হজে গমনেচ্ছুদের প্রাক-নিবন্ধন শুরু, ব্যাংক হিসাব বাধ্যতামূলক

হজে গমনেচ্ছুদের প্রাক-নিবন্ধন শুরু, ব্যাংক হিসাব বাধ্যতামূলক
বিশেষ প্রতিনিধি

২০২৭ সালে পবিত্র হজ পালনের ইচ্ছা পোষণকারী বাংলাদেশী নাগরিকদের জন্য প্রাক-নিবন্ধন প্রক্রিয়া কার্যক্রম শুরু করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। তবে এবার হজযাত্রীদের প্রাক-নিবন্ধন কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করতে ব্যাংক হিসাব বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বুধবার (১ জুলাই) ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ-১ শাখা থেকে সিনিয়র সহকারী সচিব মো. তফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, হজে গমনের প্রথম এবং অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো প্রাক-নিবন্ধন। হজে গমনেচ্ছু সব বাংলাদেশী নাগরিককে সময়মতো এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, হজযাত্রীদের প্রাক-নিবন্ধন কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করতে নির্দিষ্ট কিছু নথিপত্র এবং তথ্য সরবরাহ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। যাত্রীর জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) অথবা বাংলাদেশী পাসপোর্ট অথবা জন্মসনদ, পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি, সচল মোবাইল নম্বর এবং নিজস্ব ব্যাংক হিসাব নম্বর থাকতে হবে। তবে পারিবারিক নিবন্ধনের ক্ষেত্রে কিছুটা শিথিলতা করা হয়েছে। একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তি যদি এক সঙ্গে হজে যেতে চান, তবে তাদের প্রত্যেকের আলাদা অ্যাকাউন্ট না থাকলেও চলবে। সেক্ষেত্রে পরিবারের একাধিক ব্যক্তির জন্য একটি একক ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করেই প্রাক-নিবন্ধন সম্পন্ন করা যাবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, হজের সামগ্রিক আর্থিক লেনদেনকে আরও নিরাপদ, স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল করতে সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষ কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। এখন থেকে সরকারি ও বেসরকারি—উভয় মাধ্যমের হজযাত্রীদের জন্যই নিজস্ব বা পারিবারিক ব্যাংক হিসাব থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, ইতিপূর্বে যেসকল হজযাত্রী প্রাক-নিবন্ধন করার সময় কোনো কারণে ব্যাংক হিসাবের তথ্য দেননি, তাদেরকে অবশ্যই মূল নিবন্ধনের সময় উক্ত ব্যাংক হিসাবের তথ্য দিতে হবে। তথ্য হালনাগাদ না করলে চূড়ান্ত নিবন্ধনে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমেই এই বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সবাইকে অবগত করা হয়। হজ সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য ও পরবর্তী আপডেটের জন্য ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (www.hajj.gov.bd) ভিজিট করতে বলা হয়েছে।
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, হজের মতো একটি বড় ধর্মীয় আয়োজনে বিপুল অঙ্কের আর্থিক লেনদেন হয়। এটির নিরাপত্তা নিশ্চিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে হজযাত্রীরা যেকোনো ধরণের আর্থিক প্রতারণা বা মধ্যস্বত্বভোগীদের হয়রানি থেকে সুরক্ষিত থাকবেন।
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মঞ্জুরুল হক সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, অনেক যাত্রী প্রাক–নিবন্ধন কিংবা নিবন্ধন করার পরও যদি হজে যেতে ব্যর্থ হন তাহলে ওই ব্যক্তি বা তাদের পরিবারের টাকা ফেরত দেওয়া সহজ ও সচ্ছতার জন্য ব্যাংক হিসাব থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

২০২৭ সালে পবিত্র হজ পালনের ইচ্ছা পোষণকারী বাংলাদেশী নাগরিকদের জন্য প্রাক-নিবন্ধন প্রক্রিয়া কার্যক্রম শুরু করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। তবে এবার হজযাত্রীদের প্রাক-নিবন্ধন কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করতে ব্যাংক হিসাব বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বুধবার (১ জুলাই) ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ-১ শাখা থেকে সিনিয়র সহকারী সচিব মো. তফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, হজে গমনের প্রথম এবং অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো প্রাক-নিবন্ধন। হজে গমনেচ্ছু সব বাংলাদেশী নাগরিককে সময়মতো এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, হজযাত্রীদের প্রাক-নিবন্ধন কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করতে নির্দিষ্ট কিছু নথিপত্র এবং তথ্য সরবরাহ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। যাত্রীর জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) অথবা বাংলাদেশী পাসপোর্ট অথবা জন্মসনদ, পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি, সচল মোবাইল নম্বর এবং নিজস্ব ব্যাংক হিসাব নম্বর থাকতে হবে। তবে পারিবারিক নিবন্ধনের ক্ষেত্রে কিছুটা শিথিলতা করা হয়েছে। একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তি যদি এক সঙ্গে হজে যেতে চান, তবে তাদের প্রত্যেকের আলাদা অ্যাকাউন্ট না থাকলেও চলবে। সেক্ষেত্রে পরিবারের একাধিক ব্যক্তির জন্য একটি একক ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করেই প্রাক-নিবন্ধন সম্পন্ন করা যাবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, হজের সামগ্রিক আর্থিক লেনদেনকে আরও নিরাপদ, স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল করতে সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষ কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। এখন থেকে সরকারি ও বেসরকারি—উভয় মাধ্যমের হজযাত্রীদের জন্যই নিজস্ব বা পারিবারিক ব্যাংক হিসাব থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, ইতিপূর্বে যেসকল হজযাত্রী প্রাক-নিবন্ধন করার সময় কোনো কারণে ব্যাংক হিসাবের তথ্য দেননি, তাদেরকে অবশ্যই মূল নিবন্ধনের সময় উক্ত ব্যাংক হিসাবের তথ্য দিতে হবে। তথ্য হালনাগাদ না করলে চূড়ান্ত নিবন্ধনে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমেই এই বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সবাইকে অবগত করা হয়। হজ সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য ও পরবর্তী আপডেটের জন্য ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (www.hajj.gov.bd) ভিজিট করতে বলা হয়েছে।
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, হজের মতো একটি বড় ধর্মীয় আয়োজনে বিপুল অঙ্কের আর্থিক লেনদেন হয়। এটির নিরাপত্তা নিশ্চিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে হজযাত্রীরা যেকোনো ধরণের আর্থিক প্রতারণা বা মধ্যস্বত্বভোগীদের হয়রানি থেকে সুরক্ষিত থাকবেন।
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মঞ্জুরুল হক সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, অনেক যাত্রী প্রাক–নিবন্ধন কিংবা নিবন্ধন করার পরও যদি হজে যেতে ব্যর্থ হন তাহলে ওই ব্যক্তি বা তাদের পরিবারের টাকা ফেরত দেওয়া সহজ ও সচ্ছতার জন্য ব্যাংক হিসাব থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

হজে গমনেচ্ছুদের প্রাক-নিবন্ধন শুরু, ব্যাংক হিসাব বাধ্যতামূলক
বিশেষ প্রতিনিধি

২০২৭ সালে পবিত্র হজ পালনের ইচ্ছা পোষণকারী বাংলাদেশী নাগরিকদের জন্য প্রাক-নিবন্ধন প্রক্রিয়া কার্যক্রম শুরু করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। তবে এবার হজযাত্রীদের প্রাক-নিবন্ধন কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করতে ব্যাংক হিসাব বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বুধবার (১ জুলাই) ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ-১ শাখা থেকে সিনিয়র সহকারী সচিব মো. তফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, হজে গমনের প্রথম এবং অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো প্রাক-নিবন্ধন। হজে গমনেচ্ছু সব বাংলাদেশী নাগরিককে সময়মতো এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, হজযাত্রীদের প্রাক-নিবন্ধন কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করতে নির্দিষ্ট কিছু নথিপত্র এবং তথ্য সরবরাহ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। যাত্রীর জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) অথবা বাংলাদেশী পাসপোর্ট অথবা জন্মসনদ, পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি, সচল মোবাইল নম্বর এবং নিজস্ব ব্যাংক হিসাব নম্বর থাকতে হবে। তবে পারিবারিক নিবন্ধনের ক্ষেত্রে কিছুটা শিথিলতা করা হয়েছে। একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তি যদি এক সঙ্গে হজে যেতে চান, তবে তাদের প্রত্যেকের আলাদা অ্যাকাউন্ট না থাকলেও চলবে। সেক্ষেত্রে পরিবারের একাধিক ব্যক্তির জন্য একটি একক ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করেই প্রাক-নিবন্ধন সম্পন্ন করা যাবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, হজের সামগ্রিক আর্থিক লেনদেনকে আরও নিরাপদ, স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল করতে সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষ কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। এখন থেকে সরকারি ও বেসরকারি—উভয় মাধ্যমের হজযাত্রীদের জন্যই নিজস্ব বা পারিবারিক ব্যাংক হিসাব থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, ইতিপূর্বে যেসকল হজযাত্রী প্রাক-নিবন্ধন করার সময় কোনো কারণে ব্যাংক হিসাবের তথ্য দেননি, তাদেরকে অবশ্যই মূল নিবন্ধনের সময় উক্ত ব্যাংক হিসাবের তথ্য দিতে হবে। তথ্য হালনাগাদ না করলে চূড়ান্ত নিবন্ধনে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমেই এই বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সবাইকে অবগত করা হয়। হজ সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য ও পরবর্তী আপডেটের জন্য ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (www.hajj.gov.bd) ভিজিট করতে বলা হয়েছে।
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, হজের মতো একটি বড় ধর্মীয় আয়োজনে বিপুল অঙ্কের আর্থিক লেনদেন হয়। এটির নিরাপত্তা নিশ্চিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে হজযাত্রীরা যেকোনো ধরণের আর্থিক প্রতারণা বা মধ্যস্বত্বভোগীদের হয়রানি থেকে সুরক্ষিত থাকবেন।
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মঞ্জুরুল হক সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, অনেক যাত্রী প্রাক–নিবন্ধন কিংবা নিবন্ধন করার পরও যদি হজে যেতে ব্যর্থ হন তাহলে ওই ব্যক্তি বা তাদের পরিবারের টাকা ফেরত দেওয়া সহজ ও সচ্ছতার জন্য ব্যাংক হিসাব থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

হজের টাকা লেনদেনের সময় প্রতারক চক্র থেকে সতর্ক থাকুন


