পুলিশ সংস্কার ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে যুক্তরাজ্যের সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ

পুলিশ সংস্কার ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে যুক্তরাজ্যের সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ
বিশেষ প্রতিনিধি

পুলিশ সংস্কার ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় ‘গ্লোবাল ফ্রড সামিটের’ দ্বিতীয় দিনে গতকাল মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী লর্ড হ্যানসনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এই আহ্বান জানান তিনি।
সরকারের এক তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়, মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বিকেলে ভিয়েনা ইন্টারন্যাশনাল সেন্টারে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক নিরাপত্তা ও কৌশলগত স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে তাদের মধ্যে আলোচনা হয়।
বৈঠকের শুরুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ যুক্তরাজ্যের প্রতিমন্ত্রী লর্ড হ্যানসনকে অভিনন্দন জানিয়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে ঐতিহাসিক সম্পর্কের প্রশংসা করেন। প্রতিরক্ষা, সন্ত্রাসবাদ দমন এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা খাতে বিদ্যমান সহযোগিতা আরও জোরদার করার প্রতিশ্রুতি দেন লর্ড হ্যানসন।
জাতীয় নির্বাচন পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং গণতান্ত্রিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় যুক্তরাজ্যের অব্যাহত সমর্থনের জন্য লর্ড হ্যানসনকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। গত সপ্তাহে ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে বৈঠকের সূত্র ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিরাপত্তা সংস্কার, অভিবাসন ব্যবস্থাপনা এবং অপরাধ বিচার খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা ত্বরান্বিত করার আহ্বান জানান।
বৈঠকের অন্যতম বিষয় ছিল বাংলাদেশ পুলিশের সংস্কার ও আধুনিকায়ন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রিটিশ পুলিশের উচ্চমানেরঅভিজ্ঞতা ও পেশাদারত্বের উদাহরণ টেনে বাংলাদেশ পুলিশের কৌশলগত সংস্কার, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা নিশ্চিতে যুক্তরাজ্যের সহায়তা চান।
এ ছাড়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক চাপ অব্যাহত রাখার জন্য যুক্তরাজ্যের প্রতি আহ্বান জানান। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং বাস্তুচ্যুত বিপুলসংখ্যক মানুষের মানবিক সহায়তায় যুক্তরাজ্যের সক্রিয় ভূমিকার গুরুত্বারোপ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
লর্ড হ্যানসন বাংলাদেশের নিরাপত্তা খাতের সংস্কার পরিকল্পনা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় বাংলাদেশের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং উল্লিখিত ক্ষেত্রগুলোতে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
বৈঠকে ভিয়েনায় নিযুক্ত বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশ সংস্কার ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় ‘গ্লোবাল ফ্রড সামিটের’ দ্বিতীয় দিনে গতকাল মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী লর্ড হ্যানসনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এই আহ্বান জানান তিনি।
সরকারের এক তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়, মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বিকেলে ভিয়েনা ইন্টারন্যাশনাল সেন্টারে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক নিরাপত্তা ও কৌশলগত স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে তাদের মধ্যে আলোচনা হয়।
বৈঠকের শুরুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ যুক্তরাজ্যের প্রতিমন্ত্রী লর্ড হ্যানসনকে অভিনন্দন জানিয়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে ঐতিহাসিক সম্পর্কের প্রশংসা করেন। প্রতিরক্ষা, সন্ত্রাসবাদ দমন এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা খাতে বিদ্যমান সহযোগিতা আরও জোরদার করার প্রতিশ্রুতি দেন লর্ড হ্যানসন।
জাতীয় নির্বাচন পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং গণতান্ত্রিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় যুক্তরাজ্যের অব্যাহত সমর্থনের জন্য লর্ড হ্যানসনকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। গত সপ্তাহে ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে বৈঠকের সূত্র ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিরাপত্তা সংস্কার, অভিবাসন ব্যবস্থাপনা এবং অপরাধ বিচার খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা ত্বরান্বিত করার আহ্বান জানান।
বৈঠকের অন্যতম বিষয় ছিল বাংলাদেশ পুলিশের সংস্কার ও আধুনিকায়ন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রিটিশ পুলিশের উচ্চমানেরঅভিজ্ঞতা ও পেশাদারত্বের উদাহরণ টেনে বাংলাদেশ পুলিশের কৌশলগত সংস্কার, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা নিশ্চিতে যুক্তরাজ্যের সহায়তা চান।
এ ছাড়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক চাপ অব্যাহত রাখার জন্য যুক্তরাজ্যের প্রতি আহ্বান জানান। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং বাস্তুচ্যুত বিপুলসংখ্যক মানুষের মানবিক সহায়তায় যুক্তরাজ্যের সক্রিয় ভূমিকার গুরুত্বারোপ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
লর্ড হ্যানসন বাংলাদেশের নিরাপত্তা খাতের সংস্কার পরিকল্পনা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় বাংলাদেশের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং উল্লিখিত ক্ষেত্রগুলোতে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
বৈঠকে ভিয়েনায় নিযুক্ত বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশ সংস্কার ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে যুক্তরাজ্যের সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ
বিশেষ প্রতিনিধি

পুলিশ সংস্কার ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় ‘গ্লোবাল ফ্রড সামিটের’ দ্বিতীয় দিনে গতকাল মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী লর্ড হ্যানসনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এই আহ্বান জানান তিনি।
সরকারের এক তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়, মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বিকেলে ভিয়েনা ইন্টারন্যাশনাল সেন্টারে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক নিরাপত্তা ও কৌশলগত স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে তাদের মধ্যে আলোচনা হয়।
বৈঠকের শুরুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ যুক্তরাজ্যের প্রতিমন্ত্রী লর্ড হ্যানসনকে অভিনন্দন জানিয়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে ঐতিহাসিক সম্পর্কের প্রশংসা করেন। প্রতিরক্ষা, সন্ত্রাসবাদ দমন এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা খাতে বিদ্যমান সহযোগিতা আরও জোরদার করার প্রতিশ্রুতি দেন লর্ড হ্যানসন।
জাতীয় নির্বাচন পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং গণতান্ত্রিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় যুক্তরাজ্যের অব্যাহত সমর্থনের জন্য লর্ড হ্যানসনকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। গত সপ্তাহে ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে বৈঠকের সূত্র ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিরাপত্তা সংস্কার, অভিবাসন ব্যবস্থাপনা এবং অপরাধ বিচার খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা ত্বরান্বিত করার আহ্বান জানান।
বৈঠকের অন্যতম বিষয় ছিল বাংলাদেশ পুলিশের সংস্কার ও আধুনিকায়ন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রিটিশ পুলিশের উচ্চমানেরঅভিজ্ঞতা ও পেশাদারত্বের উদাহরণ টেনে বাংলাদেশ পুলিশের কৌশলগত সংস্কার, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা নিশ্চিতে যুক্তরাজ্যের সহায়তা চান।
এ ছাড়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক চাপ অব্যাহত রাখার জন্য যুক্তরাজ্যের প্রতি আহ্বান জানান। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং বাস্তুচ্যুত বিপুলসংখ্যক মানুষের মানবিক সহায়তায় যুক্তরাজ্যের সক্রিয় ভূমিকার গুরুত্বারোপ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
লর্ড হ্যানসন বাংলাদেশের নিরাপত্তা খাতের সংস্কার পরিকল্পনা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় বাংলাদেশের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং উল্লিখিত ক্ষেত্রগুলোতে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
বৈঠকে ভিয়েনায় নিযুক্ত বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।




