দেশজুড়ে বসছে ১০ লাখ এআই ক্যামেরা

দেশজুড়ে বসছে ১০ লাখ এআই ক্যামেরা
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীসহ সারা দেশে খুন, হত্যা, ধর্ষণ, চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বাড়ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এই অবনতি সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ভয়ের সৃষ্টি করেছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশের নিরাপত্তা জোরদারে প্রযুক্তিনির্ভর কাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে। সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানো, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও অপরাধী ধরতে এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমতা) ক্যামেরা বসানোর পরিকল্পনা করছে সরকার। ইতিমধ্যে এ সংক্রান্ত বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এজন্য ১০ লাখ এআই ক্যামেরা কিনবে বাংলাদেশ পুলিশ। এতে ব্যয় হবে প্রায় ১৩শ কোটি টাকা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ সদর দপ্তরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কয়েক দফা বিশেষ বৈঠক করে দেশের সবগুলো জেলা ও মহানগর এলাকা এআই ক্যামেরার আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মহাসড়কগুলোও এর আওতায় আসবে। আগামী দুই বছরের মধ্যে ক্যামেরাগুলো স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।
অপরাধ দমনে অত্যন্ত কার্যকরী একটি প্রযুক্তি এআই ক্যামেরা। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে অপরাধী শনাক্ত, ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন ও সন্দেহজনক গতিবিধি রিয়েল-টাইমে চিহ্নিত করতে পারে। ঢাকা মহানগর এলাকার বিভিন্ন স্থানে এআই ক্যামেরা বসিয়ে সফলতা পাওয়া গেছে। তাই ঢাকার অপরাধ নিয়ন্ত্রণেও মূল সড়কসহ আনাচে-কানাচে ক্যামেরা বসাবে পুুলিশ।
জানা গেছে, ক্যামেরাগুলো ক্রয় ও রক্ষণাবেক্ষণে সহায়তা করবে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়াসহ আরও কয়েকটি দেশ। এ নিয়ে এসব দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকও করেছেন পুলিশের কর্মকর্তারা তথ্যপ্রযুক্তি দিয়ে সহায়তা করার কথা রয়েছে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের।
ডিএমপির তথ্যমতে, বর্তমানে ঢাকার ১৬টি পয়েন্টে ৩৭টি এআই ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এতে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরতে শুরু করেছে। ঢাকার এই সফলতা কাজে লাগিয়ে সারা দেশে এআই ক্যামেরা বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ সিসি ক্যামেরা ও এআই ক্যামেরা স্থাপন করেছে, যেগুলো অপরাধ কমাতে কার্যকর ভূমিকা পালন করছে। সাধারণ সিসি ক্যামেরা কেবল ফুটেজ রেকর্ড করতে পারে, কিন্তু তা রিয়েল-টাইমে কোনো অপরাধ শনাক্ত করতে সক্ষম নয়। এই সীমাবদ্ধতা দূর করতেই এআই ক্যামেরা চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুলিশ। অপরাধ ঘটার পর পুলিশি তদন্তের চেয়ে অপরাধ ঘটার আগেই তা রোধ করা বা ঘটার সঙ্গে সঙ্গে অপরাধীকে গ্রেপ্তার করাই প্রধান উদ্দেশ্য। রাজধানীতে কিছু এআই ক্যামেরা স্থাপনের পর সফলতা পাওয়া গেছে। এখন প্রতিটি জেলা শহর, মহানগর এলাকা ও মহাসড়ক এআই ক্যামেরার আওতায় আনা হচ্ছে। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর ডেটাবেজের সঙ্গেও ক্যামেরা নেটওয়ার্ক যুক্ত থাকবে।
পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, মোট ১০ লাখ এআই ক্যামেরা কেনার পরিকল্পনা আছে। চীন, যুক্তরাষ্ট্র, দুবাইসহ আরও কয়েকটি দেশ থেকে ক্যামেরা কেনা হবে। তবে চীন থেকে আসবে বেশি। একেকটি ক্যামেরার দাম ৫২ হাজার টাকার বেশি। আপাতত ৫শ কোটি টাকার বাজেট ধরা হয়েছে। দুই বছরের মধ্যে ক্যামেরাগুলো স্থাপন করা হবে। ক্যামেরার সফটওয়্যারে ৬ ধরনের আইন অমান্যের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এসব আইন অমান্যকারীদের শনাক্ত করবে ক্যামেরা।
এদিকে এআই ক্যামেরার কারণে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ব্যাহত হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে পুলিশ জানিয়েছে, নাগরিকদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষায় কঠোর ‘ডেটা সুরক্ষা আইন’ মেনে এই নেটওয়ার্ক পরিচালিত হবে।

রাজধানীসহ সারা দেশে খুন, হত্যা, ধর্ষণ, চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বাড়ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এই অবনতি সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ভয়ের সৃষ্টি করেছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশের নিরাপত্তা জোরদারে প্রযুক্তিনির্ভর কাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে। সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানো, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও অপরাধী ধরতে এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমতা) ক্যামেরা বসানোর পরিকল্পনা করছে সরকার। ইতিমধ্যে এ সংক্রান্ত বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এজন্য ১০ লাখ এআই ক্যামেরা কিনবে বাংলাদেশ পুলিশ। এতে ব্যয় হবে প্রায় ১৩শ কোটি টাকা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ সদর দপ্তরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কয়েক দফা বিশেষ বৈঠক করে দেশের সবগুলো জেলা ও মহানগর এলাকা এআই ক্যামেরার আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মহাসড়কগুলোও এর আওতায় আসবে। আগামী দুই বছরের মধ্যে ক্যামেরাগুলো স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।
অপরাধ দমনে অত্যন্ত কার্যকরী একটি প্রযুক্তি এআই ক্যামেরা। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে অপরাধী শনাক্ত, ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন ও সন্দেহজনক গতিবিধি রিয়েল-টাইমে চিহ্নিত করতে পারে। ঢাকা মহানগর এলাকার বিভিন্ন স্থানে এআই ক্যামেরা বসিয়ে সফলতা পাওয়া গেছে। তাই ঢাকার অপরাধ নিয়ন্ত্রণেও মূল সড়কসহ আনাচে-কানাচে ক্যামেরা বসাবে পুুলিশ।
জানা গেছে, ক্যামেরাগুলো ক্রয় ও রক্ষণাবেক্ষণে সহায়তা করবে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়াসহ আরও কয়েকটি দেশ। এ নিয়ে এসব দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকও করেছেন পুলিশের কর্মকর্তারা তথ্যপ্রযুক্তি দিয়ে সহায়তা করার কথা রয়েছে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের।
ডিএমপির তথ্যমতে, বর্তমানে ঢাকার ১৬টি পয়েন্টে ৩৭টি এআই ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এতে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরতে শুরু করেছে। ঢাকার এই সফলতা কাজে লাগিয়ে সারা দেশে এআই ক্যামেরা বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ সিসি ক্যামেরা ও এআই ক্যামেরা স্থাপন করেছে, যেগুলো অপরাধ কমাতে কার্যকর ভূমিকা পালন করছে। সাধারণ সিসি ক্যামেরা কেবল ফুটেজ রেকর্ড করতে পারে, কিন্তু তা রিয়েল-টাইমে কোনো অপরাধ শনাক্ত করতে সক্ষম নয়। এই সীমাবদ্ধতা দূর করতেই এআই ক্যামেরা চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুলিশ। অপরাধ ঘটার পর পুলিশি তদন্তের চেয়ে অপরাধ ঘটার আগেই তা রোধ করা বা ঘটার সঙ্গে সঙ্গে অপরাধীকে গ্রেপ্তার করাই প্রধান উদ্দেশ্য। রাজধানীতে কিছু এআই ক্যামেরা স্থাপনের পর সফলতা পাওয়া গেছে। এখন প্রতিটি জেলা শহর, মহানগর এলাকা ও মহাসড়ক এআই ক্যামেরার আওতায় আনা হচ্ছে। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর ডেটাবেজের সঙ্গেও ক্যামেরা নেটওয়ার্ক যুক্ত থাকবে।
পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, মোট ১০ লাখ এআই ক্যামেরা কেনার পরিকল্পনা আছে। চীন, যুক্তরাষ্ট্র, দুবাইসহ আরও কয়েকটি দেশ থেকে ক্যামেরা কেনা হবে। তবে চীন থেকে আসবে বেশি। একেকটি ক্যামেরার দাম ৫২ হাজার টাকার বেশি। আপাতত ৫শ কোটি টাকার বাজেট ধরা হয়েছে। দুই বছরের মধ্যে ক্যামেরাগুলো স্থাপন করা হবে। ক্যামেরার সফটওয়্যারে ৬ ধরনের আইন অমান্যের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এসব আইন অমান্যকারীদের শনাক্ত করবে ক্যামেরা।
এদিকে এআই ক্যামেরার কারণে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ব্যাহত হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে পুলিশ জানিয়েছে, নাগরিকদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষায় কঠোর ‘ডেটা সুরক্ষা আইন’ মেনে এই নেটওয়ার্ক পরিচালিত হবে।

দেশজুড়ে বসছে ১০ লাখ এআই ক্যামেরা
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীসহ সারা দেশে খুন, হত্যা, ধর্ষণ, চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বাড়ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এই অবনতি সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ভয়ের সৃষ্টি করেছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশের নিরাপত্তা জোরদারে প্রযুক্তিনির্ভর কাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে। সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানো, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও অপরাধী ধরতে এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমতা) ক্যামেরা বসানোর পরিকল্পনা করছে সরকার। ইতিমধ্যে এ সংক্রান্ত বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এজন্য ১০ লাখ এআই ক্যামেরা কিনবে বাংলাদেশ পুলিশ। এতে ব্যয় হবে প্রায় ১৩শ কোটি টাকা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ সদর দপ্তরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কয়েক দফা বিশেষ বৈঠক করে দেশের সবগুলো জেলা ও মহানগর এলাকা এআই ক্যামেরার আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মহাসড়কগুলোও এর আওতায় আসবে। আগামী দুই বছরের মধ্যে ক্যামেরাগুলো স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।
অপরাধ দমনে অত্যন্ত কার্যকরী একটি প্রযুক্তি এআই ক্যামেরা। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে অপরাধী শনাক্ত, ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন ও সন্দেহজনক গতিবিধি রিয়েল-টাইমে চিহ্নিত করতে পারে। ঢাকা মহানগর এলাকার বিভিন্ন স্থানে এআই ক্যামেরা বসিয়ে সফলতা পাওয়া গেছে। তাই ঢাকার অপরাধ নিয়ন্ত্রণেও মূল সড়কসহ আনাচে-কানাচে ক্যামেরা বসাবে পুুলিশ।
জানা গেছে, ক্যামেরাগুলো ক্রয় ও রক্ষণাবেক্ষণে সহায়তা করবে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়াসহ আরও কয়েকটি দেশ। এ নিয়ে এসব দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকও করেছেন পুলিশের কর্মকর্তারা তথ্যপ্রযুক্তি দিয়ে সহায়তা করার কথা রয়েছে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের।
ডিএমপির তথ্যমতে, বর্তমানে ঢাকার ১৬টি পয়েন্টে ৩৭টি এআই ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এতে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরতে শুরু করেছে। ঢাকার এই সফলতা কাজে লাগিয়ে সারা দেশে এআই ক্যামেরা বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ সিসি ক্যামেরা ও এআই ক্যামেরা স্থাপন করেছে, যেগুলো অপরাধ কমাতে কার্যকর ভূমিকা পালন করছে। সাধারণ সিসি ক্যামেরা কেবল ফুটেজ রেকর্ড করতে পারে, কিন্তু তা রিয়েল-টাইমে কোনো অপরাধ শনাক্ত করতে সক্ষম নয়। এই সীমাবদ্ধতা দূর করতেই এআই ক্যামেরা চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুলিশ। অপরাধ ঘটার পর পুলিশি তদন্তের চেয়ে অপরাধ ঘটার আগেই তা রোধ করা বা ঘটার সঙ্গে সঙ্গে অপরাধীকে গ্রেপ্তার করাই প্রধান উদ্দেশ্য। রাজধানীতে কিছু এআই ক্যামেরা স্থাপনের পর সফলতা পাওয়া গেছে। এখন প্রতিটি জেলা শহর, মহানগর এলাকা ও মহাসড়ক এআই ক্যামেরার আওতায় আনা হচ্ছে। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর ডেটাবেজের সঙ্গেও ক্যামেরা নেটওয়ার্ক যুক্ত থাকবে।
পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, মোট ১০ লাখ এআই ক্যামেরা কেনার পরিকল্পনা আছে। চীন, যুক্তরাষ্ট্র, দুবাইসহ আরও কয়েকটি দেশ থেকে ক্যামেরা কেনা হবে। তবে চীন থেকে আসবে বেশি। একেকটি ক্যামেরার দাম ৫২ হাজার টাকার বেশি। আপাতত ৫শ কোটি টাকার বাজেট ধরা হয়েছে। দুই বছরের মধ্যে ক্যামেরাগুলো স্থাপন করা হবে। ক্যামেরার সফটওয়্যারে ৬ ধরনের আইন অমান্যের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এসব আইন অমান্যকারীদের শনাক্ত করবে ক্যামেরা।
এদিকে এআই ক্যামেরার কারণে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ব্যাহত হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে পুলিশ জানিয়েছে, নাগরিকদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষায় কঠোর ‘ডেটা সুরক্ষা আইন’ মেনে এই নেটওয়ার্ক পরিচালিত হবে।

সিগন্যালে বেপরোয়া নম্বর প্লেটহীন রিকশা, সুফল মিলছে না এআই ক্যামেরার






