অফিস সময়ে বেসরকারি হাসপাতালে রোগী দেখে সনদ হারালেন চিকিৎসক

অফিস সময়ে বেসরকারি হাসপাতালে রোগী দেখে সনদ হারালেন চিকিৎসক
বিশেষ প্রতিনিধি

চাকরি করেন সরকারি হাসপাতালে। সকালে হাজিরা দিয়ে রোগী দেখেন বেসরকারি হাসপাতালে। এমন অভিযোগে চাকরি হারাতে যাচ্ছেন শরীয়তপুরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের জুনিয়র কনসালটেন্ট (শিশু) ডা. রাজেশ মজুমদার।
এই ঘটনায় অন্যদের জন্যও সতর্ক বার্তা দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। এজন্য মাঠে গোয়েন্দারা কাজ করছে। কারও বিরুদ্ধে এই ধরণের অভিযোগ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেন, সরকারি হাসপাতালে চাকরি করে বেসরকারি হাসপাতালে রোগী দেখার ঘটনাটি একজন সংবাদকর্মীর ক্যামেরায় ধরা পড়ে। সাংবাদিক তখন ওই চিকিৎসককে জিজ্ঞাসা করলে তাদের মধ্যে কিছুটা তর্কাতর্কি হয়। ওই ভিডিও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নজরে আসে। তখন তিনি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমাকে ফোন করেন। বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেই।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল–বিএমডিসিকে নির্দেশ দেওয়া হয়। ওই ঘটনায় বিএমডিসি এই চিকিৎসকের সনদ ৬ মাসের জন্য স্থগিত করে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, একজন চিকিৎসকের সনদ স্থগিত করার মাধ্যমে অন্যদেরও সতর্ক করা হলো। এই ধরণের কোনো ঘটনা অন্য কোথাও ঘটলে তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি গণমাধ্যমের সহায়তায় অন্যান্যদের সর্তক বার্তা দেন।
বেসরকারি হাসপাতালে ভিন্ন ভিন্ন ফি নেওয়ার ঘটনায় কাজ চলছে। পরীক্ষা–নিরীক্ষায় কী ধরণের কিট ব্যবহার করা হচ্ছে তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। ভবিষ্যতে এসব ফি নির্ধারণ করে দেওয়ার বিষয়ে কাজ চলছে।
দলীয় পরিচয়ে অনেকেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বড় হাসপাতালে পদ নেন। কিন্তু সঠিকমতো চিকিৎসা দেন না। এই বিষয়ে জানতে চাইলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, কারও কোনো দল পছন্দ থাকতে পারে। করতেও পারবে। তবে চিকিৎোর ক্ষেত্রে কোনো রকম ঘটনা মেনে নেওয়া হবে না। তাদেরকে নির্ধারিত দায়িত্ব পালন করতে হবে। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা রয়েছে।
রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতালের একাধিক চিকিৎসক অফিস সময়ে হাসপাতঅর সংলগ্ন ক্লিনিক, ডায়াগনোস্টিক সেন্টার ও বেসরকারি হাসপাতালে রোগী দেখে থাকেন। এছাড়া অন্যান্য ঞাসপাতালেও এমন ঘটনা ঘটছে। হাসপাতাল থেকে দালালমুক্ত করতে অভিযান শুরু হবে। ইতোমধ্যে গোয়েন্দা নজরদারি শুরু হয়েছে।
শরীয়তপুরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের জুনিয়র কনসালটেন্ট (শিশু) ডা. রাজেশ মজুমদার বায়োমেট্রিক হাজিরা দিয়ে একটি বেসরকারি হাসপাতালে গিয়ে রোগী দেখেছেন এমন অভিযোগ গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়। ৪ মার্চ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে একটি টেলিভিশন চ্যানেলে বিষয়টি লাইভ সম্প্রচার করা হয়। এ সময় তিনি নিজেকে অসুস্থ দাবি করলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার ব্যক্তিগত চেম্বারে রোগী দেখার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে।
এতে সরকারি দায়িত্ব পালনে অনিয়মের পাশাপাশি সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে বলে মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

চাকরি করেন সরকারি হাসপাতালে। সকালে হাজিরা দিয়ে রোগী দেখেন বেসরকারি হাসপাতালে। এমন অভিযোগে চাকরি হারাতে যাচ্ছেন শরীয়তপুরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের জুনিয়র কনসালটেন্ট (শিশু) ডা. রাজেশ মজুমদার।
এই ঘটনায় অন্যদের জন্যও সতর্ক বার্তা দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। এজন্য মাঠে গোয়েন্দারা কাজ করছে। কারও বিরুদ্ধে এই ধরণের অভিযোগ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেন, সরকারি হাসপাতালে চাকরি করে বেসরকারি হাসপাতালে রোগী দেখার ঘটনাটি একজন সংবাদকর্মীর ক্যামেরায় ধরা পড়ে। সাংবাদিক তখন ওই চিকিৎসককে জিজ্ঞাসা করলে তাদের মধ্যে কিছুটা তর্কাতর্কি হয়। ওই ভিডিও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নজরে আসে। তখন তিনি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমাকে ফোন করেন। বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেই।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল–বিএমডিসিকে নির্দেশ দেওয়া হয়। ওই ঘটনায় বিএমডিসি এই চিকিৎসকের সনদ ৬ মাসের জন্য স্থগিত করে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, একজন চিকিৎসকের সনদ স্থগিত করার মাধ্যমে অন্যদেরও সতর্ক করা হলো। এই ধরণের কোনো ঘটনা অন্য কোথাও ঘটলে তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি গণমাধ্যমের সহায়তায় অন্যান্যদের সর্তক বার্তা দেন।
বেসরকারি হাসপাতালে ভিন্ন ভিন্ন ফি নেওয়ার ঘটনায় কাজ চলছে। পরীক্ষা–নিরীক্ষায় কী ধরণের কিট ব্যবহার করা হচ্ছে তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। ভবিষ্যতে এসব ফি নির্ধারণ করে দেওয়ার বিষয়ে কাজ চলছে।
দলীয় পরিচয়ে অনেকেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বড় হাসপাতালে পদ নেন। কিন্তু সঠিকমতো চিকিৎসা দেন না। এই বিষয়ে জানতে চাইলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, কারও কোনো দল পছন্দ থাকতে পারে। করতেও পারবে। তবে চিকিৎোর ক্ষেত্রে কোনো রকম ঘটনা মেনে নেওয়া হবে না। তাদেরকে নির্ধারিত দায়িত্ব পালন করতে হবে। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা রয়েছে।
রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতালের একাধিক চিকিৎসক অফিস সময়ে হাসপাতঅর সংলগ্ন ক্লিনিক, ডায়াগনোস্টিক সেন্টার ও বেসরকারি হাসপাতালে রোগী দেখে থাকেন। এছাড়া অন্যান্য ঞাসপাতালেও এমন ঘটনা ঘটছে। হাসপাতাল থেকে দালালমুক্ত করতে অভিযান শুরু হবে। ইতোমধ্যে গোয়েন্দা নজরদারি শুরু হয়েছে।
শরীয়তপুরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের জুনিয়র কনসালটেন্ট (শিশু) ডা. রাজেশ মজুমদার বায়োমেট্রিক হাজিরা দিয়ে একটি বেসরকারি হাসপাতালে গিয়ে রোগী দেখেছেন এমন অভিযোগ গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়। ৪ মার্চ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে একটি টেলিভিশন চ্যানেলে বিষয়টি লাইভ সম্প্রচার করা হয়। এ সময় তিনি নিজেকে অসুস্থ দাবি করলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার ব্যক্তিগত চেম্বারে রোগী দেখার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে।
এতে সরকারি দায়িত্ব পালনে অনিয়মের পাশাপাশি সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে বলে মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

অফিস সময়ে বেসরকারি হাসপাতালে রোগী দেখে সনদ হারালেন চিকিৎসক
বিশেষ প্রতিনিধি

চাকরি করেন সরকারি হাসপাতালে। সকালে হাজিরা দিয়ে রোগী দেখেন বেসরকারি হাসপাতালে। এমন অভিযোগে চাকরি হারাতে যাচ্ছেন শরীয়তপুরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের জুনিয়র কনসালটেন্ট (শিশু) ডা. রাজেশ মজুমদার।
এই ঘটনায় অন্যদের জন্যও সতর্ক বার্তা দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। এজন্য মাঠে গোয়েন্দারা কাজ করছে। কারও বিরুদ্ধে এই ধরণের অভিযোগ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেন, সরকারি হাসপাতালে চাকরি করে বেসরকারি হাসপাতালে রোগী দেখার ঘটনাটি একজন সংবাদকর্মীর ক্যামেরায় ধরা পড়ে। সাংবাদিক তখন ওই চিকিৎসককে জিজ্ঞাসা করলে তাদের মধ্যে কিছুটা তর্কাতর্কি হয়। ওই ভিডিও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নজরে আসে। তখন তিনি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমাকে ফোন করেন। বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেই।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল–বিএমডিসিকে নির্দেশ দেওয়া হয়। ওই ঘটনায় বিএমডিসি এই চিকিৎসকের সনদ ৬ মাসের জন্য স্থগিত করে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, একজন চিকিৎসকের সনদ স্থগিত করার মাধ্যমে অন্যদেরও সতর্ক করা হলো। এই ধরণের কোনো ঘটনা অন্য কোথাও ঘটলে তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি গণমাধ্যমের সহায়তায় অন্যান্যদের সর্তক বার্তা দেন।
বেসরকারি হাসপাতালে ভিন্ন ভিন্ন ফি নেওয়ার ঘটনায় কাজ চলছে। পরীক্ষা–নিরীক্ষায় কী ধরণের কিট ব্যবহার করা হচ্ছে তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। ভবিষ্যতে এসব ফি নির্ধারণ করে দেওয়ার বিষয়ে কাজ চলছে।
দলীয় পরিচয়ে অনেকেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বড় হাসপাতালে পদ নেন। কিন্তু সঠিকমতো চিকিৎসা দেন না। এই বিষয়ে জানতে চাইলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, কারও কোনো দল পছন্দ থাকতে পারে। করতেও পারবে। তবে চিকিৎোর ক্ষেত্রে কোনো রকম ঘটনা মেনে নেওয়া হবে না। তাদেরকে নির্ধারিত দায়িত্ব পালন করতে হবে। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা রয়েছে।
রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতালের একাধিক চিকিৎসক অফিস সময়ে হাসপাতঅর সংলগ্ন ক্লিনিক, ডায়াগনোস্টিক সেন্টার ও বেসরকারি হাসপাতালে রোগী দেখে থাকেন। এছাড়া অন্যান্য ঞাসপাতালেও এমন ঘটনা ঘটছে। হাসপাতাল থেকে দালালমুক্ত করতে অভিযান শুরু হবে। ইতোমধ্যে গোয়েন্দা নজরদারি শুরু হয়েছে।
শরীয়তপুরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের জুনিয়র কনসালটেন্ট (শিশু) ডা. রাজেশ মজুমদার বায়োমেট্রিক হাজিরা দিয়ে একটি বেসরকারি হাসপাতালে গিয়ে রোগী দেখেছেন এমন অভিযোগ গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়। ৪ মার্চ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে একটি টেলিভিশন চ্যানেলে বিষয়টি লাইভ সম্প্রচার করা হয়। এ সময় তিনি নিজেকে অসুস্থ দাবি করলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার ব্যক্তিগত চেম্বারে রোগী দেখার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে।
এতে সরকারি দায়িত্ব পালনে অনিয়মের পাশাপাশি সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে বলে মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।




