নাটকীয় জয়ে ধবলধোলাই এড়াল অস্ট্রেলিয়া

নাটকীয় জয়ে ধবলধোলাই এড়াল অস্ট্রেলিয়া
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

নাহ্, আজ আর হচ্ছে না– এমন মনে করে অনেকেই বাড়ির পথ ধরেছেন। অস্ট্রেলিয়াকে ধবলধোলাই করার স্বপ্ন তখন বলতে গেলে উবেই গেছে। অস্ট্রেলিয়ার যে তখন সিরিজের শেষ ও তৃতীয় ওয়ানডে জিততে রান দরকার ছিল ২৯ বলে ৯ রান।
নাটকের শুরু সেখান থেকেই শরীফুল ইসলাম পরপর ২ বলে ২ উইকেট নিলেন। ৫ উইকেটে ২৬৬ রান থেকে অস্ট্রেলিয়ার স্কোর করে দিলেন ৭ উইকেটে ২৬৬। এরপরও অবশ্য ২৭ বলে অস্ট্রেলিয়ার দরকার ছিল ২৭ রান। কাজটা তাদের জন্য সহজই ছিল, কঠিন ছিল বাংলাদেশের জন্য।
তবে শরীফুল নিজের পরের ওভারে আরেক উইকেট নিলেন। মোস্তাফিজুর রহমান এসে ফেরান ১৩৪ বলে ১৪৯ রান করা কুপার কনোলিকে। অস্ট্রেলিয়ার জয়ের হিসাব দাঁড়ায় ৯ বলে ৫ রান, হাতে ছিল ১ উইকেট। এমন অবস্থায় ম্যাচে যেকোনো কিছুই ঘটতে পারে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ পারেনি। ২৭৫ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৩ বল হাতে রেখে ১ উইকেটের নাটকীয় জয়ে বাংলাদেশের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ধবলধোলাই এড়িয়েছে অস্ট্রেলিয়া। এর আগে টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম বলেই সৌম্য সরকারকে হারায় বাংলাদেশ। দলের রান যখন ৬১, ততক্ষণে বাংলাদেশ হারিয়ে ফেলে ৩ উইকেট। সেখান থেকে মাঝের ওভারগুলোই বাংলাদেশকে লড়াকু পুঁজির পথে এগিয়ে দেয়।
এর কৃতিত্বটা বেশি তাওহিদ হৃদয়ের। তিনি আর লিটনই রানের চাকা সচল রাখেন। দুজনের ৯২ রানের জুটিতে বাংলাদেশ এগোচ্ছিল ভালোভাবেই। কিন্তু তাতে বাধ সাধে লিটনের পেশির টান। আর্দ্রতায় তাঁর অস্বস্তিটা স্পষ্ট ছিল শুরু থেকে, শেষ পর্যন্ত লিটনকে মাঠও ছাড়তে হয়।
তাতে অবশ্য বাংলাদেশের রান তোলার গতিতে তেমন প্রভাব পড়েনি। হৃদয়ের সঙ্গী হয়ে দলের রান এগিয়ে নেন মোসাদ্দেক হোসেন। দলের বিপদের সময়ে দাঁড়িয়ে গিয়ে ৫১ বলে ৫ চার ও ১ ছক্কার ইনিংসে ৫৬ রান করেছেন মোসাদ্দেক।
তিনি উইকেটে শেষ পর্যন্ত থাকলেও হৃদয় আউট হয়ে যান আগেই। ৮৮ বলে তাঁর ব্যাটে আসে ৮৩ রান। ৪৯ ওভারে হৃদয় আউট হলে আবার ব্যাট করতে নামেন লিটন।
খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে ব্যাটিংয়ে নেমেই নিজের একটা অপূর্ণতা ঘুচিয়েছেন লিটন, ১১ বছরে মিরপুরে ২৭ ওয়ানডে খেলে তাঁর ফিফটি ছিল না। আজ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তা পেয়েছেন। এরপরও অবশ্য বাংলাদেশ ৫০ ওভারে ৫ উইকেটে করতে পারে ২৭৪ রান।

নাহ্, আজ আর হচ্ছে না– এমন মনে করে অনেকেই বাড়ির পথ ধরেছেন। অস্ট্রেলিয়াকে ধবলধোলাই করার স্বপ্ন তখন বলতে গেলে উবেই গেছে। অস্ট্রেলিয়ার যে তখন সিরিজের শেষ ও তৃতীয় ওয়ানডে জিততে রান দরকার ছিল ২৯ বলে ৯ রান।
নাটকের শুরু সেখান থেকেই শরীফুল ইসলাম পরপর ২ বলে ২ উইকেট নিলেন। ৫ উইকেটে ২৬৬ রান থেকে অস্ট্রেলিয়ার স্কোর করে দিলেন ৭ উইকেটে ২৬৬। এরপরও অবশ্য ২৭ বলে অস্ট্রেলিয়ার দরকার ছিল ২৭ রান। কাজটা তাদের জন্য সহজই ছিল, কঠিন ছিল বাংলাদেশের জন্য।
তবে শরীফুল নিজের পরের ওভারে আরেক উইকেট নিলেন। মোস্তাফিজুর রহমান এসে ফেরান ১৩৪ বলে ১৪৯ রান করা কুপার কনোলিকে। অস্ট্রেলিয়ার জয়ের হিসাব দাঁড়ায় ৯ বলে ৫ রান, হাতে ছিল ১ উইকেট। এমন অবস্থায় ম্যাচে যেকোনো কিছুই ঘটতে পারে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ পারেনি। ২৭৫ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৩ বল হাতে রেখে ১ উইকেটের নাটকীয় জয়ে বাংলাদেশের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ধবলধোলাই এড়িয়েছে অস্ট্রেলিয়া। এর আগে টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম বলেই সৌম্য সরকারকে হারায় বাংলাদেশ। দলের রান যখন ৬১, ততক্ষণে বাংলাদেশ হারিয়ে ফেলে ৩ উইকেট। সেখান থেকে মাঝের ওভারগুলোই বাংলাদেশকে লড়াকু পুঁজির পথে এগিয়ে দেয়।
এর কৃতিত্বটা বেশি তাওহিদ হৃদয়ের। তিনি আর লিটনই রানের চাকা সচল রাখেন। দুজনের ৯২ রানের জুটিতে বাংলাদেশ এগোচ্ছিল ভালোভাবেই। কিন্তু তাতে বাধ সাধে লিটনের পেশির টান। আর্দ্রতায় তাঁর অস্বস্তিটা স্পষ্ট ছিল শুরু থেকে, শেষ পর্যন্ত লিটনকে মাঠও ছাড়তে হয়।
তাতে অবশ্য বাংলাদেশের রান তোলার গতিতে তেমন প্রভাব পড়েনি। হৃদয়ের সঙ্গী হয়ে দলের রান এগিয়ে নেন মোসাদ্দেক হোসেন। দলের বিপদের সময়ে দাঁড়িয়ে গিয়ে ৫১ বলে ৫ চার ও ১ ছক্কার ইনিংসে ৫৬ রান করেছেন মোসাদ্দেক।
তিনি উইকেটে শেষ পর্যন্ত থাকলেও হৃদয় আউট হয়ে যান আগেই। ৮৮ বলে তাঁর ব্যাটে আসে ৮৩ রান। ৪৯ ওভারে হৃদয় আউট হলে আবার ব্যাট করতে নামেন লিটন।
খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে ব্যাটিংয়ে নেমেই নিজের একটা অপূর্ণতা ঘুচিয়েছেন লিটন, ১১ বছরে মিরপুরে ২৭ ওয়ানডে খেলে তাঁর ফিফটি ছিল না। আজ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তা পেয়েছেন। এরপরও অবশ্য বাংলাদেশ ৫০ ওভারে ৫ উইকেটে করতে পারে ২৭৪ রান।

নাটকীয় জয়ে ধবলধোলাই এড়াল অস্ট্রেলিয়া
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

নাহ্, আজ আর হচ্ছে না– এমন মনে করে অনেকেই বাড়ির পথ ধরেছেন। অস্ট্রেলিয়াকে ধবলধোলাই করার স্বপ্ন তখন বলতে গেলে উবেই গেছে। অস্ট্রেলিয়ার যে তখন সিরিজের শেষ ও তৃতীয় ওয়ানডে জিততে রান দরকার ছিল ২৯ বলে ৯ রান।
নাটকের শুরু সেখান থেকেই শরীফুল ইসলাম পরপর ২ বলে ২ উইকেট নিলেন। ৫ উইকেটে ২৬৬ রান থেকে অস্ট্রেলিয়ার স্কোর করে দিলেন ৭ উইকেটে ২৬৬। এরপরও অবশ্য ২৭ বলে অস্ট্রেলিয়ার দরকার ছিল ২৭ রান। কাজটা তাদের জন্য সহজই ছিল, কঠিন ছিল বাংলাদেশের জন্য।
তবে শরীফুল নিজের পরের ওভারে আরেক উইকেট নিলেন। মোস্তাফিজুর রহমান এসে ফেরান ১৩৪ বলে ১৪৯ রান করা কুপার কনোলিকে। অস্ট্রেলিয়ার জয়ের হিসাব দাঁড়ায় ৯ বলে ৫ রান, হাতে ছিল ১ উইকেট। এমন অবস্থায় ম্যাচে যেকোনো কিছুই ঘটতে পারে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ পারেনি। ২৭৫ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৩ বল হাতে রেখে ১ উইকেটের নাটকীয় জয়ে বাংলাদেশের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ধবলধোলাই এড়িয়েছে অস্ট্রেলিয়া। এর আগে টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম বলেই সৌম্য সরকারকে হারায় বাংলাদেশ। দলের রান যখন ৬১, ততক্ষণে বাংলাদেশ হারিয়ে ফেলে ৩ উইকেট। সেখান থেকে মাঝের ওভারগুলোই বাংলাদেশকে লড়াকু পুঁজির পথে এগিয়ে দেয়।
এর কৃতিত্বটা বেশি তাওহিদ হৃদয়ের। তিনি আর লিটনই রানের চাকা সচল রাখেন। দুজনের ৯২ রানের জুটিতে বাংলাদেশ এগোচ্ছিল ভালোভাবেই। কিন্তু তাতে বাধ সাধে লিটনের পেশির টান। আর্দ্রতায় তাঁর অস্বস্তিটা স্পষ্ট ছিল শুরু থেকে, শেষ পর্যন্ত লিটনকে মাঠও ছাড়তে হয়।
তাতে অবশ্য বাংলাদেশের রান তোলার গতিতে তেমন প্রভাব পড়েনি। হৃদয়ের সঙ্গী হয়ে দলের রান এগিয়ে নেন মোসাদ্দেক হোসেন। দলের বিপদের সময়ে দাঁড়িয়ে গিয়ে ৫১ বলে ৫ চার ও ১ ছক্কার ইনিংসে ৫৬ রান করেছেন মোসাদ্দেক।
তিনি উইকেটে শেষ পর্যন্ত থাকলেও হৃদয় আউট হয়ে যান আগেই। ৮৮ বলে তাঁর ব্যাটে আসে ৮৩ রান। ৪৯ ওভারে হৃদয় আউট হলে আবার ব্যাট করতে নামেন লিটন।
খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে ব্যাটিংয়ে নেমেই নিজের একটা অপূর্ণতা ঘুচিয়েছেন লিটন, ১১ বছরে মিরপুরে ২৭ ওয়ানডে খেলে তাঁর ফিফটি ছিল না। আজ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তা পেয়েছেন। এরপরও অবশ্য বাংলাদেশ ৫০ ওভারে ৫ উইকেটে করতে পারে ২৭৪ রান।

ইতিহাস গড়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের সিরিজ জয়


