প্রদর্শনীতে মুজিব থাকলেও জিয়া নেই, কারণ জানালেন আমির

প্রদর্শনীতে মুজিব থাকলেও জিয়া নেই, কারণ জানালেন আমির
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রদর্শনীতে শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণের ছবি থাকলেও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছবি বা স্বাধীনতা ঘোষণার প্রসঙ্গ কেন নেই? বলে প্রশ্ন তুলেছে বিএনপি। জবাবে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জিয়াউর রহমান স্বৈরাচার নন বলেই, ১৯৪৭ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত নানা পর্বে স্বৈরশাসনের ইতিহাসে তার ছবি রাখা হয়নি।
শনিবার (৮ আগস্ট) বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে প্রদর্শনী পরিদর্শন শেষে এ কথা বলেন তিনি।
জামায়াত আমির বলেন, কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন এখানে শেখ মুজিবের ৭ মার্চের ভাষণ আছে, জিয়াউর রহমান ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা নেই কেন? জিয়াউর রহমান স্বৈরাচারী শাসক ছিলেন না। এই জন্য তার শাসনামল প্রদর্শনীতে রাখা হয়নি।
তিনি বলেন, যারা কর্তৃত্ববাদী ছিল, যারা আগ্রাসী ছিল, জুলুমবাজ ছিল, আমরা তাদের এখানে তুলে এনেছি। এখানে দেখবেন আইয়ুব খান, ইয়াহিয়া খান সবাই আছে; কিন্তু কেউ বাদ পড়েনি। ইতিহাসের ধারাবাহিকতা তুলে আনা হয়েছে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সাড়ে ১৫ বছর ধরে মানুষের অধিকার হরণের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে আন্দোলন হয়েছে। এতে অনেকে জীবন দিয়েছেন, আহত ও পঙ্গু হয়েছেন, জেল খেটেছেন এবং মামলা মোকাবিলা করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের বড় ধরনের আন্দোলন গড়ে ওঠে। ২০২৪ সালের ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীদের ওপর হামলার পর আন্দোলনে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বাড়ে। ১৬ জুলাই রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদের মৃত্যুর পর আন্দোলন আরও ছড়িয়ে পড়ে। এরপর বিভিন্ন স্থানে ধারাবাহিক সংঘাত ও প্রাণহানি ঘটে। ৩ আগস্ট সেনাবাহিনীর সাধারণ সদস্যদের একটি অংশ জনগণের ওপর গুলি চালাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল। ৩ ও ৪ আগস্ট ব্যাপক হত্যাকাণ্ড এবং ইন্টারনেট বন্ধ করে লাশ গুমের ঘটনা ঘটে।
তিনি বলেন, জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংস্কার প্রস্তাব তৈরি হলেও গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতভেদ রয়েছে। বিচারপতি ও নির্বাচন কমিশন নিয়োগের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান দলীয় প্রভাবমুক্ত রাখতে হবে।
জামায়াত আমির বলেন, জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা এখনো পূরণ হয়নি। জনগণের অধিকার নিশ্চিত হওয়ার দিনই প্রকৃত অর্থে জুলাইয়ের সমাপ্তি হবে।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রদর্শনীতে শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণের ছবি থাকলেও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছবি বা স্বাধীনতা ঘোষণার প্রসঙ্গ কেন নেই? বলে প্রশ্ন তুলেছে বিএনপি। জবাবে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জিয়াউর রহমান স্বৈরাচার নন বলেই, ১৯৪৭ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত নানা পর্বে স্বৈরশাসনের ইতিহাসে তার ছবি রাখা হয়নি।
শনিবার (৮ আগস্ট) বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে প্রদর্শনী পরিদর্শন শেষে এ কথা বলেন তিনি।
জামায়াত আমির বলেন, কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন এখানে শেখ মুজিবের ৭ মার্চের ভাষণ আছে, জিয়াউর রহমান ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা নেই কেন? জিয়াউর রহমান স্বৈরাচারী শাসক ছিলেন না। এই জন্য তার শাসনামল প্রদর্শনীতে রাখা হয়নি।
তিনি বলেন, যারা কর্তৃত্ববাদী ছিল, যারা আগ্রাসী ছিল, জুলুমবাজ ছিল, আমরা তাদের এখানে তুলে এনেছি। এখানে দেখবেন আইয়ুব খান, ইয়াহিয়া খান সবাই আছে; কিন্তু কেউ বাদ পড়েনি। ইতিহাসের ধারাবাহিকতা তুলে আনা হয়েছে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সাড়ে ১৫ বছর ধরে মানুষের অধিকার হরণের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে আন্দোলন হয়েছে। এতে অনেকে জীবন দিয়েছেন, আহত ও পঙ্গু হয়েছেন, জেল খেটেছেন এবং মামলা মোকাবিলা করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের বড় ধরনের আন্দোলন গড়ে ওঠে। ২০২৪ সালের ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীদের ওপর হামলার পর আন্দোলনে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বাড়ে। ১৬ জুলাই রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদের মৃত্যুর পর আন্দোলন আরও ছড়িয়ে পড়ে। এরপর বিভিন্ন স্থানে ধারাবাহিক সংঘাত ও প্রাণহানি ঘটে। ৩ আগস্ট সেনাবাহিনীর সাধারণ সদস্যদের একটি অংশ জনগণের ওপর গুলি চালাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল। ৩ ও ৪ আগস্ট ব্যাপক হত্যাকাণ্ড এবং ইন্টারনেট বন্ধ করে লাশ গুমের ঘটনা ঘটে।
তিনি বলেন, জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংস্কার প্রস্তাব তৈরি হলেও গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতভেদ রয়েছে। বিচারপতি ও নির্বাচন কমিশন নিয়োগের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান দলীয় প্রভাবমুক্ত রাখতে হবে।
জামায়াত আমির বলেন, জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা এখনো পূরণ হয়নি। জনগণের অধিকার নিশ্চিত হওয়ার দিনই প্রকৃত অর্থে জুলাইয়ের সমাপ্তি হবে।

প্রদর্শনীতে মুজিব থাকলেও জিয়া নেই, কারণ জানালেন আমির
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রদর্শনীতে শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণের ছবি থাকলেও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছবি বা স্বাধীনতা ঘোষণার প্রসঙ্গ কেন নেই? বলে প্রশ্ন তুলেছে বিএনপি। জবাবে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জিয়াউর রহমান স্বৈরাচার নন বলেই, ১৯৪৭ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত নানা পর্বে স্বৈরশাসনের ইতিহাসে তার ছবি রাখা হয়নি।
শনিবার (৮ আগস্ট) বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে প্রদর্শনী পরিদর্শন শেষে এ কথা বলেন তিনি।
জামায়াত আমির বলেন, কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন এখানে শেখ মুজিবের ৭ মার্চের ভাষণ আছে, জিয়াউর রহমান ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা নেই কেন? জিয়াউর রহমান স্বৈরাচারী শাসক ছিলেন না। এই জন্য তার শাসনামল প্রদর্শনীতে রাখা হয়নি।
তিনি বলেন, যারা কর্তৃত্ববাদী ছিল, যারা আগ্রাসী ছিল, জুলুমবাজ ছিল, আমরা তাদের এখানে তুলে এনেছি। এখানে দেখবেন আইয়ুব খান, ইয়াহিয়া খান সবাই আছে; কিন্তু কেউ বাদ পড়েনি। ইতিহাসের ধারাবাহিকতা তুলে আনা হয়েছে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সাড়ে ১৫ বছর ধরে মানুষের অধিকার হরণের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে আন্দোলন হয়েছে। এতে অনেকে জীবন দিয়েছেন, আহত ও পঙ্গু হয়েছেন, জেল খেটেছেন এবং মামলা মোকাবিলা করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের বড় ধরনের আন্দোলন গড়ে ওঠে। ২০২৪ সালের ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীদের ওপর হামলার পর আন্দোলনে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বাড়ে। ১৬ জুলাই রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদের মৃত্যুর পর আন্দোলন আরও ছড়িয়ে পড়ে। এরপর বিভিন্ন স্থানে ধারাবাহিক সংঘাত ও প্রাণহানি ঘটে। ৩ আগস্ট সেনাবাহিনীর সাধারণ সদস্যদের একটি অংশ জনগণের ওপর গুলি চালাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল। ৩ ও ৪ আগস্ট ব্যাপক হত্যাকাণ্ড এবং ইন্টারনেট বন্ধ করে লাশ গুমের ঘটনা ঘটে।
তিনি বলেন, জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংস্কার প্রস্তাব তৈরি হলেও গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতভেদ রয়েছে। বিচারপতি ও নির্বাচন কমিশন নিয়োগের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান দলীয় প্রভাবমুক্ত রাখতে হবে।
জামায়াত আমির বলেন, জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা এখনো পূরণ হয়নি। জনগণের অধিকার নিশ্চিত হওয়ার দিনই প্রকৃত অর্থে জুলাইয়ের সমাপ্তি হবে।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে জামায়াত 






