রূপপুরে জ্বালানি লোডিং উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী, ভার্চুয়ালি থাকবেন পুতিন

রূপপুরে জ্বালানি লোডিং উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী, ভার্চুয়ালি থাকবেন পুতিন
নিজস্ব প্রতিবেদক

পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি লোডিং কার্যক্রম আগামী ৭ এপ্রিল শুরু হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এই কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও দিকনির্দেশনায় জ্বালানি লোডিং কার্যক্রম উদ্বোধনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে গত ১৮ মার্চ আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সঙ্গে নতুন এক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ। ২০২৬ থেকে ২০৩২ সাল পর্যন্ত মেয়াদি এই চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো পরমাণু প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করা।
শুক্রবার (২০ মার্চ) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. তানভীর মিয়া।
অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় আইএইএর সদর দপ্তরে পঞ্চম 'কান্ট্রি প্রোগ্রাম ফ্রেমওয়ার্ক' (সিপিএফ) শীর্ষক এই দ্বিপাক্ষিক চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। বাংলাদেশের পক্ষে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন এবং আইএইএর পক্ষে সংস্থাটির উপ-মহাপরিচালক ও টেকনিক্যাল কো-অপারেশন বিভাগের প্রধান হুয়া লিউ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
সিপিএফ হলো আইএইএ এবং এর সদস্য দেশগুলোর মধ্যে প্রযুক্তিগত সহযোগিতার একটি মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা। বাংলাদেশ আগামী ৬ বছরের জন্য পরমাণু প্রযুক্তির ব্যবহারের ক্ষেত্রে ৭টি অগ্রাধিকার ভিত্তিক খাত চিহ্নিত করেছে। এগুলো হলো– পরমাণু ও বিকিরণ সুরক্ষা এবং নিরাপত্তা, জ্বালানি, খাদ্য ও কৃষি, জনস্বাস্থ্য, পানি ও পরিবেশ, পরমাণু বিষয়ক জ্ঞান উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা এবং শিল্পক্ষেত্রে বিকিরণ প্রযুক্তির ব্যবহার।
নতুন স্বাক্ষরিত এই সিপিএফ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাঠামো। এটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশে পরমাণু প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের পরিধি আরও বিস্তৃত হবে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে রাশিয়ার ভিভিইআর-১২০০ মডেলের তৃতীয় প্রজন্মের দুটি রিঅ্যাক্টর স্থাপন করা হচ্ছে। প্রতিটি ইউনিটের উৎপাদন ক্ষমতা ১,২০০ মেগাওয়াট। দুটি ইউনিট মিলিয়ে মোট উৎপাদন ক্ষমতা দাঁড়াবে ২,৪০০ মেগাওয়াট। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটম।
প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিট-১ এর সব প্রস্তুতিমূলক কাজ আগামী ২৭ মার্চের মধ্যে সম্পন্ন হবে। এরপর আনুষ্ঠানিকভাবে কমিশনিং তথা জ্বালানি লোডিং কার্যক্রম শুরু হবে।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, রুশ ঠিকাদার আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারকে জানিয়েছে যে, ইউনিট-১ এ ৭ এপ্রিল থেকে জ্বালানি লোডিং শুরু হবে। তিনি বলেন, জুলাইয়ের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করে জাতীয় গ্রিডে অন্তত ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হবে।
তিনি আরও জানান, জ্বালানি লোডিংয়ের সময় আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) এবং রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটমের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল উপস্থিত থাকবে।
প্রকল্প এলাকায় ব্যাপক কর্মযজ্ঞ
জানা গেছে, জ্বালানি লোডিংয়ের প্রস্তুতিকে ঘিরে প্রকল্প এলাকায় ব্যাপক কর্মযজ্ঞ চলছে। এরইমধ্যে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এবং নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (এনপিসিবিএল)-এর অধীনে কর্মরতদের ঈদুল ফিতরের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
এনপিসিবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. জায়েদুল হাসান জানান, এরইমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতিমূলক কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও সেফগার্ডকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ফিজিক্যাল স্টার্টআপ তথা জ্বালানি লোডিংয়ের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ১৯৭২ সাল থেকে আইএইএর সদস্য। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন, সহযোগিতার এই নতুন পর্যায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের (আরএনপিপি) আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও কারিগরি মান নিশ্চিত করবে।

পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি লোডিং কার্যক্রম আগামী ৭ এপ্রিল শুরু হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এই কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও দিকনির্দেশনায় জ্বালানি লোডিং কার্যক্রম উদ্বোধনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে গত ১৮ মার্চ আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সঙ্গে নতুন এক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ। ২০২৬ থেকে ২০৩২ সাল পর্যন্ত মেয়াদি এই চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো পরমাণু প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করা।
শুক্রবার (২০ মার্চ) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. তানভীর মিয়া।
অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় আইএইএর সদর দপ্তরে পঞ্চম 'কান্ট্রি প্রোগ্রাম ফ্রেমওয়ার্ক' (সিপিএফ) শীর্ষক এই দ্বিপাক্ষিক চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। বাংলাদেশের পক্ষে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন এবং আইএইএর পক্ষে সংস্থাটির উপ-মহাপরিচালক ও টেকনিক্যাল কো-অপারেশন বিভাগের প্রধান হুয়া লিউ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
সিপিএফ হলো আইএইএ এবং এর সদস্য দেশগুলোর মধ্যে প্রযুক্তিগত সহযোগিতার একটি মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা। বাংলাদেশ আগামী ৬ বছরের জন্য পরমাণু প্রযুক্তির ব্যবহারের ক্ষেত্রে ৭টি অগ্রাধিকার ভিত্তিক খাত চিহ্নিত করেছে। এগুলো হলো– পরমাণু ও বিকিরণ সুরক্ষা এবং নিরাপত্তা, জ্বালানি, খাদ্য ও কৃষি, জনস্বাস্থ্য, পানি ও পরিবেশ, পরমাণু বিষয়ক জ্ঞান উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা এবং শিল্পক্ষেত্রে বিকিরণ প্রযুক্তির ব্যবহার।
নতুন স্বাক্ষরিত এই সিপিএফ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাঠামো। এটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশে পরমাণু প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের পরিধি আরও বিস্তৃত হবে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে রাশিয়ার ভিভিইআর-১২০০ মডেলের তৃতীয় প্রজন্মের দুটি রিঅ্যাক্টর স্থাপন করা হচ্ছে। প্রতিটি ইউনিটের উৎপাদন ক্ষমতা ১,২০০ মেগাওয়াট। দুটি ইউনিট মিলিয়ে মোট উৎপাদন ক্ষমতা দাঁড়াবে ২,৪০০ মেগাওয়াট। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটম।
প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিট-১ এর সব প্রস্তুতিমূলক কাজ আগামী ২৭ মার্চের মধ্যে সম্পন্ন হবে। এরপর আনুষ্ঠানিকভাবে কমিশনিং তথা জ্বালানি লোডিং কার্যক্রম শুরু হবে।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, রুশ ঠিকাদার আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারকে জানিয়েছে যে, ইউনিট-১ এ ৭ এপ্রিল থেকে জ্বালানি লোডিং শুরু হবে। তিনি বলেন, জুলাইয়ের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করে জাতীয় গ্রিডে অন্তত ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হবে।
তিনি আরও জানান, জ্বালানি লোডিংয়ের সময় আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) এবং রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটমের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল উপস্থিত থাকবে।
প্রকল্প এলাকায় ব্যাপক কর্মযজ্ঞ
জানা গেছে, জ্বালানি লোডিংয়ের প্রস্তুতিকে ঘিরে প্রকল্প এলাকায় ব্যাপক কর্মযজ্ঞ চলছে। এরইমধ্যে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এবং নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (এনপিসিবিএল)-এর অধীনে কর্মরতদের ঈদুল ফিতরের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
এনপিসিবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. জায়েদুল হাসান জানান, এরইমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতিমূলক কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও সেফগার্ডকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ফিজিক্যাল স্টার্টআপ তথা জ্বালানি লোডিংয়ের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ১৯৭২ সাল থেকে আইএইএর সদস্য। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন, সহযোগিতার এই নতুন পর্যায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের (আরএনপিপি) আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও কারিগরি মান নিশ্চিত করবে।

রূপপুরে জ্বালানি লোডিং উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী, ভার্চুয়ালি থাকবেন পুতিন
নিজস্ব প্রতিবেদক

পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি লোডিং কার্যক্রম আগামী ৭ এপ্রিল শুরু হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এই কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও দিকনির্দেশনায় জ্বালানি লোডিং কার্যক্রম উদ্বোধনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে গত ১৮ মার্চ আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সঙ্গে নতুন এক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ। ২০২৬ থেকে ২০৩২ সাল পর্যন্ত মেয়াদি এই চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো পরমাণু প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করা।
শুক্রবার (২০ মার্চ) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. তানভীর মিয়া।
অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় আইএইএর সদর দপ্তরে পঞ্চম 'কান্ট্রি প্রোগ্রাম ফ্রেমওয়ার্ক' (সিপিএফ) শীর্ষক এই দ্বিপাক্ষিক চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। বাংলাদেশের পক্ষে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন এবং আইএইএর পক্ষে সংস্থাটির উপ-মহাপরিচালক ও টেকনিক্যাল কো-অপারেশন বিভাগের প্রধান হুয়া লিউ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
সিপিএফ হলো আইএইএ এবং এর সদস্য দেশগুলোর মধ্যে প্রযুক্তিগত সহযোগিতার একটি মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা। বাংলাদেশ আগামী ৬ বছরের জন্য পরমাণু প্রযুক্তির ব্যবহারের ক্ষেত্রে ৭টি অগ্রাধিকার ভিত্তিক খাত চিহ্নিত করেছে। এগুলো হলো– পরমাণু ও বিকিরণ সুরক্ষা এবং নিরাপত্তা, জ্বালানি, খাদ্য ও কৃষি, জনস্বাস্থ্য, পানি ও পরিবেশ, পরমাণু বিষয়ক জ্ঞান উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা এবং শিল্পক্ষেত্রে বিকিরণ প্রযুক্তির ব্যবহার।
নতুন স্বাক্ষরিত এই সিপিএফ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাঠামো। এটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশে পরমাণু প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের পরিধি আরও বিস্তৃত হবে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে রাশিয়ার ভিভিইআর-১২০০ মডেলের তৃতীয় প্রজন্মের দুটি রিঅ্যাক্টর স্থাপন করা হচ্ছে। প্রতিটি ইউনিটের উৎপাদন ক্ষমতা ১,২০০ মেগাওয়াট। দুটি ইউনিট মিলিয়ে মোট উৎপাদন ক্ষমতা দাঁড়াবে ২,৪০০ মেগাওয়াট। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটম।
প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিট-১ এর সব প্রস্তুতিমূলক কাজ আগামী ২৭ মার্চের মধ্যে সম্পন্ন হবে। এরপর আনুষ্ঠানিকভাবে কমিশনিং তথা জ্বালানি লোডিং কার্যক্রম শুরু হবে।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, রুশ ঠিকাদার আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারকে জানিয়েছে যে, ইউনিট-১ এ ৭ এপ্রিল থেকে জ্বালানি লোডিং শুরু হবে। তিনি বলেন, জুলাইয়ের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করে জাতীয় গ্রিডে অন্তত ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হবে।
তিনি আরও জানান, জ্বালানি লোডিংয়ের সময় আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) এবং রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটমের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল উপস্থিত থাকবে।
প্রকল্প এলাকায় ব্যাপক কর্মযজ্ঞ
জানা গেছে, জ্বালানি লোডিংয়ের প্রস্তুতিকে ঘিরে প্রকল্প এলাকায় ব্যাপক কর্মযজ্ঞ চলছে। এরইমধ্যে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এবং নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (এনপিসিবিএল)-এর অধীনে কর্মরতদের ঈদুল ফিতরের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
এনপিসিবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. জায়েদুল হাসান জানান, এরইমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতিমূলক কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও সেফগার্ডকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ফিজিক্যাল স্টার্টআপ তথা জ্বালানি লোডিংয়ের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ১৯৭২ সাল থেকে আইএইএর সদস্য। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন, সহযোগিতার এই নতুন পর্যায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের (আরএনপিপি) আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও কারিগরি মান নিশ্চিত করবে।




