সাতবারের সাবেক এমপি দবিরুল ইসলাম মারা গেছেন

সাতবারের সাবেক এমপি দবিরুল ইসলাম মারা গেছেন
সিটিজেন ডেস্ক

ঠাকুরগাঁও-২ আসনের টানা সাতবারের সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা দবিরুল ইসলাম মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) বিকেলে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে প্রবীণ এ রাজনীতিকের বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর।
পারিবারিক সূত্র নিশ্চিত করেছে, দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর ঢাকার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেলে তার মৃত্যু হয়। ১৯৪৮ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বড়বাড়ী গ্রামে জন্মগ্রহণ করা দবিরুল ইসলাম ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির মাঠে অত্যন্ত সক্রিয় ছিলেন। তার রাজনৈতিক জীবনের সূচনা ঘটেছিল বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) হাত ধরে। এ দলের প্রার্থী হিসেবেই তিনি ১৯৮৬ সালের তৃতীয় এবং ১৯৯১ সালের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হন। পরবর্তীতে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে যোগ দেন এবং উত্তরবঙ্গের রাজনীতিতে এক শক্ত অবস্থান তৈরি করেন। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে তিনি ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে টানা পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার বিরল রেকর্ড গড়েন।
দীর্ঘ সংসদীয় ক্যারিয়ারে দবিরুল ইসলাম পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া দীর্ঘদিন তিনি ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয় এবং ওই বছরের ৩ অক্টোবর পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। দীর্ঘ সময় কারাবন্দি থাকার পর চলতি বছরের মে মাসে তিনি জামিনে মুক্তি পান। মুক্তি পাওয়ার পর তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়া হয় এবং সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

ঠাকুরগাঁও-২ আসনের টানা সাতবারের সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা দবিরুল ইসলাম মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) বিকেলে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে প্রবীণ এ রাজনীতিকের বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর।
পারিবারিক সূত্র নিশ্চিত করেছে, দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর ঢাকার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেলে তার মৃত্যু হয়। ১৯৪৮ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বড়বাড়ী গ্রামে জন্মগ্রহণ করা দবিরুল ইসলাম ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির মাঠে অত্যন্ত সক্রিয় ছিলেন। তার রাজনৈতিক জীবনের সূচনা ঘটেছিল বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) হাত ধরে। এ দলের প্রার্থী হিসেবেই তিনি ১৯৮৬ সালের তৃতীয় এবং ১৯৯১ সালের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হন। পরবর্তীতে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে যোগ দেন এবং উত্তরবঙ্গের রাজনীতিতে এক শক্ত অবস্থান তৈরি করেন। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে তিনি ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে টানা পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার বিরল রেকর্ড গড়েন।
দীর্ঘ সংসদীয় ক্যারিয়ারে দবিরুল ইসলাম পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া দীর্ঘদিন তিনি ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয় এবং ওই বছরের ৩ অক্টোবর পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। দীর্ঘ সময় কারাবন্দি থাকার পর চলতি বছরের মে মাসে তিনি জামিনে মুক্তি পান। মুক্তি পাওয়ার পর তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়া হয় এবং সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

সাতবারের সাবেক এমপি দবিরুল ইসলাম মারা গেছেন
সিটিজেন ডেস্ক

ঠাকুরগাঁও-২ আসনের টানা সাতবারের সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা দবিরুল ইসলাম মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) বিকেলে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে প্রবীণ এ রাজনীতিকের বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর।
পারিবারিক সূত্র নিশ্চিত করেছে, দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর ঢাকার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেলে তার মৃত্যু হয়। ১৯৪৮ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বড়বাড়ী গ্রামে জন্মগ্রহণ করা দবিরুল ইসলাম ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির মাঠে অত্যন্ত সক্রিয় ছিলেন। তার রাজনৈতিক জীবনের সূচনা ঘটেছিল বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) হাত ধরে। এ দলের প্রার্থী হিসেবেই তিনি ১৯৮৬ সালের তৃতীয় এবং ১৯৯১ সালের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হন। পরবর্তীতে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে যোগ দেন এবং উত্তরবঙ্গের রাজনীতিতে এক শক্ত অবস্থান তৈরি করেন। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে তিনি ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে টানা পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার বিরল রেকর্ড গড়েন।
দীর্ঘ সংসদীয় ক্যারিয়ারে দবিরুল ইসলাম পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া দীর্ঘদিন তিনি ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয় এবং ওই বছরের ৩ অক্টোবর পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। দীর্ঘ সময় কারাবন্দি থাকার পর চলতি বছরের মে মাসে তিনি জামিনে মুক্তি পান। মুক্তি পাওয়ার পর তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়া হয় এবং সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

বিভেদ ভুলে সাম্যের বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান মির্জা ফখরুলের


