বিরোধী দল গণতন্ত্রের ভাষায় কথা বলছে না: মির্জা ফখরুল

বিরোধী দল গণতন্ত্রের ভাষায় কথা বলছে না: মির্জা ফখরুল
রংপুর সংবাদদাতা

বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিরোধী দল যে ভাষায় কথা বলছে সেটি গণতন্ত্রের ভাষা না। আমরা মেজরিটি পেয়েছি, আমরা দেশ চালাব। সেটিতে যদি ব্যর্থ হই, তখন আপনারা বলবেন, দেশ চালাতে পারেন নাই।
রবিবার (৯ আগস্ট) দুপুরে রংপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক চ্যারিটি সংস্থার লাভ শেয়ার বিডি আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। সুবিধাবঞ্চিতদের স্বাবলম্বীকরণ প্রকল্পের আওতায় রংপুর অঞ্চলের ২৫টি দুস্থ পরিবারের চা-ঘর (চায়ের দোকান) হস্তান্তর উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
জামায়াতে ইসলামীকে উদ্দেশ্য করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, কাজ করার আগেই আপনারা রাস্তায় বেরিয়ে পড়ছেন। আমরা সবাই গণতন্ত্রের ভাষায় কথা বলি, গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত হতে দিই, জনগণের প্রতিনিধিকে কাজ করতে দিই। তাহলে দেশের উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে পারব। এক-দুই দিনে উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন হয় না। দুর্ভাগ্যক্রমে বিরোধী দল সেই আগের মতোই ভূমিকা পালন করতে শুরু করেছে। হাসিনা যে ভাষায় কথা বলতো, তারাও সেই ভাষায় কথা বলছে। করতে দেবো না, চলতে দেবো না, শেষ করতে দেবো না। এ ধরনের রাজনীতি দেশের জন্য কল্যাণকর নয়।
মন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসন শেষে দেশ গঠনের সুযোগ এসেছে। ফ্যাসিস্ট সময়ে ৬০ লাখ মানুষের নামে মামলা, ২০ হাজার মানুষকে হত্যা ও ১৭০০ মানুষকে গুম করা হয়েছে, দেশে এখন সেই পরিস্থিতি নেই।
মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতি ও বিপর্যস্ত প্রশাসনকে ঢেলে সাজাতে বর্তমান সরকার চেষ্টা করছে। এত তাড়াতাড়ি এসব বাস্তবায়ন হয় না, আমাদের হাতে কোনো আলাদিনের চেরাগ নেই। তাদের ভাষায় এই মুর্হূতে করতে হবে। দেশে জ্বালানি সমস্যা রয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার গত ১৫ বছরে দেশে একটিও গ্যাস ও তেলের খনি অনুসন্ধান করেনি। তারা বাপেক্সকে পঙ্গু করে রেখেছিল। আমরা দায়িত্ব পাওয়ার পর দেশে তেল ও গ্যাসের কূপ খননের চেষ্টা করছি। কূপ খননের জন্য টেন্ডার হয়েছে।
তেল-গ্যাস আমদানি নিয়ে মন্ত্রী বলেন, তেল ও গ্যাস বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে সেটার দাম বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বেড়েছে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের কারণে আমাদের তেল-গ্যাস আমদানিতে ৪ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি হয়েছে। অথচ দেশের মানুষ কিন্তু এক দিনও তেল-গ্যাস ছাড়া থাকেনি। সরবরাহ কিছুটা কমেছে, তবে চরম সংকট দেখা যায়নি। দেশে যেটুকু সংকট রয়েছে সেটি অল্প সময়ের মধ্যে সমাধান করা হবে। এ ছাড়া জাহাজ ভাড়া বাড়ার কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় কিছু পণ্যের দাম বেড়েছে।
গণমাধ্যমের উদ্দেশে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের আমলে লিখতে না পারলেও এখন সত্য-মিথ্যা সবই লিখতে পারছে। বিএনপি সরকার দায়িত্ব পাওয়ার পর দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়েছে, সংসদে কথা বলার সুযোগ তৈরি হয়েছে। পত্রিকায় ইচ্ছামতো সাংবাদিকরা লিখতে পারছেন। আর সোস্যাল মিডিয়াতে তো যা ইচ্ছা তাই বলা হচ্ছে। এসব নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে আমাদের কাজ করতে হচ্ছে। আমরা জনগণের কাছে তাদের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সেই লক্ষে বিএনপি সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
লাভ শেয়ার বিডির পরিচালক জাহিদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট রেজেকা সুলতানা ফেন্সি, রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সামসুজ্জামান সামু।
এছাড়া বক্তব্য দেন রংপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন, জেলা পরিষদ প্রশাসক সাইফুল ইসলামসহ অন্যরা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রংপুর মহানগর ও জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিরোধী দল যে ভাষায় কথা বলছে সেটি গণতন্ত্রের ভাষা না। আমরা মেজরিটি পেয়েছি, আমরা দেশ চালাব। সেটিতে যদি ব্যর্থ হই, তখন আপনারা বলবেন, দেশ চালাতে পারেন নাই।
রবিবার (৯ আগস্ট) দুপুরে রংপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক চ্যারিটি সংস্থার লাভ শেয়ার বিডি আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। সুবিধাবঞ্চিতদের স্বাবলম্বীকরণ প্রকল্পের আওতায় রংপুর অঞ্চলের ২৫টি দুস্থ পরিবারের চা-ঘর (চায়ের দোকান) হস্তান্তর উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
জামায়াতে ইসলামীকে উদ্দেশ্য করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, কাজ করার আগেই আপনারা রাস্তায় বেরিয়ে পড়ছেন। আমরা সবাই গণতন্ত্রের ভাষায় কথা বলি, গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত হতে দিই, জনগণের প্রতিনিধিকে কাজ করতে দিই। তাহলে দেশের উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে পারব। এক-দুই দিনে উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন হয় না। দুর্ভাগ্যক্রমে বিরোধী দল সেই আগের মতোই ভূমিকা পালন করতে শুরু করেছে। হাসিনা যে ভাষায় কথা বলতো, তারাও সেই ভাষায় কথা বলছে। করতে দেবো না, চলতে দেবো না, শেষ করতে দেবো না। এ ধরনের রাজনীতি দেশের জন্য কল্যাণকর নয়।
মন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসন শেষে দেশ গঠনের সুযোগ এসেছে। ফ্যাসিস্ট সময়ে ৬০ লাখ মানুষের নামে মামলা, ২০ হাজার মানুষকে হত্যা ও ১৭০০ মানুষকে গুম করা হয়েছে, দেশে এখন সেই পরিস্থিতি নেই।
মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতি ও বিপর্যস্ত প্রশাসনকে ঢেলে সাজাতে বর্তমান সরকার চেষ্টা করছে। এত তাড়াতাড়ি এসব বাস্তবায়ন হয় না, আমাদের হাতে কোনো আলাদিনের চেরাগ নেই। তাদের ভাষায় এই মুর্হূতে করতে হবে। দেশে জ্বালানি সমস্যা রয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার গত ১৫ বছরে দেশে একটিও গ্যাস ও তেলের খনি অনুসন্ধান করেনি। তারা বাপেক্সকে পঙ্গু করে রেখেছিল। আমরা দায়িত্ব পাওয়ার পর দেশে তেল ও গ্যাসের কূপ খননের চেষ্টা করছি। কূপ খননের জন্য টেন্ডার হয়েছে।
তেল-গ্যাস আমদানি নিয়ে মন্ত্রী বলেন, তেল ও গ্যাস বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে সেটার দাম বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বেড়েছে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের কারণে আমাদের তেল-গ্যাস আমদানিতে ৪ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি হয়েছে। অথচ দেশের মানুষ কিন্তু এক দিনও তেল-গ্যাস ছাড়া থাকেনি। সরবরাহ কিছুটা কমেছে, তবে চরম সংকট দেখা যায়নি। দেশে যেটুকু সংকট রয়েছে সেটি অল্প সময়ের মধ্যে সমাধান করা হবে। এ ছাড়া জাহাজ ভাড়া বাড়ার কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় কিছু পণ্যের দাম বেড়েছে।
গণমাধ্যমের উদ্দেশে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের আমলে লিখতে না পারলেও এখন সত্য-মিথ্যা সবই লিখতে পারছে। বিএনপি সরকার দায়িত্ব পাওয়ার পর দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়েছে, সংসদে কথা বলার সুযোগ তৈরি হয়েছে। পত্রিকায় ইচ্ছামতো সাংবাদিকরা লিখতে পারছেন। আর সোস্যাল মিডিয়াতে তো যা ইচ্ছা তাই বলা হচ্ছে। এসব নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে আমাদের কাজ করতে হচ্ছে। আমরা জনগণের কাছে তাদের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সেই লক্ষে বিএনপি সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
লাভ শেয়ার বিডির পরিচালক জাহিদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট রেজেকা সুলতানা ফেন্সি, রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সামসুজ্জামান সামু।
এছাড়া বক্তব্য দেন রংপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন, জেলা পরিষদ প্রশাসক সাইফুল ইসলামসহ অন্যরা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রংপুর মহানগর ও জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

বিরোধী দল গণতন্ত্রের ভাষায় কথা বলছে না: মির্জা ফখরুল
রংপুর সংবাদদাতা

বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিরোধী দল যে ভাষায় কথা বলছে সেটি গণতন্ত্রের ভাষা না। আমরা মেজরিটি পেয়েছি, আমরা দেশ চালাব। সেটিতে যদি ব্যর্থ হই, তখন আপনারা বলবেন, দেশ চালাতে পারেন নাই।
রবিবার (৯ আগস্ট) দুপুরে রংপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক চ্যারিটি সংস্থার লাভ শেয়ার বিডি আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। সুবিধাবঞ্চিতদের স্বাবলম্বীকরণ প্রকল্পের আওতায় রংপুর অঞ্চলের ২৫টি দুস্থ পরিবারের চা-ঘর (চায়ের দোকান) হস্তান্তর উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
জামায়াতে ইসলামীকে উদ্দেশ্য করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, কাজ করার আগেই আপনারা রাস্তায় বেরিয়ে পড়ছেন। আমরা সবাই গণতন্ত্রের ভাষায় কথা বলি, গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত হতে দিই, জনগণের প্রতিনিধিকে কাজ করতে দিই। তাহলে দেশের উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে পারব। এক-দুই দিনে উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন হয় না। দুর্ভাগ্যক্রমে বিরোধী দল সেই আগের মতোই ভূমিকা পালন করতে শুরু করেছে। হাসিনা যে ভাষায় কথা বলতো, তারাও সেই ভাষায় কথা বলছে। করতে দেবো না, চলতে দেবো না, শেষ করতে দেবো না। এ ধরনের রাজনীতি দেশের জন্য কল্যাণকর নয়।
মন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসন শেষে দেশ গঠনের সুযোগ এসেছে। ফ্যাসিস্ট সময়ে ৬০ লাখ মানুষের নামে মামলা, ২০ হাজার মানুষকে হত্যা ও ১৭০০ মানুষকে গুম করা হয়েছে, দেশে এখন সেই পরিস্থিতি নেই।
মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতি ও বিপর্যস্ত প্রশাসনকে ঢেলে সাজাতে বর্তমান সরকার চেষ্টা করছে। এত তাড়াতাড়ি এসব বাস্তবায়ন হয় না, আমাদের হাতে কোনো আলাদিনের চেরাগ নেই। তাদের ভাষায় এই মুর্হূতে করতে হবে। দেশে জ্বালানি সমস্যা রয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার গত ১৫ বছরে দেশে একটিও গ্যাস ও তেলের খনি অনুসন্ধান করেনি। তারা বাপেক্সকে পঙ্গু করে রেখেছিল। আমরা দায়িত্ব পাওয়ার পর দেশে তেল ও গ্যাসের কূপ খননের চেষ্টা করছি। কূপ খননের জন্য টেন্ডার হয়েছে।
তেল-গ্যাস আমদানি নিয়ে মন্ত্রী বলেন, তেল ও গ্যাস বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে সেটার দাম বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বেড়েছে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের কারণে আমাদের তেল-গ্যাস আমদানিতে ৪ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি হয়েছে। অথচ দেশের মানুষ কিন্তু এক দিনও তেল-গ্যাস ছাড়া থাকেনি। সরবরাহ কিছুটা কমেছে, তবে চরম সংকট দেখা যায়নি। দেশে যেটুকু সংকট রয়েছে সেটি অল্প সময়ের মধ্যে সমাধান করা হবে। এ ছাড়া জাহাজ ভাড়া বাড়ার কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় কিছু পণ্যের দাম বেড়েছে।
গণমাধ্যমের উদ্দেশে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের আমলে লিখতে না পারলেও এখন সত্য-মিথ্যা সবই লিখতে পারছে। বিএনপি সরকার দায়িত্ব পাওয়ার পর দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়েছে, সংসদে কথা বলার সুযোগ তৈরি হয়েছে। পত্রিকায় ইচ্ছামতো সাংবাদিকরা লিখতে পারছেন। আর সোস্যাল মিডিয়াতে তো যা ইচ্ছা তাই বলা হচ্ছে। এসব নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে আমাদের কাজ করতে হচ্ছে। আমরা জনগণের কাছে তাদের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সেই লক্ষে বিএনপি সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
লাভ শেয়ার বিডির পরিচালক জাহিদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট রেজেকা সুলতানা ফেন্সি, রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সামসুজ্জামান সামু।
এছাড়া বক্তব্য দেন রংপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন, জেলা পরিষদ প্রশাসক সাইফুল ইসলামসহ অন্যরা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রংপুর মহানগর ও জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।









