এটাই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জয়: শান্ত

এটাই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জয়: শান্ত
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

ডারউইনে অস্ট্রেলিয়াকে টেস্টে হারানোর পর বাংলাদেশের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত বলেছেন, ‘যেকোনো সংস্করণে এটাই বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জয়।’ শান্তর এই কথার সঙ্গে দ্বিমত করার লোক হয়তো খুব একটা পাওয়া যাবে না।
অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারানোর পর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে শান্ত বাংলাদেশে পেস বোলিং, তানজিদ হাসানের দারুণ সেঞ্চুরিসহ অন্য বিষয়েও কথা বলেছেন।
পাকিস্তান সর্বশেষ ১৯৯৫ সালে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে তাদের হারিয়েছিল। শ্রীলঙ্কা এখনো অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে জিততে পারেনি। এশিয়ার দলগুলোর মধ্যে এই শতকে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছে শুধু ভারত। সেই তালিকায় এবার যোগ হলো বাংলাদেশের নাম।
শান্ত বলেন, ‘এটাই এখন পর্যন্ত যেকোনো সংস্করণে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জয়। আমরা ভবিষ্যতে আরও বিশেষ কিছু করতে চাই।’
এমন জয়ে বাংলাদেশ খেলেছে দল হিসেবে। নাজমুলও নেতৃত্ব দিয়েছেন সামনে থেকে। প্রথম ইনিংসে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়ে খেলেন ৮৪ রানের ইনিংস। নিজের পারফরম্যান্সেও গর্বিত অধিনায়ক। তিনি বলেন, ‘এই জয়ে দারুণ খুশি। নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে গর্বিত এবং ছেলেরা যেভাবে খেলেছে, তাতেও গর্বিত। আমরা অনেক পরিশ্রম করেছি।’
টেস্টে বাংলাদেশের পেসারদের উত্থান নিয়েও কথা বলেছেন নাজমুল হোসেন, ‘টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের জন্য এটাই সবচেয়ে বড় পরিবর্তন। পাঁচ বছর আগেও পেসাররা টেস্ট খেলতে চাইতো না। কিন্তু আমরা এখন অনেক টেস্ট খেলছি এবং তারাও টেস্ট ক্রিকেটকে গুরুত্ব দিচ্ছে। তারা খেলতে চায়, পারফর্ম করতে চায়, বিশ্বমানের হতে চায়।’
প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান তানজিদ হাসানকে নিয়ে নাজমুল হোসেন বলেন, ‘সাদা বলের ক্রিকেটে তানজিদ আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে। কিন্তু এই টেস্টে, ও শান্ত ছিল এবং বল অনুযায়ী শট খেলেছে। টপ অর্ডারের ব্যাটসম্যান হিসেবে আমরা চাই, তানজিদ যেন দলে প্রভাব ফেলতে পারে। সেটাই করেছে।’
ডারউইন টেস্টের আগে নাজমুল, পাঁচ দিন ভালো খেলার বার্তা দিয়েছিলেন। ঐতিহাসিক জয়ের পরও একই বার্তা দিলেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের ভালো ক্রিকেট খেলতে হবে। পাঁচ দিনই ভালো ক্রিকেট খেলতে হবে, আমি একই কথা বলবো। আমরা যদি সেশন ধরে ধরে খেলতে পারি, নিচের সারির ব্যাটাসম্যানরা যদি নিয়মিত অবদান রাখতে পারে, এসব বিষয়ই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।’
প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া অলআউট হয় ১৯৮ রানে। জবাবে বাংলাদেশ করে ৪২৬ রান। ২২৮ রানের লিড পায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া অলআউট হয় ২৮৪ রানে। বাংলাদেশ ১ উইকেট হারিয়ে ৫৭ রান তুলে জয় পায় টেস্টের চতুর্থ দিনেই।

ডারউইনে অস্ট্রেলিয়াকে টেস্টে হারানোর পর বাংলাদেশের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত বলেছেন, ‘যেকোনো সংস্করণে এটাই বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জয়।’ শান্তর এই কথার সঙ্গে দ্বিমত করার লোক হয়তো খুব একটা পাওয়া যাবে না।
অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারানোর পর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে শান্ত বাংলাদেশে পেস বোলিং, তানজিদ হাসানের দারুণ সেঞ্চুরিসহ অন্য বিষয়েও কথা বলেছেন।
পাকিস্তান সর্বশেষ ১৯৯৫ সালে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে তাদের হারিয়েছিল। শ্রীলঙ্কা এখনো অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে জিততে পারেনি। এশিয়ার দলগুলোর মধ্যে এই শতকে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছে শুধু ভারত। সেই তালিকায় এবার যোগ হলো বাংলাদেশের নাম।
শান্ত বলেন, ‘এটাই এখন পর্যন্ত যেকোনো সংস্করণে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জয়। আমরা ভবিষ্যতে আরও বিশেষ কিছু করতে চাই।’
এমন জয়ে বাংলাদেশ খেলেছে দল হিসেবে। নাজমুলও নেতৃত্ব দিয়েছেন সামনে থেকে। প্রথম ইনিংসে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়ে খেলেন ৮৪ রানের ইনিংস। নিজের পারফরম্যান্সেও গর্বিত অধিনায়ক। তিনি বলেন, ‘এই জয়ে দারুণ খুশি। নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে গর্বিত এবং ছেলেরা যেভাবে খেলেছে, তাতেও গর্বিত। আমরা অনেক পরিশ্রম করেছি।’
টেস্টে বাংলাদেশের পেসারদের উত্থান নিয়েও কথা বলেছেন নাজমুল হোসেন, ‘টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের জন্য এটাই সবচেয়ে বড় পরিবর্তন। পাঁচ বছর আগেও পেসাররা টেস্ট খেলতে চাইতো না। কিন্তু আমরা এখন অনেক টেস্ট খেলছি এবং তারাও টেস্ট ক্রিকেটকে গুরুত্ব দিচ্ছে। তারা খেলতে চায়, পারফর্ম করতে চায়, বিশ্বমানের হতে চায়।’
প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান তানজিদ হাসানকে নিয়ে নাজমুল হোসেন বলেন, ‘সাদা বলের ক্রিকেটে তানজিদ আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে। কিন্তু এই টেস্টে, ও শান্ত ছিল এবং বল অনুযায়ী শট খেলেছে। টপ অর্ডারের ব্যাটসম্যান হিসেবে আমরা চাই, তানজিদ যেন দলে প্রভাব ফেলতে পারে। সেটাই করেছে।’
ডারউইন টেস্টের আগে নাজমুল, পাঁচ দিন ভালো খেলার বার্তা দিয়েছিলেন। ঐতিহাসিক জয়ের পরও একই বার্তা দিলেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের ভালো ক্রিকেট খেলতে হবে। পাঁচ দিনই ভালো ক্রিকেট খেলতে হবে, আমি একই কথা বলবো। আমরা যদি সেশন ধরে ধরে খেলতে পারি, নিচের সারির ব্যাটাসম্যানরা যদি নিয়মিত অবদান রাখতে পারে, এসব বিষয়ই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।’
প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া অলআউট হয় ১৯৮ রানে। জবাবে বাংলাদেশ করে ৪২৬ রান। ২২৮ রানের লিড পায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া অলআউট হয় ২৮৪ রানে। বাংলাদেশ ১ উইকেট হারিয়ে ৫৭ রান তুলে জয় পায় টেস্টের চতুর্থ দিনেই।

এটাই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জয়: শান্ত
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

ডারউইনে অস্ট্রেলিয়াকে টেস্টে হারানোর পর বাংলাদেশের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত বলেছেন, ‘যেকোনো সংস্করণে এটাই বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জয়।’ শান্তর এই কথার সঙ্গে দ্বিমত করার লোক হয়তো খুব একটা পাওয়া যাবে না।
অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারানোর পর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে শান্ত বাংলাদেশে পেস বোলিং, তানজিদ হাসানের দারুণ সেঞ্চুরিসহ অন্য বিষয়েও কথা বলেছেন।
পাকিস্তান সর্বশেষ ১৯৯৫ সালে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে তাদের হারিয়েছিল। শ্রীলঙ্কা এখনো অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে জিততে পারেনি। এশিয়ার দলগুলোর মধ্যে এই শতকে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছে শুধু ভারত। সেই তালিকায় এবার যোগ হলো বাংলাদেশের নাম।
শান্ত বলেন, ‘এটাই এখন পর্যন্ত যেকোনো সংস্করণে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জয়। আমরা ভবিষ্যতে আরও বিশেষ কিছু করতে চাই।’
এমন জয়ে বাংলাদেশ খেলেছে দল হিসেবে। নাজমুলও নেতৃত্ব দিয়েছেন সামনে থেকে। প্রথম ইনিংসে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়ে খেলেন ৮৪ রানের ইনিংস। নিজের পারফরম্যান্সেও গর্বিত অধিনায়ক। তিনি বলেন, ‘এই জয়ে দারুণ খুশি। নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে গর্বিত এবং ছেলেরা যেভাবে খেলেছে, তাতেও গর্বিত। আমরা অনেক পরিশ্রম করেছি।’
টেস্টে বাংলাদেশের পেসারদের উত্থান নিয়েও কথা বলেছেন নাজমুল হোসেন, ‘টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের জন্য এটাই সবচেয়ে বড় পরিবর্তন। পাঁচ বছর আগেও পেসাররা টেস্ট খেলতে চাইতো না। কিন্তু আমরা এখন অনেক টেস্ট খেলছি এবং তারাও টেস্ট ক্রিকেটকে গুরুত্ব দিচ্ছে। তারা খেলতে চায়, পারফর্ম করতে চায়, বিশ্বমানের হতে চায়।’
প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান তানজিদ হাসানকে নিয়ে নাজমুল হোসেন বলেন, ‘সাদা বলের ক্রিকেটে তানজিদ আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে। কিন্তু এই টেস্টে, ও শান্ত ছিল এবং বল অনুযায়ী শট খেলেছে। টপ অর্ডারের ব্যাটসম্যান হিসেবে আমরা চাই, তানজিদ যেন দলে প্রভাব ফেলতে পারে। সেটাই করেছে।’
ডারউইন টেস্টের আগে নাজমুল, পাঁচ দিন ভালো খেলার বার্তা দিয়েছিলেন। ঐতিহাসিক জয়ের পরও একই বার্তা দিলেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের ভালো ক্রিকেট খেলতে হবে। পাঁচ দিনই ভালো ক্রিকেট খেলতে হবে, আমি একই কথা বলবো। আমরা যদি সেশন ধরে ধরে খেলতে পারি, নিচের সারির ব্যাটাসম্যানরা যদি নিয়মিত অবদান রাখতে পারে, এসব বিষয়ই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।’
প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া অলআউট হয় ১৯৮ রানে। জবাবে বাংলাদেশ করে ৪২৬ রান। ২২৮ রানের লিড পায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া অলআউট হয় ২৮৪ রানে। বাংলাদেশ ১ উইকেট হারিয়ে ৫৭ রান তুলে জয় পায় টেস্টের চতুর্থ দিনেই।

বাংলাদেশের ক্রিকেটে ‘সেরা জয়’ যেভাবে এলো
বাংলাদেশ দলকে ভিডিও কলে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন






