তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হলেন জহির উদ্দিন স্বপন

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হলেন জহির উদ্দিন স্বপন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-১ (গৌরনদী–আগৈলঝাড়া) আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী হয়ে নতুন মন্ত্রিসভায় জায়গা করে নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও দুইবারের সাবেক এমপি জহির উদ্দিন স্বপন। তারেক রহমান নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারে তিনি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়–এর দায়িত্ব পেয়েছেন।
এবারের নির্বাচনে জহির উদ্দিন স্বপন ১ লাখ ৫৫২ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা কামরুল ইসলাম খান পান ৪৬ হাজার ২৬৩ ভোট। প্রায় ৪৯ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলার সরীকেল গ্রামে জন্ম নেওয়া স্বপন দীর্ঘদিন ধরে দলীয় রাজনীতিতে সক্রিয়। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মিডিয়া সেলের সাবেক আহ্বায়ক এবং দলের সাবেক চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য ছিলেন। বর্তমানে তিনি দলীয় কমিউনিকেশন সেলের প্রধান সম্পাদক এবং বিএনআরসির পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
তার রাজনৈতিক উত্থান ছাত্র রাজনীতি থেকে। আশির দশকে বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রীর কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন তিনি। নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনেও সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। ১৯৯৩ সালে বিএনপিতে যোগ দিয়ে কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন। পরবর্তী সময়ে দলের মিডিয়া সেলের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক, কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এবং চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আন্দোলনেও তিনি সক্রিয় ছিলেন এবং এ সময় একাধিকবার কারাভোগ করেন।
১৯৯৬ সালের ষষ্ঠ এবং ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন স্বপন। ২০০৮ সালের নবম সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেও পরে ধানের শীষের পক্ষে সমর্থন জানিয়ে সরে দাঁড়ান। সংসদ সদস্য থাকাকালে তিনি পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি এবং সংস্থাপন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে কাজ করেন।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও রয়েছে তার অভিজ্ঞতা। তিনি দুইবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। পাশাপাশি আইনপ্রণেতাদের বৈশ্বিক নেটওয়ার্ক পার্লামেন্টারিয়ানস ফর গ্লোবাল অ্যাকশনের এশিয়া অঞ্চলের সহসভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করা স্বপন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় তিনি জানান, বরিশালবাসীর দীর্ঘদিনের আস্থা ও ভালোবাসার প্রতিদান দিতে চান তিনি। দেশ ও জনগণের স্বার্থকে সর্বাগ্রে রেখে দায়িত্ব পালনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং এ সুযোগ দেওয়ার জন্য বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
দীর্ঘ ১৮ বছর পর এ আসনে বিএনপির জয় এবং এলাকার একজন নেতার মন্ত্রী হওয়ায় আগৈলঝাড়া উপজেলাসহ পুরো অঞ্চলে উৎসবের আমেজ দেখা গেছে। স্থানীয় নেতা–কর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আনন্দ উদযাপন ও মিষ্টি বিতরণের খবর পাওয়া গেছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-১ (গৌরনদী–আগৈলঝাড়া) আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী হয়ে নতুন মন্ত্রিসভায় জায়গা করে নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও দুইবারের সাবেক এমপি জহির উদ্দিন স্বপন। তারেক রহমান নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারে তিনি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়–এর দায়িত্ব পেয়েছেন।
এবারের নির্বাচনে জহির উদ্দিন স্বপন ১ লাখ ৫৫২ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা কামরুল ইসলাম খান পান ৪৬ হাজার ২৬৩ ভোট। প্রায় ৪৯ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলার সরীকেল গ্রামে জন্ম নেওয়া স্বপন দীর্ঘদিন ধরে দলীয় রাজনীতিতে সক্রিয়। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মিডিয়া সেলের সাবেক আহ্বায়ক এবং দলের সাবেক চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য ছিলেন। বর্তমানে তিনি দলীয় কমিউনিকেশন সেলের প্রধান সম্পাদক এবং বিএনআরসির পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
তার রাজনৈতিক উত্থান ছাত্র রাজনীতি থেকে। আশির দশকে বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রীর কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন তিনি। নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনেও সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। ১৯৯৩ সালে বিএনপিতে যোগ দিয়ে কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন। পরবর্তী সময়ে দলের মিডিয়া সেলের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক, কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এবং চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আন্দোলনেও তিনি সক্রিয় ছিলেন এবং এ সময় একাধিকবার কারাভোগ করেন।
১৯৯৬ সালের ষষ্ঠ এবং ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন স্বপন। ২০০৮ সালের নবম সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেও পরে ধানের শীষের পক্ষে সমর্থন জানিয়ে সরে দাঁড়ান। সংসদ সদস্য থাকাকালে তিনি পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি এবং সংস্থাপন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে কাজ করেন।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও রয়েছে তার অভিজ্ঞতা। তিনি দুইবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। পাশাপাশি আইনপ্রণেতাদের বৈশ্বিক নেটওয়ার্ক পার্লামেন্টারিয়ানস ফর গ্লোবাল অ্যাকশনের এশিয়া অঞ্চলের সহসভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করা স্বপন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় তিনি জানান, বরিশালবাসীর দীর্ঘদিনের আস্থা ও ভালোবাসার প্রতিদান দিতে চান তিনি। দেশ ও জনগণের স্বার্থকে সর্বাগ্রে রেখে দায়িত্ব পালনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং এ সুযোগ দেওয়ার জন্য বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
দীর্ঘ ১৮ বছর পর এ আসনে বিএনপির জয় এবং এলাকার একজন নেতার মন্ত্রী হওয়ায় আগৈলঝাড়া উপজেলাসহ পুরো অঞ্চলে উৎসবের আমেজ দেখা গেছে। স্থানীয় নেতা–কর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আনন্দ উদযাপন ও মিষ্টি বিতরণের খবর পাওয়া গেছে।

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হলেন জহির উদ্দিন স্বপন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-১ (গৌরনদী–আগৈলঝাড়া) আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী হয়ে নতুন মন্ত্রিসভায় জায়গা করে নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও দুইবারের সাবেক এমপি জহির উদ্দিন স্বপন। তারেক রহমান নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারে তিনি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়–এর দায়িত্ব পেয়েছেন।
এবারের নির্বাচনে জহির উদ্দিন স্বপন ১ লাখ ৫৫২ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা কামরুল ইসলাম খান পান ৪৬ হাজার ২৬৩ ভোট। প্রায় ৪৯ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলার সরীকেল গ্রামে জন্ম নেওয়া স্বপন দীর্ঘদিন ধরে দলীয় রাজনীতিতে সক্রিয়। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মিডিয়া সেলের সাবেক আহ্বায়ক এবং দলের সাবেক চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য ছিলেন। বর্তমানে তিনি দলীয় কমিউনিকেশন সেলের প্রধান সম্পাদক এবং বিএনআরসির পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
তার রাজনৈতিক উত্থান ছাত্র রাজনীতি থেকে। আশির দশকে বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রীর কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন তিনি। নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনেও সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। ১৯৯৩ সালে বিএনপিতে যোগ দিয়ে কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন। পরবর্তী সময়ে দলের মিডিয়া সেলের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক, কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এবং চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আন্দোলনেও তিনি সক্রিয় ছিলেন এবং এ সময় একাধিকবার কারাভোগ করেন।
১৯৯৬ সালের ষষ্ঠ এবং ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন স্বপন। ২০০৮ সালের নবম সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেও পরে ধানের শীষের পক্ষে সমর্থন জানিয়ে সরে দাঁড়ান। সংসদ সদস্য থাকাকালে তিনি পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি এবং সংস্থাপন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে কাজ করেন।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও রয়েছে তার অভিজ্ঞতা। তিনি দুইবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। পাশাপাশি আইনপ্রণেতাদের বৈশ্বিক নেটওয়ার্ক পার্লামেন্টারিয়ানস ফর গ্লোবাল অ্যাকশনের এশিয়া অঞ্চলের সহসভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করা স্বপন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় তিনি জানান, বরিশালবাসীর দীর্ঘদিনের আস্থা ও ভালোবাসার প্রতিদান দিতে চান তিনি। দেশ ও জনগণের স্বার্থকে সর্বাগ্রে রেখে দায়িত্ব পালনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং এ সুযোগ দেওয়ার জন্য বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
দীর্ঘ ১৮ বছর পর এ আসনে বিএনপির জয় এবং এলাকার একজন নেতার মন্ত্রী হওয়ায় আগৈলঝাড়া উপজেলাসহ পুরো অঞ্চলে উৎসবের আমেজ দেখা গেছে। স্থানীয় নেতা–কর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আনন্দ উদযাপন ও মিষ্টি বিতরণের খবর পাওয়া গেছে।




