বিতর্কিত একজন কীভাবে মন্ত্রী হতে পারে, প্রশ্ন মামুনুল হকের দলের

বিতর্কিত একজন কীভাবে মন্ত্রী হতে পারে, প্রশ্ন মামুনুল হকের দলের
নিজস্ব প্রতিবেদক

শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-১৩ আসনের সংসদ সদস্য ববি হাজ্জাজের নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তার প্রতিদ্বন্দ্বী আল্লামা মামুনুল হকের দল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস।
দলটি সরকারের উদ্দেশে প্রশ্ন রেখে বলেছে, যার (ববি হাজ্জাজ) নির্বাচনী ফলাফল প্রশ্নবিদ্ধ এবং যার বিরুদ্ধে কারচুপির অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে, তাকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে বসিয়ে সরকার কী বার্তা দিতে চায়?
দলটি মনে করে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নৈতিক ও মানসিক গঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। সেখানে বিতর্কিত ব্যক্তিকে প্রতিমন্ত্রী করা জনগণের আস্থাকে ক্ষুণ্ন করে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির মহাসচিব জালালুদ্দীন আহমদ এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ঢাকা-১৩-এর ঘটনাই একমাত্র নয়। নেত্রকোনা-১, সিলেট-৩, চট্টগ্রাম-৫, ফরিদপুর-২, শরীয়তপুর-১, সিরাজগঞ্জ-৩, মৌলভীবাজার-৪, গাজীপুর-৩সহ বিভিন্ন আসনে তাদের নির্বাচনী এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। পাশাপাশি জাল ভোট প্রদান ও ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ এসেছে। নির্বাচন পরবর্তী সময়ে ঢাকা-১৩সহ কয়েকটি আসনে আমাদের সমর্থকদের বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনাও ঘটেছে। ইতোমধ্যে সারাদেশে অনেকে আহত হয়েছেন, কেউ কেউ এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, ২৩ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে মোহাম্মদপুরে জুলাই হত্যা মামলার সাক্ষী ও রিকশা প্রতীকের সক্রিয় সমর্থক ইব্রাহিম খলিলের ওপর সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে। তার হাতের হাড় ভেঙে গেছে বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন। আমরা এই হামলার তীব্র নিন্দা জানাই এবং সংশ্লিষ্ট সাক্ষীদের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানাই।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি ছয়টি দাবি উত্থাপন করেন। সেগুলো হলো: ঢাকা-১৩ আসনের ফলাফল বাতিল করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ করা। জনাব হায়দার আলীর মৃত্যুসহ ঢাকা-১৩ আসনের নির্বাচনী অনিয়মের বিচার বিভাগীয় তদন্ত করা। ইব্রাহিম খলিলের ওপর হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা। সারাদেশে নির্বাচনী অনিয়ম তদন্তের জন্য একটি স্বাধীন কমিশন গঠন করা। রাজনৈতিক হয়রানি ও মিথ্যা মামলা বন্ধ করা এবং সারাদেশে নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের ওপর হামলা, মামলা ও হয়রানি বন্ধ করা।
তিনি সরকারকে অবিলম্বে দাবীগুলোর ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব বলেন, ঢাকা-১৩ কেবল একটি আসন নয়; এটি জনগণের ভোটাধিকার, ন্যায়বিচার ও গণবিশ্বাসের প্রশ্ন। জনগণের রায় বিকৃত করে ক্ষমতার দম্ভ প্রদর্শন করলে তা দীর্ঘস্থায়ী হবে না।
তিনি আরও বলেন, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার বিষয়ে আমরা আপসহীন। জাতীয় সংসদ, আদালত এবং রাজপথে কর্মসূচি ঘোষণার মাধ্যমে আমরা আন্দোলনের পথে অগ্রসর হবো।

শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-১৩ আসনের সংসদ সদস্য ববি হাজ্জাজের নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তার প্রতিদ্বন্দ্বী আল্লামা মামুনুল হকের দল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস।
দলটি সরকারের উদ্দেশে প্রশ্ন রেখে বলেছে, যার (ববি হাজ্জাজ) নির্বাচনী ফলাফল প্রশ্নবিদ্ধ এবং যার বিরুদ্ধে কারচুপির অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে, তাকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে বসিয়ে সরকার কী বার্তা দিতে চায়?
দলটি মনে করে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নৈতিক ও মানসিক গঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। সেখানে বিতর্কিত ব্যক্তিকে প্রতিমন্ত্রী করা জনগণের আস্থাকে ক্ষুণ্ন করে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির মহাসচিব জালালুদ্দীন আহমদ এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ঢাকা-১৩-এর ঘটনাই একমাত্র নয়। নেত্রকোনা-১, সিলেট-৩, চট্টগ্রাম-৫, ফরিদপুর-২, শরীয়তপুর-১, সিরাজগঞ্জ-৩, মৌলভীবাজার-৪, গাজীপুর-৩সহ বিভিন্ন আসনে তাদের নির্বাচনী এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। পাশাপাশি জাল ভোট প্রদান ও ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ এসেছে। নির্বাচন পরবর্তী সময়ে ঢাকা-১৩সহ কয়েকটি আসনে আমাদের সমর্থকদের বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনাও ঘটেছে। ইতোমধ্যে সারাদেশে অনেকে আহত হয়েছেন, কেউ কেউ এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, ২৩ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে মোহাম্মদপুরে জুলাই হত্যা মামলার সাক্ষী ও রিকশা প্রতীকের সক্রিয় সমর্থক ইব্রাহিম খলিলের ওপর সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে। তার হাতের হাড় ভেঙে গেছে বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন। আমরা এই হামলার তীব্র নিন্দা জানাই এবং সংশ্লিষ্ট সাক্ষীদের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানাই।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি ছয়টি দাবি উত্থাপন করেন। সেগুলো হলো: ঢাকা-১৩ আসনের ফলাফল বাতিল করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ করা। জনাব হায়দার আলীর মৃত্যুসহ ঢাকা-১৩ আসনের নির্বাচনী অনিয়মের বিচার বিভাগীয় তদন্ত করা। ইব্রাহিম খলিলের ওপর হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা। সারাদেশে নির্বাচনী অনিয়ম তদন্তের জন্য একটি স্বাধীন কমিশন গঠন করা। রাজনৈতিক হয়রানি ও মিথ্যা মামলা বন্ধ করা এবং সারাদেশে নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের ওপর হামলা, মামলা ও হয়রানি বন্ধ করা।
তিনি সরকারকে অবিলম্বে দাবীগুলোর ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব বলেন, ঢাকা-১৩ কেবল একটি আসন নয়; এটি জনগণের ভোটাধিকার, ন্যায়বিচার ও গণবিশ্বাসের প্রশ্ন। জনগণের রায় বিকৃত করে ক্ষমতার দম্ভ প্রদর্শন করলে তা দীর্ঘস্থায়ী হবে না।
তিনি আরও বলেন, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার বিষয়ে আমরা আপসহীন। জাতীয় সংসদ, আদালত এবং রাজপথে কর্মসূচি ঘোষণার মাধ্যমে আমরা আন্দোলনের পথে অগ্রসর হবো।

বিতর্কিত একজন কীভাবে মন্ত্রী হতে পারে, প্রশ্ন মামুনুল হকের দলের
নিজস্ব প্রতিবেদক

শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-১৩ আসনের সংসদ সদস্য ববি হাজ্জাজের নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তার প্রতিদ্বন্দ্বী আল্লামা মামুনুল হকের দল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস।
দলটি সরকারের উদ্দেশে প্রশ্ন রেখে বলেছে, যার (ববি হাজ্জাজ) নির্বাচনী ফলাফল প্রশ্নবিদ্ধ এবং যার বিরুদ্ধে কারচুপির অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে, তাকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে বসিয়ে সরকার কী বার্তা দিতে চায়?
দলটি মনে করে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নৈতিক ও মানসিক গঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। সেখানে বিতর্কিত ব্যক্তিকে প্রতিমন্ত্রী করা জনগণের আস্থাকে ক্ষুণ্ন করে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির মহাসচিব জালালুদ্দীন আহমদ এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ঢাকা-১৩-এর ঘটনাই একমাত্র নয়। নেত্রকোনা-১, সিলেট-৩, চট্টগ্রাম-৫, ফরিদপুর-২, শরীয়তপুর-১, সিরাজগঞ্জ-৩, মৌলভীবাজার-৪, গাজীপুর-৩সহ বিভিন্ন আসনে তাদের নির্বাচনী এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। পাশাপাশি জাল ভোট প্রদান ও ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ এসেছে। নির্বাচন পরবর্তী সময়ে ঢাকা-১৩সহ কয়েকটি আসনে আমাদের সমর্থকদের বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনাও ঘটেছে। ইতোমধ্যে সারাদেশে অনেকে আহত হয়েছেন, কেউ কেউ এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, ২৩ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে মোহাম্মদপুরে জুলাই হত্যা মামলার সাক্ষী ও রিকশা প্রতীকের সক্রিয় সমর্থক ইব্রাহিম খলিলের ওপর সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে। তার হাতের হাড় ভেঙে গেছে বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন। আমরা এই হামলার তীব্র নিন্দা জানাই এবং সংশ্লিষ্ট সাক্ষীদের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানাই।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি ছয়টি দাবি উত্থাপন করেন। সেগুলো হলো: ঢাকা-১৩ আসনের ফলাফল বাতিল করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ করা। জনাব হায়দার আলীর মৃত্যুসহ ঢাকা-১৩ আসনের নির্বাচনী অনিয়মের বিচার বিভাগীয় তদন্ত করা। ইব্রাহিম খলিলের ওপর হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা। সারাদেশে নির্বাচনী অনিয়ম তদন্তের জন্য একটি স্বাধীন কমিশন গঠন করা। রাজনৈতিক হয়রানি ও মিথ্যা মামলা বন্ধ করা এবং সারাদেশে নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের ওপর হামলা, মামলা ও হয়রানি বন্ধ করা।
তিনি সরকারকে অবিলম্বে দাবীগুলোর ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব বলেন, ঢাকা-১৩ কেবল একটি আসন নয়; এটি জনগণের ভোটাধিকার, ন্যায়বিচার ও গণবিশ্বাসের প্রশ্ন। জনগণের রায় বিকৃত করে ক্ষমতার দম্ভ প্রদর্শন করলে তা দীর্ঘস্থায়ী হবে না।
তিনি আরও বলেন, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার বিষয়ে আমরা আপসহীন। জাতীয় সংসদ, আদালত এবং রাজপথে কর্মসূচি ঘোষণার মাধ্যমে আমরা আন্দোলনের পথে অগ্রসর হবো।




