মাহফুজ আলমই নাহিদ ইসলামের রাজনৈতিক উপদেষ্টা: রাশেদ খাঁন

মাহফুজ আলমই নাহিদ ইসলামের রাজনৈতিক উপদেষ্টা: রাশেদ খাঁন
ঝিনাইদহ সংবাদদাতা

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেছেন, নাহিদ ইসলাম ও মাহফুজ আলম বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গিয়ে নিজেদের এই গণঅভ্যুত্থানের ‘মাস্টারমাইন্ড’ হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করছেন। মূলত মাহফুজ আলমই নাহিদ ইসলামের রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করছেন।
শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মুরারীদহ এলাকায় অবস্থিত ঐতিহাসিক ‘মিয়ার দালান’ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।
রাশেদ খাঁন বলেন, এক দফার ঘোষণা নাহিদ ইসলাম দিয়েছিলেন, এ কথা আমরা স্বীকার করি। তবে এই এক দফা আন্দোলনের মূল প্রেক্ষাপট ও ভিত্তি তৈরি করেছিল এ দেশের সাধারণ জনগণ।
তিনি বলেন, ডা. তাসনিম জারাসহ গণতন্ত্র ও প্রগতিশীল চিন্তার অনেক তরুণ নেতা এনসিপি ছেড়ে চলে গেছেন। কারণ দলটি জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে মিশে একাকার হয়ে গেছে। এনসিপির এখন নিজস্ব কোনো অস্তিত্ব নেই, তারা মূলত জামায়াতের অঙ্গসংগঠনে পরিণত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী বলেন, একসময় এনসিপি নেতা নাহিদ ইসলাম জামায়াতকে স্বাধীনতা বিরোধী এবং দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি বলে মন্তব্য করেছিলেন। অথচ সেই বক্তব্যের পর তারাই আবার জামায়াতের পকেটে বন্দি হয়েছেন। এনসিপির যেসব প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন, তাদের যাবতীয় নির্বাচনি ব্যয় জামায়াতই বহন করেছে।
তিনি বলেন, বর্তমান বিএনপি সরকার বিরোধী দলের এমপিদের সরকারি দলের সংসদ সদস্যদের মতোই সমান সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে। অথচ অতীতে আওয়ামী শাসনামলে বিরোধী দল কোনো ধরনের সুযোগ-সুবিধাই পেত না। সরকারি দল মূল্যায়ন করার পরও জামায়াত ও এনসিপির এমপিরা সরকারের বিরুদ্ধে অনবরত বিষোদগার করে যাচ্ছেন। অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে, সুখে থাকতে ভূতে কিলানোর মতো দশা হয়েছে তাদের।

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেছেন, নাহিদ ইসলাম ও মাহফুজ আলম বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গিয়ে নিজেদের এই গণঅভ্যুত্থানের ‘মাস্টারমাইন্ড’ হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করছেন। মূলত মাহফুজ আলমই নাহিদ ইসলামের রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করছেন।
শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মুরারীদহ এলাকায় অবস্থিত ঐতিহাসিক ‘মিয়ার দালান’ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।
রাশেদ খাঁন বলেন, এক দফার ঘোষণা নাহিদ ইসলাম দিয়েছিলেন, এ কথা আমরা স্বীকার করি। তবে এই এক দফা আন্দোলনের মূল প্রেক্ষাপট ও ভিত্তি তৈরি করেছিল এ দেশের সাধারণ জনগণ।
তিনি বলেন, ডা. তাসনিম জারাসহ গণতন্ত্র ও প্রগতিশীল চিন্তার অনেক তরুণ নেতা এনসিপি ছেড়ে চলে গেছেন। কারণ দলটি জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে মিশে একাকার হয়ে গেছে। এনসিপির এখন নিজস্ব কোনো অস্তিত্ব নেই, তারা মূলত জামায়াতের অঙ্গসংগঠনে পরিণত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী বলেন, একসময় এনসিপি নেতা নাহিদ ইসলাম জামায়াতকে স্বাধীনতা বিরোধী এবং দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি বলে মন্তব্য করেছিলেন। অথচ সেই বক্তব্যের পর তারাই আবার জামায়াতের পকেটে বন্দি হয়েছেন। এনসিপির যেসব প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন, তাদের যাবতীয় নির্বাচনি ব্যয় জামায়াতই বহন করেছে।
তিনি বলেন, বর্তমান বিএনপি সরকার বিরোধী দলের এমপিদের সরকারি দলের সংসদ সদস্যদের মতোই সমান সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে। অথচ অতীতে আওয়ামী শাসনামলে বিরোধী দল কোনো ধরনের সুযোগ-সুবিধাই পেত না। সরকারি দল মূল্যায়ন করার পরও জামায়াত ও এনসিপির এমপিরা সরকারের বিরুদ্ধে অনবরত বিষোদগার করে যাচ্ছেন। অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে, সুখে থাকতে ভূতে কিলানোর মতো দশা হয়েছে তাদের।

মাহফুজ আলমই নাহিদ ইসলামের রাজনৈতিক উপদেষ্টা: রাশেদ খাঁন
ঝিনাইদহ সংবাদদাতা

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেছেন, নাহিদ ইসলাম ও মাহফুজ আলম বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গিয়ে নিজেদের এই গণঅভ্যুত্থানের ‘মাস্টারমাইন্ড’ হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করছেন। মূলত মাহফুজ আলমই নাহিদ ইসলামের রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করছেন।
শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মুরারীদহ এলাকায় অবস্থিত ঐতিহাসিক ‘মিয়ার দালান’ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।
রাশেদ খাঁন বলেন, এক দফার ঘোষণা নাহিদ ইসলাম দিয়েছিলেন, এ কথা আমরা স্বীকার করি। তবে এই এক দফা আন্দোলনের মূল প্রেক্ষাপট ও ভিত্তি তৈরি করেছিল এ দেশের সাধারণ জনগণ।
তিনি বলেন, ডা. তাসনিম জারাসহ গণতন্ত্র ও প্রগতিশীল চিন্তার অনেক তরুণ নেতা এনসিপি ছেড়ে চলে গেছেন। কারণ দলটি জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে মিশে একাকার হয়ে গেছে। এনসিপির এখন নিজস্ব কোনো অস্তিত্ব নেই, তারা মূলত জামায়াতের অঙ্গসংগঠনে পরিণত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী বলেন, একসময় এনসিপি নেতা নাহিদ ইসলাম জামায়াতকে স্বাধীনতা বিরোধী এবং দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি বলে মন্তব্য করেছিলেন। অথচ সেই বক্তব্যের পর তারাই আবার জামায়াতের পকেটে বন্দি হয়েছেন। এনসিপির যেসব প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন, তাদের যাবতীয় নির্বাচনি ব্যয় জামায়াতই বহন করেছে।
তিনি বলেন, বর্তমান বিএনপি সরকার বিরোধী দলের এমপিদের সরকারি দলের সংসদ সদস্যদের মতোই সমান সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে। অথচ অতীতে আওয়ামী শাসনামলে বিরোধী দল কোনো ধরনের সুযোগ-সুবিধাই পেত না। সরকারি দল মূল্যায়ন করার পরও জামায়াত ও এনসিপির এমপিরা সরকারের বিরুদ্ধে অনবরত বিষোদগার করে যাচ্ছেন। অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে, সুখে থাকতে ভূতে কিলানোর মতো দশা হয়েছে তাদের।

‘জুলাই জাদুঘরে কোনো ধরনের দলীয় ইতিহাস দেখতে চাই না’







