ভারতে আন্দোলন নিয়ে যা বললেন শচীন

ভারতে আন্দোলন নিয়ে যা বললেন শচীন
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে ভারতজুড়ে চলা বিক্ষোভ নিয়ে মুখ খুলেছেন ক্রিকেট কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকার। এক্স-এ দেওয়া এক আবেগঘন পোস্টে শচীন তার প্রয়াত বাবা, অধ্যাপক রমেশ টেন্ডুলকারের শেখানো মূল্যবোধের কথা তুলে ধরেন। এছাড়া উদ্বেগ প্রকাশ করেন সেই শিক্ষার্থীদের নিয়ে, যারা মনে করছে তাদের পরিশ্রমের মূল্য দেওয়া হয়নি।
শচীন টেন্ডুলকার লেখেন, ‘আমার বাবা একজন অধ্যাপক ছিলেন। তিনি অনেক তরুণ শিক্ষার্থীর জন্য পরামর্শদাতা এবং গুরু ছিলেন। শুরু থেকেই তিনি আমাকে যে শিক্ষাটা দিয়েছিলেন তা হলো, ব্যর্থতা ঠিক আছে, কিন্তু প্রতারণা ঠিক নয়। কখনো শর্টকাট নেবে না।’
নিট পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে সারা দেশে বিক্ষোভ বেড়ে চলার মধ্যেই শচীন এমন মন্তব্য করলেন।
তদন্ত বা বিক্ষোভ নিয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য না করে শচীন জোর দিয়ে বলেন, শিক্ষার সততা রক্ষা করা এবং শর্টকাটের চেয়ে সততাকেই মূল্য দেওয়া নিশ্চিত করার যৌথ দায়িত্ব সমাজের।
তিনি লেখেন, ‘সমাজের প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ হিসেবে সংস্কৃতি গড়ে তোলার দায়িত্ব আমাদের। যে সমাজ পরিশ্রমের চেয়ে ফলাফলকে বেশি গুরুত্ব দেয়, সেই সমাজ মেধার বদলে শর্টকাট খুঁজবে।’
তিনি আরও লেখেন, ‘আজ যখন শিক্ষার্থীরা হতাশ বোধ করছে যে তাদের কঠোর পরিশ্রমের মূল্য দেওয়া হয়নি, এটা বোঝা যায়। আমাদের সবার একসঙ্গে কাজ করা উচিত, যাতে তাদের আর কখনো এমন অনুভব করতে না হয়।’
শচীন বলেন, এই দায়িত্ব শুধু সরকার বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়।
তিনি লেখেন, ‘তরুণ ভারত স্বপ্ন এবং শক্তিতে ভরপুর। তারাই আমাদের সাফল্যের জ্বালানি। বাবা-মা, শিক্ষক, বন্ধু, আত্মীয়, স্কুল এবং প্রশাসন সহ সমাজের প্রত্যেকের বিশাল দায়িত্ব আছে এবং আলাদা আলাদা ভূমিকা পালন করতে হবে, যাতে আমাদের তরুণরা উৎসাহিত এবং উদ্যমী থাকে।’
ন্যায্যতা ও সততার ভিত্তিতে গড়া একটি সংস্কৃতির আহ্বান জানিয়ে শচীন টেন্ডুলকার শেষে লেখেন, ‘আমাদের এমন একটি সংস্কৃতি তৈরি করতে হবে, যেখানে কঠোর পরিশ্রমের পুরস্কার দেওয়া হয়, সততাকে উৎসাহিত করা হয় এবং মেধার জয় হয়।’
তিনি আরও লেখেন, ‘আমি নিশ্চিত, আমরা সবাই মিলে এমন সমাধান খুঁজে পাব, যা আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ শক্তিশালী করবে এবং তাদের স্বপ্নকে রক্ষা করবে।’

নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে ভারতজুড়ে চলা বিক্ষোভ নিয়ে মুখ খুলেছেন ক্রিকেট কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকার। এক্স-এ দেওয়া এক আবেগঘন পোস্টে শচীন তার প্রয়াত বাবা, অধ্যাপক রমেশ টেন্ডুলকারের শেখানো মূল্যবোধের কথা তুলে ধরেন। এছাড়া উদ্বেগ প্রকাশ করেন সেই শিক্ষার্থীদের নিয়ে, যারা মনে করছে তাদের পরিশ্রমের মূল্য দেওয়া হয়নি।
শচীন টেন্ডুলকার লেখেন, ‘আমার বাবা একজন অধ্যাপক ছিলেন। তিনি অনেক তরুণ শিক্ষার্থীর জন্য পরামর্শদাতা এবং গুরু ছিলেন। শুরু থেকেই তিনি আমাকে যে শিক্ষাটা দিয়েছিলেন তা হলো, ব্যর্থতা ঠিক আছে, কিন্তু প্রতারণা ঠিক নয়। কখনো শর্টকাট নেবে না।’
নিট পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে সারা দেশে বিক্ষোভ বেড়ে চলার মধ্যেই শচীন এমন মন্তব্য করলেন।
তদন্ত বা বিক্ষোভ নিয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য না করে শচীন জোর দিয়ে বলেন, শিক্ষার সততা রক্ষা করা এবং শর্টকাটের চেয়ে সততাকেই মূল্য দেওয়া নিশ্চিত করার যৌথ দায়িত্ব সমাজের।
তিনি লেখেন, ‘সমাজের প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ হিসেবে সংস্কৃতি গড়ে তোলার দায়িত্ব আমাদের। যে সমাজ পরিশ্রমের চেয়ে ফলাফলকে বেশি গুরুত্ব দেয়, সেই সমাজ মেধার বদলে শর্টকাট খুঁজবে।’
তিনি আরও লেখেন, ‘আজ যখন শিক্ষার্থীরা হতাশ বোধ করছে যে তাদের কঠোর পরিশ্রমের মূল্য দেওয়া হয়নি, এটা বোঝা যায়। আমাদের সবার একসঙ্গে কাজ করা উচিত, যাতে তাদের আর কখনো এমন অনুভব করতে না হয়।’
শচীন বলেন, এই দায়িত্ব শুধু সরকার বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়।
তিনি লেখেন, ‘তরুণ ভারত স্বপ্ন এবং শক্তিতে ভরপুর। তারাই আমাদের সাফল্যের জ্বালানি। বাবা-মা, শিক্ষক, বন্ধু, আত্মীয়, স্কুল এবং প্রশাসন সহ সমাজের প্রত্যেকের বিশাল দায়িত্ব আছে এবং আলাদা আলাদা ভূমিকা পালন করতে হবে, যাতে আমাদের তরুণরা উৎসাহিত এবং উদ্যমী থাকে।’
ন্যায্যতা ও সততার ভিত্তিতে গড়া একটি সংস্কৃতির আহ্বান জানিয়ে শচীন টেন্ডুলকার শেষে লেখেন, ‘আমাদের এমন একটি সংস্কৃতি তৈরি করতে হবে, যেখানে কঠোর পরিশ্রমের পুরস্কার দেওয়া হয়, সততাকে উৎসাহিত করা হয় এবং মেধার জয় হয়।’
তিনি আরও লেখেন, ‘আমি নিশ্চিত, আমরা সবাই মিলে এমন সমাধান খুঁজে পাব, যা আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ শক্তিশালী করবে এবং তাদের স্বপ্নকে রক্ষা করবে।’

ভারতে আন্দোলন নিয়ে যা বললেন শচীন
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে ভারতজুড়ে চলা বিক্ষোভ নিয়ে মুখ খুলেছেন ক্রিকেট কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকার। এক্স-এ দেওয়া এক আবেগঘন পোস্টে শচীন তার প্রয়াত বাবা, অধ্যাপক রমেশ টেন্ডুলকারের শেখানো মূল্যবোধের কথা তুলে ধরেন। এছাড়া উদ্বেগ প্রকাশ করেন সেই শিক্ষার্থীদের নিয়ে, যারা মনে করছে তাদের পরিশ্রমের মূল্য দেওয়া হয়নি।
শচীন টেন্ডুলকার লেখেন, ‘আমার বাবা একজন অধ্যাপক ছিলেন। তিনি অনেক তরুণ শিক্ষার্থীর জন্য পরামর্শদাতা এবং গুরু ছিলেন। শুরু থেকেই তিনি আমাকে যে শিক্ষাটা দিয়েছিলেন তা হলো, ব্যর্থতা ঠিক আছে, কিন্তু প্রতারণা ঠিক নয়। কখনো শর্টকাট নেবে না।’
নিট পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে সারা দেশে বিক্ষোভ বেড়ে চলার মধ্যেই শচীন এমন মন্তব্য করলেন।
তদন্ত বা বিক্ষোভ নিয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য না করে শচীন জোর দিয়ে বলেন, শিক্ষার সততা রক্ষা করা এবং শর্টকাটের চেয়ে সততাকেই মূল্য দেওয়া নিশ্চিত করার যৌথ দায়িত্ব সমাজের।
তিনি লেখেন, ‘সমাজের প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ হিসেবে সংস্কৃতি গড়ে তোলার দায়িত্ব আমাদের। যে সমাজ পরিশ্রমের চেয়ে ফলাফলকে বেশি গুরুত্ব দেয়, সেই সমাজ মেধার বদলে শর্টকাট খুঁজবে।’
তিনি আরও লেখেন, ‘আজ যখন শিক্ষার্থীরা হতাশ বোধ করছে যে তাদের কঠোর পরিশ্রমের মূল্য দেওয়া হয়নি, এটা বোঝা যায়। আমাদের সবার একসঙ্গে কাজ করা উচিত, যাতে তাদের আর কখনো এমন অনুভব করতে না হয়।’
শচীন বলেন, এই দায়িত্ব শুধু সরকার বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়।
তিনি লেখেন, ‘তরুণ ভারত স্বপ্ন এবং শক্তিতে ভরপুর। তারাই আমাদের সাফল্যের জ্বালানি। বাবা-মা, শিক্ষক, বন্ধু, আত্মীয়, স্কুল এবং প্রশাসন সহ সমাজের প্রত্যেকের বিশাল দায়িত্ব আছে এবং আলাদা আলাদা ভূমিকা পালন করতে হবে, যাতে আমাদের তরুণরা উৎসাহিত এবং উদ্যমী থাকে।’
ন্যায্যতা ও সততার ভিত্তিতে গড়া একটি সংস্কৃতির আহ্বান জানিয়ে শচীন টেন্ডুলকার শেষে লেখেন, ‘আমাদের এমন একটি সংস্কৃতি তৈরি করতে হবে, যেখানে কঠোর পরিশ্রমের পুরস্কার দেওয়া হয়, সততাকে উৎসাহিত করা হয় এবং মেধার জয় হয়।’
তিনি আরও লেখেন, ‘আমি নিশ্চিত, আমরা সবাই মিলে এমন সমাধান খুঁজে পাব, যা আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ শক্তিশালী করবে এবং তাদের স্বপ্নকে রক্ষা করবে।’

অস্ট্রেলিয়া সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন নাহিদ রানা
জার্মান ফুটবল দলের কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপ






