বিএনপির আওয়ামী লীগ হওয়ার সক্ষমতা নেই: ব্যারিস্টার ফুয়াদ

বিএনপির আওয়ামী লীগ হওয়ার সক্ষমতা নেই: ব্যারিস্টার ফুয়াদ
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপিকে উদ্দেশ করে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, ‘আমরা সবাই বিএনপিকে গণঅভ্যুত্থানের পক্ষের শক্তি মনে করি। আমরা চাই বিএনপি সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সফল হোক। সেইসাথে তাদের সতর্ক করছি, আপনারা (বিএনপি) যে সব আইন ব্যবহার করে কর্তৃত্ববাদী শাসনের দিকে যাচ্ছেন, সেটা দেশ এবং আপনার দলের জন্য ভালো হবে না। আপনারা আওয়ামী লীগ হতে পারবেন না। আপনাদের সেই সক্ষমতা নেই।’
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে এবি পার্টি লইয়ার্সের উদ্যোগে আয়োজিত ‘প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইন নিরাপত্তা বনাম হেনস্তা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সরকারকে উদ্দেশ্য করে ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, ‘যেটা আপনারা (বিএনপি) করতে পারবেন না, সেটা হওয়ার চেষ্টা কইরেন না। পরবর্তীতে লেজেগোবরে হয়ে যাবেন। রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি করে গণমাধ্যম এবং সাংবাদিকতার বিপক্ষে দাঁড়ানোর প্রয়োজন আপনাদের নেই। সাইবার সুরক্ষা আইন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যতটুকু করে দিয়ে গেছে, সেটা আমাদের জন্য পর্যাপ্ত। সরকারের সমালোচনা জনগণ করতে পারবে না, এটাতো হতে পারে না।’
তিনি বলেন, ‘সরকারের কর্তৃত্ববাদী মানসিকতা থেকে বের হয়ে আসা দরকার। এগুলো সুশাসন না দিয়ে, দুঃশাসন দেবে। বিএনপিকে আমরা চাঁদাবাজির দল মনে করি না। বিএনপিতে ভালো মানুষও আছে। কিন্তু এটাও সত্য, চাঁদাবাজ-দখলবাজ এবং সন্ত্রাসী যা আছে, সব বিএনপির লোক।’
ব্যারিস্টার ফুয়াদ আরও বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে যে সাইবার সুরক্ষা আইন হয়েছে, তা পর্যাপ্ত আলোচনাের মাধ্যমে করা হয়েছে। তাহলে বর্তমানে সেই আইনে আবারও হাত দিলেন কেন। এই আইনের মাধ্যমে সরকার মানুষকে হেনস্তা করার অনেক অপশন খুলে ফেলতেছে।’
তিনি বলেন, ‘সাইবার সুরক্ষা আইনের মাধ্যমে আমাদের মতো সাংবাদিকরাও হুমকির মধ্যে রয়েছে। এই আইন দ্বারা যেকোনো মিডিয়া হাউজ বন্ধ করে দেওয়া সম্ভব। এছাড়া সরকারের কাছে কোনো জবাবদিহিতা চাওয়ারও সুযোগ নেই।’
ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, ‘আমরা কেউ বলছি না যে, আপনাদের পতন ঘটিয়ে ফেলবো এবং টেনেহিঁচড়ে নামিয়ে ফেলবো। ধর্মঘট ও হরতাল করবো– এগুলো বলছি না। আপনাদেরকে বারবার মনে করিয়ে দিচ্ছি, আগে যারা যে ধরনের ভুল করে গর্তে পড়েছে, আপনারাও কি একই ভুল করে ঐ গর্তে যাচ্ছেন কিনা।’
চ্যানেল ওয়ানের একজন সাংবাদিকের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিলের প্রসঙ্গ টেনে এনে তিনি বলেন, ‘সাংবাদিকদের দুই-তিনটা প্রশ্ন শুনে যদি ছয় মাসের মাথায় আপনার (তারেক রহমান) শরীর গরম হয়ে যায়, তাহলে সামনের দিকে আপনি সরকার পরিচালনা করবেন কীভাবে। এত সকাল সকাল দুইটা প্রশ্নও নিতে পারছেন না!’
সালমান মুক্তাদিরকে সরকার হেনস্তা করছে উল্লেখ করে এবি পার্টির এই নেতা বলেন, ‘তাকে (সালমান মুক্তাদির) সরকার গত এক সপ্তাহ ধরে বেশি পরিমাণে হেনস্তা করতেছে। এখন পর্যন্ত এই হেনস্তার কোনো আইনি ভিত্তি নেই। মূলত সালমান মুক্তাদিরকে সরকার সাইজ করতে চায়। কিন্তু এটি করার জন্য সরকারের কাছে কোনো সিরিয়াস টুলস্ নেই। গ্রেপ্তার করতে পারছে না তার প্রোফাইল এবং ফলোয়ার বেশি থাকার কারণে।’
মতবিনিময় সভায় এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল মামুন রানাসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপিকে উদ্দেশ করে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, ‘আমরা সবাই বিএনপিকে গণঅভ্যুত্থানের পক্ষের শক্তি মনে করি। আমরা চাই বিএনপি সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সফল হোক। সেইসাথে তাদের সতর্ক করছি, আপনারা (বিএনপি) যে সব আইন ব্যবহার করে কর্তৃত্ববাদী শাসনের দিকে যাচ্ছেন, সেটা দেশ এবং আপনার দলের জন্য ভালো হবে না। আপনারা আওয়ামী লীগ হতে পারবেন না। আপনাদের সেই সক্ষমতা নেই।’
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে এবি পার্টি লইয়ার্সের উদ্যোগে আয়োজিত ‘প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইন নিরাপত্তা বনাম হেনস্তা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সরকারকে উদ্দেশ্য করে ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, ‘যেটা আপনারা (বিএনপি) করতে পারবেন না, সেটা হওয়ার চেষ্টা কইরেন না। পরবর্তীতে লেজেগোবরে হয়ে যাবেন। রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি করে গণমাধ্যম এবং সাংবাদিকতার বিপক্ষে দাঁড়ানোর প্রয়োজন আপনাদের নেই। সাইবার সুরক্ষা আইন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যতটুকু করে দিয়ে গেছে, সেটা আমাদের জন্য পর্যাপ্ত। সরকারের সমালোচনা জনগণ করতে পারবে না, এটাতো হতে পারে না।’
তিনি বলেন, ‘সরকারের কর্তৃত্ববাদী মানসিকতা থেকে বের হয়ে আসা দরকার। এগুলো সুশাসন না দিয়ে, দুঃশাসন দেবে। বিএনপিকে আমরা চাঁদাবাজির দল মনে করি না। বিএনপিতে ভালো মানুষও আছে। কিন্তু এটাও সত্য, চাঁদাবাজ-দখলবাজ এবং সন্ত্রাসী যা আছে, সব বিএনপির লোক।’
ব্যারিস্টার ফুয়াদ আরও বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে যে সাইবার সুরক্ষা আইন হয়েছে, তা পর্যাপ্ত আলোচনাের মাধ্যমে করা হয়েছে। তাহলে বর্তমানে সেই আইনে আবারও হাত দিলেন কেন। এই আইনের মাধ্যমে সরকার মানুষকে হেনস্তা করার অনেক অপশন খুলে ফেলতেছে।’
তিনি বলেন, ‘সাইবার সুরক্ষা আইনের মাধ্যমে আমাদের মতো সাংবাদিকরাও হুমকির মধ্যে রয়েছে। এই আইন দ্বারা যেকোনো মিডিয়া হাউজ বন্ধ করে দেওয়া সম্ভব। এছাড়া সরকারের কাছে কোনো জবাবদিহিতা চাওয়ারও সুযোগ নেই।’
ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, ‘আমরা কেউ বলছি না যে, আপনাদের পতন ঘটিয়ে ফেলবো এবং টেনেহিঁচড়ে নামিয়ে ফেলবো। ধর্মঘট ও হরতাল করবো– এগুলো বলছি না। আপনাদেরকে বারবার মনে করিয়ে দিচ্ছি, আগে যারা যে ধরনের ভুল করে গর্তে পড়েছে, আপনারাও কি একই ভুল করে ঐ গর্তে যাচ্ছেন কিনা।’
চ্যানেল ওয়ানের একজন সাংবাদিকের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিলের প্রসঙ্গ টেনে এনে তিনি বলেন, ‘সাংবাদিকদের দুই-তিনটা প্রশ্ন শুনে যদি ছয় মাসের মাথায় আপনার (তারেক রহমান) শরীর গরম হয়ে যায়, তাহলে সামনের দিকে আপনি সরকার পরিচালনা করবেন কীভাবে। এত সকাল সকাল দুইটা প্রশ্নও নিতে পারছেন না!’
সালমান মুক্তাদিরকে সরকার হেনস্তা করছে উল্লেখ করে এবি পার্টির এই নেতা বলেন, ‘তাকে (সালমান মুক্তাদির) সরকার গত এক সপ্তাহ ধরে বেশি পরিমাণে হেনস্তা করতেছে। এখন পর্যন্ত এই হেনস্তার কোনো আইনি ভিত্তি নেই। মূলত সালমান মুক্তাদিরকে সরকার সাইজ করতে চায়। কিন্তু এটি করার জন্য সরকারের কাছে কোনো সিরিয়াস টুলস্ নেই। গ্রেপ্তার করতে পারছে না তার প্রোফাইল এবং ফলোয়ার বেশি থাকার কারণে।’
মতবিনিময় সভায় এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল মামুন রানাসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপির আওয়ামী লীগ হওয়ার সক্ষমতা নেই: ব্যারিস্টার ফুয়াদ
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপিকে উদ্দেশ করে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, ‘আমরা সবাই বিএনপিকে গণঅভ্যুত্থানের পক্ষের শক্তি মনে করি। আমরা চাই বিএনপি সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সফল হোক। সেইসাথে তাদের সতর্ক করছি, আপনারা (বিএনপি) যে সব আইন ব্যবহার করে কর্তৃত্ববাদী শাসনের দিকে যাচ্ছেন, সেটা দেশ এবং আপনার দলের জন্য ভালো হবে না। আপনারা আওয়ামী লীগ হতে পারবেন না। আপনাদের সেই সক্ষমতা নেই।’
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে এবি পার্টি লইয়ার্সের উদ্যোগে আয়োজিত ‘প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইন নিরাপত্তা বনাম হেনস্তা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সরকারকে উদ্দেশ্য করে ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, ‘যেটা আপনারা (বিএনপি) করতে পারবেন না, সেটা হওয়ার চেষ্টা কইরেন না। পরবর্তীতে লেজেগোবরে হয়ে যাবেন। রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি করে গণমাধ্যম এবং সাংবাদিকতার বিপক্ষে দাঁড়ানোর প্রয়োজন আপনাদের নেই। সাইবার সুরক্ষা আইন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যতটুকু করে দিয়ে গেছে, সেটা আমাদের জন্য পর্যাপ্ত। সরকারের সমালোচনা জনগণ করতে পারবে না, এটাতো হতে পারে না।’
তিনি বলেন, ‘সরকারের কর্তৃত্ববাদী মানসিকতা থেকে বের হয়ে আসা দরকার। এগুলো সুশাসন না দিয়ে, দুঃশাসন দেবে। বিএনপিকে আমরা চাঁদাবাজির দল মনে করি না। বিএনপিতে ভালো মানুষও আছে। কিন্তু এটাও সত্য, চাঁদাবাজ-দখলবাজ এবং সন্ত্রাসী যা আছে, সব বিএনপির লোক।’
ব্যারিস্টার ফুয়াদ আরও বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে যে সাইবার সুরক্ষা আইন হয়েছে, তা পর্যাপ্ত আলোচনাের মাধ্যমে করা হয়েছে। তাহলে বর্তমানে সেই আইনে আবারও হাত দিলেন কেন। এই আইনের মাধ্যমে সরকার মানুষকে হেনস্তা করার অনেক অপশন খুলে ফেলতেছে।’
তিনি বলেন, ‘সাইবার সুরক্ষা আইনের মাধ্যমে আমাদের মতো সাংবাদিকরাও হুমকির মধ্যে রয়েছে। এই আইন দ্বারা যেকোনো মিডিয়া হাউজ বন্ধ করে দেওয়া সম্ভব। এছাড়া সরকারের কাছে কোনো জবাবদিহিতা চাওয়ারও সুযোগ নেই।’
ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, ‘আমরা কেউ বলছি না যে, আপনাদের পতন ঘটিয়ে ফেলবো এবং টেনেহিঁচড়ে নামিয়ে ফেলবো। ধর্মঘট ও হরতাল করবো– এগুলো বলছি না। আপনাদেরকে বারবার মনে করিয়ে দিচ্ছি, আগে যারা যে ধরনের ভুল করে গর্তে পড়েছে, আপনারাও কি একই ভুল করে ঐ গর্তে যাচ্ছেন কিনা।’
চ্যানেল ওয়ানের একজন সাংবাদিকের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিলের প্রসঙ্গ টেনে এনে তিনি বলেন, ‘সাংবাদিকদের দুই-তিনটা প্রশ্ন শুনে যদি ছয় মাসের মাথায় আপনার (তারেক রহমান) শরীর গরম হয়ে যায়, তাহলে সামনের দিকে আপনি সরকার পরিচালনা করবেন কীভাবে। এত সকাল সকাল দুইটা প্রশ্নও নিতে পারছেন না!’
সালমান মুক্তাদিরকে সরকার হেনস্তা করছে উল্লেখ করে এবি পার্টির এই নেতা বলেন, ‘তাকে (সালমান মুক্তাদির) সরকার গত এক সপ্তাহ ধরে বেশি পরিমাণে হেনস্তা করতেছে। এখন পর্যন্ত এই হেনস্তার কোনো আইনি ভিত্তি নেই। মূলত সালমান মুক্তাদিরকে সরকার সাইজ করতে চায়। কিন্তু এটি করার জন্য সরকারের কাছে কোনো সিরিয়াস টুলস্ নেই। গ্রেপ্তার করতে পারছে না তার প্রোফাইল এবং ফলোয়ার বেশি থাকার কারণে।’
মতবিনিময় সভায় এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল মামুন রানাসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

ব্যারিস্টার ফুয়াদকে আইনি নোটিশ, ১০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি 







