ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর

ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর
কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজারের ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে পিএমখালি ইউনিয়নের পাতলী খালের পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন শেষা সাফারি পার্কটি পরিদর্শনে যান তিনি।
পরিদর্শনকালে পার্কের ভেতরের বিভিন্ন জায়গা ঘুরে ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় সাফারি পার্কের মূল ফটকের সামনে একটি নাগলিঙ্গম গাছের চারা রোপণ করেন তিনি। পরে প্রধানমন্ত্রী পার্কের স্মারক বইয়ে স্বাক্ষর করেন। একইসঙ্গে স্মারক বইয়ে স্বাক্ষর করেন ডা. জুবাইদা রহমান।
এর আগে, ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।
প্রসঙ্গত, চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারায় অবস্থিত ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক। চট্টগ্রাম শহর থেকে এর দূরত্ব প্রায় ১০৭ কিলোমিটার। কক্সবাজার শহর থেকে প্রায় ৪৭ কিলোমিটার। এই সাফারি পার্কের যাত্রা শুরু ১৯৮০-৮১ অর্থবছরে। তখন ৪২ দশমিক ৫ হেক্টর বনভূমি নিয়ে এখানে একটি হরিণ প্রজননকেন্দ্র গড়ে তোলে বন বিভাগ। পরে দেশের প্রথম সাফারি পার্ক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

কক্সবাজারের ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে পিএমখালি ইউনিয়নের পাতলী খালের পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন শেষা সাফারি পার্কটি পরিদর্শনে যান তিনি।
পরিদর্শনকালে পার্কের ভেতরের বিভিন্ন জায়গা ঘুরে ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় সাফারি পার্কের মূল ফটকের সামনে একটি নাগলিঙ্গম গাছের চারা রোপণ করেন তিনি। পরে প্রধানমন্ত্রী পার্কের স্মারক বইয়ে স্বাক্ষর করেন। একইসঙ্গে স্মারক বইয়ে স্বাক্ষর করেন ডা. জুবাইদা রহমান।
এর আগে, ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।
প্রসঙ্গত, চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারায় অবস্থিত ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক। চট্টগ্রাম শহর থেকে এর দূরত্ব প্রায় ১০৭ কিলোমিটার। কক্সবাজার শহর থেকে প্রায় ৪৭ কিলোমিটার। এই সাফারি পার্কের যাত্রা শুরু ১৯৮০-৮১ অর্থবছরে। তখন ৪২ দশমিক ৫ হেক্টর বনভূমি নিয়ে এখানে একটি হরিণ প্রজননকেন্দ্র গড়ে তোলে বন বিভাগ। পরে দেশের প্রথম সাফারি পার্ক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর
কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজারের ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে পিএমখালি ইউনিয়নের পাতলী খালের পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন শেষা সাফারি পার্কটি পরিদর্শনে যান তিনি।
পরিদর্শনকালে পার্কের ভেতরের বিভিন্ন জায়গা ঘুরে ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় সাফারি পার্কের মূল ফটকের সামনে একটি নাগলিঙ্গম গাছের চারা রোপণ করেন তিনি। পরে প্রধানমন্ত্রী পার্কের স্মারক বইয়ে স্বাক্ষর করেন। একইসঙ্গে স্মারক বইয়ে স্বাক্ষর করেন ডা. জুবাইদা রহমান।
এর আগে, ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।
প্রসঙ্গত, চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারায় অবস্থিত ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক। চট্টগ্রাম শহর থেকে এর দূরত্ব প্রায় ১০৭ কিলোমিটার। কক্সবাজার শহর থেকে প্রায় ৪৭ কিলোমিটার। এই সাফারি পার্কের যাত্রা শুরু ১৯৮০-৮১ অর্থবছরে। তখন ৪২ দশমিক ৫ হেক্টর বনভূমি নিয়ে এখানে একটি হরিণ প্রজননকেন্দ্র গড়ে তোলে বন বিভাগ। পরে দেশের প্রথম সাফারি পার্ক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

এবারের বাজেটে নিত্যপণ্যের দাম বাড়েনি: প্রধানমন্ত্রী


