অর্থের অভাবে কারও চিকিৎসা বন্ধ থাকবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

অর্থের অভাবে কারও চিকিৎসা বন্ধ থাকবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা মানবিক বাংলাদেশে অর্থের অভাবে কারও চিকিৎসা বন্ধ থাকবে না বলে জানিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
সোমবার (২৭ জুলাই) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে জাতীয় নাক, কান ও গলা ইনস্টিটিউটে ‘ওয়ার্ল্ড হেড অ্যান্ড নেক ক্যানসার ডে ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, সরকার শুধু স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন নয়, সার্বিক উন্নয়নেও বদ্ধপরিকর। বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে যে প্রতিশ্রুতিগুলো দেওয়া হয়েছে, সেগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।
সমাজে বসবাসরত মূক ও বধির ব্যক্তিরাও যে চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ জীবনযাপন করতে পারেন, সে বিষয়ে জনগণকে সচেতন করতে সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
জাহিদ হোসেন বলেন, যেসব শিশু জন্মগতভাবে বা পরবর্তীকালে শ্রবণশক্তি হারিয়েছে এবং অন্য কোনো উপায়ে যাদের শ্রবণশক্তি ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়, তাদের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ব্যয়বহুল কক্লিয়ার ইমপ্লান্টেশন সার্জারি করা হয়। পরবর্তীতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিচালিত এভিটি সেন্টারে থেরাপির মাধ্যমে তাদের স্বাভাবিকভাবে কথা বলা শেখানো হবে। সেই সঙ্গে বিভাগীয় পর্যায়েও এভিটি সেন্টারের কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. মনোয়ার হোসেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মাজহারুল শাহীন এবং বাংলাদেশ সোসাইটি ফর হেড অ্যান্ড নেক সার্জনসের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুস সাত্তার।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় নাক, কান ও গলা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. হাসান জাফর।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা মানবিক বাংলাদেশে অর্থের অভাবে কারও চিকিৎসা বন্ধ থাকবে না বলে জানিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
সোমবার (২৭ জুলাই) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে জাতীয় নাক, কান ও গলা ইনস্টিটিউটে ‘ওয়ার্ল্ড হেড অ্যান্ড নেক ক্যানসার ডে ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, সরকার শুধু স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন নয়, সার্বিক উন্নয়নেও বদ্ধপরিকর। বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে যে প্রতিশ্রুতিগুলো দেওয়া হয়েছে, সেগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।
সমাজে বসবাসরত মূক ও বধির ব্যক্তিরাও যে চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ জীবনযাপন করতে পারেন, সে বিষয়ে জনগণকে সচেতন করতে সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
জাহিদ হোসেন বলেন, যেসব শিশু জন্মগতভাবে বা পরবর্তীকালে শ্রবণশক্তি হারিয়েছে এবং অন্য কোনো উপায়ে যাদের শ্রবণশক্তি ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়, তাদের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ব্যয়বহুল কক্লিয়ার ইমপ্লান্টেশন সার্জারি করা হয়। পরবর্তীতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিচালিত এভিটি সেন্টারে থেরাপির মাধ্যমে তাদের স্বাভাবিকভাবে কথা বলা শেখানো হবে। সেই সঙ্গে বিভাগীয় পর্যায়েও এভিটি সেন্টারের কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. মনোয়ার হোসেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মাজহারুল শাহীন এবং বাংলাদেশ সোসাইটি ফর হেড অ্যান্ড নেক সার্জনসের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুস সাত্তার।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় নাক, কান ও গলা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. হাসান জাফর।

অর্থের অভাবে কারও চিকিৎসা বন্ধ থাকবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা মানবিক বাংলাদেশে অর্থের অভাবে কারও চিকিৎসা বন্ধ থাকবে না বলে জানিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
সোমবার (২৭ জুলাই) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে জাতীয় নাক, কান ও গলা ইনস্টিটিউটে ‘ওয়ার্ল্ড হেড অ্যান্ড নেক ক্যানসার ডে ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, সরকার শুধু স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন নয়, সার্বিক উন্নয়নেও বদ্ধপরিকর। বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে যে প্রতিশ্রুতিগুলো দেওয়া হয়েছে, সেগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।
সমাজে বসবাসরত মূক ও বধির ব্যক্তিরাও যে চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ জীবনযাপন করতে পারেন, সে বিষয়ে জনগণকে সচেতন করতে সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
জাহিদ হোসেন বলেন, যেসব শিশু জন্মগতভাবে বা পরবর্তীকালে শ্রবণশক্তি হারিয়েছে এবং অন্য কোনো উপায়ে যাদের শ্রবণশক্তি ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়, তাদের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ব্যয়বহুল কক্লিয়ার ইমপ্লান্টেশন সার্জারি করা হয়। পরবর্তীতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিচালিত এভিটি সেন্টারে থেরাপির মাধ্যমে তাদের স্বাভাবিকভাবে কথা বলা শেখানো হবে। সেই সঙ্গে বিভাগীয় পর্যায়েও এভিটি সেন্টারের কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. মনোয়ার হোসেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মাজহারুল শাহীন এবং বাংলাদেশ সোসাইটি ফর হেড অ্যান্ড নেক সার্জনসের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুস সাত্তার।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় নাক, কান ও গলা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. হাসান জাফর।

হাসপাতাল মানুষের আস্থার কেন্দ্র: তথ্যমন্ত্রী





