্বাচনে বেশ কিছু অসঙ্গতি উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।
এই তদন্ত প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিলেন ছিলেন সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া। তাকে ডাকা হলেও তিনি কমিটির সামনে হাজির হননি।
তদন্ত কমিটির সূত্র জানিয়েছেন, ‘আমরা তদন্ত্র প্রতিবেদন জমা দিয়েছি। খুব শীঘ্রই আপনারা এনএসসি থেকে প্রতিবেদনের মূল বিষয়টি জানতে পারবেন। সেখানে নির্বাচনের নিয়মে বেশ কিছু অসঙ্গতি দেখা গেছে। এনএসসি থেকেই নির্বাচন বা তদন্তের পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানানো হবে।’
গত অক্টোবরে অনুষ্ঠিত বিসিবি নির্বাচনে ‘অনিয়ম ও কারসাজির অভিযোগ’ খতিয়ে দেখতে গত মাসে এই কমিটি গঠন করে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ।
তদন্ত প্রতিবেদনে ত্রুটি থাকায় চলতি বিসিবি বোর্ডকে যে কোন সময় অবৈধ ঘোষনা করতে পারে এনএসসি।
বর্তমান নির্বাচন গঠনতন্ত্রে পরিবর্তন বা সংশোধনের ব্যাপারে আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, ‘আমরা এই তদন্ত প্রতিবেদনে কোন পক্ষকে বা ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করিনি। সবাইকে আলোচনার জন্য ডাকা হয়েছে, অনেকে সশরীরে আসেননি। আমরা শুধু নির্বাচন কি প্রক্রিয়ায় হয়েছে তা তুলে ধরেছি। এর মধ্যে গঠনতন্ত্র নিয়ে যেসব সুপারিশ করা হয়েছে তা আপনারা এনএসসি থেকেই জানতে পারবেন।’
বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ৯ জন পরিচালক থাকলে বোর্ড সচল থাকবে। তবে সবশেষ নির্বাচনে ত্রুটি দেখলে এই বোর্ড ভেঙে দিতে পারে সরকার।

বিসিবি নির্বাচনের অনিয়ম নিয়ে শেষ হয়েছে তদন্ত। রবিবার (৫ এপ্রিল) সকালে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে প্রায় ১৮০০ পৃষ্টার প্রতিবেদন জমা দিয়েছে তদন্ত কমিটি।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের একান্ত সচিব মো: কবির খাঁনের কাছে প্রতিবেদন জমা দেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে থাকা কমিটি। কমিটির পক্ষ থেকে বিসিবি নির্বাচনে বেশ কিছু অসঙ্গতি উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।
এই তদন্ত প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিলেন ছিলেন সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া। তাকে ডাকা হলেও তিনি কমিটির সামনে হাজির হননি।
তদন্ত কমিটির সূত্র জানিয়েছেন, ‘আমরা তদন্ত্র প্রতিবেদন জমা দিয়েছি। খুব শীঘ্রই আপনারা এনএসসি থেকে প্রতিবেদনের মূল বিষয়টি জানতে পারবেন। সেখানে নির্বাচনের নিয়মে বেশ কিছু অসঙ্গতি দেখা গেছে। এনএসসি থেকেই নির্বাচন বা তদন্তের পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানানো হবে।’
গত অক্টোবরে অনুষ্ঠিত বিসিবি নির্বাচনে ‘অনিয়ম ও কারসাজির অভিযোগ’ খতিয়ে দেখতে গত মাসে এই কমিটি গঠন করে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ।
তদন্ত প্রতিবেদনে ত্রুটি থাকায় চলতি বিসিবি বোর্ডকে যে কোন সময় অবৈধ ঘোষনা করতে পারে এনএসসি।
বর্তমান নির্বাচন গঠনতন্ত্রে পরিবর্তন বা সংশোধনের ব্যাপারে আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, ‘আমরা এই তদন্ত প্রতিবেদনে কোন পক্ষকে বা ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করিনি। সবাইকে আলোচনার জন্য ডাকা হয়েছে, অনেকে সশরীরে আসেননি। আমরা শুধু নির্বাচন কি প্রক্রিয়ায় হয়েছে তা তুলে ধরেছি। এর মধ্যে গঠনতন্ত্র নিয়ে যেসব সুপারিশ করা হয়েছে তা আপনারা এনএসসি থেকেই জানতে পারবেন।’
বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ৯ জন পরিচালক থাকলে বোর্ড সচল থাকবে। তবে সবশেষ নির্বাচনে ত্রুটি দেখলে এই বোর্ড ভেঙে দিতে পারে সরকার।

বিসিবি নির্বাচনে অসঙ্গতি পেয়েছে তদন্ত কমিটি
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

বিসিবি নির্বাচনের অনিয়ম নিয়ে শেষ হয়েছে তদন্ত। রবিবার (৫ এপ্রিল) সকালে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে প্রায় ১৮০০ পৃষ্টার প্রতিবেদন জমা দিয়েছে তদন্ত কমিটি।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের একান্ত সচিব মো: কবির খাঁনের কাছে প্রতিবেদন জমা দেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে থাকা কমিটি। কমিটির পক্ষ থেকে বিসিবি নির্বাচনে বেশ কিছু অসঙ্গতি উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।
এই তদন্ত প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিলেন ছিলেন সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া। তাকে ডাকা হলেও তিনি কমিটির সামনে হাজির হননি।
তদন্ত কমিটির সূত্র জানিয়েছেন, ‘আমরা তদন্ত্র প্রতিবেদন জমা দিয়েছি। খুব শীঘ্রই আপনারা এনএসসি থেকে প্রতিবেদনের মূল বিষয়টি জানতে পারবেন। সেখানে নির্বাচনের নিয়মে বেশ কিছু অসঙ্গতি দেখা গেছে। এনএসসি থেকেই নির্বাচন বা তদন্তের পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানানো হবে।’
গত অক্টোবরে অনুষ্ঠিত বিসিবি নির্বাচনে ‘অনিয়ম ও কারসাজির অভিযোগ’ খতিয়ে দেখতে গত মাসে এই কমিটি গঠন করে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ।
তদন্ত প্রতিবেদনে ত্রুটি থাকায় চলতি বিসিবি বোর্ডকে যে কোন সময় অবৈধ ঘোষনা করতে পারে এনএসসি।
বর্তমান নির্বাচন গঠনতন্ত্রে পরিবর্তন বা সংশোধনের ব্যাপারে আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, ‘আমরা এই তদন্ত প্রতিবেদনে কোন পক্ষকে বা ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করিনি। সবাইকে আলোচনার জন্য ডাকা হয়েছে, অনেকে সশরীরে আসেননি। আমরা শুধু নির্বাচন কি প্রক্রিয়ায় হয়েছে তা তুলে ধরেছি। এর মধ্যে গঠনতন্ত্র নিয়ে যেসব সুপারিশ করা হয়েছে তা আপনারা এনএসসি থেকেই জানতে পারবেন।’
বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ৯ জন পরিচালক থাকলে বোর্ড সচল থাকবে। তবে সবশেষ নির্বাচনে ত্রুটি দেখলে এই বোর্ড ভেঙে দিতে পারে সরকার।




