সুযোগ থাকলে ফাইনালে গম্ভীরও ব্যাটিংয়ে নেমে যেতেন: সূর্যকুমার

সুযোগ থাকলে ফাইনালে গম্ভীরও ব্যাটিংয়ে নেমে যেতেন: সূর্যকুমার
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

আজ (৮ মার্চ) টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনাল। আহমেদাবাদে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবে ভারত। ফাইনাল নিয়ে স্বাগতিকদের প্রস্তুতি কেমন? ভারত অধিনায়ক জানালেন, দল এমন ফুরফুরে আর চনমনে যে, সুযোগ থাকলে কোচ গৌতম গম্ভীর নিজেই প্যাড পরে মাঠে নেমে পড়তেন!
সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ৭ রানে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে ভারত। এই আহমেদাবাদেই ২০২৩ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হেরেছিল ভারত।
সংবাদ সম্মেলনে কোচ গম্ভীরের কৌশল সম্পর্কে বলতে গিয়ে সূর্যকুমার যাদব বলেন, ‘সম্ভব হলে তিনি নিজেই প্যাড পরে ব্যাটিংয়ে নেমে পড়তেন। উনি এর আগেও ফাইনালে খেলেছেন এবং বিশ্বকাপ জিতেছেন।’ গম্ভীল ২০১১ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালে ৯৭ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। ভারত জিতেছিল সেই ফাইনাল।
ভারত অধিনায়ক জানান, এখন দলের মূল লক্ষ্য একে অপরকে সাহায্য করা এবং নিজের ভূমিকা ঠিকঠাকভাবে পালন করা। সূর্যের মতে, গম্ভীর বিশ্বাস করেন শুধু এক বা দুজন খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্সে টুর্নামেন্ট জেতা সম্ভব নয়; জেতার জন্য সবার ছোট ছোট অবদান প্রয়োজন।
গম্ভীরের ক্রিকেট-দর্শন নিয়ে সূর্যকুমার আরও বলেন, ‘ওনার কাছে দলের লক্ষ্যের চেয়ে বড় কিছু নেই। যদি প্রথম বলেই ছক্কা মারার প্রয়োজন হয়, তবে সেটাই করতে হবে। আবার পরিস্থিতির প্রয়োজনে নিজের স্বাভাবিক খেলা বদলে রক্ষণাত্মক হতে হলেও তা করতে হবে।’
অধিনায়ক হিসেবে সূর্যকুমারের বড় কোনো টুর্নামেন্টের প্রথম ফাইনাল এটি। ভারত তাদের শেষ দুই ফাইনাল খেলেছে রোহিত শর্মার নেতৃত্বে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচটি সামনে রেখে কিছুটা স্নায়ুচাপে আছেন বলে স্বীকার করেন সূর্য, ‘এমন একটি দলকে ঘরের মাঠে ফাইনালে নেতৃত্ব দেওয়া অবশ্যই এটি একটি বিশেষ অনুভূতি। কিছুটা স্নায়ুচাপ তো আছেই, কিছুটা তো চিন্তিত বটেই। তবে আমি সব সময় যেমনটা বলি—চাপ না থাকলে তো মজাই নেই। তাই আমি ভীষণ রোমাঞ্চিত।’

আজ (৮ মার্চ) টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনাল। আহমেদাবাদে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবে ভারত। ফাইনাল নিয়ে স্বাগতিকদের প্রস্তুতি কেমন? ভারত অধিনায়ক জানালেন, দল এমন ফুরফুরে আর চনমনে যে, সুযোগ থাকলে কোচ গৌতম গম্ভীর নিজেই প্যাড পরে মাঠে নেমে পড়তেন!
সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ৭ রানে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে ভারত। এই আহমেদাবাদেই ২০২৩ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হেরেছিল ভারত।
সংবাদ সম্মেলনে কোচ গম্ভীরের কৌশল সম্পর্কে বলতে গিয়ে সূর্যকুমার যাদব বলেন, ‘সম্ভব হলে তিনি নিজেই প্যাড পরে ব্যাটিংয়ে নেমে পড়তেন। উনি এর আগেও ফাইনালে খেলেছেন এবং বিশ্বকাপ জিতেছেন।’ গম্ভীল ২০১১ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালে ৯৭ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। ভারত জিতেছিল সেই ফাইনাল।
ভারত অধিনায়ক জানান, এখন দলের মূল লক্ষ্য একে অপরকে সাহায্য করা এবং নিজের ভূমিকা ঠিকঠাকভাবে পালন করা। সূর্যের মতে, গম্ভীর বিশ্বাস করেন শুধু এক বা দুজন খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্সে টুর্নামেন্ট জেতা সম্ভব নয়; জেতার জন্য সবার ছোট ছোট অবদান প্রয়োজন।
গম্ভীরের ক্রিকেট-দর্শন নিয়ে সূর্যকুমার আরও বলেন, ‘ওনার কাছে দলের লক্ষ্যের চেয়ে বড় কিছু নেই। যদি প্রথম বলেই ছক্কা মারার প্রয়োজন হয়, তবে সেটাই করতে হবে। আবার পরিস্থিতির প্রয়োজনে নিজের স্বাভাবিক খেলা বদলে রক্ষণাত্মক হতে হলেও তা করতে হবে।’
অধিনায়ক হিসেবে সূর্যকুমারের বড় কোনো টুর্নামেন্টের প্রথম ফাইনাল এটি। ভারত তাদের শেষ দুই ফাইনাল খেলেছে রোহিত শর্মার নেতৃত্বে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচটি সামনে রেখে কিছুটা স্নায়ুচাপে আছেন বলে স্বীকার করেন সূর্য, ‘এমন একটি দলকে ঘরের মাঠে ফাইনালে নেতৃত্ব দেওয়া অবশ্যই এটি একটি বিশেষ অনুভূতি। কিছুটা স্নায়ুচাপ তো আছেই, কিছুটা তো চিন্তিত বটেই। তবে আমি সব সময় যেমনটা বলি—চাপ না থাকলে তো মজাই নেই। তাই আমি ভীষণ রোমাঞ্চিত।’

সুযোগ থাকলে ফাইনালে গম্ভীরও ব্যাটিংয়ে নেমে যেতেন: সূর্যকুমার
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

আজ (৮ মার্চ) টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনাল। আহমেদাবাদে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবে ভারত। ফাইনাল নিয়ে স্বাগতিকদের প্রস্তুতি কেমন? ভারত অধিনায়ক জানালেন, দল এমন ফুরফুরে আর চনমনে যে, সুযোগ থাকলে কোচ গৌতম গম্ভীর নিজেই প্যাড পরে মাঠে নেমে পড়তেন!
সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ৭ রানে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে ভারত। এই আহমেদাবাদেই ২০২৩ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হেরেছিল ভারত।
সংবাদ সম্মেলনে কোচ গম্ভীরের কৌশল সম্পর্কে বলতে গিয়ে সূর্যকুমার যাদব বলেন, ‘সম্ভব হলে তিনি নিজেই প্যাড পরে ব্যাটিংয়ে নেমে পড়তেন। উনি এর আগেও ফাইনালে খেলেছেন এবং বিশ্বকাপ জিতেছেন।’ গম্ভীল ২০১১ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালে ৯৭ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। ভারত জিতেছিল সেই ফাইনাল।
ভারত অধিনায়ক জানান, এখন দলের মূল লক্ষ্য একে অপরকে সাহায্য করা এবং নিজের ভূমিকা ঠিকঠাকভাবে পালন করা। সূর্যের মতে, গম্ভীর বিশ্বাস করেন শুধু এক বা দুজন খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্সে টুর্নামেন্ট জেতা সম্ভব নয়; জেতার জন্য সবার ছোট ছোট অবদান প্রয়োজন।
গম্ভীরের ক্রিকেট-দর্শন নিয়ে সূর্যকুমার আরও বলেন, ‘ওনার কাছে দলের লক্ষ্যের চেয়ে বড় কিছু নেই। যদি প্রথম বলেই ছক্কা মারার প্রয়োজন হয়, তবে সেটাই করতে হবে। আবার পরিস্থিতির প্রয়োজনে নিজের স্বাভাবিক খেলা বদলে রক্ষণাত্মক হতে হলেও তা করতে হবে।’
অধিনায়ক হিসেবে সূর্যকুমারের বড় কোনো টুর্নামেন্টের প্রথম ফাইনাল এটি। ভারত তাদের শেষ দুই ফাইনাল খেলেছে রোহিত শর্মার নেতৃত্বে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচটি সামনে রেখে কিছুটা স্নায়ুচাপে আছেন বলে স্বীকার করেন সূর্য, ‘এমন একটি দলকে ঘরের মাঠে ফাইনালে নেতৃত্ব দেওয়া অবশ্যই এটি একটি বিশেষ অনুভূতি। কিছুটা স্নায়ুচাপ তো আছেই, কিছুটা তো চিন্তিত বটেই। তবে আমি সব সময় যেমনটা বলি—চাপ না থাকলে তো মজাই নেই। তাই আমি ভীষণ রোমাঞ্চিত।’




