গণঅভ্যুত্থানে হতাহতের ঘটনায় করা ৮৬% মামলার তদন্ত ঝুলে আছে

গণঅভ্যুত্থানে হতাহতের ঘটনায় করা ৮৬% মামলার তদন্ত ঝুলে আছে
সিজেডএন ডেস্ক

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হতাহতের ঘটনায় হওয়া মামলাগুলোর তদন্ত নানা জটিলতায় ঝুলে আছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গণঅভ্যুত্থানে হতাহতের ঘটনায় দেশজুড়ে মোট ১ হাজার ৮৬২টি মামলা হয়। এসব মামলার মধ্যে গত দুই বছরে মাত্র ২৫৪ মামলার তদন্ত শেষে প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। বাকি ৮৬ দশমিক ৩৬ শতাংশ মামলার তদন্ত এখনো শেষ হয়নি।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দাবি, মামলার বিবরণে ঘটনাস্থলের ভুল বর্ণনা, একই ব্যক্তি শহীদ হওয়ার ঘটনায় বিভিন্ন ঘটনাস্থল দেখিয়ে একাধিক মামলা হওয়া, অনেক মামলায় ঢালাও আসামি ইত্যাদি কারণে নানা জটিলতায় পরতে হচ্ছে তাদের। পাশাপাশি অধিকাংশ ঘটনায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাফন হওয়ায় দীর্ঘ সময় পর লাশের ময়নাতদন্ত হওয়ায় মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতেও পুলিশকে বেগ পোহাতে হচ্ছে।
পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ৩০ জুন পর্যন্ত গণঅভ্যুত্থানে হতাহতের ঘটনায় হওয়া ১ হাজার ৮৬২ মামলার মধ্যে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে মাত্র ১৯৯টির। অভিযোগের প্রমাণ না পাওয়ায় ৫৫টি মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে পুলিশ। গণ-অভ্যুত্থানের ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছিল ৭৯৯টি। এসব মামলায় মোট আসামি ৩ লাখ ২৭ হাজার ৮৪১ জন। এর মধ্যে এজাহারভুক্ত আসামি ৬৫ হাজার ২১০ এবং সন্দেহভাজন আসামি ২ লাখ ৬২ হাজার ৬৩১ জন।
আর আহত হওয়ার ঘটনায় সারা দেশে মামলা হয়েছে ১ হাজার ৬৩টি। মোট আসামি ২ লাখ ৮২ হাজার ৮৭৯ জন। এর মধ্যে এজাহারভুক্ত ৮৯ হাজার ১২১ এবং সন্দেহভাজন ১ লাখ ৯৩ হাজার ৭৫৮।
হত্যা মামলাগুলোর মধ্যে ৬৩টির ক্ষেত্রে প্রমাণ পাওয়ায় অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। আর ঘটনার সঙ্গে কারও সম্পৃক্ততা না পেয়ে ৩৭টি মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। এসব মামলায় অভিযোগপত্রভুক্ত আসামির সংখ্যা ৫ হাজার ৭৯৩।
পুলিশ সদর দপ্তরের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি-অপরাধ) মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান গণমাধ্যমকে বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ফরেনসিক প্রতিবেদন একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। তবে গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেতে সময় লাগছে। অনেকের লাশ বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হয়েছে। পরিচয় শনাক্ত না হওয়া পর্যন্ত সেসব ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনায় মামলা ও তদন্ত করাও সমস্যা। এসব নিয়ে জটিলতায় পড়তে হচ্ছে। এ ছাড়া বিভিন্ন ত্রুটি, পদ্ধতিগত জটিলতা ও ঘটনা সম্পর্কে পরিষ্কার চিত্র না পাওয়ায় অনেক মামলার তদন্ত শেষ করতে সময় লাগছে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হতাহতের ঘটনায় হওয়া মামলাগুলোর তদন্ত নানা জটিলতায় ঝুলে আছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গণঅভ্যুত্থানে হতাহতের ঘটনায় দেশজুড়ে মোট ১ হাজার ৮৬২টি মামলা হয়। এসব মামলার মধ্যে গত দুই বছরে মাত্র ২৫৪ মামলার তদন্ত শেষে প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। বাকি ৮৬ দশমিক ৩৬ শতাংশ মামলার তদন্ত এখনো শেষ হয়নি।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দাবি, মামলার বিবরণে ঘটনাস্থলের ভুল বর্ণনা, একই ব্যক্তি শহীদ হওয়ার ঘটনায় বিভিন্ন ঘটনাস্থল দেখিয়ে একাধিক মামলা হওয়া, অনেক মামলায় ঢালাও আসামি ইত্যাদি কারণে নানা জটিলতায় পরতে হচ্ছে তাদের। পাশাপাশি অধিকাংশ ঘটনায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাফন হওয়ায় দীর্ঘ সময় পর লাশের ময়নাতদন্ত হওয়ায় মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতেও পুলিশকে বেগ পোহাতে হচ্ছে।
পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ৩০ জুন পর্যন্ত গণঅভ্যুত্থানে হতাহতের ঘটনায় হওয়া ১ হাজার ৮৬২ মামলার মধ্যে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে মাত্র ১৯৯টির। অভিযোগের প্রমাণ না পাওয়ায় ৫৫টি মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে পুলিশ। গণ-অভ্যুত্থানের ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছিল ৭৯৯টি। এসব মামলায় মোট আসামি ৩ লাখ ২৭ হাজার ৮৪১ জন। এর মধ্যে এজাহারভুক্ত আসামি ৬৫ হাজার ২১০ এবং সন্দেহভাজন আসামি ২ লাখ ৬২ হাজার ৬৩১ জন।
আর আহত হওয়ার ঘটনায় সারা দেশে মামলা হয়েছে ১ হাজার ৬৩টি। মোট আসামি ২ লাখ ৮২ হাজার ৮৭৯ জন। এর মধ্যে এজাহারভুক্ত ৮৯ হাজার ১২১ এবং সন্দেহভাজন ১ লাখ ৯৩ হাজার ৭৫৮।
হত্যা মামলাগুলোর মধ্যে ৬৩টির ক্ষেত্রে প্রমাণ পাওয়ায় অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। আর ঘটনার সঙ্গে কারও সম্পৃক্ততা না পেয়ে ৩৭টি মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। এসব মামলায় অভিযোগপত্রভুক্ত আসামির সংখ্যা ৫ হাজার ৭৯৩।
পুলিশ সদর দপ্তরের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি-অপরাধ) মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান গণমাধ্যমকে বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ফরেনসিক প্রতিবেদন একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। তবে গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেতে সময় লাগছে। অনেকের লাশ বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হয়েছে। পরিচয় শনাক্ত না হওয়া পর্যন্ত সেসব ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনায় মামলা ও তদন্ত করাও সমস্যা। এসব নিয়ে জটিলতায় পড়তে হচ্ছে। এ ছাড়া বিভিন্ন ত্রুটি, পদ্ধতিগত জটিলতা ও ঘটনা সম্পর্কে পরিষ্কার চিত্র না পাওয়ায় অনেক মামলার তদন্ত শেষ করতে সময় লাগছে।

গণঅভ্যুত্থানে হতাহতের ঘটনায় করা ৮৬% মামলার তদন্ত ঝুলে আছে
সিজেডএন ডেস্ক

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হতাহতের ঘটনায় হওয়া মামলাগুলোর তদন্ত নানা জটিলতায় ঝুলে আছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গণঅভ্যুত্থানে হতাহতের ঘটনায় দেশজুড়ে মোট ১ হাজার ৮৬২টি মামলা হয়। এসব মামলার মধ্যে গত দুই বছরে মাত্র ২৫৪ মামলার তদন্ত শেষে প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। বাকি ৮৬ দশমিক ৩৬ শতাংশ মামলার তদন্ত এখনো শেষ হয়নি।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দাবি, মামলার বিবরণে ঘটনাস্থলের ভুল বর্ণনা, একই ব্যক্তি শহীদ হওয়ার ঘটনায় বিভিন্ন ঘটনাস্থল দেখিয়ে একাধিক মামলা হওয়া, অনেক মামলায় ঢালাও আসামি ইত্যাদি কারণে নানা জটিলতায় পরতে হচ্ছে তাদের। পাশাপাশি অধিকাংশ ঘটনায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাফন হওয়ায় দীর্ঘ সময় পর লাশের ময়নাতদন্ত হওয়ায় মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতেও পুলিশকে বেগ পোহাতে হচ্ছে।
পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ৩০ জুন পর্যন্ত গণঅভ্যুত্থানে হতাহতের ঘটনায় হওয়া ১ হাজার ৮৬২ মামলার মধ্যে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে মাত্র ১৯৯টির। অভিযোগের প্রমাণ না পাওয়ায় ৫৫টি মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে পুলিশ। গণ-অভ্যুত্থানের ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছিল ৭৯৯টি। এসব মামলায় মোট আসামি ৩ লাখ ২৭ হাজার ৮৪১ জন। এর মধ্যে এজাহারভুক্ত আসামি ৬৫ হাজার ২১০ এবং সন্দেহভাজন আসামি ২ লাখ ৬২ হাজার ৬৩১ জন।
আর আহত হওয়ার ঘটনায় সারা দেশে মামলা হয়েছে ১ হাজার ৬৩টি। মোট আসামি ২ লাখ ৮২ হাজার ৮৭৯ জন। এর মধ্যে এজাহারভুক্ত ৮৯ হাজার ১২১ এবং সন্দেহভাজন ১ লাখ ৯৩ হাজার ৭৫৮।
হত্যা মামলাগুলোর মধ্যে ৬৩টির ক্ষেত্রে প্রমাণ পাওয়ায় অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। আর ঘটনার সঙ্গে কারও সম্পৃক্ততা না পেয়ে ৩৭টি মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। এসব মামলায় অভিযোগপত্রভুক্ত আসামির সংখ্যা ৫ হাজার ৭৯৩।
পুলিশ সদর দপ্তরের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি-অপরাধ) মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান গণমাধ্যমকে বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ফরেনসিক প্রতিবেদন একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। তবে গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেতে সময় লাগছে। অনেকের লাশ বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হয়েছে। পরিচয় শনাক্ত না হওয়া পর্যন্ত সেসব ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনায় মামলা ও তদন্ত করাও সমস্যা। এসব নিয়ে জটিলতায় পড়তে হচ্ছে। এ ছাড়া বিভিন্ন ত্রুটি, পদ্ধতিগত জটিলতা ও ঘটনা সম্পর্কে পরিষ্কার চিত্র না পাওয়ায় অনেক মামলার তদন্ত শেষ করতে সময় লাগছে।

জুলাই হত্যা মামলায় ‘নিহত’ ব্যক্তি সৌদি আরবে ঘুরে বেড়াচ্ছেন





