ঠাকুরগাঁও থেকে নিখোঁজ ৪ ছাত্রী সিলেটে উদ্ধার

ঠাকুরগাঁও থেকে নিখোঁজ ৪ ছাত্রী সিলেটে উদ্ধার
ঠাকুরগাঁও সংবাদদাতা

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা থেকে নিখোঁজ হওয়া একই বিদ্যালয়ের চার ছাত্রীকে সিলেট থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার তাদের সিলেটের একটি বাস কাউন্টারে গোয়াইনঘাটগামী বাসের জন্য অপেক্ষারত অবস্থায় পাওয়া যায়।
বুধবার (১ জুলাই) বিকালে ঠাকুরগাঁওয়ের সহকারী পুলিশ সুপার স্নেহাশীষ কুমার দাস জানান, নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই পুলিশ তাদের সন্ধানে কাজ করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও বিভিন্ন সূত্রে অনুসন্ধান চালিয়ে অবশেষে সিলেট থেকে চার ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের নিজ এলাকায় ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া শিক্ষার্থীরা এর আগে ঢাকায় গিয়েছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তারা একটি মানবপাচার চক্রের প্রলোভনের শিকার হয়েছিল। ওই চক্র তাদের ভারতে পাচারের চেষ্টা করছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে।

এর আগে মঙ্গলবার সকালে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার কথা বলে একসঙ্গে বাড়ি থেকে বের হয় চার স্কুলছাত্রী। রাত পর্যন্ত তারা বাড়ি ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়-স্বজন ও সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাদের কোনো সন্ধান পাননি।
উদ্ধার হওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন চাড়োল ইউনিয়নের সাবাজপুর গ্রামের মানিক চন্দ্রের মেয়ে শ্রীমতি খুশি, বাংঠু দেবনাথের মেয়ে মল্লিকা, রমেশ চন্দ্র দেবনাথের মেয়ে ঋতু দেবনাথ এবং আকালু দেবনাথের মেয়ে সুজতি রানী দেবনাথ। তাদের মধ্যে খুশি, মলিকা ও ঋতু সাবাজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী এবং সুজতি একই বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী।
পুলিশ জানিয়েছে, চার শিক্ষার্থীকে নিরাপদে নিজ এলাকায় ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং সম্ভাব্য মানবপাচার চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা থেকে নিখোঁজ হওয়া একই বিদ্যালয়ের চার ছাত্রীকে সিলেট থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার তাদের সিলেটের একটি বাস কাউন্টারে গোয়াইনঘাটগামী বাসের জন্য অপেক্ষারত অবস্থায় পাওয়া যায়।
বুধবার (১ জুলাই) বিকালে ঠাকুরগাঁওয়ের সহকারী পুলিশ সুপার স্নেহাশীষ কুমার দাস জানান, নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই পুলিশ তাদের সন্ধানে কাজ করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও বিভিন্ন সূত্রে অনুসন্ধান চালিয়ে অবশেষে সিলেট থেকে চার ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের নিজ এলাকায় ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া শিক্ষার্থীরা এর আগে ঢাকায় গিয়েছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তারা একটি মানবপাচার চক্রের প্রলোভনের শিকার হয়েছিল। ওই চক্র তাদের ভারতে পাচারের চেষ্টা করছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে।

এর আগে মঙ্গলবার সকালে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার কথা বলে একসঙ্গে বাড়ি থেকে বের হয় চার স্কুলছাত্রী। রাত পর্যন্ত তারা বাড়ি ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়-স্বজন ও সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাদের কোনো সন্ধান পাননি।
উদ্ধার হওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন চাড়োল ইউনিয়নের সাবাজপুর গ্রামের মানিক চন্দ্রের মেয়ে শ্রীমতি খুশি, বাংঠু দেবনাথের মেয়ে মল্লিকা, রমেশ চন্দ্র দেবনাথের মেয়ে ঋতু দেবনাথ এবং আকালু দেবনাথের মেয়ে সুজতি রানী দেবনাথ। তাদের মধ্যে খুশি, মলিকা ও ঋতু সাবাজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী এবং সুজতি একই বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী।
পুলিশ জানিয়েছে, চার শিক্ষার্থীকে নিরাপদে নিজ এলাকায় ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং সম্ভাব্য মানবপাচার চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

ঠাকুরগাঁও থেকে নিখোঁজ ৪ ছাত্রী সিলেটে উদ্ধার
ঠাকুরগাঁও সংবাদদাতা

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা থেকে নিখোঁজ হওয়া একই বিদ্যালয়ের চার ছাত্রীকে সিলেট থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার তাদের সিলেটের একটি বাস কাউন্টারে গোয়াইনঘাটগামী বাসের জন্য অপেক্ষারত অবস্থায় পাওয়া যায়।
বুধবার (১ জুলাই) বিকালে ঠাকুরগাঁওয়ের সহকারী পুলিশ সুপার স্নেহাশীষ কুমার দাস জানান, নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই পুলিশ তাদের সন্ধানে কাজ করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও বিভিন্ন সূত্রে অনুসন্ধান চালিয়ে অবশেষে সিলেট থেকে চার ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের নিজ এলাকায় ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া শিক্ষার্থীরা এর আগে ঢাকায় গিয়েছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তারা একটি মানবপাচার চক্রের প্রলোভনের শিকার হয়েছিল। ওই চক্র তাদের ভারতে পাচারের চেষ্টা করছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে।

এর আগে মঙ্গলবার সকালে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার কথা বলে একসঙ্গে বাড়ি থেকে বের হয় চার স্কুলছাত্রী। রাত পর্যন্ত তারা বাড়ি ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়-স্বজন ও সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাদের কোনো সন্ধান পাননি।
উদ্ধার হওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন চাড়োল ইউনিয়নের সাবাজপুর গ্রামের মানিক চন্দ্রের মেয়ে শ্রীমতি খুশি, বাংঠু দেবনাথের মেয়ে মল্লিকা, রমেশ চন্দ্র দেবনাথের মেয়ে ঋতু দেবনাথ এবং আকালু দেবনাথের মেয়ে সুজতি রানী দেবনাথ। তাদের মধ্যে খুশি, মলিকা ও ঋতু সাবাজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী এবং সুজতি একই বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী।
পুলিশ জানিয়েছে, চার শিক্ষার্থীকে নিরাপদে নিজ এলাকায় ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং সম্ভাব্য মানবপাচার চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।




