মায়ের স্মৃতিতে আবেগে ভাসলেন অমিতাভ

মায়ের স্মৃতিতে আবেগে ভাসলেন অমিতাভ
সিটিজেন ডেস্ক

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বরাবরই সরব বলিউডের শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন। জীবনের খুঁটিনাটি থেকে শুরু করে গভীর উপলব্ধি, সবই তিনি ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নেন। এবার মাকে নিয়ে এক আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন এই অভিনেতা।
অমিতাভ বচ্চন লিখেছেন, অনেক সময় মানুষ ছোট সমস্যাকেও বড় করে দেখে এবং তা নিয়ে অযথা দুশ্চিন্তা করে। অথচ দৃষ্টিভঙ্গিতে সামান্য পরিবর্তন আনলেই অনেক জটিলতা সহজে সমাধান হতে পারে।
এই অভিনেতা মনে করেন, দিনের পর দিন যে বিষয়গুলো মানুষকে অস্বস্তিতে রাখে, তা অনেক সময় ছোট্ট একটি পরিবর্তনেই সহজ হয়ে যায়। তখন নিজের কাছেই প্রশ্ন জাগে, এই সামান্য বিষয়ের জন্য এত ভাবনার আদৌ প্রয়োজন ছিল কি না।
শৈশবের স্মৃতি তুলে ধরে অমিতাভ জানান, জীবনের কঠিন সময়ে তার মা তেজি বচ্চনই ছিলেন সবচেয়ে বড় ভরসা। কখনো মমতার স্পর্শে, আবার কখনো নানাভাবে তিনি মুহূর্তেই দূর করে দিতেন সব অস্বস্তি। মায়ের সেই ছোট ছোট যত্নই তাকে জীবনে এগিয়ে চলার শক্তি দিয়েছে।
আবেগপ্রবণ এই অভিনেতা স্বীকার করেন, মা এখন শারীরিকভাবে পাশে নেই, তবে তার উপস্থিতি তিনি প্রতিনিয়ত অনুভব করেন। তিনি বলেন, মা নেই ঠিকই, কিন্তু মনে মনে স্মরণ করলেই সেই শান্তি ফিরে আসে। মনে হয়, দূরে থেকেও মা আজও আমাকে আগলে রাখছেন।
এর আগেও বিভিন্ন সময়ে অমিতাভ বচ্চন তার সাফল্যের পেছনে মায়ের অবদানের কথা তুলে ধরেছেন। ২০১৮ সালের এক ব্লগে তিনি লিখেছিলেন, অভিনেতা হওয়ার পেছনে তার মায়ের বড় ভূমিকা ছিল। ছোটবেলা থেকেই গান, নাচ ও নাটকের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়ে তাকে শিল্পের জগতে পথ চলতে শিখিয়েছিলেন তেজি বচ্চন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বরাবরই সরব বলিউডের শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন। জীবনের খুঁটিনাটি থেকে শুরু করে গভীর উপলব্ধি, সবই তিনি ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নেন। এবার মাকে নিয়ে এক আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন এই অভিনেতা।
অমিতাভ বচ্চন লিখেছেন, অনেক সময় মানুষ ছোট সমস্যাকেও বড় করে দেখে এবং তা নিয়ে অযথা দুশ্চিন্তা করে। অথচ দৃষ্টিভঙ্গিতে সামান্য পরিবর্তন আনলেই অনেক জটিলতা সহজে সমাধান হতে পারে।
এই অভিনেতা মনে করেন, দিনের পর দিন যে বিষয়গুলো মানুষকে অস্বস্তিতে রাখে, তা অনেক সময় ছোট্ট একটি পরিবর্তনেই সহজ হয়ে যায়। তখন নিজের কাছেই প্রশ্ন জাগে, এই সামান্য বিষয়ের জন্য এত ভাবনার আদৌ প্রয়োজন ছিল কি না।
শৈশবের স্মৃতি তুলে ধরে অমিতাভ জানান, জীবনের কঠিন সময়ে তার মা তেজি বচ্চনই ছিলেন সবচেয়ে বড় ভরসা। কখনো মমতার স্পর্শে, আবার কখনো নানাভাবে তিনি মুহূর্তেই দূর করে দিতেন সব অস্বস্তি। মায়ের সেই ছোট ছোট যত্নই তাকে জীবনে এগিয়ে চলার শক্তি দিয়েছে।
আবেগপ্রবণ এই অভিনেতা স্বীকার করেন, মা এখন শারীরিকভাবে পাশে নেই, তবে তার উপস্থিতি তিনি প্রতিনিয়ত অনুভব করেন। তিনি বলেন, মা নেই ঠিকই, কিন্তু মনে মনে স্মরণ করলেই সেই শান্তি ফিরে আসে। মনে হয়, দূরে থেকেও মা আজও আমাকে আগলে রাখছেন।
এর আগেও বিভিন্ন সময়ে অমিতাভ বচ্চন তার সাফল্যের পেছনে মায়ের অবদানের কথা তুলে ধরেছেন। ২০১৮ সালের এক ব্লগে তিনি লিখেছিলেন, অভিনেতা হওয়ার পেছনে তার মায়ের বড় ভূমিকা ছিল। ছোটবেলা থেকেই গান, নাচ ও নাটকের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়ে তাকে শিল্পের জগতে পথ চলতে শিখিয়েছিলেন তেজি বচ্চন।

মায়ের স্মৃতিতে আবেগে ভাসলেন অমিতাভ
সিটিজেন ডেস্ক

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বরাবরই সরব বলিউডের শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন। জীবনের খুঁটিনাটি থেকে শুরু করে গভীর উপলব্ধি, সবই তিনি ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নেন। এবার মাকে নিয়ে এক আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন এই অভিনেতা।
অমিতাভ বচ্চন লিখেছেন, অনেক সময় মানুষ ছোট সমস্যাকেও বড় করে দেখে এবং তা নিয়ে অযথা দুশ্চিন্তা করে। অথচ দৃষ্টিভঙ্গিতে সামান্য পরিবর্তন আনলেই অনেক জটিলতা সহজে সমাধান হতে পারে।
এই অভিনেতা মনে করেন, দিনের পর দিন যে বিষয়গুলো মানুষকে অস্বস্তিতে রাখে, তা অনেক সময় ছোট্ট একটি পরিবর্তনেই সহজ হয়ে যায়। তখন নিজের কাছেই প্রশ্ন জাগে, এই সামান্য বিষয়ের জন্য এত ভাবনার আদৌ প্রয়োজন ছিল কি না।
শৈশবের স্মৃতি তুলে ধরে অমিতাভ জানান, জীবনের কঠিন সময়ে তার মা তেজি বচ্চনই ছিলেন সবচেয়ে বড় ভরসা। কখনো মমতার স্পর্শে, আবার কখনো নানাভাবে তিনি মুহূর্তেই দূর করে দিতেন সব অস্বস্তি। মায়ের সেই ছোট ছোট যত্নই তাকে জীবনে এগিয়ে চলার শক্তি দিয়েছে।
আবেগপ্রবণ এই অভিনেতা স্বীকার করেন, মা এখন শারীরিকভাবে পাশে নেই, তবে তার উপস্থিতি তিনি প্রতিনিয়ত অনুভব করেন। তিনি বলেন, মা নেই ঠিকই, কিন্তু মনে মনে স্মরণ করলেই সেই শান্তি ফিরে আসে। মনে হয়, দূরে থেকেও মা আজও আমাকে আগলে রাখছেন।
এর আগেও বিভিন্ন সময়ে অমিতাভ বচ্চন তার সাফল্যের পেছনে মায়ের অবদানের কথা তুলে ধরেছেন। ২০১৮ সালের এক ব্লগে তিনি লিখেছিলেন, অভিনেতা হওয়ার পেছনে তার মায়ের বড় ভূমিকা ছিল। ছোটবেলা থেকেই গান, নাচ ও নাটকের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়ে তাকে শিল্পের জগতে পথ চলতে শিখিয়েছিলেন তেজি বচ্চন।




