যে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো শিরীন শারমিনকে

যে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো শিরীন শারমিনকে
নিজস্ব প্রতিবেদক

ছাত্র–জনতার গণ–অভ্যুত্থানের সময় সহিংসতা ও ভাঙচুরের ঘটনায় রাজধানীর লালবাগ থানায় দায়ের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, শিরীন শারমিনের বিরুদ্ধে গণ–অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত হত্যা মামলাসহ ৬টি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে তিনটি মামলায় ইতিমধ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। বাকি তিনটি মামলা বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।
তিনি বলেন, লালবাগ থানার মামলায় তাকে আদালতে হাজির করার প্রস্তুতি চলছে। গণ–অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত বিভিন্ন সংঘর্ষের ঘটনায় তার সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এর আগে, সোমবার (৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির ৮/এ রোডের একটি বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। আটকের পর তাকে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং সেখানে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আত্মগোপনে থেকে চলে যান শিরীন শারমিন চৌধুরী। এর আগে গুঞ্জন উঠেছিল, ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতা সংসদ ভবনে প্রবেশের সময় তিনি ভবনটির একটি গোপন কক্ষ আশ্রয় নিয়েছিলেন। পরবর্তীতে রাত আড়াইটার দিকে সেনাবাহিনী তাকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়। এরপর থেকে তিনি কোথায় ছিলেন তা নিয়ে নানা গুঞ্জন ছিল।
২০২৪ সালের ২৭ আগস্ট রংপুরে গুলিবিদ্ধ হয়ে স্বর্ণশ্রমিক মুসলিম উদ্দিন নিহত হওয়ার ঘটনায় তার বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হয়। ওই মামলায় সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি-সহ ১৭ জনকে আসামি করা হয়। মামলাটি করেন নিহতের স্ত্রী দিলরুবা আক্তার।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে সিটি বাজার এলাকায় পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে ছাত্র-জনতার সংঘর্ষ হয়। এ সময় পুলিশ এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। এতে মুসলিম উদ্দিন গুলিবিদ্ধ হলে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে আসামিদের চাপে মরদেহের ময়নাতদন্ত ছাড়াই তড়িঘড়ি করে দাফন করে তার পরিবার।

ছাত্র–জনতার গণ–অভ্যুত্থানের সময় সহিংসতা ও ভাঙচুরের ঘটনায় রাজধানীর লালবাগ থানায় দায়ের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, শিরীন শারমিনের বিরুদ্ধে গণ–অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত হত্যা মামলাসহ ৬টি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে তিনটি মামলায় ইতিমধ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। বাকি তিনটি মামলা বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।
তিনি বলেন, লালবাগ থানার মামলায় তাকে আদালতে হাজির করার প্রস্তুতি চলছে। গণ–অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত বিভিন্ন সংঘর্ষের ঘটনায় তার সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এর আগে, সোমবার (৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির ৮/এ রোডের একটি বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। আটকের পর তাকে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং সেখানে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আত্মগোপনে থেকে চলে যান শিরীন শারমিন চৌধুরী। এর আগে গুঞ্জন উঠেছিল, ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতা সংসদ ভবনে প্রবেশের সময় তিনি ভবনটির একটি গোপন কক্ষ আশ্রয় নিয়েছিলেন। পরবর্তীতে রাত আড়াইটার দিকে সেনাবাহিনী তাকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়। এরপর থেকে তিনি কোথায় ছিলেন তা নিয়ে নানা গুঞ্জন ছিল।
২০২৪ সালের ২৭ আগস্ট রংপুরে গুলিবিদ্ধ হয়ে স্বর্ণশ্রমিক মুসলিম উদ্দিন নিহত হওয়ার ঘটনায় তার বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হয়। ওই মামলায় সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি-সহ ১৭ জনকে আসামি করা হয়। মামলাটি করেন নিহতের স্ত্রী দিলরুবা আক্তার।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে সিটি বাজার এলাকায় পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে ছাত্র-জনতার সংঘর্ষ হয়। এ সময় পুলিশ এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। এতে মুসলিম উদ্দিন গুলিবিদ্ধ হলে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে আসামিদের চাপে মরদেহের ময়নাতদন্ত ছাড়াই তড়িঘড়ি করে দাফন করে তার পরিবার।

যে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো শিরীন শারমিনকে
নিজস্ব প্রতিবেদক

ছাত্র–জনতার গণ–অভ্যুত্থানের সময় সহিংসতা ও ভাঙচুরের ঘটনায় রাজধানীর লালবাগ থানায় দায়ের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, শিরীন শারমিনের বিরুদ্ধে গণ–অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত হত্যা মামলাসহ ৬টি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে তিনটি মামলায় ইতিমধ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। বাকি তিনটি মামলা বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।
তিনি বলেন, লালবাগ থানার মামলায় তাকে আদালতে হাজির করার প্রস্তুতি চলছে। গণ–অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত বিভিন্ন সংঘর্ষের ঘটনায় তার সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এর আগে, সোমবার (৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির ৮/এ রোডের একটি বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। আটকের পর তাকে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং সেখানে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আত্মগোপনে থেকে চলে যান শিরীন শারমিন চৌধুরী। এর আগে গুঞ্জন উঠেছিল, ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতা সংসদ ভবনে প্রবেশের সময় তিনি ভবনটির একটি গোপন কক্ষ আশ্রয় নিয়েছিলেন। পরবর্তীতে রাত আড়াইটার দিকে সেনাবাহিনী তাকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়। এরপর থেকে তিনি কোথায় ছিলেন তা নিয়ে নানা গুঞ্জন ছিল।
২০২৪ সালের ২৭ আগস্ট রংপুরে গুলিবিদ্ধ হয়ে স্বর্ণশ্রমিক মুসলিম উদ্দিন নিহত হওয়ার ঘটনায় তার বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হয়। ওই মামলায় সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি-সহ ১৭ জনকে আসামি করা হয়। মামলাটি করেন নিহতের স্ত্রী দিলরুবা আক্তার।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে সিটি বাজার এলাকায় পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে ছাত্র-জনতার সংঘর্ষ হয়। এ সময় পুলিশ এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। এতে মুসলিম উদ্দিন গুলিবিদ্ধ হলে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে আসামিদের চাপে মরদেহের ময়নাতদন্ত ছাড়াই তড়িঘড়ি করে দাফন করে তার পরিবার।




