মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন

মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন
বিশেষ প্রতিনিধি

মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে এই সভা শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বিশেষ এ সভা শেষে বিকাল ৩টায় প্রধানমন্ত্রী অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে সঙ্গে নিয়ে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে যোগ দেবেন। পরে অর্থমন্ত্রী ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেট এবং ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করবেন।
আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বাজেট হতে যাচ্ছে। বাজেটে দেশীয় শিল্পের বিকাশ, আমদানি নির্ভরতা কমানো, কর ব্যবস্থায় কাঠামোগত সংস্কার, নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় রাখা, সামাজিক নিরাপত্তা খাত এবং ভ্যাট ব্যবস্থা ডিজিটালাইজ করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
একইসঙ্গে ‘সম্পদ কর’ চালু ও উৎপাদিত পণ্যে দ্বৈত কর পরিহারের উদ্যোগও থাকছে সরকারের অগ্রাধিকার তালিকায়। প্রস্তাবিত এই বাজেটের আকার ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা, যা চলতি অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ২৫ শতাংশ বা ১ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা বেশি। বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ঘাটতি দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা।
প্রস্তাবিত বাজেটে বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে। এর মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে নেওয়া হবে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য উৎস থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকার অর্থ সংগ্রহ করা হবে।

মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে এই সভা শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বিশেষ এ সভা শেষে বিকাল ৩টায় প্রধানমন্ত্রী অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে সঙ্গে নিয়ে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে যোগ দেবেন। পরে অর্থমন্ত্রী ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেট এবং ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করবেন।
আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বাজেট হতে যাচ্ছে। বাজেটে দেশীয় শিল্পের বিকাশ, আমদানি নির্ভরতা কমানো, কর ব্যবস্থায় কাঠামোগত সংস্কার, নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় রাখা, সামাজিক নিরাপত্তা খাত এবং ভ্যাট ব্যবস্থা ডিজিটালাইজ করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
একইসঙ্গে ‘সম্পদ কর’ চালু ও উৎপাদিত পণ্যে দ্বৈত কর পরিহারের উদ্যোগও থাকছে সরকারের অগ্রাধিকার তালিকায়। প্রস্তাবিত এই বাজেটের আকার ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা, যা চলতি অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ২৫ শতাংশ বা ১ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা বেশি। বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ঘাটতি দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা।
প্রস্তাবিত বাজেটে বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে। এর মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে নেওয়া হবে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য উৎস থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকার অর্থ সংগ্রহ করা হবে।

মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন
বিশেষ প্রতিনিধি

মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে এই সভা শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বিশেষ এ সভা শেষে বিকাল ৩টায় প্রধানমন্ত্রী অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে সঙ্গে নিয়ে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে যোগ দেবেন। পরে অর্থমন্ত্রী ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেট এবং ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করবেন।
আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বাজেট হতে যাচ্ছে। বাজেটে দেশীয় শিল্পের বিকাশ, আমদানি নির্ভরতা কমানো, কর ব্যবস্থায় কাঠামোগত সংস্কার, নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় রাখা, সামাজিক নিরাপত্তা খাত এবং ভ্যাট ব্যবস্থা ডিজিটালাইজ করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
একইসঙ্গে ‘সম্পদ কর’ চালু ও উৎপাদিত পণ্যে দ্বৈত কর পরিহারের উদ্যোগও থাকছে সরকারের অগ্রাধিকার তালিকায়। প্রস্তাবিত এই বাজেটের আকার ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা, যা চলতি অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ২৫ শতাংশ বা ১ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা বেশি। বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ঘাটতি দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা।
প্রস্তাবিত বাজেটে বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে। এর মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে নেওয়া হবে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য উৎস থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকার অর্থ সংগ্রহ করা হবে।

‘বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ থাকছে না’

